07/06/2026
প্রভাতের সমাগমেই দিনের সুর
=========================
আজ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি যেন গোটা দিনের কর্মস্পৃহা ও প্রাণশক্তির পূর্বাভাস দিয়ে গেল। প্রভাতকালীন সমাগমের আন্তরিকতা, শৃঙ্খলা ও উদ্দীপনা স্পষ্ট করে দিল—দিনটি শুধুই নিয়মমাফিক পাঠদানের নয়, বরং শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের এক যৌথ সাধনার দিন।
সমাবেশে জাতীয় সঙ্গীত, প্রার্থনা এবং সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সকলকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় যে, জীবনের প্রকৃত যোদ্ধারা কখনও অনুকূল কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতির হিসাব কষে এগিয়ে চলে না। তাদের কাছে প্রতিটি পরিস্থিতিই শিক্ষার, সংগ্রামের এবং আত্মোন্নয়নের সুযোগ। প্রতিকূলতা তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না; বরং আরও দৃঢ় করে তোলে।
ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল মুখ, শিক্ষকদের দায়বদ্ধ উপস্থিতি এবং সমগ্র বিদ্যালয় পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সকালের এই সমাবেশ এক ইতিবাচক বার্তা বহন করেছে—সাফল্যের পথ কখনও মসৃণ নয়, কিন্তু লক্ষ্য স্থির থাকলে প্রতিটি বাধাই হয়ে ওঠে অগ্রগতির সোপান।
দিনের শুরুতে এই প্রাণময় সমাগম যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—
"যোদ্ধার জীবনে অনুকূল আর প্রতিকূল বলে কিছু হয় না; থাকে শুধু কর্তব্য, অধ্যবসায় এবং এগিয়ে যাওয়ার অদম্য প্রত্যয়।"
14/05/2026
উচ্চমাধ্যমিক ২০২৬ এ বিদ্যালয়ের ফলাফল
08/05/2026
শুভজিৎ মাধ্যমিকে সর্বাধিক নম্বর পেলো। ওকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনেক শুভকামনা।
25/03/2026
অভিভাবক সভা : একটি প্রতিবেদন
___________________________________
গতকাল ও আজকের অভিভাবক সভা সংলাপ, সমঝোতা আর ভবিষ্যৎ নির্মাণের এক নীরব দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো । যথাক্রমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ, এবং সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীর দু'দিন ব্যাপী অভিভাবক সভা প্রধান শিক্ষকের স্নিগ্ধ ও দৃঢ় সভাপতিত্বে সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হলো।
এই সভা কেবলমাত্র নিয়মরক্ষার একটি আয়োজন ছিল না; বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের সম্পৃক্ততায় গঠনমূলক আলাপনের পূণ্য পরিসরে রূপান্তরিত হয়েছিল। অভিভাবক-অভিভাবিকাদের সক্রিয় উপস্থিতি—প্রায় চারশোর কাছাকাছি—প্রমাণ করে দিল, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে তাঁদের আন্তরিকতা কতখানি গভীর। তাঁদের মুখে বিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপের প্রশংসা যেমন ধ্বনিত হলো, তেমনি উঠে এলো বহু মূল্যবান ও ইতিবাচক পরামর্শ, যা আগামী দিনের পথচলায় আলোর দিশা দেখাবে।
শ্রেণী শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাঁদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা, ছাত্রছাত্রীদের বেড়ে ওঠার গল্প ও চ্যালেঞ্জগুলো অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তুলে ধরেন। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক-শিক্ষিকারাও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের নানা দিক নিয়ে আলোকপাত করেন, যা সভাটিকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
প্রধান শিক্ষকের বিশ্লেষণধর্মী ও ধৈর্যশীল বক্তব্যে জবাবী ভাষন হৃদয়গ্রাহী হয়ে ওঠে । অভিভাবকদের প্রতিটি প্রশ্নের তিনি যে স্পষ্ট, যুক্তিসম্মত ও সহানুভূতিপূর্ণ উত্তর দিয়েছেন, তা উপস্থিত সকলের মনে আস্থা ও সন্তুষ্টির সঞ্চার করে। ছাত্রদের উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়ে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দুই দিনের এই সম্মিলিত প্রয়াস শেষে একটাই অনুভব রয়ে যায়—বিদ্যালয় আর পরিবার আলাদা কোনো সত্তা নয়; তারা একে অপরের পরিপূরক। ছাত্রদের পূর্নাঙ্গ বিকাশে পারিবারিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক-- যৌথ প্রয়াসই শ্রেয়। এই পারস্পরিক বিশ্বাস, সহযোগিতা ও ভালোবাসার বন্ধনই গড়ে তুলবে আগামী দিনের সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম।
সব মিলিয়ে, এই অভিভাবক সভা হয়ে উঠেছিল এক সার্থক, প্রাণবন্ত এবং গভীর তাৎপর্যপূর্ণ মিলনমেলা—যার রেশ অনেক দিন ধরে থেকে যাবে আমাদের সবার মনে।
14/03/2026
NICCO PARK ভ্রমণ :
