Gustia Kshetranath High School

Gustia Kshetranath High School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gustia Kshetranath High School, Badu Road, Barasat.

Gustia Kshetranath High School has been an eternal source of knowledge and education since 1885, an execution of a visionary zeal of an unrivalled aspirant named Kshetranath Chatterjee, one of the most prolific sons of the soil.

মাননীয় বিধায়কের হাতে তুলে দেওয়া স্মারকটির নেপথ্যের কুশীলব আমাদের প্রিয় ছাত্র অত্রির পিতা চন্দন মোহান্ত। তাকে বিদ্যালয়ের ...
15/08/2026

মাননীয় বিধায়কের হাতে তুলে দেওয়া স্মারকটির নেপথ্যের কুশীলব আমাদের প্রিয় ছাত্র অত্রির পিতা চন্দন মোহান্ত। তাকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনেক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাই।

স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য উদ্‌যাপন ও রক্তদান কর্মসূচিনিজস্ব সংবাদদাতা:দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আ...
15/08/2026

স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য উদ্‌যাপন ও রক্তদান কর্মসূচি

নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল এক বর্ণময়, সাড়ম্বর ও তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠান। জাতীয়তাবোধ, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অপূর্ব মেলবন্ধনে বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন এদিন এক বিশেষ মাত্রা লাভ করে।
সকালের নির্মল পরিবেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী সুব্রত ঘোষ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় এবং সমগ্র বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ এক গম্ভীর অথচ আবেগঘন দেশাত্মবোধের আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে।
এরপর প্রধান শিক্ষক তাঁর স্বাগত ভাষণে স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য, দেশ ও সমাজের প্রতি ছাত্রছাত্রীদের দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মানবিক ও দেশপ্রেমিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিজেও আবৃত্তি পরিবেশন করে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেন।
স্বাধীনতা দিবসের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সুসজ্জিত কুচকাওয়াজ। সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে প্রদান করা হয় গার্ড অফ অনার। বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, ঐক্য ও ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণের এক সুন্দর নিদর্শন হয়ে ওঠে এই পর্ব।
এদিন বিদ্যালয়ের দুই বর্ষীয়ান শিক্ষক মৃণালবাবু ও উত্তমবাবুকে বিশেষভাবে সংবর্ধিত করা হয়। তাঁদের দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, অভিজ্ঞতা, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং বিদ্যালয়ের প্রতি আন্তরিকতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের সম্মানিত করা হয়। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে আবেগ ও শ্রদ্ধার আবহ তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারাসাত বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক শ্রী শংকর চ্যাটার্জী মহাশয়। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করে। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও তিনি বিদ্যালয়ের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। তাঁর এই আশ্বাস বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক মহলে যথেষ্ট আশার সঞ্চার করে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষক মহাশয় তাঁকে স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করেন।
এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সম্মিলিত পরিবেশনায় গান, আবৃত্তি, নৃত্য ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানে এক অন্য মাত্রা যোগ করে। দেশপ্রেম, স্বাধীনতার চেতনা এবং বাংলার সংস্কৃতির নানা দিক উঠে আসে এই পরিবেশনাগুলিতে। দর্শকাসনে উপস্থিত অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং এলাকাবাসী তাঁদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় মুগ্ধ হন।
তবে এবারের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সামাজিক সংযোজন ছিল বিদ্যালয় ও পল্লীমেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচি। স্বাধীনতার আনন্দকে কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবন রক্ষার মহান কাজে নিজেদের যুক্ত করার এই উদ্যোগ অনুষ্ঠানে এক অনন্য মানবিক মাত্রা যোগ করে।
একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ভলভো বাসে বিশেষভাবে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে এলাকার উৎসাহী মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদান করেন। স্বাধীনতা দিবসের সকালে দেশের প্রতি ভালোবাসাকে মানুষের প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে যুক্ত করে রক্তদাতারা যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। রক্তদানের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ ও আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।
তবে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বেশ কিছু মানুষ শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত কারণে রক্তদানের উপযুক্ত বিবেচিত না হওয়ায় তাঁদের রক্তদান থেকে বিরত থাকতে হয়। তাঁদের এই আগ্রহ এবং রক্তদানের মানসিকতাও আয়োজকদের কাছে সমানভাবে প্রশংসনীয় হয়ে ওঠে। কারণ রক্তদান কেবল রক্ত দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; অন্যের জীবন রক্ষার জন্য এগিয়ে আসার মানসিকতাটিই এর মূল শক্তি।
স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে বিদ্যালয়ের এই আয়োজন তাই নিছক একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকেনি। জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা, স্বাধীনতার ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতা, সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা, প্রবীণদের প্রতি সম্মান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক অঙ্গীকার—সবকিছুকে একসূত্রে বেঁধে দিয়েছে আজকের এই আয়োজন।
সবমিলিয়ে, আজকের স্বাধীনতা দিবস বিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন হয়ে রইল। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, পল্লীমেলা কমিটির সদস্যবৃন্দ, রক্তদাতা এবং এলাকাবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে দিনটি হয়ে উঠল দেশপ্রেম, সংস্কৃতি, সম্মান ও মানবিকতার এক অনন্য উৎসব।
স্বাধীনতার এই অমৃতচেতনা আগামী দিনের প্রজন্মকে আরও দায়িত্বশীল, মানবিক, সংবেদনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে—আজকের আয়োজন যেন সেই প্রত্যয়েরই এক উজ্জ্বল ঘোষণা।

