01/08/2025
*যে সমস্ত দ্বীনি ভাই ও বোনেরা ফি/লি/স্তি/ন গা/জা/র জন্য সাহায্য পাঠাতে ইচ্ছুক বা দান করতে ইচ্ছুক কিন্তু সঠিক মাধ্যম খুঁজে পাচ্ছেন না, যে কার মাধ্যমে সেই দুস্থ এবং অসহায় ছোট ছোট শিশু ও বৃদ্ধদের কাছে কিভাবে সাহায্যর পাঠাবেন।*
আলহামদুলিল্লাহ সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ
আপনাদের আমি বলে রাখি আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলার তাজামুল শেখ ভাইজানের মাধ্যমে আপনার দানের টাকা পাঠাতে পারেন।
এবং সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন আপনার টাকা সঠিক জায়গায় পৌঁছে যাবে ইনশাল্লাহ
যে আপনারা পরবর্তীতে তিনার দেওয়া ভিডিও এবং ফটোর মাধ্যমে জানতে পারবেন
দান মানে শুধু পাঁচ হাজার টাকা বা দশ হাজার টাকা নয়, আপনার কাছে যদি 50 টাকা থাকে বা 10 টাকা থাকে সেটা দিয়ে আপনারা সাহায্য করতে পারেন।
আল্লাহ আমাদের সমস্ত দান কে কবুল করেন আমিন
1. *“সদকা (দান) পাপকে নিভিয়ে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়।”*
📚 তিরমিযী, হাদীস: 614 – সহীহ হাদীস
2. *“মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার প্রতি জুলুম করে না, তাকে অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দেয় না। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজনে সাহায্য করে, আল্লাহ তার প্রয়োজনে সাহায্য করেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের কষ্ট দূর করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ ঢেকে রাখে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ ঢেকে রাখবেন।”*
📚 সহীহ বুখারী, হাদীস: 2442
📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস: 2580
*“আল্লাহ ততক্ষণ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।*
📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস: 2699
*যোগাযোগের জন্য :**
whatsapp/Phone: +91 82936 89248
Phonepe/google pay: +91 82936 89248
Whatsapp চ্যানেল লিংক:https://whatsapp.com/channel/0029VbAlXzYKwqSc1XLhbG2s
Whatsapp Group :https://chat.whatsapp.com/EAP33h4ebKvLFpS2t7YXiW
04/07/2025
*যারা #আশুরা বা মোকাররমের সিয়াম/রোজা থাকতে ইচ্ছুক*
তারা আজ রাতে সেহেরী খেয়ে 4 জুলাই শনিবার ও 5 জুলাই রবিবার সিয়াম পালন করবেন,
অথবা 5 জুলাই রবিবার এবং 6 জুলাই সোমবার রোজা/সিয়াম রাখবেন,
এখানে রবিবার দিনটি আশুর া বা ১০-এ মহররম পড়ছে। সুতরাং ৯/১০ অথবা ১০/১১ রোজা রাখতে পারেন।
এই রোজার ফজিলত বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ। 🥰
23/05/2025
অসুস্থ স্ত্রীর সেবা করা বা অসুস্থ ব্যক্তিকে সাহায্য করা বদর যুদ্ধে যোগদানের সমপরিমাণ সওয়াব বা নেকি পাওয়ার যোগ্য। এই হাদিসটি সহিহ বুখারী শরীফের ৩১৩০ নং এ উল্লেখ আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, উসমান (রা.) বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন, কারণ তার স্ত্রী অসুস্থ ছিলেন। তখন নবী (সা.) তাকে বলেছিলেন, "তুমি বদর যুদ্ধে যোগদানকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব ও গনীমতের অংশ পাবে". এই হাদিসটি অসুস্থ মানুষের সেবা করার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বদর যুদ্ধে যোগদানের সওয়াব অনেক বেশি, তাই অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করাকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মাধ্যমে আল্লাহকে খুশি করা যায়, এবং এটি একটি বড় সওয়াবের কাজ। সহিহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন).
16/05/2025
কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা বিয়ে করো সেই স্ত্রীলোককে, যাদের তোমাদের ভালো লাগে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়ঃ
১.তার সম্পদ।
২.তার বংশমর্যাদা।
৩.তার সৌন্দর্য।
৪.তার দীনদারী।
সুতরাং তুমি দীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
➡️ সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫০৯০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর আলোচ্য নির্দেশের সার কথা হল- দীনদারীর গুণসম্পন্না কনে পাওয়া গেলে তাকেই যেন স্ত্রীরূপে বরণ করা হয়, তাকে বাদ দিয়ে অপর কোন গুণসম্পন্না মহিলাকে বিয়ে করতে আগ্রহী হওয়া উচিত নয় । রাসূলুল্লাহ (সাঃ) স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেন- তোমরা স্ত্রীদের কেবল তাদের রূপ-সৌন্দর্য দেখেই বিয়ে করো না- কেননা এরূপ সৌন্দর্যই অনেক সময় তাদের ধ্বংসের কারণ হতে পারে। তাদের ধন-মালের লোভে পড়েও বিয়ে করবে না, কেননা এ ধনমাল তাদের বিদ্রোহী ও অনমনীয় বানাতে পারে।
25/03/2025
আত্তাহিয়্যাত (তাশাহুদ) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, যা আমরা প্রতিদিনের নামাজে পাঠ করি। এর পেছনের ঘটনা জানার পর আপনার হৃদয় সত্যিই আবেগে ভেসে যাবে।
আত্তাহিয়্যাত (তাশাহুদ) আসলে আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এবং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে সংঘটিত এক মহান আলাপচারিতার অংশ, যা মিরাজের রাতে ঘটেছিল।
যখন নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছালেন, তখন তিনি ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলেননি। কারণ, আমরা কার কাছে সালাম দিই? যার শান্তি ও নিরাপত্তার দরকার আছে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তো সমস্ত শান্তির উৎস!
তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন:
“আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু ওয়াত্ তাইয়্যিবাতু”
(সমস্ত সম্মান, সমস্ত দোয়া এবং সমস্ত পবিত্র ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্যই)।
এর উত্তরে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বললেন:
“আস-সালামু আলাইকা আইয়্যুহান্নাবিয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু”
(হে নবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর দয়া ও বরকত বর্ষিত হোক।)
এরপর নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জবাবে বললেন:
“আস-সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন”
(শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের ওপর এবং আল্লাহর সমস্ত নেক বান্দাদের ওপরও)।
লক্ষ্য করুন!
এখানে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু নিজের জন্য দোয়া করেননি, বরং আমাদের সকল নেককার বান্দাদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
এমন সময় ফেরেশতারা এই মহান আলাপ শুনে বলে উঠলেন:
“আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু”
(আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল)।
সুবহান আল্লাহ!
এখন আমরা জানি, কেন এই দোয়াটি আমাদের প্রতিটি নামাজের অংশ এবং কীভাবে নামাজ আমাদের প্রতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক ফরজ করা হয়েছে।
এখন আপনার কী করা উচিত?
ভাবুন তো, যদি আপনার বন্ধুরা আপনার মাধ্যমে এটি জানতে পারে! তাহলে দেরি কেন? এটি সবাইকে জানান!