31/10/2024
Game of Thrones Prequels: Exploring the Rich History of Westeros
A K M Rezaul Karim
With the success of *Game of Thrones*, multiple prequels are expanding the world of Westeros, diving deep into its legendary history, powerful houses, and pivotal moments. Here are some notable prequels in development:
1. **House of the Dragon**
Premiering in 2022, this series delves into House Targaryen’s rule, specifically focusing on the Dance of the Dragons, a brutal civil war over the Iron Throne. Set nearly 200 years before *Game of Thrones*, it’s based on George R.R. Martin's *Fire & Blood* and explores themes of family, power, and betrayal. A second season is already in production.
2. **10,000 Ships**
This prequel follows Princess Nymeria’s epic journey. An ancestor of House Martell, Nymeria led her people to Dorne a thousand years before the events of *Game of Thrones*, shaping the region’s identity and forging a legacy that would last generations.
3. **The Sea Snake (or Nine Voyages)**
Centering on Lord Corlys Velaryon, the legendary “Sea Snake,” this prequel chronicles his life and daring adventures on the seas. A key character in *House of the Dragon*, Corlys’ explorations and political alliances with the Targaryens add a rich layer to Westeros’ history.
4. **The Tales of Dunk and Egg**
Following the journeys of Ser Duncan the Tall (Dunk) and his young squire, Egg (the future King Aegon V Targaryen), this series is set about 90 years before *Game of Thrones*. It’s a lighter, adventurous tale that highlights loyalty and friendship amidst the dangers of Westeros.
5. **The Golden Empire**
Set in Yi Ti, a distant region inspired by ancient China, this prequel would venture into the Eastern lands of Essos, exploring a civilization that holds its own mysteries and power.
With George R.R. Martin actively involved, these prequels promise to enrich the *Game of Thrones* universe, giving fans a deeper look into Westeros’ lore, legends, and long-lost histories. *House of the Dragon* leads this expansion, with other projects potentially following to explore diverse lands and pivotal moments that shaped the world of ice and fire.
08/11/2023
বর্তমান কারিকুলাম নিয়ে পক্ষে / বিপক্ষে অনেক মতবাদ আছে। বেশিরভাগ বিপক্ষে কিছু সংখ্যক পক্ষে অনুমান নির্ভর কথা বলতেছে। আমার দীর্ঘ আট বছরের শিক্ষকতা পেশায় (ঢাকা শহর ও গ্রামের স্কুলে) যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করছি। সবটুকু পড়ার পর মন্তব্য করার অনুরোধ করছি। পক্ষ / বিপক্ষে মতবাদ থাকতেই পারে। তবে গঠনমূলক সমালোচনাকে শ্রদ্ধা করি। আমার অভিজ্ঞতার আলোকে নিম্নের পয়েন্টগুলো বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ত্রুটি বলে মনে করছি।
১ঃ- বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় যারা বই রচনা/ সম্পাদনা / প্রণয়ন করেছেন তারা বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, শিক্ষক পর্যায়ের হওয়াই বইগুলো মূল তাত্বিক না হয়ে গবেষণা ধর্মী হয়ে গেছে। কিন্তু মূলতত্ত্ব আগে গবেষণা পরে করতে হয়। বই রচনার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সাথে সাথে অবশ্যই স্কুল কলেজের শিক্ষক রাখতে হবে। এবং তাদের কথা ও যুক্তি বেশি মূল্যায়ন করতে হবে কারণ তারা সরাসরি ক্লাস রুমের সাথে জড়িত।
২ঃ- বই রচনার ক্ষেত্রে আগের ক্লাসের শিখনফলের সাথে বর্তমান ক্লাসের সামঞ্জস্যতা নাই এবং বয়সের সাথে যোগ্যতার মিল না থাকায় শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে বুঝতে পারছে না।
৩ঃ- শিক্ষার্থী নিয়ে যারা সরাসরি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে অর্থাৎ শিক্ষক, ও অভিভাবক কারও নিকট থেকে কোনো পরামর্শ নেয়নি। যদিও তারা শিক্ষার্থীর সবল দূর্বল দিকগুলো সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারে।
