10/12/2024
إنا لله وإنا إليه راجعون.
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের সকলের প্রিয় শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, সোসাইটির সাবেক সদস্য প্রতিনিধি, ড. হাসিবুর রহমান আযহারি সাহেবের প্রিয় ছোট ভাই জনাব হাবীবুর রহমান আযহারি আজ রাত আনুমানিক ২:৩০ মিনিটে স্ট্রোক করে ইন্তিকাল করেছেন।
আমরা সকলে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামরা করি। মরহুমের জন্য দো'আ করি, আল্লাহ তা'আলা আমাদের প্রিয় ভাইয়ের সকল গুনাহ মাফ করে উনাকে জান্নাতের আলা মাকাম দান করুন।
*মরহুম হাবিবুর রহমান ভাইয়ের জানাযা আজ বাদ যোহর আযহার মজসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আবুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাকবারায় দাফন সম্পন্ন হবে।*
*সকলকে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে আহ্বান করা যাচ্ছে।*
08/12/2024
“আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ” এর নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
“আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ” এর মিশর শাখার সর্বস্তরের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ! আপনারা জেনে অনেক অনন্দিত হবেন যে, ইতোমধ্যে সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন- ২০২৪ সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মূল ছয় পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন:
০১- সভাপতি
জনাব শাব্বির আহমদ খান আযহারি
০২ সহ সভাপতি
জনাব মোহাম্মদ বজলুর রহমান আসাদ আযহারি
০৩- সাধারণ সম্পাদক
জনাব হোসাইন আহমদ আযহারি
০৪- সহ সাধারণ সম্পাদক
জনাব আশরাফ মাহদি আযহারি
০৫- অর্থসম্পাদক
জনাব মোহাম্মদ আবু দাউদ আযহারি
০৬- সহ অর্থসম্পাদক
জনাব মাকসুদুল হাসান খান আযহারি
নবগঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদকে সোসাইটির মিশর শাখার অন্তর্বর্তী পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এমন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও বিচক্ষণ ব্যক্তিবর্গকে কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদে পেয়ে আমরা অনেক গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। কায়মনোবাক্যে আমরা দোআ করি আল্লাহ তাআলা তাদের সকলকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন, তাদের ছায়া আমাদের উপর দীর্ঘায়ীত করুন এবং তাদের মাধ্যমে দেশ, জাতী, কওমি অঙ্গন এবং সোসাইটির অভূতপূর্ব উন্নতি দান করুন।
শুভেচ্ছান্তে
অন্তর্বর্তী পরিষদ
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর
তারিখ ০৮/১২/২০২৪ খ্রি.
04/12/2024
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুজাকারা মজলিস
তারিখ: ২৯/১১/২০২২৪ ইং
★একজন তালিবে ইলম হিসেবে ইমাম নববী (মৃত্যু : ৬৭৬)★
তাঁর পিতা ৬৪৯ হিজরিতে ১৯ বছর বয়সে তাঁকে দামেস্কের মাদরাসা রওয়াহিতে নিয়ে যান। বালেগ হওয়ার পূর্বে কুরআন হিফজ সমাপ্তের পর ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত উনি কি করেছেন সেই তথ্য অধিকাংশ ঐতিহাসিক উল্লেখ করেননি। একজন মুহাক্কিক অনুমান করে বলেন, হয়ত তিনি সেসময়ে পিতার কাজে সহায়তার লক্ষ্যে তাঁর দোকানে সময় দিয়েছেন। এবং নাওয়া গ্রামের শায়েখদের কাছ থেকে সাধ্যানুযায়ী কিছু ইলম অর্জন করে গেছেন। মাদরাসায় থাকাকালে তাঁর থেকে যেসব কৃতিত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায় তা নিম্নরূপ:
১. ইমাম নববী মাদরাসায় দুই বছর যাবত বিছানায় পিঠ লাগাননি। খাবার হিসেবে মাদ্রাসার নির্ধারিত খাবারই তাঁর একমাত্র পাথেয় ছিল।
