11/12/2022
>
মাস্টারমশাই রিটায়ার করলেন ২০০৪ সালে।
প্রায় ৩৫-৪০ বছর এই স্কুলে পড়িয়েছেন। নিজে খুব ভালো স্টুডেন্ট ছিলেন, ভালো রেজাল্টও করেছিলেন- কিন্তু পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রী নেওয়ার পরেই নিজের গ্রামে চলে এসেছিলেন সার্ভিস দেবেন বলে। কিন্তু ষাট বছর বয়স হয়ে গেলে তো আর চাকরি করা যায় না, কাজেই তাকে রিটায়ার্ড করতেই হলো। মনে মনে হয়তো ভেবেছিলেন যে এক্সটেনশন পেলেও পেতে পারেন, কিন্তু সেটা যে কোন কারণেই হোক হয়নি।
রিটায়ার্ড লাইফের প্রথম দিন ঘুম থেকে উঠলেন- খুবই বিরস একটা অনুভূতি হচ্ছিল । এতদিন ব্যস্ত ছিলেন, কী করে যে এই সময়টা কাটাবেন। তো বাইরে বেরিয়ে দেখলেন তিনটি আদিবাসী মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের একজন জিজ্ঞাসা করল- আপনি কি সেই মাস্টারমশাই যিনি কাল রিটায়ার করেছেন?
উত্তর এলো- হ্যাঁ, কিন্তু তোমরা কারা? কী চাও?
আমরা অমুক জায়গা থেকে এসেছি, পড়াশোনা করতে চাই কিন্তু একেবারেই সুযোগ পাই না- হাতজোড় করে মেয়ে তিনটি বললো- আপনি যদি আমাদের একটু পড়ান।
মাস্টারমশাই একটু দুষ্টু হাসি হেসে বললেন- আমি কিন্তু ফ্রিতে পড়াবো না, আমাকে মাইনে দিতে হবে। পারবে তো?
একটি মেয়ে বলল- আমরা খুব গরীব, তবু বলুন, কত নেবেন?
আমার সারা বছরের মাইনে এক টাকা আর চারখানা চকোলেট।
একটু বেলা হলে মাস্টার মশাই তার স্কুলে গেলেন, গিয়ে বললেন- আমি এই তিনটি মেয়েকে পড়াবো, আমাকে একটু জায়গা দেবে? আমাকে মাইনে পত্র দিতে হবে না।
স্কুল কিন্তু রাজি হলো না ! এরকম আবার হয় নাকি? এখানে হবে না, আপনি অন্য জায়গা দেখুন।
খুবই অবাক হলেন, কিন্তু হতোদ্যম হলেন না। মাস্টার মশাই বললেন- ঠিক আছে, কাল থেকে তোরা আমার কাছে পড়তে আসবি, আমি আমার বাড়ির বারান্দাতেই পড়াবো।
পরের দিন থেকে মাস্টারমশাইয়ের কাজ হল সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে গ্রামে এক চক্কর মেরে আসা ,তারপর ছাত্র-ছাত্রী পড়ানো ।
তারপর প্রায় ১৮ বছর কেটে গেছে।
মাস্টার মশায়ের সেই স্কুল - সেখানে আজ 3000 ছাত্রছাত্রী পড়ে! মাস্টার মশাই এখনো কর্মক্ষম, এখনো নিজে ছাত্রছাত্রীদের পড়ান। গত বছর তার সামান্য স্বীকৃতি হিসেবে সরকার বাহাদুর তাকে পদ্মশ্রী দিয়ে নিজেই সম্মানিত হয়েছেন।
মাস্টার মশায়ের নাম সুজিত চট্টোপাধ্যায়।
বাসস্থান পূর্ব বর্ধমান।
আর লেখার হেডলাইনে যে নামটা দিয়েছি, সেটাই স্কুলের নাম। সদাই ফকিরের পাঠশালা।
এর থেকে ভালো নামকরণ কি আর কখনো হয়েছে?
>
10/12/2022
|| কেমন ছিলো স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের শেষ সময়টা..?🤔 ||
স্বামীজির মহাপ্রয়াণ হয় ৩৯ বছর বয়েসে ১৯০২ সালে। বেলুড় মঠে তখন রাত ৯ টা ১০ মিনিট। তখন বেলুড় মঠে বা তার পার্শ্ববর্তী গ্রামে বিদ্যুৎ ছিল না। কিন্তু টেলিফোন ছিল তবুও কোন সংবাদমাধ্যম আসেনি এবং পরের দিন বাঙ্গলাদেশের কোন কাগজেই বিবেকানন্দের মৃত্যূ সংবাদ প্রকাশিত হয়নি,এমন কি কোন রাষ্ট্রনেতা বা কোন বিখ্যাত বাঙ্গালী কোন শোকজ্ঞাপনও করেননি।
ভাবতে পারেন..?