৪ঃ- মূলতত্ত্ব না শিখিয়েই অনেক জায়গায় গল্পগুজব শুরু করে দেওয়া হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করছে।
৫ঃ- বইগুলোতে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ রাখা হয়নি যার জন্য শিক্ষার্থীদের স্কীল বৃদ্ধি হচ্ছে না।
৬ঃ- বইগুলোর কাগজ এবং লেখার কালির মান খুবই নিম্ন পর্যায়ের। তাই তারা আগ্রহ নিয়ে বই খোলে পড়ে না
৭ঃ- সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা হলো পরীক্ষা পদ্ধতি ও শ্রেণিরোল না থাকা। কারণ প্রতিযোগিতা ছাড়া জীবন জড় পদার্থের মতো।
৮ঃ- দলগতকাজের প্রাধান্যের কারণে ক্লাসের প্রথম সারির কয়েকজন শুধু উপকৃত হচ্ছে আর সবাই ফাঁকি দিচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের স্কুলগুলোতে।
৯ঃ- শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত এবং গরীব অভিভাবকদের পক্ষে এই ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্কুল থেকে ঝড়ে পরার প্রবণতা বাড়ছে।
১০ঃ বিভিন্ন প্রজেক্ট দলগতভাবে করতে হয় বিধায় শিক্ষার্থীরা একসাথে মিলিত হতে হয় বিভিন্ন বাসায় যেটা সময় নষ্ট করে এবং সঙ্গ দোষে বাচ্চাও নষ্ট হতে পারে।
১১ঃ- প্রজেক্টগুলো করতে বিভিন্ন তথ্যের দরকার হয় বিধায় শিক্ষার্থীরা ডিভাইসমুখী হচ্ছে এবং হুবহু কপি করে নকলিবাজি শিখছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হলো তারা বিভিন্ন ডিভাইসে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। যা জাতির জন্য অশনিসংকেত।
১২ঃ- পরীক্ষা না থাকার অযুহাতে তারা টেবিল বিমুখ হচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে সময় অপচয় করে নেশাগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামে অভিভাবকদের অসচেতনতার জন্য।
১৩ঃ- কোনো বইয়ে পর্যাপ্ত অনুশীলন না থাকায় এবং বইয়ের ফাঁকা জায়গায় লিখতে বলায় শিক্ষার্থীরা খাতায় লেখা ভুলে যাচ্ছে এরফলে তাদের হাতের লেখা অসুন্দর এবং রাইটিং স্কিল মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে।
১৪ঃ- ত্রিভুজ, বৃত্ত ও চতুর্ভুজের মাধ্যমে সবার মূল্যায়ন সঠিকভাবে করা যায় না বলে অনেক ভালো শিক্ষার্থী মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আরও দূর্বল হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষক -শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থী- শিক্ষার্থী, এবং শিক্ষক অভিভাবকের মাঝে মনমালিন্য ও দুরত্ব তৈরি হচ্ছে ত্রিভুজ, বৃত্ত নিয়ে।
১৫ঃ- চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল পরীক্ষা যুদ্ধ থাকায় এবং স্কুলে পরীক্ষা না থাকাতে তা একেবারে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে সবার কাছে।
১৬ঃ- এই শিক্ষা ব্যবস্থায় মুখস্থ বিদ্যাকে এমনভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে মনে হচ্ছে মুখস্থ করা বিরাট অন্যায় কাজ। অথচ অনেক মূলতত্ত্বের জন্য মুখস্থ জরুরী।
১৭ঃ- শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিনের সাথে তাদের সিলেবাস শেষ করানোর কোনো মিল নেই। যেমন বিজ্ঞানে সপ্তাহে সরকার কর্তৃক মাত্র তিনদিন ক্লাস। এই তিনদিনে তাদেরকে কোনোভাবেই সব পড়ানো সম্ভব নয়।
১৮ঃ কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বলা হয়েছিলো তারা বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতিতে আনন্দের সাথে শিখবে। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। তাদের স্কুলের টাইম হচ্ছে সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫ টা। আবার এর আগে সমাবেশ। মানে ৯ঃ৩০ এর মধ্যে তাকে প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে। গ্রামে অনেকে কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে হেঁটে/ অটোতে স্কুলে আসে তাই তাদেরকে গোসল খাওয়াদাওয়ার জন্য মিনিমাম সকাল ৮ টা থেকে প্রস্তুতি নিতে হয়। আবার স্কুল শেষে বাসায় ফিরে সন্ধ্যার পর ক্লান্ত হয়ে। তাহলে তাদের খেলাধুলা ও বিনোদনের সময় কোথায়? এই বয়সে খেলাধুলা অত্যাবশ্যক। তাহলে চাপ বাড়লো নাকী কমলো?
