Uttishthata Jagrata Prapya Varan Nibodhata

Uttishthata Jagrata Prapya Varan Nibodhata Girish Ghosh Road, Belur, Howrah 711202

লক্ষ্মীদিদি বিভিন্ন সময়ে জগন্নাথরূপী শ্রীরামকৃষ্ণের দর্শন-প্রসঙ্গে বলেছেন: “বলরামবাবু একদিন মহাপ্রসাদ (পুরীর) নিয়ে গিয়ে ...
29/06/2026

লক্ষ্মীদিদি বিভিন্ন সময়ে জগন্নাথরূপী শ্রীরামকৃষ্ণের দর্শন-প্রসঙ্গে বলেছেন: “বলরামবাবু একদিন মহাপ্রসাদ (পুরীর) নিয়ে গিয়ে ঠাকুরকে দিলেন, দেখেছি তিনি উহা মাথায় ঠেকালেন। প্রণাম করলেন। ভাব হলো। পরে বললেন, ‘জগন্নাথে যেন আমি গেছি। সেখানে সবই বড়, বিরাট। সমুদ্র বড়, আর রাস্তাঘাট সব বড়। আবার জগন্নাথ, তিনিও কত বড়। এই শরীর নিয়ে সেখানে গেলে এটা থাকবে নি।’ অর্থাৎ জগন্নাথ দর্শন করলে তিনি তাঁর সঙ্গে লীন হয়ে যাবেন।”
- (লক্ষ্মীমণিদেবী, পৃ. ১২৭)

25/06/2026
মনে তীব্র ব্যাকুলতা না আসা পর্যন্ত আমরা যা-ই করি না কেন, কোন কিছুই কিছু নয়। তা বলে কি চেষ্টা ছেড়ে দিতে হবে? না, যতক্ষণ...
25/06/2026

মনে তীব্র ব্যাকুলতা না আসা পর্যন্ত আমরা যা-ই করি না কেন, কোন কিছুই কিছু নয়। তা বলে কি চেষ্টা ছেড়ে দিতে হবে? না, যতক্ষণ না এরকম ব্যাকুলতা হচ্ছে ততক্ষণ চেষ্টা করে যেতে হবে। আমাদের এতটুকু চেষ্টাও বৃথা যায় না, বৃথা যাবে না। জমা থাকবে।
- স্বামী ভূতেশানন্দ (পরিপ্রশ্ন - ১, পৃ. ১৯)

হৃষীকেশের গঙ্গা মনে আছে ? সেই নির্মল নীলাভ জল– যার মধ্যে দশ হাত গভীরের মাছের পাখনা গোনা যায়, সেই অপূর্ব, সুস্বাদু, হিমশ...
24/06/2026

হৃষীকেশের গঙ্গা মনে আছে ? সেই নির্মল নীলাভ জল– যার মধ্যে দশ হাত গভীরের মাছের পাখনা গোনা যায়, সেই অপূর্ব, সুস্বাদু, হিমশীতল 'গাঙ্গ্যং বারি মনোহারি' আর সেই 'হর হর' তরঙ্গোত্থ ধ্বনি, সামনে গিরিনির্ঝরের 'হর হর' প্রতিধ্বনি, সেই বিপিনে বাস, মাধুকরী ভিক্ষা, গঙ্গাগর্ভে ক্ষুদ্র দ্বীপাকার শিলাখণ্ডে ভোজন, করপুটে অঞ্জলি অঞ্জলি সেই জল পান, চারিদিকে কণপ্রত্যাশী মৎসকুলের নির্ভয় বিচরণ ? সে গঙ্গাজলপ্রীতি, গঙ্গার মহিমা, সে গাঙ্গ্যবারির বৈরাগ্যপ্রদ স্পর্শ, সে হিমালয়বাহিনী গঙ্গা ...
- স্বামী বিবেকানন্দ (বাণী ও রচনা - ষষ্ঠ খণ্ড, পৃ. 61)

কার্য কখন কারণ হইতে ভিন্ন নয়; উহা সেই কারণে পুনরাবির্ভাব মাত্র। তাহার পর আমরা শিখিলাম এই ক্ষুদ্র বিশেষ বিশেষ রূপ বা আকৃত...
23/06/2026