২. আবু ইসহাক সীরাজী (মৃত্যু : ৪৭৬ হিজরি) রচিত শাফী মাজহাবের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ গ্রন্থের একটি "তানবীহ" গ্রন্থটি ইমাম নববী মাত্র সাড়ে চারমাসে মুখস্থ করেন। বছরের বাকী সময়ে সিরাজিরই রচিত শাফেয়ী মাজহাবের বুনিয়াদি গ্রন্থসমূহের আরেকটি গ্রন্থ "মুহাজ্জাব" এর এক চতুর্থাংশ মুখস্থ করেন।
৩. ইমাম নববী তালিবুল ইলম থাকাবস্থায় তাঁর উস্তাদের সামনেই মুহাজ্জাব কিতাব শরাহ করতেন ও সংশোধন করতেন। তাঁর ব্যখ্যায় মুগ্ধ হয়ে উস্তাদ তাকে ভালোবাসতেন এবং নববীকে দিয়েই অন্যদের জন্য মুজাকারা ও তাকরারের কাজ সম্পাদন করতেন।
৪. তিনি দৈনিক ফিক্বহে তিনটি, হাদীসে ১ টি, নাহুতে একটি, মানতেকে একটি, সরফে একটি, উসূলুল ফিকহে দুইটি , রিজাল শাস্ত্রে একটি এবং আক্বীদায় একটিসহ মোট ১২ টি দারসে বসতেন।
৫. একবার তাঁর ডাক্তারী বিষয়ে পড়াশোনা করতে মন চাইলে তিনি ইবনে সীনা রচিত "ক্বানূন ফিত্তিব্ব" তথা ঔষধ আইন বইটি কিনে নিয়ে আসেন এবং এটি পড়ার দৃঢ়সংকল্প করেন। কিন্তু তাঁর অন্তর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে গেল এবং কয়েকদিন তিনি কিছুই পড়তে পারছিলেননা। তিনি এ সমস্যার কারণ খুঁজে পাচ্ছিলেননা। পরে আল্লাহর পক্ষ থেকে ইলহামের মাধ্যমে সত্যিকার কারণ জানতে পেরে উক্ত গ্রন্থ বিক্রি করে দেন এবং পরক্ষণেই তিনি আত্মিক প্রশান্তি অনুভব করলেন এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সক্ষম হলেন।
৬. ইমাম নববী বলেন, একবার আমি রাওয়াহী মাদরাসায় অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমি রাতের বেলা আমার বাবা ও অন্যান্য সাথীদের মাঝে শুইয়ে থাকি। তারা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন, আমার শরীর ভালো লাগছিল এবং শরীরের ব্যথা উপশম হল। এসময় আমার মন জিকির করতে মন চাইলে আমি উঠে তাসবীহ পড়া শুরু করি। আমি আস্তে ও জোরে আওয়াজে জ্বিকির করছিলাম, তখন এক সুদর্শন শায়েখ রাতের অন্ধকারে হাউজে ওযু করে আমার কাছে এসে বলল, হে বৎস! আল্লাহর জিকির করে তোমার বাবা ও অন্যান্য সাথীদের ডিস্টার্ব করো না।
আমি বললাম: আপনি কে?
সে বলল: আমি তোমার কল্যাণকামী। আমি কে, সে আলাপ বাদ দাও।
তখন আমার মনে হল যে, সে ইবলিস। তাই আমি আউযুবিল্লাহ বলে জোরে আওয়াজ দিয়ে তাসবীহ পড়তে লাগলাম। সে মাদরাসার দরজার দিকে চলে গেল। আমার উচ্চ আওয়াজে সবাই জাগ্রত হয়ে গেল। আমি দরজার উদ্দেশ্যে উঠে গিয়ে তা বন্ধ পেলাম এবং সেখানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও অপরিচিত কাউকে পেলামনা। সবাই ঘটনা শুনে জিকির ও তাসবীহ পড়তে লাগল এবং পরিস্থিতি শান্ত হল।
ব্যবস্থাপনায়
অন্তর্বর্তী পরিষদ ২০২৪-২৫
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিসর।
03/12/2024
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুজাকারা মজলিস
তারিখ: ২৯/১১/২০২৪ ইং
সালাফের জীবনচরিত
ইমাম নববী (জন্ম: ৬৩১ হিজরী, মৃত্যুঃ ৬৭৬ হিজরী) স্মৃতিচারণ
★অনন্য শৈশবে ধন্য ইমাম নববী★
১. তাঁর বাবা উনার শৈশবের একটি ঘটনা এভাবে বর্ণনা করেন যে, সাত বছর বয়সে রমজানের ২৭ তারিখ মধ্যরাতে ইমাম নববী জাগ্রত হয়ে পুরো ঘর আলোকিত দেখতে পান এবং তাঁর বাবাকে জাগ্রত করে উক্ত আলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু পরিবারের কেহই কোন আলো দেখতে পায়নি। তখন তাঁর পিতা এই রাত শবে ক্বদর হওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করেন।
২. তিনি শৈশবেও খেলাধুলা পছন্দ করতেননা। একবার শিশুরা তাঁকে খেলতে বাধ্য করলে তিনি কান্না করতে করতে পালিয়ে যান এবং কুরআন পড়তে থাকেন। বিষয়টি ইয়াসিন বিন ইউসুফ নামক এক মারাকাশী শায়েখ অবলোকন করে ছোট্ট ইমাম নববীর প্রতি এক অগাধ ভালোবাসা সৃষ্টি হয় এবং কুরআনের শায়েখের কাছে তাঁর প্রতি অধিক খেয়াল রাখার জন্য আবেদন করে ভবিষ্যৎবাণী করে বলেন যে, এ ছেলে দুনিয়া বিমুখ যমানার শ্রেষ্ঠ আলেম হবে। কুরআনের শায়েখ বললেন, আপনি কি জ্যোতিষী??