১৯;-এই শিক্ষা ব্যবস্থায় ট্রেনিংয়ের সময় শিক্ষা কর্মকর্তা / মাষ্টার ট্রেইনাররা পরোক্ষভাবে শিক্ষকদের হুমকি দিয়ে বলে আপনাদের কোনো মতবাদ গ্রহণযোগ্য নয়। যদিও তারা এখানে মতামত দেওয়ার বেশি হকদার। এটা শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। তাই তারা ইচ্ছে থাকা স্বত্তেও কথা বলতে পারছে না।
২০ঃ- এ শিক্ষা ব্যবস্থায় অযথা অনেক বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়েছে যেগুলো মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই শিখে যায়। যেমন রান্না বান্না
২১ঃ- এই শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক জায়গায় ইতিহাস বিকৃত করে ভারতীয় প্রভাব বিস্তার করার অপচেষ্টা করা হয়েছে এবং মুসলিম ও ইসলামকে অনেক জায়গায় বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করার পায়তারা করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
২২ঃ- বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় সায়েন্স, আর্টস ও কমার্সের আলাদা আলাদা বিভাগ উঠিয়ে এক করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিজ্ঞান বিভাগের একজন পূর্বের শিক্ষার্থী হিসাবে বলতে পারি এসএসসি লেভেলের পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান এবং উচ্চতর গনিত আলাদাভাবে ভালো করে অধ্যায়ন করার পরও ইন্টারের বিজ্ঞান সিলেবাস কভার করা কষ্টকর হয়ে যায়। বিজ্ঞানে এসএসসি পর্যায়ে যদি খাল হিসাবে বিবেচনা করা যায় তাহলে ইন্টার কিন্তু বিশাল নদীর মতো হবে। যেখানে মৌলিক বিজ্ঞান পড়ার পরও এইচএসসি তে শিক্ষার্থীরা হিমশিম খায় সেখানে বিজ্ঞানের হালকা ঝাপসা জ্ঞান নিয়ে কীভাবে ঐসব শিক্ষার্থী এইচএসসির বৈতরণি পার হবে? কারণ সবার জন্য এক বিজ্ঞান বই করলে স্বাভাবিকভাবেই সেটা হালকাপাতলা করতে হবে। তাহলে কীভাবে দক্ষ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী তৈরী হবে? অন্যান্য বিভাগের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বর্তমানে যেখানে ইন্টারে গ্রুপ পরিবর্তন করার সুযোগ আছে অর্থাৎ সায়েন্স এ ভালো না করলে আর্টস ও কমার্সে যেতে পারে সেখানে সব বিভাগকে তালগোল পাকিয়ে হ-য-ব-র-ল খিচুড়ি করার যুক্তি কতোটুকু??
২৩ঃ- বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা এবং ইংরেজি গ্রামারের প্রতি ব্যাপকভাবে অনীহা দেখানো হয়েছে। যেখানে শুদ্ধভাবে বাংলা, ইংরেজি পড়তে এবং লিখতে ব্যাকরণের ভিত মজবুত করা ছাড়া বিকল্প আছে বলে মনে হয় না। এজন্য ভবিষ্যতে ভাষার দৈন্যতার হুমকিতে পড়তে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। যেটা কোনোভাবেই জাতির জন্য সুখকর নয়।
২৪ঃ-- বর্তমান শিক্ষা কর্মকর্তারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে ইউরোপ আমেরিকা ঘুরে ইংরেজদের সাদা চামড়ার নাদুসনুদুস বাচ্চাদের দেখে ঢাকায় ফিরে মনে করে আমাদের পুরো দেশটাই বুঝি ইউরোপ আমেরিকা হয়ে গেছে। তারা মনে করে দেশের সব প্রতিষ্ঠান বুঝি মতিঝিল আইডিয়াল, ভিকারুননিসা, রাজউক, মনিপুরী ইত্যাদি মানের মতো এবং সারা দেশের সব শিক্ষার্থী বুঝি এই মানের। ( যদিও এখন এগুলোতেও অনেক বিতর্ক আছে).। তারা ভুলে যায় দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের কথা, হাওর অঞ্চলের কথা, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রম্মপুত্রের চর অঞ্চলের কথা। শুধু ঢাকা শহরে এসি রুমে বসে সারাদেশের বাস্তব চিত্র সামনে না এনে রাজধানীর গুটিকয়েক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের পারফর্মকে সামনে রেখে দেশের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করলে সেটা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে বাধ্য। আর হচ্ছেও তাই। এজন্য কেন্দ্রের সাথে তৃণমূল পর্যায়ের স্কুলের শিক্ষাক্রমের আকাশপাতাল পার্থক্য। উনারা শুধু হুকুম দিয়েই মনে করে সব কাজ মনে হয় সমাধান হয়ে গেছে। আসলে বাস্তবে সেটা কাগুজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে।