কার্য কখন কারণ হইতে ভিন্ন নয়; উহা সেই কারণে পুনরাবির্ভাব মাত্র। তাহার পর আমরা শিখিলাম এই ক্ষুদ্র বিশেষ বিশেষ রূপ বা আকৃতি -যেগুলিকে আমরা উদ্ভিদ তির্যগ‍্জাতি বা মানব বলি, সেগুলি অনন্তকাল ধরিয়া উঠিয়া পড়িয়া ঘুরিয়া ফিরিয়া আসিতেছে। বীজ হইতে বৃক্ষ হয়, বৃক্ষ আবার বীজ হয়, আবার উহা এক বৃক্ষ হয়—আবার অন্য বীজ হয়, আবার এক বৃক্ষ হয়—এইরূপ চলিতেছে, ইহার শেষ নাই। জলবিন্দু পাহাড়ের গা বাহিয়া সমুদ্রে যায়, আবার বাষ্প হইয়া উঠে–পাহাড়ে যায়, আবার সমুদ্রে ফিরিয়া আসে। উঠিতেছি, পড়িতেছে–চক্র ঘুরিতেছে। সমুদয় জীবন সম্বন্ধেই এইরূপ—সমুদয় অস্তিত্ব, যাহা কিছু দেখিতে শুনিতে ভাবিতে বা কল্পনা করিতে পারি, যাহা কিছু আমাদের জ্ঞানের সীমার মধ্যে তাহাই এই ভাবে চলিতেছে ঠিক মনুষ্যদেহে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের মতো। সমুদয় সৃষ্টিই এইরূপে চলিয়াছে, একটি তরঙ্গ উঠিতেছে, একটি পড়িতেছে, আবার উঠিয়া আবার পড়িতেছে। প্রত্যেক তরঙ্গেরই সঙ্গে সঙ্গে একটি করিয়া গহ্বর, প্রত্যেক গহ্বরের সঙ্গে সঙ্গে একটি করিয়া তরঙ্গ। সর্বত্র একরূপ বলিয়া সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডেই বিভিন্ন অংশের মধ্যে সঙ্গতি থাকার দরুন একই নিয়ম খাটিবে। অতএব আমরা দেখিতেছি যে, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডই যেন এককালে কারণে লীন হইতে বাধ্য;সূর্য চন্দ্র গ্রহ তারা পৃথিবী মন শরীর-যাহা কিছু এই ব্রহ্মান্ডে আছে, সকল বস্তুই যেন নিজ সূক্ষ্ম কারণে লীন বা অন্তর্হিত হইবে-আপাতদৃষ্টিতে বিনষ্ট হইবে। বাস্তবিক কিন্তু উহারা সূক্ষ্মরূপে উহাদের কারণে থাকিবে; এইসব সূক্ষ্মরূপ হইতে আবার তাহারা পৃথিবী চন্দ্র সূর্য তারা রূপে বাহির হইবে।

_জগৎ (১) - জ্ঞানযোগ : স্বামী বিবেকানন্দ_

> _সর্বাঙ্গে অসহ্য জ্বালা, ছটফট করেছেন—শুনতে শুনতে মহাপুরুষ মহারাজের চোখ অশ্রুপূর্ণ হয়ে গেল। তিনি কম্পিতকণ্ঠে বললেন : "...
18/06/2026

> _সর্বাঙ্গে অসহ্য জ্বালা, ছটফট করেছেন—শুনতে শুনতে মহাপুরুষ মহারাজের চোখ অশ্রুপূর্ণ হয়ে গেল। তিনি কম্পিতকণ্ঠে বললেন : "আহা! সকলের পাপ গ্রহণ করেই তো মায়ের এত অসুখ। তাইতো সর্বাঙ্গে তাঁর ঐ বিষের জ্বালা। তিনি শত শত সন্তানের পাপতাপ নিজের ভেতর আকর্ষণ করে নিয়ে সন্তানদের নিষ্পাপ করে দিচ্ছেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের কৃপা ও মায়ের কৃপা একই। ঠাকুর নরদেহ ত্যাগ করে এখন শ্রীশ্রীমায়ের মধ্যে বাস করছেন। যারা মায়ের কৃপা পেয়েছে তাদের এই শেষ জন্ম। মা, মা তুমি ভক্তদের জন্য কত কষ্টই না সহ্য করছ!_

> _“একদিন ঠাকুর আমায় বলেছিলেন— 'ঐ যে নহবতে আছে আর মন্দিরে ভবতারিণী—একই।' আমি তখন কি এত সব বুঝতাম! তিনি বলেছিলেন—শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। যে মাকে দর্শন করেছে—সে মুক্ত হয়ে যাবে। মায়ের দর্শন কি কম ভাগ্যের কথা! ” বলতে বলতে তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল*_