স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর স্বল্প জীবনে অপমান, অবহেলা বহু পেয়েছেন, উপেক্ষিত হয়েছেন বার বার। পিতার মৃত্যুর পর স্বজ্ঞাতির সঙ্গে কোর্ট কাছারী করতে হয়েছে তাঁকে। বহু বার হাজিরা দিয়েছেন কাঠগড়ায়।
নিদারুণ দরিদ্রের সংসারে সকালে উঠে অফিস পাড়া ঘুরে ঘুরে চাকরির খোঁজে বেরুতেন। দিনের পর দিন মা কে বলতেন মা আজ রাতে বন্ধুর বাড়িতে খেতে যাবো। প্রায় দিন দেখতেন সংসারে চাল,ডাল,নুন ,তেল কিছুই নেই কিন্তু ভাই ও বোন নিয়ে ৫ টা পেটের খাবার কি ভাবে জুটবে ? মুদির দোকানে ধার করে মাকে এক- দুই দিনের চাল ডাল দিয়ে ... মা কে বলতেন আমার রান্না কোরো না.. মা ! দিন দুই বন্ধুর বাড়িতে নিমন্ত্রণ আছে কিন্তু.. কোথায় নিমন্ত্রণ ? আনাহার আর অর্ধপেটে থাকতেন তৎ কালীন নরেন্দ্র..
ভাবা যায় !!
চরম দারিদ্রের মধ্যে সারা জীবনটাই টেনে নিয়ে গেছেন। ২৩ বছর বয়েসে শিক্ষকের চাকরি পেলেন মেট্রোপলিটন স্কুলে। যাঁর প্রতিষ্ঠাতা বিদ্যাসাগর মশাই আর হেডমাস্টার বিদ্যাসাগরের জামাতা। জামাতা পছন্দ করতেন না নরেন্দ্রনাথ দত্তকে .. শ্বশুরকে বলে...“ খারাপ পড়ানোর অপরাধে ” বিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দিলেন বিবেকানন্দকে। অথছ, যাঁর জ্ঞান, বুদ্ধি, ব্যুৎপত্তি তর্কাতীত, অন্তত সেই সময়েও।
আবার বেকার বিবেকানন্দ। বিদেশেও তাঁর নামে এক বাঙ্গালি গুরু প্রচার করেন .. বিবেকানন্দ বেশ কয়েকটি বৌ ও দশ-বারো ছেলে পুলের পিতা ও এক আস্ত ভন্ড ও জুয়াখোর।
দেশে ও বিদেশে অর্ধপেটে বা অভুক্ত থেকেছেন দিন থেকে দিনান্তে...
চিঠিতে লিখেছিলেন :
“কতবার দিনের পর দিন অনাহারে কাটিয়েছি। মনে হয়েছে আজই হয়ত মরে যাবো ... জয় ব্রহ্ম বলে উঠে দাঁড়িয়েছি .... বলেছি ...আমার ভয় নেই, নেই মৃত্যূ, নেই ক্ষুধা, আমি পিপাসা বিহীন। জগতের কি ক্ষমতা আমাকে ধ্বংস করে ?”
অসুস্থ বিবেকানন্দ বিশ্ব জয় করে কলকাতায় এলে তাঁর সংবর্ধনা দিতে বা সংবর্ধনা সভা তে আসতে রাজি হয় নি অনেক বিখ্যাত বাঙ্গালী ( নাম গুলি অব্যক্ত রইল) শেষে প্যারিচাঁদ মিত্র রাজি হলেও ... তিনি বলেছিলেন .. ব্রাহ্মণ নয় বিবেকানন্দ। ও কায়েত... তাই সন্ন্যাসী হতে পারে না ,আমি ওকে brother বিবেকানন্দ বলে মঞ্চে সম্বোধন করবো।
১৮৯৮, বিদেশের কাগজে তাঁর বাণী ও ভাষণ পড়ে আমেরিকানরা অভিভূত আর বাঙ্গালীরা !