২৫ঃ-- উনারা শিক্ষা ব্যবস্থা নাকি এনেছে বিশ্বমানের কিন্তু সেই শিক্ষায় বাজেট হলো দেউলিয়া দেশ শ্রীলঙ্কা ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ আফগানিস্তান এর নিচে। উনারা ১২৭৫০ টাকা বেতন দিয়ে বিশ্ব মানের শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। যেটা কেবল অবাস্তব না হাস্যকরই বটে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি চাইলে আগে শিক্ষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা দিতে হবে। এবং এ পেশাকে আকর্ষণীয় পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
২৬ঃ- বিশ্বের বড় বড় শিক্ষাবিদদের মতে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করতে হয় দেশের ভৌগোলিক অবস্থা, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে। কোনো একটা দেশে একটা শিক্ষাক্রম সফল হলেই সেটা অন্য দেশেও ভালো করবে এমন কোনো কথা নেই। স্থান, কাল, পাত্র বিবেচনায় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করতে হয়। জাপান, চীন, রাশিয়া ইংরেজিকে প্রাধান্য না দিয়েও তাদের নিজস্ব কারিকুলামকে কাজে লাগিয়ে সারা বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাই অন্য জাতি বা দেশকে অন্ধের মতো অনুসরণ করা মেরুদণ্ড হীনতার লক্ষ্মণ। আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম করতে হবে আমাদের নিজস্ব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় যেটাতে আমলারা পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমিও পরিবর্তনের পক্ষে তবে সেটা হতে হবে আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে অভিযোজন ক্ষমতা অনুসারে, হুট করে নয়।
২৭ঃ- আমলারা পানি নিষ্কাশনের জন্য আগে নদী ঠিক না করে খাল খনন শুরু করে দিছে। রাষ্ট্রকে আগে ঠিক করতে হবে কোন চিহ্ন পেলে ইন্জিনিয়ারিং পড়তে পারবে, কোন চিহ্ন পেলে মেডিক্যালে পড়তে পারবে। কোন চিহ্ন পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। আর কোন চিহ্ন পেলে বিসিএস সহ সরকারি জব পাবে। আপনারা চাকরির ক্ষেত্রে হাবিজাবি মুখস্থ করিয়ে তাদের দম বন্ধ করে ফেলতেছেন আবার এইদিকে বলতেছেন কোনো কিছু মুখস্থ করা লাগবে না। এটা কেমন দ্বিচারিতা কথা? শিক্ষার্থীরা কী তাদের জীবন হালবিহীন নৌকার মতো অজানা গন্তব্যের দিকে ধাবিত করবে? তাই আগে নদী ঠিক করে তারপর খাল খনন শুরু করতে হবে।
২৮ঃ- শেষ পয়েন্ট টা সাধারণ জনগণের দাবি হিসেবে বলতে চাই যেসব আমলা এবং রাজনীতিবিদরাএই শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের সাধারণ জনগণের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে তাদের সন্তানেরা কী এদেশে পড়াশোনা করে নাকি বিদেশে পড়াশোনা করে? আর এদেশে করলেও তারা কী ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে নাকী আমাদের সাধারণ মানুষের মতো বাংলা মাধ্যমে পড়ে? তার তালিকা প্রকাশ করা হউক। যেহেতু তাঁরাই বলতেছে এই শিক্ষা পদ্ধতি অসাধারণ এবং যুগোপযোগী তাহলে তো তাদের সবার সন্তান অবশ্যই বাংলা মাধ্যমে পড়ার কথা। 🤔
পরিশেষে বলতে চাই শিক্ষা আসলে জোর করে গিলানো যায় না। শিক্ষা হতে হবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং মন থেকে। কেও শুটকি খেয়ে হজম করতে পারলে এবং দুধ পান করে বমি করলে তার জন্য দুধ পুষ্টিকর নয়। শুঁটকিই তার জন্য পুষ্টিকর। তাই বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সবল দূর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে আরও বিশদ গবেষণা হওয়া জরুরী। তারপর সারাদেশে প্রয়োগ করলে দেশের জনগণ প্রকৃতপক্ষে উপকৃত হবে মনে হয়।(সংগৃহীত)