_আমি তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলাম : “মাকে রোজ তো দর্শন করছি, কিন্তু মায়ের মুখের একটি কথাও তো শুনতে পাই না। আমার কেবলই মনে হয়—আহা! মা যদি একটি কথাও বলতেন!” মহাপুরুষ মহারাজ খুব আবেগভরা কণ্ঠে বললেন : “ঐ যে মা তোমার দিকে চেয়ে থাকেন, ঐ তো তাঁর আশীর্বাদ। তিনি কৃপাদৃষ্টিতে তোমায় দেখেছেন। তোমার জীবন ধন্য হয়ে গিয়েছে। মায়ের কৃপা পেয়েছ—তোমার এ-জীবনের পক্ষে তা-ই যথেষ্ট। এখন তাঁর শরীর এত খারাপ, কি করে তোমার সঙ্গে কথা বলবেন? তিনি এত দুর্বল যে, কথা বলার শক্তিই তো নেই! তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁর মুখের কথা শুনতে পাবে।”_

_মহাপুরুষ মহারাজের সে শুভ-ইচ্ছা এক অলৌকিক উপায়ে আক্ষরিকভাবে সত্য হয়েছিল।_
> _দেহত্যাগের রাত্রিতে শ্রীশ্রীমা দিব্যদেহে জ্যোতির্ময়ীরূপে আমায় শেষ আশীর্বাদ করেছিলেন। ২০ জুলাই ১৯২০। রোজ যেমন ঘুমাই সেদিনও তেমনি ঘুমিয়ে পড়েছি। রাত প্রায় দেড়টার সময় অদ্ভুতভাবে মায়ের দর্শন পাই। অসাধারণ সেই দর্শন। মাকে জ্যোতির্ময়ী মূর্তিতে দেখতে পেলাম। তিনি সস্নেহে আমার দিকে চেয়ে আছেন। আমাকে মধুরস্বরে ডেকে বলছেন : “বাবা, আমি যাচ্ছি।” এই অদ্ভুত দর্শনের মর্ম কিছুই বুঝতে পারলাম না। বুঝলাম, যখন মায়ের দেহরক্ষার মর্মন্তুদ সংবাদটি পেলাম। মা উদ্বোধনে মর্ততনু ত্যাগ করেছেন প্রায় সেই সময়—যখন আমি তাঁর দর্শন পেয়েছিলাম !_

শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে
_(পর্ব -৪২)_
—স্বামী অপূৰ্বানন্দ

তুমি যন্ত্রণায় যা শেখো, তা-ই গানের মধ্যে দিয়ে শেখাও; মহাপুরুষেরা হাস্যকৌতুকের মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক কিছু শেখান যা খেট...
17/06/2026

তুমি যন্ত্রণায় যা শেখো, তা-ই গানের মধ্যে দিয়ে শেখাও; মহাপুরুষেরা হাস্যকৌতুকের মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক কিছু শেখান যা খেটেখুটে তৈরি করা ধর্মোপদেশ এবং বিমূর্ত দর্শন শেখাতে পারে না। আত্মার অবিনশ্বরত্বে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে এবং জীবনকে নিছক মজা বলে গ্রহণ করতে হবে। যীশু বলেছেন, ‘আমার বোঝা হালকা, তাই আমার জোয়াল টানা সহজ।’ আমাদের দুঃসময়েও যদি রসবোধ বজায় থাকে তাহলে আমাদের ধর্মসাধনাও শুকনো, একঘেয়ে হয়ে উঠবে না; বরং তা মধুর ও উৎসাহপূর্ণ হবে। মহাপুরুষদের সঙ্গে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত জীবনশৈলী ও তাঁদের কাজের ধারার মাধ্যমে আমাদের গড়ে উঠতে সাহায্য করে। সারদানন্দজীর প্রকৃতিতে মজা ও স্বতঃস্ফূর্ততার সঙ্গে বিনম্রতার এক উদার সংমিশ্রণ ছিল। ঠাকুরের উপদেশ তাঁর স্মৃতি ও কর্মে জীবন্ত হয়েছিল। —“বর্ষায় গঙ্গাতে খুদে খুদে কাঁকড়া জন্মায় দেখেছ? এই বিশাল জগতে তুমি ঐ ছোট্ট কাঁকড়াটির চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ। জগতের হিত করবার তুমি কে! ভগবানের আদেশ পেলে, তাঁর কাছ থেকে শক্তি পেলে তবেই তুমি অপরের মঙ্গল করার কথা ভাবতে পার। অহংকার একেবারে ধুয়েমুছে গেলে তবেই জগন্মাতা তাকে দিয়ে জগতের কাজ করান।”

_সারদানন্দ প্রসঙ্গে — স্বামী অশেষানন্দ_

Address

Girish Ghosh Road
Kolkata
711202

Telephone

+913324651155

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttishthata Jagrata Prapya Varan Nibodhata posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Uttishthata Jagrata Prapya Varan Nibodhata:

Shortcuts

Share