সেই বছরই অক্টোবরে অসুস্থ স্বামীজি কলকাতার বিখ্যাত ডক্টর রসিকলাল দত্তকে দেখাতে যান,(চেম্বার- ২ সদর স্ট্রিট। কলকাতা যাদুঘরে পাশের রাস্তা )। রুগী বিবেকানন্দ কে দেখে সেই সময় ৪০ টাকা ও ঔষুধের জন্যে ১০ টাকা মানে আজ ২০২২ এর হিসাবে প্রায় ১৬০০০ টাকা নিলেন বিবিধ রোগে আক্রান্ত বিশ্বজয়ী দরিদ্র সন্ন্যাসীর কাছ থেকে ... বেলুড় মঠের জন্যে তোলা অর্থ থেকে স্বামী ব্রহ্মনন্দ এই টাকা বিখ্যাত বাঙ্গালী ডক্টর রসিকলাল কে দিয়েছিলেন।
আরও আছে ...
বিবেকানন্দের মৃত্যুর কোন ফটো নেই। এমনকি বীরপুরুষের কোন ডেথ সার্টিফিকেটও নেই কিন্তু সে সময় বালি-বেলুড় মিউনিসিপালিটি ছিলো।
আর এই municipality বেলুড় মঠে প্রমোদ কর বা amusement tax ধার্য করেছিলো।
বলা হয়েছিল ওটা ছেলে ছোকরাদের আড্ডার ঠেক আর সাধারণ মানুষ বিবেকানন্দকে ব্যঙ্গ করে মঠকে বলতো .. "বিচিত্র আনন্দ" বা "বিবি- কা আনন্দ"। ( মহিলা /বধূ / ... নিয়ে আনন্দ ধাম)। এই ছিলো তৎকালীন মুষ্টিমেয় বাঙ্গালীদের মনোবৃত্তি।
সাধে কি শেষ সময় বলে গিয়েছিলেন -- “একমাত্র আর একজন বিবেকানন্দই বুঝেতে পারবে যে এই বিবেকানন্দ কি করে গেল।”
আজ আমরা যে বিবেকানন্দকে কে নিয়ে এত মাতামাতি করছি, সেই বিবেকানন্দ কেই নিজের জীবদ্দশাতেই সহ্য করতে হয়েছিলো এত বঞ্চনা এত অপমান। ভালোই হয়তো করেছিলেন স্বামীজী এত তারাতারি এই পৃথিবীকে ত্যাগ করে.. নইলে হয়তো আজকের এইসব লোকদেখানো শ্রদ্ধা দেখে বলতেন ‘আদিখ্যেতা সব..’🌸
♦️তথ্যসূত্রঃ শংকরের অচেনা অজানা বিবেকানন্দ
09/12/2022
☘️|| বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনের শেষ সময়ের আখ্যান.. ||☘️
🗓️ ১৯৫০ সাল, ১৫ই কার্ত্তিক 🗓️
কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারে নেমে এল ঘন অন্ধকার। তিনদিন আগে ধলভূমগড় রাজবাড়ির আমন্ত্রণে এক সাহিত্যসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন বিভূতিভূষণ। সে দিন সকালেও প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরুবেন তিনি। তাঁর প্রিয় খাবার শুকনো চিঁড়ে আর নারকোল কোরা খেতে দিয়েছিলেন। কল্যানীদেবী। খাওয়ার পরেই উনি বললেন — বুকে বোধহয় চিঁড়েটা আটকে গেছে, বুকটা কেমন ব্যথা লাগছে। কল্যানী বুকে পিঠে মাসাজ করে দিয়ে বললেন, আজকে আর হাঁটতে যেয়ো না। বিভূতিভূষণ চিরপথিক, কথা না শুনে যথারীতি হাঁটতে বেরিয়ে গেলেন।
সন্ধ্যাবেলায় রাজবাড়ি থেকে এলো তাঁকে নিয়ে যেতে। অনেক প্রখ্যাত সাহিত্যিকেরা এসেছিলেন এই সভায় সে দিন। হঠাৎ তাঁর শরীর খারাপ হল। কয়েক বার বমি করলেন। অসুস্থ হয়ে পড়াতে তাঁকে সকলে ধরাধরি করে গাড়িতে তুলে বাড়িতে পৌঁছে দিলেন।
বেশ ঠান্ডা পড়েছে তখন ঘাটশিলায়। খোলার ছাদের বাড়িতেও খুব ঠান্ডা, তা সত্ত্বেও ওঁকে ভেতরের ঘরে নিয়েই যাওয়া গেল না। চারদিকে কাপড় টাঙিয়ে একটা খাটিয়ায় তাঁকে শোওয়ানো হল। ডাক্তার ভাই নুটবিহারী কোরামিন দেওয়া থেকে শুরু করে গরমজলে সেঁক দেওয়া এবং আনুঙ্গিক যা যা করার করলেন। সকলের আপ্রাণ দৌড়াদৌড়ি সত্ত্বেও আরোও অসুস্থ হতে থাকলেন তিনি। ইতিমধ্যে রামকৃষ্ণ আশ্রম থেকে স্বামী প্রজ্ঞানন্দ এসে পড়েছেন।
তাঁকে দেখে বিভূতিভূষণ বললেন — ‘ আমাকে নাম শোনান..। ’