🇮🇳 রক্তদান উৎসব – ২০২৬ 🇮🇳 সবারে করি আহ্বান। প্রথম বর্ষ:৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের পুণ্য প্রভাতে"এক ব্যাগ রক্ত, এক নতুন জীবন"থ...
10/08/2026

🇮🇳 রক্তদান উৎসব – ২০২৬ 🇮🇳 সবারে করি আহ্বান।
প্রথম বর্ষ:
৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের পুণ্য প্রভাতে
"এক ব্যাগ রক্ত, এক নতুন জীবন"

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশু, আর্ত ও মুমূর্ষু রোগীর জীবনরক্ষায় এবং প্রতিদিনের রক্তের চাহিদা পূরণে মানবতার শ্রেষ্ঠ অঙ্গীকার নিয়ে আমরা আয়োজন করেছি "রক্তদান উৎসব – ২০২৬"।

স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন আমরা মানুষের জীবন বাঁচানোর দায়িত্বও নিজেদের কাঁধে তুলে নিই। দেশপ্রেম শুধু পতাকা উত্তোলনে নয়, একজন অচেনা মানুষের মুখে নতুন করে জীবনের হাসি ফোটানোর মধ্যেও নিহিত।
আসুন, স্বাধীনতার এই মহিমান্বিত দিনে মানবসেবার এই পবিত্র যজ্ঞে আমরা সকলে অংশগ্রহণ করি। আপনার স্বেচ্ছায় দান করা এক ব্যাগ রক্ত হতে পারে কারও সন্তানের হাসি, কারও মায়ের আশ্রয়, কারও বাবার নতুন জীবন।

তারিখ : ১৫ আগস্ট, ২০২৬ (শনিবার)
সময় : সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে
স্থান : গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ
আয়োজনে :
পল্লী মেলা কমিটি

গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ চ্যাটার্জি উচ্চ বিদ্যালয়
শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ,
তৎসহ অভিভাবক এবং পল্লীবাসী বৃন্দ

আমাদের আন্তরিক আহ্বান
"রক্ত দিন, জীবন বাঁচান।
স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে মানবতার পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরুন।
আপনার একটি মহৎ সিদ্ধান্তই হতে পারে কারও জীবনের নতুন ভোর।"
এই মহান ব্রতে আপনার, আপনার পরিবার এবং শুভানুধ্যায়ীদের সাদর আমন্ত্রণ।
জয় হিন্দ। বন্দে মাতরম্। 🇮🇳

এ মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না…অর্ণব মুখার্জী…নামটা উচ্চারণ করতেই চোখের সামনে বারবার ভেসে উঠছে ওর সেই চেনা মুখটা।গতবারই আমাদ...
08/08/2026

এ মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না…

অর্ণব মুখার্জী…
নামটা উচ্চারণ করতেই চোখের সামনে বারবার ভেসে উঠছে ওর সেই চেনা মুখটা।
গতবারই আমাদের স্কুল থেকে H.S. পাশ করেছিল অর্ণব। কত স্বপ্ন, কত সম্ভাবনা নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছিল। একজন শিক্ষকের কাছে ছাত্রের সাফল্যের মুহূর্তগুলো যেমন আনন্দের, তেমনই তাদের বড় হয়ে ওঠার পথটাও থাকে নীরব গর্বের। তাই অর্ণবের এই আকস্মিক চলে যাওয়া শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়—আমাদের কাছেও এক গভীর ব্যক্তিগত শোক।

একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এত অল্প বয়সে ওর জীবনটাকে এভাবে থামিয়ে দেবে—এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না।
মেনে নিতে পারছি না।
কী বলব… সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
জীবন কত অনিশ্চিত!
কত স্বপ্ন, কত পরিকল্পনা, কত সম্ভাবনা—এক মুহূর্তের নির্মম আঘাতে সবকিছু যেন স্তব্ধ হয়ে যায়। থেকে যায় শুধু স্মৃতি আর একরাশ না-বলা কথা।