আজ আমাদের বিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি আনন্দমুখর শিক্ষাভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছিল। এই ভ্রমণে বিদ্যালয়ের মোট ৬৪ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অংশগ্রহণ করেন। গন্তব্য ছিল কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র Nicco Park।
সকালের সতেজ উচ্ছ্বাস নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। ছাত্রছাত্রীদের চোখে-মুখে ছিল অজানা আনন্দের প্রত্যাশা। নিকো পার্কে পৌঁছে তারা বিভিন্ন রাইড, সবুজ পরিবেশ এবং পারস্পরিক মিলনমেলার মধ্য দিয়ে দিনটি উপভোগ করে। আনন্দের মধ্যেই ছিল শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের এক সুন্দর ছবি—যা বিদ্যালয়ের শিক্ষার প্রকৃত মূল্যবোধকে আরও একবার উজ্জ্বল করে তুলেছে।
এই ভ্রমণ শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন, আত্মবিশ্বাস এবং সমষ্টিগত আনন্দের এক অনন্য অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক তত্ত্বাবধান এবং ছাত্রছাত্রীদের শৃঙ্খলাবোধের ফলে সমগ্র কর্মসূচি অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
দিনের শেষে যখন সবাই বিদ্যালয়ে ফিরে এল, তখন ক্লান্তি ছিল বটে, কিন্তু তার থেকেও বেশি ছিল তৃপ্তির হাসি ও স্মৃতির উজ্জ্বল ঝলক। আজকের এই ভ্রমণ নিঃসন্দেহে সকলের মনে দীর্ঘদিন ধরে এক আনন্দময় স্মৃতি হয়ে থাকবে।
এই সফল আয়োজন সম্পন্ন করার জন্য বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এবং আমার পক্ষ থেকে সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সহযোগী ব্যক্তিবর্গকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আজকের দিনটিকে এত সুন্দর ও স্মরণীয় করে তুলেছে।
প্রধান শিক্ষক।
১৩-০৩-২০২৬
19/02/2026
আজ এক গৌরবের দিন। আজ আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়–এর ১৪১ তম জন্মদিন। এই দিনটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়, এটি এক স্বপ্নের, এক সাধনার, এক ঐতিহ্যের উদ্যাপন।
প্রতিটি বিদ্যালয় কেবল ইট-পাথরের গাঁথুনি নয়; তা একটি আলোকশিখা, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখায়। গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ও তেমনই এক দীপশিখা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বিদ্যালয় কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান নয়, মানুষ গড়ার শিক্ষাও দিয়ে আসছে। এখানে শিক্ষার্থীরা শিখেছে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা ও মানবিকতা।
বিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন প্রবাদপ্রতিম স্থপতি শ্রী ক্ষেত্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর আদর্শ ও স্বপ্নকে ধারণ করেই এই শিক্ষালয় এগিয়ে চলেছে। তাঁর দূরদৃষ্টি ও সমাজচিন্তার ফলেই এই অঞ্চলে শিক্ষার আলো বিস্তার লাভ করেছে।
এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ যেন স্মৃতির ভাণ্ডার—কোথাও প্রথম অক্ষর শেখার আনন্দ, কোথাও বন্ধুত্বের হাসি, কোথাও বা পরীক্ষার আগে উৎকণ্ঠা। বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পল্লীমেলা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ—সব ক্ষেত্রেই বিদ্যালয়টি এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।
আজকের এই শুভক্ষণে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী, অভিভাবক এবং অসংখ্য প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের, যাঁদের ভালোবাসা ও শ্রমে এই প্রতিষ্ঠান আজ এতদূর এসেছে। তাঁদের ত্যাগ ও নিষ্ঠাই বিদ্যালয়কে দিয়েছে দৃঢ় ভিত।
প্রবাদপ্রতিম স্থপতি শ্রী ক্ষেত্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের স্বপ্নের এই বিদ্যায়তন কেবল পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দেয়নি,
শিখিয়েছে মানুষ হতে,শিখিয়েছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে,
শিখিয়েছে সততা, সহমর্মিতা আর সংগ্রামের মূল্য।
একটি বিদ্যালয় তখনই মহান হয়,যখন তার প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থেকেও
নিজের পরিচয়ে গর্ব করে বলে—
“আমি গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী।”
আজ জন্মদিনের এই শুভক্ষণে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি সেই সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের,
যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম, মমতা ও দিকনির্দেশনায়