এর মধ্যে তাঁর স্ত্রী কল্যানীদেবী, ভ্রাতৃবধূ যমুনারা বুঝতে পেরেছেন বিভূতিভূষণের মৃত্যু আসন্ন। কল্যানী স্বামীকে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন — ‘ তুমি আর দেশের বাড়ি যাবে না?’ কষ্ট হচ্ছে, তাও উনি বলছেন, ‘তোমরা যাবে, আমি সঙ্গে থাকবো।’
এমন সময় পাশের ঘরে পুত্র বাবলু, তখন মাত্র তিন বছর বয়স, কেঁদে উঠেছে। উনি কল্যানীর আঁচল ধরে বাবলুকে নিয়ে আসার জন্য ডাকলেন। কল্যানী বললেন, ‘ আমি কিছুতেই যাবো না। ওকে তো এরপর সারাজীবনই কাঁদতে হবে।’ কিন্তু, বিভূতিভূষণ শুনছেন না। বারবার আঁচল ধরে টানছেন কল্যানীর। অবশেষে কল্যানী তাড়াতাড়ি উঠে গেলেন তাকে আনতে।
স্বামী প্রজ্ঞানন্দ সকলের নাম পাঠ করছেন.. উনার কষ্ট সত্তেও বললেন, ‘ রামপ্রসাদের নাম বললেন না তো?’
এদিকে কল্যানী বাবলুকে নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছেন। তার দিকে হাসিমুখে তাকালেন বিভূতিভূষণ। এবং তাঁর চোখ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে এলো। তখন রাত আটটা বেজে পনেরো মিনিট..🌸🌿
কলমে ✒️ মিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় [ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্রবধু ]
াঙালি
09/12/2022
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট অ্যান্টেনা আবিষ্কার করে তাক লাগালেন বাঁকুড়ার বিজ্ঞানী।
অ্যান্টেনা বলতে সাধারণত আমরা বুঝে থাকি বাড়ির ছাদে বড় মুখ করা বা সোজা সেঁটে থাকা একটি বস্তু । কিন্তু অ্যান্টেনা যে এত ছোট হতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল ৷ বিশ্বের এই ক্ষুদ্রতম অ্যান্টেনা আবিষ্কার করলেন বাঁকুড়া পৌরশহরের কেন্দুয়াডিহি এলাকার বাসিন্দা শ্রীকান্ত পাল(Bankura Scientist Srikanta Pal Discovered Worlds Smallest Antenna)৷পেশায় রাঁচির মেসরার বিড়লা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে অধ্যাপনার পাশাপাশি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি ৷ এর আগে দিল্লি এবং রুরকি আইআইটিতে অধ্যাপনার কাজও করেছেন । বাঁকুড়া জেলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর ওয়ারেঙ্গল আর.ই থেকে স্নাতক ৷ তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করে পাড়ি দেন অক্সফোর্ডে ।
দুই দশক আগে ব্লুটুথ আবিষ্কার তথ্য আদান-প্রদানে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছিল ৷ এবার তাঁর তৈরি অ্যান্টেনা দিয়ে তার থেকেও কম সময়ে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব বলে জানান শ্রীকান্তবাবু ৷ বিখ্যাত আমেরিকান সংস্থা তাঁর তৈরি এই বোতাম অ্যান্টেনাকে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ছোট অ্যান্টেনা বলে ঘোষণা করেছে ।
03/12/2022
""বাঁকুড়া জেলার কেঁঞ্জাকুড়ার কাঁসার বাসন শিল্প"
বাঙালি মানেই সংস্কৃতি প্রিয়। বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সুখ্যাতি শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও রয়েছে। বাঙালি বরাবরই খাদ্য প্রেমী, তাই বাঙালি ঐতিহ্যের অধিকাংশই খাদ্যকেন্দ্রিক। খাবার পরিবেশনে কাঁসার থালা, বাটি, গ্লাসের ব্যাবহার বাঙালির বহু প্রাচীণ কালের পরম্পরা। আর কাঁসার বাসনের কথাতে প্রথমেই মনে আসে কেঞ্জাকুড়ার কথা।বাঁকুড়া জেলার তথা সারা রাজ্যের শিল্পের গ্রাম নামে পরিচিত কেঞ্জাকুড়া।কেঁঞ্জাকুড়া ছাড়াও মগরা, হেলনা- শুশুনিয়া, গোগড়া, জিড়রা, মুরগাঁথোল, গুন্নাথ, বিক্রমপুর, পুখুরিয়া, লক্ষীসাগর, লালবাজার(মলিয়ান), শ্যামনগর(মলিয়ান), চাবড়া(ওন্দা), অযোধ্যা, খাগড়া, চুয়ামসিনা ও আরও অনেক জায়গায় কাঁসা বাসনের শিল্প এখনো দেখতে পাওয়া যায়।