তোর মতো একটি তরতাজা প্রাণের এভাবে ঝরে যাওয়া আমাদের সকলকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিল।
এই ভয়াবহ শোকের মুহূর্তে অর্ণবের মা-বাবার প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। সন্তানের শূন্যতা কোনো ভাষায় পূরণ করা যায় না, কোনো সান্ত্বনাতেই এই ক্ষত শুকোয় না। ঈশ্বর ,তাদের এই অসহনীয় বেদনা সহ্য করার শক্তি দিন, এই কঠিন শোক অতিক্রম করার মানসিক বল দিন।
প্রার্থনা করি, অর্ণবের আত্মা শান্তি লাভ করুক।
আর এমন মর্মান্তিক পরিণতি যেন আর কোনো তরুণ প্রাণকে ছুঁতে না পারে।

ওঁ শান্তিঃ।ওঁ শান্তিঃ।ওঁ শান্তিঃ।

Participation of our students and teacher in the Promotional programme endorsing CENSUS 2027 @ Municipality Hall, Barasa...
01/08/2026

Participation of our students and teacher in the Promotional programme endorsing CENSUS 2027 @ Municipality Hall, Barasat

মায়ের পা ধুইয়ে শ্রদ্ধা, অশ্রুসজল শতাধিক চোখ — গুরু পূর্ণিমায় গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যতিক্রমী আয়োজন'মা-বাব...
29/07/2026

মায়ের পা ধুইয়ে শ্রদ্ধা, অশ্রুসজল শতাধিক চোখ — গুরু পূর্ণিমায় গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যতিক্রমী আয়োজন

'মা-বাবার চেয়ে বড় গুরু আর কেউ নন'—মূল্যবোধের বার্তায় অনুরণিত ১৪১ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়

গুরু পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে এক বিরল এবং হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকল বারাসাতের ১৪১ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় (উচ্চ মাধ্যমিক)। বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত 'মাতৃবন্দনা ও গুরুপ্রণাম' অনুষ্ঠানে যেন জীবন্ত হয়ে উঠল উপনিষদের সেই চিরন্তন বাণী—"মাতৃদেবো ভব, আচার্যদেবো ভব।"
প্রায় ৩০ জন ছাত্র এদিন নিজেদের মায়ের সামনে নতজানু হয়ে তাঁদের পা ধুইয়ে দেয়, যত্ন করে মুছিয়ে দেয়, পাদপদ্মে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে, প্রজ্বলিত প্রদীপ হাতে আরতি করে এবং পঞ্চমিষ্টান্নের নৈবেদ্য অর্পণ করে। শুধু আচার নয়, এটি ছিল সন্তানের হৃদয়ের গভীরতম কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। অনুষ্ঠানের এক বিশেষ পর্বে বিদ্যালয়ের ১৪১ বছরের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করা তথ্যসমৃদ্ধ গ্রন্থ 'ক্ষেত্রতীর্থ' প্রতিটি মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এই অনন্য মুহূর্তে আবেগ আর সংযমের সীমানা বারবার ভেঙে যায়। বহু মায়ের চোখ আনন্দাশ্রুতে ভিজে ওঠে। উপস্থিত অভিভাবক দেবশ্রী সেন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, "জীবনে এত বড় আনন্দ কোনো দিন পাইনি। আজ মনে হচ্ছে, সন্তানকে মানুষ করার সাধনা সার্থক হয়েছে।"
অনুষ্ঠানের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী সুব্রত ঘোষ বলেন, "বর্তমান সমাজে বৃদ্ধাশ্রমের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আমাদের আত্মসমালোচনার কারণ হওয়া উচিত। সন্তান যদি ছোটবেলা থেকেই মা-বাবার প্রতি শ্রদ্ধা, সেবা ও কৃতজ্ঞতার শিক্ষা পায়, তবে সমাজ আরও মানবিক হবে। মা-বাবার চেয়ে বড় গুরু মানুষের জীবনে আর কেউ হতে পারেন না। এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এই উদ্যোগ।"
এদিনের অনুষ্ঠানের আর একটি আবেগঘন মুহূর্ত ছিল চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের দশম স্থানাধিকারী, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামে ৮১টি কেমোথেরাপি গ্রহণ করেও অসাধারণ সাফল্য অর্জনকারী অদৃজা গন-এর সংবর্ধনা। অদৃজা নিজেও তাঁর মাকে সামনে বসিয়ে মাতৃবন্দনায় অংশগ্রহণ করে উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষক তাঁর হাতে মানপত্র ও সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেন। করতালির ঢেউ যেন অদৃজার অদম্য জীবনসংগ্রাম এবং মায়ের অবিচল ত্যাগকে একসঙ্গে সম্মান জানায়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, শিবানন্দ মহারাজ, প্রজাপিতা ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, সমাজসেবী বিল্ব সেন-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান যে সমাজ পরিবর্তনেরও হাতিয়ার হতে পারে, তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল এই 'মাতৃবন্দনা ও গুরুপ্রণাম'। যখন প্রযুক্তির ভিড়ে সম্পর্কের উষ্ণতা ক্রমশ ফিকে হয়ে আসছে, তখন এই আয়োজন যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিল—সভ্যতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত গড়ে ওঠে সন্তানের হৃদয়ে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার বীজ রোপণের মধ্য দিয়েই।
শেষ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল একটি দৃশ্য—যেখানে সন্তানের স্পর্শে মায়ের চোখ ভিজেছে আনন্দে, আর সেই অশ্রুবিন্দুই যেন নীরবে ঘোষণা করেছে, "মায়ের আশীর্বাদের চেয়ে বড় প্রাপ্তি পৃথিবীতে আর কিছু নেই।"

