আঁকিবুঁকি DGtal

আঁকিবুঁকি DGtal

Share

page for Advertising, Publishing and Selling Concept Arts, Sketches, Cartoons, Doodles, Logos, Caricatures, Comics' and so on.

21/12/2023

১৯৩৪র এক বিকেলে আচমকা ডিজনি স্টুডিওর সব অ্যানিমেটরদের ডেকে নিলেন ডিজনি। কোন মিটিং না। তিনি এক গল্প শোনাবেন। চারিদিকে ফোল্ডিং চেয়ার পেতে বসে পড়ল সবাই। মাঝে দাঁড়িয়ে ডিজনি বলে যেতে লাগলেন অপরূপ এক কাহিনি। এক সুন্দরী দুষ্টু রাণী, তার সৎ মেয়ে আর সাত বামনের গল্প। প্রতিটা চরিত্র, তাদের হাবভাব, কথাবার্তা, নকল করে দেখালেন পর্যন্ত। দেখালেন সেই ছোট্ট মেয়ের নাচ, বামনদের ঝুঁকে চলা, রাণীর শয়তানি হাসিতে “হু ইজ দ্য ফেয়ারিয়েস্ট অফ অল” বলা। গল্প যখন শেষ, সবাই রুমাল দিয়ে চোখ মুছছেন। তাদের থিতু হতে না দিয়েই আসল বোমটা ফাটালেন ডিজনি। “আমি ভাবছি এই গোটা গল্প নিয়ে ফুল লেন্থ একটা মুভি বানাব”। অনেকে এতটাই অবাক হয়ে গেছিল, যে চোখ মুছতেও ভুলে গেল। লোকটা কি বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেল?

অ্যানিমেশন মানেই ছোট ছোট ছবি। সিনেমার আগে বা পরে দেখানোর জন্য। তাতে খাটনি কম। লাভ বেশি। ঝুঁকি প্রায় নেই বলেই চলে। তিন-চার মিনিটের সিলি সিম্ফনি আর মিকি মাউসের শর্ট অ্যানিমেশন দেখিয়ে ডিজনি তখন দেদার কামাচ্ছেন। সেই বাজারে এত বড় ঝুঁকি নেওয়া সোজা খাদে ঝাঁপ ছাড়া কিছু না। কয়েক বছর আগেই স্টুডিও চালাতে গিয়ে দেউলিয়া হয়েছেন ডিজনি। শেষ মুহুর্তে হাল ধরেছিলেন দাদা রয়। সেই রয় আর ডিজনির স্ত্রী লিলিয়ান খাতা কলম নিয়ে বসলেন হিসেব কষতে। খুব কম হলেও পাঁচ লক্ষ ডলার খরচ (যদিও আসল খরচ হয়েছিল এর তিন গুণের বেশি), বন্ধক রাখতে হবে স্টুডিও, এর পরেও এতবড় অ্যানিমেশন ছবি ধৈর্য্য ধরে দর্শক দেখবে কিনা সন্দেহ। এতেই শেষ নয়, সেই প্রথমবার অ্যানিমেশনে শুধু মজা বাদে, রাগ, দুঃখ, ভালবাসা, আবেগ সব ফুটিয়ে তুলতে হবে। অ্যানিমেটরটা আগে কোনদিন এমন কাজ করেন নি। তারা কি পারবেন? আর না পারলে সব মাটি।