এই প্রতিষ্ঠান আজ ১৪১ বছরের গৌরবময় যাত্রাপথ অতিক্রম করেছে।
আসুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—
এই ঐতিহ্য, এই মান-মর্যাদা, এই আলোর শিখা
আমরা আরও উজ্জ্বল করে তুলব।
আগামী প্রজন্মের হাতে তুলে দেব এক শক্ত ভিত্তির, স্বপ্নময় আগামী।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, প্রযুক্তির আগমন ঘটেছে, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এসেছে—তবু গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় তার মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। জ্ঞানের সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয়ই এই বিদ্যালয়ের প্রধান শক্তি।
আজ জন্মদিনের এই পবিত্র মুহূর্তে আমাদের প্রত্যাশা—এই বিদ্যালয় আরও বহু বছর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাক, সমাজকে উপহার দিক সৎ, মানবিক ও দায়িত্ববান নাগরিক।
শুভ জন্মদিন, প্রিয় গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়।
তোমার আলোয় আলোকিত হোক আগামী প্রজন্মের পথচলা। 🌼
13/02/2026
গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রী সমীর কুমার নাথ মহাশয়ের অবসর উপলক্ষে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাশয়, শ্রী সুব্রত ঘোষ এবং সহশিক্ষক, শ্রী রাকেশ সাহা মহাশয়।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষককে বিদ্যালয়ের নামাঙ্কিত উত্তরীয়, পুস্তক এবং পুষ্পস্তবক প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধিত করা হয়।
08/02/2026
পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ, উত্তর২৪ পরগণা জেলা শাখা আয়োজিত বিজ্ঞান মডেল প্রদর্শনী প্রতিযোগিতায় আমাদের বিদ্যালয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে।উচ্চমাধ্যমিকের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রিয়ানী ঘোষ এবং সাদিয়া সুলতানার বিভাগীয় প্রতিনিধিত্ব আমাদের মুগ্ধ করেছে। আসলে সকলকেই মুগ্ধ করেছে বলেই তারা প্রথম হয়েছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে Menstruation বা ঋতুরজ সংক্রান্ত সঠিক ধারণার পশ্চাৎপদতা নারী স্বাস্থ্যের পরিপন্থী।
সেখানেই আলো ছড়ালো আমাদের মেয়েরা। এই পুরস্কার আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের বিজ্ঞান মনস্কতা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে হয়। একই সাথে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সম্ভাবনার জায়গা গুলো আরও বেশি করে যৌথ আঙিনায় প্রতিভাত করার ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও জারি থাকবে।
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই বিদ্যালয়ের সহশিক্ষক, ভ্রাতৃপ্রতিম নুরুল হুদাকে, External Affairs এ বিদ্যালয়ের দলগত অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নুরুল বিগত দু-তিন বছরে আমাদেরকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছে।
পরিশেষে বলি, স্বীকৃতি পেতে কার না ভালো লাগে! স্বীকৃতি পাওয়া একটা নেশার মতো, একটা পেলে আর একটা পেতে ইচ্ছে করে। আর তা সম্ভব হয়, সকলে মিলে বিদ্যালয়কে বিভিন্ন ভাবে স্বীকৃতি উপযুক্ত করে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করলে।
01/02/2026
হ্যাঁ... ঠিকই দেখছেন! আমাদের বিদ্যালয়ের ৩০৭ নং ঘরের ইলেক্ট্রিক লাইন, ফ্যান এবং সি সি ক্যামেরা মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাথে তছনছ করা হয়েছে। কারা করেছে? তারা আমাদেরই ছাত্র। আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা। নির্দ্বিধায় ও নির্বিঘ্নে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিক আমাদের ছাত্ররা। তারপর আমরা এ বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক এবং নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেব। এই বর্বর উন্মাদনা বন্ধ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি নষ্টের সাথে পরিচালন সমিতি তথা বিদ্যালয় কর্মী সংসদ কোনোভাবে আপোষ করবে না। প্রয়োজনে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়া থেকেও পেছপা হওয়ার প্রশ্ন উঠবে না।
একই সাথে একথাও স্পষ্ট হোক, বিদ্যালয় কতৃপক্ষ প্রকৃতিগতভাবেই ক্ষমাশীল। দোষীরা নিজেরা এগিয়ে এসে ক্ষমাপ্রার্থী হলে কতৃপক্ষ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে সেটা বিবেচনা করতে পারে।
সমস্ত শুভবুদ্ধি সম্পন্ন অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুদের কাছে এ বিষয়ে জনমত সংগঠিত করার আহ্বান জানাই।