23/08/2026
ভোটের আগে আমরা দেখেছি নেতা নেত্রীরা গরীব মানুষেরই একজন , সেটা প্রমাণ করার জন্য কেউ রুটি বেলে দিচ্ছেন, কেউ ভাত রান্না করে দিচ্ছেন, কেউ লাঙল টেনে দিচ্ছেন, কেউ ঘর ঝাড়ু দিচ্ছেন, কেউ বাসন মেজে দিচ্ছেন, আবার কেউ দাড়ি কেটে দিচ্ছেন।
কেউ মাটিতে বসে গরীব মানুষের সাথে পাত পেড়ে খাচ্ছেন,
আর ভোটের পর?
থাক ওসব কথা,
আমি নিজে বিশ্বাস করি ফুটপাথ মানুষের হাঁটার জন্য, এবং কোনো পরিস্থিতিতেই ফুটপাথ দখল মানা যায় না,
তবে দখল মুক্ত করার একটা ধরন আছে, একজন নেত্রীর কাছে মানুষ একটু মানবিকতা আশা করে,
তিনি বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে মনোরম দৃশ্য উপভোগ করে গান গেয়ে ওঠার ভিডিও দেখেই বুঝেছি, আর যাই হোক, মানবিকতা টা এনার নেই,
এর পরেও অনেকেই বলছেন, কত লোক খেটে খাচ্ছে, ভাড়া নিয়ে থাকছে, দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করছে, আর এরা খালি ফুটপাথ দখল করে থাকবে,
তবে কী জানেন তো?
একজন রাস্তায় ইচ্ছা করে দুধ জ্বাল দেয় না,
অন্তত তাকে জিজ্ঞাসা করা যেত, কী হয়েছে, কেন এখানে এসেছে, যদি একটা ঠিকা কাজ দেওয়া হয় করবে?
এভাবে বলেও কিন্তু ফুটপাথ খালি করা যেত, সাথে আপনার প্রতি মানুষের এবং ওই দরিদ্র মহিলার সম্মান টা অনেক গুণ বেড়ে যেত।
যাক গে, স্বাধীনতার ৮০ বছর পরেও মানুষকে কেন ফুটপাথে থাকতে হচ্ছে? সে কথা জিজ্ঞাসা করলেই দেশদ্রোহী,
সরকারকে কেন আজও ভোটে জেতার জন্য ডেভেলপমেন্ট , শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য , কর্ম সংস্থানের বদলে ভাতা ঘোষণা করে ভোটে জিততে হচ্ছে? এগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে না।
সে নাহয় আমি দেশদ্রোহী হলাম,
কিন্তু ম্যাডামের কাছে আমার একটা প্রশ্ন,
ম্যাডাম , ভবানীপুর, জগু বাজার , গাঁজা পার্ক , এসব জায়গার ফুটপাথ গুলো গুণ্ডা মুক্ত কবে হবে?
হরিশ মুখার্জী রোডের ফুটপাথ আটকে বলবন্ত সিং ধাবা, শর্মার চায়ের দোকান আর রাস্তা আটকে পার্কিং এর দৌরাত্ম্য কতদিন চলবে ম্যাডাম?
একটা এতবড় হাসপাতালের সামনে রাত দিন এই পার্কিং দৌরাত্ম্যের জন্য জ্যাম লেগে থাকে, পুলিশের নাকের ডগায় চলে সব।
প্লিজ বলবেন না যে আপনারা জানেন না।
ওগুলোর কাটমানি তো আগে তৃণমূল খেত, এখন কি ভালো তৃণমূলের হাত ঘুরে ওগুলো আপনাদের কাছে যাচ্ছে বলে এইসব দিকে নজর নেই?
#ল্যাদারু_দা