বাঁকুড়া-১নং ব্লক ও বাঁকুড়া সদর থানার অধীনে অবস্থিত কেঞ্জাকুড়া গ্রাম। এই শিল্প গ্রামটি তিনটে শিল্পের জন্য বিখ্যাত, কাঁসা-বাসন, বাঁশের তৈরি খেলনা এবং তাঁতের গামছা। তবে এই তিনটির মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম ও প্রসিদ্ধ কেঞ্জাকুড়ের কাঁসার বাসন। গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরা বংশপরম্পরার এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। কেঞ্জাকুড়ের প্রায় ৭০০টি কর্মকার পরিবার ছাড়াও অন্যান্য সম্প্রদায়ের বহু মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এখানকার বাসন রপ্তানি করা হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
তামা, পিতল মৌলিক আর কাঁসা একটি মিশ্র ধাতব পদার্থ।
কাঁসার তৈরি থালা বাটি গ্রাম বাংলার বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে প্রাচীন বিভিন্ন আচার পালনেও প্রয়োজন হয়। কাঁসার জিনিসের বিভিন্ন ঠাকুরের পুজোতেও ব্যবহার হয়। তবে সময়ের সাথে বদলেছে আমাদের জীবনযাত্রা।এখন বেশিরভাগ ঘরেই স্টিলের বাসনেই খাবার রান্না করা হয়। এতে দ্রুত রান্না হয় ফলে বাঁচে গ্যাস। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লাস্টিক ও স্টিলের বাসনে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পুষ্টি থাকে খাবারে। তবে স্টিলের বাসনে রান্না করা খাবার তামার বা কাঁসার পাত্রে রাখলে পুষ্টিগুণ ততটা নষ্ট হয় না। রান্না এবং খাওয়ার জন্য পিতল ও কাঁসার বাসন ব্যবহার করলে খাবারের ৯০ শতাংশ পুষ্টি বেঁচে থাকে। এছাড়াও কাঁসা আমাদের হজমশক্তি বাড়ায়, মস্তিষ্ককে সজাগ করে তোলে।
তবে স্টিল ও প্লাস্টিকের বাসনপত্র বাজারে আসার কারণে কাঁসার চল অনেকটাই কমতে শুরু করেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সারা গ্রাম।
এ শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকরা এখনও প্রাণ দিয়ে এই শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন।আধুনিকতার চরম উৎকর্ষে মনোরম চোখ ধাঁধানো, আকর্ষণীয় স্টেইনলেস স্টিলের সামগ্রী,মেলামাইন ও দেশ-বিদেশের নজর কাড়া কাঁচের রকমারি সামগ্রীর কারণে মান্ধাতার আমলের কাঁসা শিল্প চরমভাবে মার খাচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সামগ্রীর তুলনায় কাঁসার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি, এ কারণেও ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।
অন্যদিকে কাঁচামালের মূল্যও অত্যন্ত চড়া, ফলে আগের মতো আর পুষিয়ে উঠতে পারছেন না কাঁসাশিল্পীরা।
হাজার বছরের পুরনো এ শিল্পের পরিচিতি ও ব্যাপক প্রচার, কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত:করন,মেটাল ক্রাফটস পণ্যে বৈচিত্রতা ও বিদেশে রপ্তানির বিকল্পও নেই !
