25/04/2024
দেশে গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসব এসে গেছে - আর এই উৎসবের ক্লাসিক সিম্বলটি তাই এখন গণমাধ্যম , সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র বিরাজমান - বাম হাতের তর্জনীতে নখের উপর আগা-গোড়া টানা নীলাভ-কালচে এক অমোচনীয় কালির রেখা । কোটি কোটি ভারতীয় ভোটদানের পর সগর্বে এই কালি লাগানো তর্জনী প্রদর্শন করেন । ভোট পর্বে ব্যবহৃত এই কালি সম্বন্ধে দু-চার কথা জানা যাক ।
ভারতের ইলেকশন কমিশনের অনুরোধে CSIR প্রথম এই কালি তৈরী করে - উদ্দেশ্য সবার জানা - যাতে প্রতারণামূলক ভোটদান আটকানো যায় । পরে National Research Development Corporation এই কালির পেটেন্ট পায় । ১৯৫১-৫২ -এর সাধারণ নির্বাচনে প্রথম এই কালি ব্যবহার করা হয় । Mysore Paints & Varnish Ltd ১৯৬২ সালে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এর উৎপাদন শুরু করে। কর্ণাটক সরকারের অধীনস্থ একমাত্র এই কোম্পানিটিই এই বিশেষ কালি তৈরীর লাইসেন্সপ্রাপ্ত।
অমোচনীয় কালির রাসায়নিক যৌগটি হল সিলভার নাইট্রেট । আদতে এটি বর্ণহীন, তবে সূর্যালোকের সংস্পর্শে এলেই নীলাভ-কালচে বর্ণ ধারণ করে । যৌগটির ২০% ঘনত্বে সৃষ্ট দাগ ৭২ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করা দুষ্কর। আঙুলে লাগানোর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই শুকিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে এটিতে অ্যালকোহল জাতীয় দ্রাবক ( solvent) ব্যবহৃত হয় । এই অমোচনীয় কালি আবার ক্যম্বোডিয়া , মলদীভ , টার্কি সহ ২৫ টির-ও বেশী দেশে রপ্তানী করা হয় ।
চলতি লোকসভা ভোটে প্রায় সাড়ে-ছাব্বিশ লক্ষ শিশির অমোচনীয় কালি ব্যবহার হবে - আর ১০ মিলি পরিমাণের এই প্রত্যেকটা শিশির দাম ১৭৪ টাকা রাখা হয়েছে। ভারতের মত বৃহত্তম প্রজাতন্ত্রে নির্বাচনে ব্যবহৃত ছোটোখাটো জিনিসও কতটা খরচ সাপেক্ষ হতে পারে ভাবলে অবাক হতে হয় !
23/04/2024
" সেদিন হতে চলিল জুতা পরা
বাঁচিল গোবু, রক্ষা পেল ধরা" -
কবিগুরুর " জুতা আবিষ্কার " কবিতায় বৃদ্ধ চামার কুলপতি যখন ধুলো থেকে উদ্ধার পেতে রাজাকে নিজের চরণ দুটি ঢাকার পরামর্শ দেন, তখন পাদুকার ব্যবহার হয়ত ছিল কেবল ধনীদের বিলাসিতা। তারপর যুগ বদলেছে - ইতিহাসের বহু সিঁড়ি বেয়ে উঠে এসে আমাদের দেশ সমগ্র বিশ্বমাঝে আজ পাদুকা ( footwear) -র বৃহত্তম উৎপাদনকারী ও বৃহত্তম বাজার গুলোর মধ্যে অন্যতম।
স্বাধীনতার আগে বৃটিশরা তাদের নিজস্ব মান অনুযায়ী ( UK size ) ভারতবর্ষের বাজারে জুতোর ব্যাপক প্রচলন করে - যা অনুযায়ী ভারতীয় মহিলাদের গড়পড়তা ৪ থেকে ৬ ও পুরুষদের ৫ থেকে ১১ সাইজের জুতোর প্রয়োজন হতো । সেই সময় থেকে এখনও পর্যন্ত UK ও US সাইজ হিসেবেই এদেশে জুতো বিক্রি হয় ।
কিন্তু ২০২৫ সালের মধ্যেই সম্ভবতঃ এর অবসান হতে চলেছে। ভারতীয়দের পা এর আকার ও গঠন সম্পর্কে এক সমীক্ষার সুপারিশ অনুযায়ী এক সম্পূর্ণ ভারতীয় footwear sizing system চালু হতে চলেছে - যা পরিচিত হবে " Bha " নামে ( এখানে Bha বলতে Bharat বোঝাবে ) । তা হঠাৎ এই অভিনবত্বের প্রয়োজন টাই বা কেন ?