কিন্তু জিনিয়াসরা কবে ঝুঁকির তোয়াক্কা করেছেন? বালককালে ওয়াল্টের দেখা প্রথম নির্বাক ছবি ছিল মার্গারিটা ক্লার্কের স্নো-হোয়াইট। আর সেটা এতটাই গেঁথে গেছিল মাথায়, তিনি সেই ছবির মিউজিক্যাল না বানিয়ে শান্তি পাচ্ছিলেন না। অগত্যা বন্ধু ডন গ্রাহাম শুরু করলেন আর্টিস্ট খোঁজা। শুধু এই ছবির জন্য বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়ে গোটা আমেরিকার সেরা আঁকিয়েরা উপস্থিত হলেন হাইপেরিয়ন স্টুডিওতে। সেখানে কিছুদিন চলল লাইভ জীবজন্তুদের হাবভাব দেখে তাদের ছবি আঁকার ক্লাস। সেই ক্লাস থেকে সেরা দেড়শকে নিজের হাতে বেছে নিলেন ডিজনি। তাদের সঙ্গে রোজ মিটিং চলত। প্রতিটা ফ্রেম নিয়ে। মুভ নিয়ে। এইখানে অদ্ভুত একটা টোপ দিলেন তিনি। কেউ কোন জব্বর খন্ডদৃশ্যের আইডিয়া দিলেই সঙ্গে সঙ্গে পাবে পাঁচ ডলার। আর গোটা দুই মিনিটের একটা দৃশ্যের আইডিয়ায় কুড়ি ডলার করে। তখনকার দিনে নেহাত কম না। রাত জেগে জেগে নিত্য নতুন আইডিয়া আর ছবিতে ভরে উঠল স্টোরিবোর্ড।

একটা ব্যাপার শুরুতেই বলে দিয়েছিলেন ডিজনি। নায়িকার বিশেষ কিছু করার নেই, রাজকুমার প্রায় ক্যামিও, রাণী হলেন টিপিক্যাল ভিলেন আর তাই গোটা গল্পের প্রাণ ওই সাত বামন। গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া থেকে কমিক রিলিফ সবটাই তাদের হাতে। তারাই শক অ্যাক্টর, আবার স্টক অ্যাক্টর। মূল কাহিনিতে এঁদের কোন নাম নেই। কিন্তু এভাবে চলবে না। নাম দিতে হবে। আর এমন নাম যা দিয়ে তাদের চরিত্র চেনা যায় সহজেই। ব্রেইন স্টর্ম চলল নাম নিয়ে- জাম্পি, ডেফটি, সুইফট, লেজি, বাল্ডি, শর্টি… শেষে অনেক ঝাড়াইবাছাই করে পাঁচটা নাম ঠিক করলেন অ্যানিমটররা। গ্রাম্পি, হ্যাপি, স্লিপি, স্নিজি আর ব্যাশফুল। বড়ভাইয়ের নাম ডিজনি নিজে দিলেন “ডক” আর ছোটভাই “ডোপি”। প্রথমে ঠিক ছিল ডোপি হবে বোকা। ডিজনি অন্য উপায় বাতলালেন। বললেন ডোপি কথা বলবে না, হাবভাব হবে অনেকটা বাড়ির প্রিয় পোষা কুকুরের মত। আদুরে, অনুগত কিন্তু বুদ্ধিমান। ঠিক সেই কারণেই একমাত্র ডোপিই কান নাড়াতে পারে।

স্নো হোয়াইটের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য মারজোরি বেলচার নামে এক মেয়েকে নেওয়া হয়। সে কস্টিউম পরে অভিনয় করত। অ্যানিমেটরটা তার হাবভাব, অঙ্গভঙ্গি নিখুঁত এঁকে ফেলতেন। সামনের চরিত্র আর পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ডকে শুরুতে আলাদা করা যাচ্ছিল না। সামনের অবজেক্টকে বড় করতে গেলে ব্যাকগ্রাউন্ড-ও বেড়ে যাচ্ছিল সমান হারে। ডিজনির করিতকর্মা ক্যামেরা বিভাগ ৭০০০০ ডলার খরচ করে বানিয়ে ফেলল একটা মাল্টিপ্লেন ক্যামেরা যাতে প্রতি লেয়ারের আলাদা ছবি তুলে জুড়ে দেওয়া যায়। ভেবে দেখুন, কোথায় লাগে আজকের ভি এফ এক্স!!