"যে সন্তানের প্রথম শিক্ষক মা, আর জীবনের আলোকবর্তিকা গুরু—তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনই ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ স...
26/07/2026

"যে সন্তানের প্রথম শিক্ষক মা, আর জীবনের আলোকবর্তিকা গুরু—তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনই ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধনা। মা আমাদের জীবন, স্নেহ ও ত্যাগের প্রতিমূর্তি; গুরু আমাদের জ্ঞান, আদর্শ ও মানবিকতার পথপ্রদর্শক। এই দুই মহান সত্তার আশীর্বাদেই একজন মানুষের চরিত্র, চেতনা ও ভবিষ্যৎ নির্মিত হয়। সেই চিরন্তন মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের অন্তরে সঞ্চারিত করার মহান উদ্দেশ্যে, গুরু পূর্ণিমার এই পবিত্র লগ্নে গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় (উচ্চ মাধ্যমিক) আয়োজন করেছে ‘মাতৃবন্দনা ও গুরুপ্রণাম’—এক অনন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি, কৃতজ্ঞতার উৎসব এবং সংস্কৃতির মহামিলন।"

“মাতৃদেবো ভব। আচার্যদেবো ভব।”

"মায়ের প্রতি সন্তানের এই প্রতীকী অর্ঘ্য যদি কেবল অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ না থেকে জীবনের প্রতিটি দিনে বাস্তব শ্রদ্ধা, সেবা ও ভালোবাসায় রূপ নেয়, তবে সমাজে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা একদিন অবশ্যই কমবে। কারণ, যে সন্তান মায়ের চরণে শ্রদ্ধার প্রদীপ জ্বালাতে শেখে, সে কোনোদিন তাঁর জীবনের শেষ প্রহরে তাঁকে নিঃসঙ্গতার অন্ধকারে ঠেলে দিতে পারে না। মাতৃবন্দনার প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন মায়ের স্থান হবে সন্তানের হৃদয়ে—বৃদ্ধাশ্রমের চার দেওয়ালে নয়।"
অথবা আরও তীক্ষ্ণ ও আবেগঘন ভাষায়—
"মায়ের চরণে একটি প্রদীপ জ্বালানো সহজ; কিন্তু তাঁর জীবনের শেষ সন্ধ্যায় তাঁর পাশে একটি আলোর মতো দাঁড়িয়ে থাকা অনেক কঠিন। আমাদের এই 'মাতৃবন্দনা' যদি সেই মানবিকতার বীজ নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে বপন করতে পারে, তবে বৃদ্ধাশ্রম নয়—প্রতিটি ঘরই হয়ে উঠবে মায়ের নিরাপদ আশ্রয়।"

এই পবিত্র অনুষ্ঠানে আপনার আন্তরিক উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করবে এবং অনুষ্ঠানের মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।
তারিখ: ২৯শে জুলাই, ২০২৬ (গুরু পূর্ণিমা)
🕘 সময়: বেলা২:৩০ ঘটিকা
📍 স্থান: গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় (উচ্চ মাধ্যমিক) প্রাঙ্গণ
অনুষ্ঠানের আকর্ষণ:
• মঙ্গলাচরণ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন
• মাতৃবন্দনা ও গুরুপ্রণাম
• ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
• প্রধান শিক্ষকের শুভেচ্ছা বক্তব্য
• সম্মাননা প্রদান
• আশীর্বাণী ও সমাপ্তি
আপনার উপস্থিতিই আমাদের প্রেরণা।
আসুন, মা ও গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই মহৎ আয়োজনে আমরা সকলে একত্রিত হই।
বিনীত,

প্রধান শিক্ষক
গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় (উচ্চ মাধ্যমিক)

With Rotary  Club Of Madhyamgram Metropolitan – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their t...
21/07/2026

With Rotary Club Of Madhyamgram Metropolitan – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉

Address

Badu Road
Barasat
700128

Opening Hours

Monday 10:30am - 4:30pm
Tuesday 10:30am - 4:30pm
Wednesday 10:30am - 4:30pm
Thursday 10:30am - 4:30pm
Friday 10:30am - 4:30pm
Saturday 10:30am - 1:30pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gustia Kshetranath High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share