ভারতীয়দের পা-এর আকার, মাপ ও গঠন সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে দেশের ৭৯ টি ভৌগোলিক অঞ্চলের ১,০১,৮৮০ জন মানুষকে নিয়ে এক সমীক্ষা করা হয় যা থেকে কিছু বিশেষ তথ্য উঠে আসে - যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল ইউরোপীয় বা আমেরিকানদের তুলনায় ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের পায়ের পাতা আসলে খানিকটা চওড়া । তাই পাশ্চাত্য মানে তৈরী খানিকটা সংকীর্ণ ( Narrow) জুতো পায়ে ঠিকঠাক ভাবে পরবার জন্য আমাদের ভারতীয়দের দরকারের তুলনায় এক সাইজ বড় জুতো বাধ্য হয়েই কিনতে হয় । অতিরিক্ত এই সাইজের জন্য জুতের ফিতে বেশী শক্ত করে বেঁধে রাখতে হয় - এতে পায়ের স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হতে পারে ও পা কেটে যেতে ( shoe bite ) পারে । আবার যে সমস্ত মহিলারা হাই-হিল পরেন, অতিরিক্ত সাইজের জন্য তারাও স্বাভাবিক চলাফেরায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না ও বেকায়দায় পা পড়ে গেলে আঘাত পাবারও সম্ভাবনা থাকে।
CSIR - CLRI এর এই সার্ভের ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে ভারতীয়দের পা এর গঠনের তারতম্য বিচার করে এক সম্পূর্ণ ভারতীয় ফুটওয়্যার সাইজিং সিস্টেম তৈরী করা সম্ভব । এই সার্ভের সুপারিশ অনুযায়ী Bha এর আটটি সাইজ থাকবে -
I - ০ থেকে ১ বছর
II - ১ থেকে ৩ বছর
III - ৪ থেকে ৬ বছর
IV - ৭ থেকে ১১ বছর
V (Girls)- ১২ থেকে ১৩ বছর
VI(Boys)- ১২ থেকে ১৪ বছর
VII (Women ) - ১৪+
VIII ( Men ) - ১৫+
তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সম্ভবতঃ III থেকে VIII পর্যন্ত সাইজেরই উৎপাদন শুরু হবে । Bha সিস্টেম চালু হলে ফুটওয়্যার কোম্পানিগুলোকে আর আগের মত UK / US স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দশ রকমের সাইজের জুতো ও সঙ্গে হাফ সাইজের জুতোও আর তৈরী করতে হবে না । এই Bha দেশের ৮৫% জনসংখ্যাকে সঠিক সাইজ ও আরামদায়ক জুতো উপহার দিতে পারবে । তবে ট্রায়াল , টেস্টিং ও ফিডব্যাক এ সবকিছুর পরেই তা খোলা বাজারে উপলব্ধ হবে ।
19/04/2024
শিশুদের জন্য তৈরী Nestle কোম্পানীর প্রডাক্ট Cerelac এর পুষ্টিদ্রব্য সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে সুইস সংস্থা Public Eye ও একটি নন্ প্রফিট সংস্থা International Baby Food Action Network -এর যৌথ ভাবে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট। প্রকাশিত তথ্য বলছে যে ভারত সহ অন্যান্য এশীয়, ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকার দেশগুলোতে উপলব্ধ Nestle-র বেবী ফুডে Added Sugar অর্থাৎ বাইরে থেকে মেশানো শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক ভাবে বেশী, যেখানে কিনা ইউরোপীয় দেশগুলোতে এর পরিমাণ শূন্য !