এতক্ষণ সব ঠিক চলছিল। ফ্যাসাদে পড়লেন স্নো হোয়াইটের গলা নিয়ে। কিছুতেই ডিজনি তাঁর মনের মত গলা পাচ্ছেন না।শেষে ডিজনি ঠিক করলেন নিজে একটা ঘরে গিয়ে বসবেন; অডিশন হবে অন্য ঘরে। যাতে অভিনেতার চেহারা ডিজনির বিচারে প্রভাব না ফেলতে পারে। ডিজনি চাইছিলেন এমন একটা আওয়াজ যার মধ্যে সারল্য আছে, পাখির কলতানের মুর্ছনা আছে, আবার তা একেবারে শিশুসুলভ নয়।এমন
এক গলা যা শুনলে সত্যিকারের কিশোরীর মনে হয় আবার তাতে রূপকথার মায়াবী পরশ-ও থাকে। কিন্তু চাইলেই কি পাওয়া যায়?? অনেক খুঁজে যখন প্রায় হাল ছেড়ে দেওয়ার দশা একটা গলা শুনেই ডিজনি
লাফিয়ে উঠলেন “Thats the voice”। মেয়েটির নাম আদ্রিয়ানা কাসেলোটি, বয়স ষোল। কিন্তু গলায় অদ্ভুত এক মাদকতা। অপেরা শেখে। তাঁকেই বেছে নেওয়া হল স্নো-হোয়াইটের জন্য।

এদিকে তিন বছর কেটে গেছে। খরচ বাড়ছে হু হু করে। ডিজনি একাই যেন দশ জন হয়ে এই স্টোরিবোর্ড দেখছেন, তো পরমুহুর্তে গানের ডিপার্টমেন্টে গিয়ে বলছেন “গানকে কথার সঙ্গে মিশিয়ে দাও বুঝলে। গান গাইতে গাইতে কথা আসবে। কথা বলতে বলতে গান। কেউ যেন আলাদা না ভাবে”, আর তার পরেই দৌড়াচ্ছেন স্টোরি বিভাগে। শেষ মুহুর্তে একটা আইডিয়া মাথায় এসেছে। সেটা ঢোকানো যাবে কিনা।

দেনার বিপুল দায় মাথায় নিয়ে ১৯৩৭ সালের বড়দিনে মুক্তি পেল “স্নো হোয়াইট এন্ড সেভেন ডোয়ার্ফস”। এক বছরের কম সময়ে আয় করল ৮ মিলিয়ন ডলার। মনে রাখতে হবে, সেই সময় টিকিটের দাম ছিল মাত্র তিরিশ সেন্ট। শিশুদের এক ডাইম। সোজা কথা এক বছরে ৩ কোটির উপরে মানুষ এই ছবি দেখেছিল। এরপরের ইতিহাস সবার জানা। শুধু এটা অনেকের জানা নেই, প্রচুর অফার এসেছিল। তবু “স্নো হোয়াইট” এর পর আর কোথাও গলা দেন নি কাসেলোটি। বলতেন " I don't want to spoil the illusion of Snow White"।

সারা জীবন কাসেলোটি একটা চরিত্র হয়েছি বেঁচে রইলেন। সেই মেয়েটা, যে তুষারের মত সাদা, গোলাপের মত কোমল, বাঁশির মত সুরেলা। আর যার মা ছেলেবেলাতেই মরে গেছিল।

আজকের দিনেই রিলিজ করেছিল ছবিটা...

08/12/2023

যদি হয় সুজন
এক ছাতাতে দু’জন

Autumn Rain I Bristir Pichu Niye I Travelling Blog A Rainy Day I Rainy Day Out I A Monsoon Ride I 08/09/2022

please watch and subscribe
মাথার উপর আকাশ ছেয়ে কিউমুলোনিম্বাস, রাস্তায় সেই মেঘের জলছবি, গাড়ির টায়ার থেকে ছিটকে আসা জলকণা ভিজিয়ে দিচ্ছে শরীর-মন... তীব্র দহণের পরে চলুন ঘুরে আসি মেঘ তাড়া করে বৃষ্টির পিছু নিয়ে চন্দ্রগুপ্তের দরবারের ভ্রমণ ব্লগের সঙ্গে। 🖤🖤

Autumn Rain I Bristir Pichu Niye I Travelling Blog A Rainy Day I Rainy Day Out I A Monsoon Ride I video is made by chandragupter darbar camera used : poco c3 mob...

23/02/2022

character library_rooster_03

22/02/2022

character library_m_director_02

21/02/2022

character library_boy_01

20/02/2022

MY TOM & JERRY ...

Plz contact us for this kind of Cartoon & caricature. This is not drawn by means of any digital app, it's masterpiece. Inbox us who are Interested. Have a good day.

Want your school to be the top-listed School/college?

Telephone

Website