03/12/2022
অবাঙালিরা বলে থাকেন, বাঙালি মানেই মেছো!!
ওনারা খুব একটা
ভুল বলেননি....
বৃষ্টির নাম রেখেছে ইলশেগুঁড়ি,
পাখির নাম মাছরাঙা,
পতঙ্গের নাম মাছ+ই (মাছি),
আর গসিপকে বলে fish ফাস,
স্বভাবের নাম : ভাজা মাছ উলটে খেতে জানে না,
কেচ্ছার রূপ : শাক দিয়ে মাছ ঢাকা,
ভুতের নাম : মেছো,
ভিলেনের নাম : মাছলি বাবা,
মানুষের নাম - রাঘব বোয়াল, চুনোপুঁটি, যশুরে কই,
পাড়ার ছেলের নাম - ল্যাটা, ভোলা, তোপসে,
আদুরে মেয়ের নাম- পুঁটি
জায়গার নাম - ট্যাংরা , চিংড়িহাঁটা,
জুতোর কোম্পানী - বাটা।
তাই মাছ বিনে গতি নাই,
সবেতেই মাছ চাই
আর সবশেষে
আমরা সবাই গভীর জলের মাছ ।।
02/12/2022
বাংলার খাঁটি ‘নলেন গুড়’
‘নলেন গুড়’, এই শব্দবন্ধের মর্ম কতখানি তা একজন বাঙালির পক্ষেই বোঝা সম্ভব। শীতকালীন রসনাতৃপ্তিতে এর জুড়ি মেলা ভার। পৌষের শুরুতেই নতুন ধানে ভরে ওঠে গোলা। আর তাই দিয়ে হয় নবান্ন। এদিন থেকেই পিঠে-পুলি শুরু হয়ে যায় গ্রাম বাংলার বাড়িতে বাড়িতে। অঘ্রাণের শেষ থেকেই নতুন গুড়ের সুঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রাম বাংলা। ভোরবেলা খেজুরের রস আর দুপুরের পর সেই রসে জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয় খেজুর গুড় বা নলেন গুড়। তৈরি হয় পাটালি। আর তারপর সেই গুড়ের পিঠে, পায়েস, সন্দেশ, রসগোল্লা, মোয়া এসব তো আছেই।
সিনেমা-সাহিত্যেও বারবার এসেছে ‘নলেন গুড়’ প্রসঙ্গ। এই গুড় তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রধান বিষয়বস্তু করে ১৯৭৩ সালে পরিচালক সুধেন্দু রায় নরেন্দ্রনাথ মিত্রের ছোট গল্প ‘রস' অবলম্বনে বানিয়েছিলেন 'সওদাগর', যা মনে রাখার মতো একটা সিনেমা। নলেন গুড় কীভাবে তৈরি হয়, শুধু এটা নিয়েই একটা গোটা প্রবন্ধ লেখা যায়। সংক্ষেপে বললে- খেজুর গাছের গা চেঁচে নরুন দিয়ে ফুটো করে ফাঁকা হাড়িগুলো ঝুলিয়ে দিয়ে আসা হয় আর আগে থেকে রস ভরতে দেওয়া হাড়িগুলো নিয়ে আসা হয়। পরেরদিন ভোরে সেই রস নামিয়ে এনে বিভিন্ন হাড়ি থেকে ঢালা সমস্ত রস একত্র করে বড়ো পাত্রে ফোটানো হয়। ফুটিয়ে ফুটিয়ে ধীরেধীরে রস থেকে গুড় প্রস্তুত করেন তাঁরা। গুড়কে নিদিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে ঠান্ডা করে পাটালি তৈরি করা হয়, তাই নলেনগুড়ের এই দুই ধরনকে ঝোলাগুড় ও পাটালি গুড় বলেই পরিচিত। দুপুরের পর আবার ভরতি হাড়িগুলো আনা হয় আর ফাঁকা হাড়িগুলো ঝুলিয়ে দিতে আসা হয়। তারপর একইভাবে সকালের মতো বিকালের দিকেও গুড় প্রস্তুত করা হয়। দিনে দু’বার এইভাবে প্রস্তুত হয় গুড়।
হরেকরকম সুস্বাদু খাবার তো রয়েছেই, এছাড়াও নলেন গুড়ের কিন্তু প্রচুর উপকারিতাও রয়েছে। নলেন গুড় হজমে ভালো। শীতে সবারই মিষ্টির প্রতি ঝোঁক বাড়ে। কিন্তু যাঁরা ডায়াবেটিক, তাঁদের চিনি খাওয়া বারণ। সেক্ষেত্রে নলেন গুড় খেতে পারলে কোনও অসুবিধে হয় না। সেই সঙ্গে মিষ্টির স্বাদপূরণও হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যখন কোনও খাবারের জন্য খুব বেশি ‘ক্রেভিং’ হয়, তাহলে জোর করে তা চেপে না রেখে খেয়ে ফেলা উচিত। আর বছরে মাত্র দু’মাস ঠান্ডার আমেজ থাকে। এই কদিন কি আর মিষ্টি না খেয়ে থাকা যায়! তাই মুশকিল আসান হিসেবে খাওয়া যেতেই পারে ‘নলেন গুড়’। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ গ্রাম খেজুর গুড় খাওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পূর্ণভাবে রাসায়নিক এবং সংরক্ষণাগার মুক্ত ‘নলেন গুড়’ বাংলার সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এই ভেজালের যুগে ভাবতেই পারেন, ‘সে গুড়ে বালি’। তবে এখনও খুঁজলে এর সন্ধান মেলে।
ছবি :- সংগৃহীত
ধন্যবাদ🙏❤️
Bangla ও বাঙালি
#শিতেরভর #খেজুরগাছ #নলেনগুড় #গ্রামবাংলা #শীতকাল #কলকাতা #গুড় #নলেন_গুড়
30/11/2022
"হঠাৎ করে প্ল্যান হলো আর চলে গেলাম আলিপুর জেল মিউজিয়ামে।"
কলকাতার নতুন একটা টুরিস্ট স্পট আলিপুর জেল মিউজিয়াম 😍, এই শীতের মরশুমে এক দিনের ছুটি তে অবশ্যই ঘুরে আসতেই পারেন, এখানে আসলে স্বাধীনতা সংগ্রামী দের সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারবেন কি রকম ছিল জেল এর জীবন সব কিছু । বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীরা কত কঠিন পরিস্তিতি মধ্যে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে তা জানাটা আমাদের দরকার আর দেখলে চোখে জল এসে যাবেই 🥺
মাত্র ৩০ টাকা টিকিট এর মূল্য আর রাতের লাইট শো হয় যার মূল্য ১০০ টাকা , কিন্তু এখানে ঘুরে যা অভিজ্ঞতা অর্জন হবে তার মূল্য অপরিসীম❤️
https://fb.watch/h6PHAoYvy5/
কিভাবে যাবেন? দেখে নিন আর গুগোল ম্যাপের দিয়ে দিলাম আর সাথে পেজে একটা "মিনি ব্লগ" reels হিসেবে দিয়ে রাখলাম দেখতে পারেন।
কিভাবে আসবেন : যতীন দাস পার্ক মেট্রোতে নেমে মানে হাজরা মোড় থেকে খিদিরপুর যাওয়ার অটোতে উঠে বললেই হবে আলিপুর জেলের সামনে ওরা নামিয়ে দেবে। হাজরা মোড় থেকে খুব বেশি হলে ৭ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। আপনারা চাইলে হেঁটেও চলে আসতে পারেন।
Google Map : https://maps.app.goo.gl/Kb2S8KRWQ2PoMh5J8
গাড়ি অথবা বাইক পার্কিংয়ের বন্দোবস্ত আছে।
29/11/2022
পাটিগনিতেতের হিসেবে ৯০-এর বেশি বছর আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধার পুরস্কার ছেলেদের থেকে প্রথমবারের মত ছিনিয়ে নিয়েছিল মেয়েরা৷
অর্থাৎ শিক্ষাক্ষেত্রে,সেই যুগেও মেয়েরা শুধু লেখাপড়া করতেন তাই নয় কিছু মেয়ে ছেলেদের থেকে ভাল নম্বর পেতেন৷ মেধায় ছেলেদের হারিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য কিন্তু সেকথা বলছে৷
১৯১৭সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোষণা করেছিল ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ইংরেজিতে প্রথম স্থানাধিকারীকে 'অরুণচন্দ্র মেডেল' ও প্রাইজ দেওয়া হবে৷ ১৯৩১সালে মায়া দত্ত ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়ের ছাত্রী এবং লীলা খাঁ ডায়োসেসান কলেজিয়েট স্কুলের পড়ুয়া তারাই প্রথম যারা ছেলেদের থেকে প্রাইজটি কেড়ে নিয়েছিলেন৷ ১৯৩৩সালে আইভি খাঁ ডায়োসেসন স্কুল থেকে 'অরুণচন্দ্র মেডেল' ও প্রাইজ পেয়েছেন৷সম্ভবত লীলা ও আইভি দুই বোন যারা ছেলেদের থেকে পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন এবং ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ইংরেজিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন৷