এই added sugar আসলে কি ? একটু বোঝার চেষ্টা করি । আমাদের সাধারণ খাবারে প্রাকৃতিক ভাবেই কমবেশী শর্করা ( sugar ) থাকে - যেমন দুধে ল্যাকটোজ, ফলে ফ্রুকটোজ ইত্যাদি। কিন্তু বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত ( processed ) খাদ্য ও পানীয়ে মিষ্টতা বাড়ানোর জন্য তাতে আরও অতিরিক্ত sweetening agent মেশানো হয় - যা সাধারণ চিনি, মধু থেকে শুরু করে ব্রাউন সুগার ও কৃত্রিম উপায়ে তৈরী রাসায়নিক পর্যন্ত হতে পারে ।
বলা বাহুল্য এই added sugar বা মিশ্রিত শর্করা প্রাকৃতিক শর্করার তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক বেশী ক্ষতিকারক।
বিশেষতঃ তা বেবী ফুডে মেশানো থাকলে শিশুরা ধীরে ধীরে এই অতিরিক্ত মিষ্টি খাবারে আসক্ত হয়ে পড়ে । অন্নান্য পুষ্টিকর খাবার - যা সাধারণভাবে ততটা সুস্বাদু নয় - তা আর তারা মুখে নিতে চায় না । অতিরিক্ত মিষ্টি বেবী ফুড খেয়ে তারা শারীরিক ভাবে ফুলে ফেঁপে ওঠে । আর আমাদের দেশে যেখানে মোটা মানুষকে স্বাস্থ্যবান বা Healthy বলে মনে করা হয় , সেখানে শিশুদের এই শারীরিক স্থূলতা বৃদ্ধি দেখে তার মা বাবা আর বাড়ির লোকেদের বেজায় খুশী হওয়াই তো স্বাভাবিক! তাই আরো বেশী বেশী করে এই বেবী ফুড খাওয়ানোর প্রবণতা বাড়তে থাকে, আর কোম্পানীও ততই ফুলে ফেঁপে ওঠে। আজ Nestle পৃথিবীর বৃহত্তম packaged food কোম্পানী ও গ্লোবাল বেবী ফুড মার্কেটের প্রায় ২০% দখল করে - যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। আর এ সবকিছুই ঘটছে সরকারের দুর্বল নিয়ন্ত্রণবিধির কারণে ।
এই added sugar এর কারণে শিশুদের মধ্যে স্থূলতা ( obesity) বাড়তে থাকছে , সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ রোগের সম্ভাবনাও বাড়ছে । অতিরিক্ত মিষ্টতার কারণে দাঁতের সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে। এই মিষ্টি খাবারের অভ্যেস শিশুরা বড় হয়েও ছাড়তে পারছে না । আর বেশী বয়স পর্যন্ত এই লিকুইড বেবী ফুডের অভ্যেসের ফলে শিশুর দাঁত ও জিভের নড়াচড়া ( movement) সঠিকভাবে হচ্ছে না , যা কিনা সাধারণ খাবার-দাবার চেবানোর মাধ্যমে হয়ে থাকে। ফলে শিশুর স্বাভাবিক কথাবার্তা বলতেও অনেকটা দেরী হয়ে যাচ্ছে কোন কোন সময়।
মনে রাখতে হবে , দু'বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের খাদ্যে কোনোরকম added sugar এর ব্যবহার WHO দ্বারা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
18/04/2024
অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত বিগ্রহের কপালে সূর্যের আলোক ছটায় গঠিত " সূর্যতিলক" ছিল এবারের রাম নবমীর এক বিশেষ আকর্ষণ। বলাবাহুল্য এই "সূর্যাভিষেক" কিন্তু কোন অলৌকিক ঘটনা নয় । ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাসট্রোফিজিক্স, ব্যাঙ্গালুরু ও সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, রুড়কি-র বিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় আয়না ও লেন্স দিয়ে তৈরী আলোকযন্ত্রী পদ্ধতিতে ( optomechanical system ) এই দৃশ্য পূর্ণতা লাভ করেছে ।
প্রথমে, এই বিশেষ দিনটিতে আকাশে সূর্যের অবস্থান ঠিক কোথায় হবে তা নির্ণয় করা হয়েছে। তারপর এই সূর্যালোক স্তম্ভ কে এমন ভাবে চ্যানেলাইজ করা হয়েছে যাতে বিগ্রহের কপালে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে সেই আলো অবস্থান করে ।
এখন বছর বছর এই রাম নবমীর দিনটিতে সূর্যের আকাশে অবস্থানের তারতম্য হবে । এর কারণ ইংরেজি ( Gregorian) ক্যালেন্ডার ও হিন্দু ক্যালেন্ডারের গণনাপদ্ধতির পার্থক্য। ইংরেজি ক্যালেন্ডার হল সৌর ক্যালেন্ডার - অর্থাৎ সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর একবার প্রদক্ষিণকে সেখানে একবছর ধরা হয় - যা মোটামুটিভাবে ৩৬৫ দিন । অন্যদিকে হিন্দু ক্যালেন্ডার একটি চান্দ্র ক্যালেন্ডার - অর্থাৎ পৃথিবীর চারদিকে চন্দ্রের একবার প্রদক্ষিণকে সেখানে এক মাস ধরা হয় - যা মোটামুটিভাবে ২৯ দিনের সমান । এই হিসেবে এক চান্দ্র বৎসরের সময়কাল প্রায় ৩৫৪ দিন ।
এখন হিসেব করে দেখা গেছে ১৯ বছর পর পর এই সৌর বৎসর ও চান্দ্র বৎসর Reset হয় - অর্থাৎ এই চক্র নতুন করে শুরু হয় । মানে আবার ১৯ বছর পর ২০৪৩ সালে এবারের মতো ১৭ ই এপ্রিল রামনবমী পালন করা হবে ।
ঠিক এই কারণেই এই optomechanical system টিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে এতে ১৯ টি গিয়ার ( gear ) রাখা হয়েছে । প্রতিবছর এই গিয়ারের একটি করে দাঁত ( tooth ) ম্যানুয়ালি ঘোরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে - যাতে সেই বিশেষ দিনটায় এই আলোকযন্ত্র টি সূর্যালোক দ্বারা এভাবেই বিগ্রহের ললাট অভিষিক্ত করে ।
তবে মন্দিরের নির্মাণ কার্য এখনও পুরোপুরি সম্পূর্ণ না হওয়ায় এই আলোকযন্ত্রটি পরিপূর্ণভাবে স্থাপন করা হয়নি । আপাততঃ আংশিক প্রতিস্থাপন করেই এবারের সূর্যাভিষেক সম্পন্ন হয়েছে।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে ত্রয়োদশ শতাব্দী তে স্থাপিত কোনারকের সূর্য মন্দিরের স্থাপত্য শৈলী থেকে এই সূর্যাভিষেকের ধারণা অনুপ্রাণিত বলে কেউ কেউ মনে করছেন।
15/06/2022
অগ্নিপথ স্কিম সম্পর্কে সহজভাবে লেখার চেষ্টা করছি। হাতে সময় নেই, তাই এই লেখা ওয়েল রিসার্চড্ নয়। কিছু ভুল থাকলে দয়া করে ধরিয়ে দেবেন।
আজ প্রথম পর্ব.....
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী তে সৈনিক নিয়োগের উদ্দেশ্যে এক নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হল - যার নাম অগ্নিপথ স্কিম ও এই স্কিমে নিযুক্ত যে সৈনিকেরা দেশ সেবায় নিয়োজিত হবে তারা অগ্নিবীর নামে পরিচিত হবেন । এই স্কিমে প্রতিবছর ৪৫০০০ থেকে ৫০০০০ সৈনিক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে এবং তাদের ৭৫% এর চাকরির মেয়াদ হবে মাত্র চার বছর । অর্থাৎ এই অগ্নিবীরেরা কেউই স্থায়ী কমিশনড্ অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হবেন না ।
সাড়ে সতেরো থেকে একুশ বছর বয়সীরা এই স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন এবং বছরে দুবার র ্যালির মাধ্যমে এই নিয়োগ করা হবে । প্রথম ছয় মাস ট্রেনিং ও তারপর সাড়ে তিন বছর সৈনিক হিসেবে কর্মজীবন ; শুরুতে বেতন তিরিশ হাজার অতিরিক্ত অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সহ , যা চার বছর মেয়াদ শেষে চল্লিশ হাজারে দাঁড়াবে ।
তবে প্রত্যেকের এই স্যালারির ৩০% এক নতুন প্রকল্প - "সেবা নিধি"-র আওতায় রেখে দেওয়া হবে - যেখানে কেন্দ্র সরকারও ঐ সমপরিমাণ টাকা প্রতিমাসে জমা করবে ও তাতে সুদ পাওয়া যাবে । চার বছরের কর্মজীবন শেষে প্রত্যেক অগ্নিবীর এককালীন ১১.৭১ লক্ষ টাকা পাবেন এবং তা হবে সম্পূর্ণ ট্যাক্স ফ্রি । চার বছরের কর্মজীবনকালে ৪৮ লক্ষ টাকার বীমা সুরক্ষা রাখা হয়েছে । দুর্ভাগ্যবশত মৃত্যু হলে ১ কোটি টাকার অধিক ডেথ বেনিফিট ও সঙ্গে বাকি কর্মজীবনকালের স্যালারি নমিনির হাতে তুলে দেওয়া হবে । কিন্তু এই অগ্নিবীরেরা কোনরকম ডিফেন্স পেনসনের আওতায় আসবেন না ।
মেয়াদ শেষে ২৫% অগ্নিবীর অতিরিক্ত ১৫ বছর স্থায়ী কমিশনড্ অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হবেন । বলা বাহুল্য চার বছরের কর্মজীবনের কৃতিত্ব বিচার করেই এই নিয়োগ করা হবে।