বিদ্যাসাগর মশায় মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য এত কষ্ট করেছিলেন সেই মেয়েরা এগিয়ে এসেছিলেন শিক্ষাক্ষেত্রে,এমন কি সেই যুগে কিছু মেয়ে ছেলেদের থেকে ভাল নম্বর পেতেন৷
আজ থেকে প্রায় ১৩০বছর আগে ১৮৯৩সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থানাধিকারীর নাম সরলা সেন৷ ১৮৯০সালের ১৯ডিসেম্বর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিণ্ডিকেট ঘোষণা করে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হবে তাকে কেশবচন্দ্র সেন প্রাইজ দেওয়া হবে৷ একশ চল্লিশ টাকা ও বই ছিল প্রাইজ৷ সরলা সেন (১৮৯৩)সাল বেথুন কলেজ,স্নেহলতা মজুমদার (১৮৯৫) বেথুন কলেজ,অমিয়া রায় (১৮৯৭)লোরেটা হাউস সহ আরও অনেক নারীর নাম পাওয়া যায়৷ যেমন কনকলতা রায় (১৮৯৮) রেঙ্গুন কনভেন্ট স্কুল, সত্যপ্রিয়া ঘোষ,নির্ভরপ্রিয়া ঘোষ,মাণ্ডী সরকার,শ্রুতি মিত্র,তটিনী গুপ্ত,ঊষা আচার্য,সুধালতা দৌরা প্রমুখ যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেশবচন্দ্র সেন প্রাইজ জিতেছেন,তাদের সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে পিতা-মাতা নিজের মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়েছেন, নারী শিক্ষার প্রসার বৃদ্ধি পেয়েছে৷
পূর্ববঙ্গের স্কুলগুলি থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থানাধিকারী মেয়েরা কেশবচন্দ্র সেন মেডেল ও প্রাইজ পেতেন৷ ১৯২০সালে ইডেন হাইস্কুল ফর গার্লস ঢাকার ছাত্রী সাবিত্রী দত্ত ,পরের বছর সুফলা রায় মৈমনসিং বিদ্যাময়ী হাইস্কুল ফর গার্লস,শান্তিসুধা ঘোষ বরিশাল সদর গালর্স হাই স্কুলের ছাত্রী সহ অনেকের নাম পাওয়া যায় যারা কেশবচন্দ্র সেন প্রাইজ পেয়েছেন৷
'অরুণচন্দ্র মেডেল' ও প্রাইজের কথা আগেই আলোচনা করা হয়েছে যেখানে ম্যাট্রিকুলেশনে ইংরেজিতে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার ক্ষেত্রে সেই সময়েই ছেলেদের কে বেশ কয়েক বছর পিছনে ফেলে মেয়েরা পুরস্কার জিতে নিয়েছেন৷
বাবু চন্দ্রশেখর কালি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে ২হাজার টাকা দেবার অনুমতি চান যাতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় বাংলা রচনায় যে প্রথম হবে তাকে একটি সোনার মেডেল দেওয়া হয়৷ অমিতা সেন নামের একজন প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন৷ জলপাইগুড়ি গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী যূথিকা মুখোপাধ্যায় ১৯৩৯সালে এই প্রাইজ পেয়েছেন৷ অর্থাৎ সেকালে মেয়েরা লেখাপড়া করতেন শুধু নয় মেধায় ছেলেদের হারিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য কিন্তু সেকথা বলছে৷
সংকলনে—অরুণাভ সেন
© ভালবাসি বাংলা
#পূর্ববঙ্গ
#মেয়েদেরলেখাপড়া
#নারীশিক্ষা
#নারীশিক্ষারপ্রসার
#ভারতীয়উপমহাদেশ
গ্রন্থঋণ শারদীয় আনন্দবাজার পত্রিকা ১৩৯৮,বাঙালি মেয়েদের লেখাপড়া,তপতী বসু চিত্র সৌজন্য বেথুন কলেজ,কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়৷