বললেন: না, তবে আল্লাহ আমার মনে এক কথা ইলহাম করেছেন। তাঁর প্রতি অধিক গুরুত্বারোপ করার জন্য এ ঘটনা তিনি তাঁর বাবাকেও জানিয়ে দেন।
৩. তাঁর বাবা তাঁকে শৈশবে এক দোকানে বেচাকেনার কাজ করতে দিয়েছিলেন, কিন্তু শিশু নববী বেচাবিক্রি ছেড়ে দিয়ে কুরআন নিয়েই ব্যস্ত থাকলেন। এভাবে অদম্য আগ্রহ উচ্ছ্বাস নিয়ে সিরিয়ার দামেস্ক থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাওয়া নামক গ্রামে বালেগ হওয়ার পূর্বে পুরো কুরআন হিফজ সমাপ্ত করেন।
ব্যবস্থাপনায়
অন্তর্বর্তী পরিষদ
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিসর।
01/12/2024
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুজাকারা মজলিস
২২/১১/২০২৪ ইং
রাসূলের জীবন ঘনিষ্ঠ সুন্নাহ মিসওয়াক
আলোচক মিসওয়াক সম্পর্কে প্রায় ত্রিশোর্ধ সাহাবীর বর্ণনা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। আলোচকের অধ্যয়ন এখনো চলমান আছে। তিনি এ সংখ্যাটি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন। সাহাবী ও মৌলিক শব্দ ভিন্নতার বিবেচনায় এ বিষয়ক শতাদিক হাদিস পাওয়া যায়। এ বিষয়ক যে কয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নজরে আসে, তা নিম্নরূপঃ
১. মিসওয়াকের মাধ্যমে মুখের পবিত্রতা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ হয়। মিসওয়াক নবীদের সুন্নাহ আমল। স্বভাবজাত দশটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতের একটি মিসওয়াক।
২. জিবরাইল আঃ রাসূলের কাছে যখনই ওহী নিয়ে আগমন করতেন, মিসওয়াকের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন যে, অধিক পরিমাণ মিসওয়াক করার ফলে আমার দাঁতের মাড়ি উঠে যাওয়ার উপক্রম হল। এক হাদীসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর না হলে মিসওয়াক অবধারিত করে দিতাম। কেহ যদি প্রত্যেক নামাযের শুরুতে ওযু নবায়ন করতে কষ্টবোধ করে, সে যেন কমপক্ষে মিসওয়াক করে নেয়।
৩. রাসূলের মিসওয়াকের আমল এতোই জীবন ঘনিষ্ঠ ছিল যে, তিনি স্বাভাবিক মজলিসে বসেও মিসওয়াক করতেন। তিনি ঘুমানোর সময় মাথার কাছে ওযুর পানি আর মিসওয়াক রেখে ঘুমাতেন। সফরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পাথেয় হিসেবে রাসূলের সাথে মিসওয়াক রাখতেন মর্মে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বক্তব্য পাওয়া যায়। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন যে, আমার পক্ষে সম্ভব হলে প্রতি দুই রাকাত নামায শেষ মিসওয়াক করে পরের দুই রাকাত নামায শুরু করতাম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে যখনই জাগ্রত হতেন, মিসওয়াক করতেন।
৪. রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাক বা যয়তুন গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করতেন বলে কিছু কিছু বর্ননা পাওয়া যায়।
৫. মিসওয়াক না থাকলে হাতের আঙ্গুল মিসওয়াকের স্থলে ব্যবহার করা যেতে পারে মর্মে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
উল্লেখ্যঃ উপরোল্লিখিত সকল বিষয়ে বর্ণিত হাদীসগুলোর সনদের মানদণ্ডসহ তাখরিজ পরবর্তীতে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন সেই সময় সুযোগ বের করে দেন সেই দোয়া কামনা করছি সবার নিকট।
ব্যবস্থাপনায়
অন্তর্বর্তী পরিষদ
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিসর।
30/11/2024
আগামি ২৮/০২/২০২৫ পর্যন্ত "আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ" এর মিশর শাখার যাবতীয় কর্যক্রম পরিচালনার জন্য সংগঠনের কেন্দ্রীয় পরিষদের পক্ষ থেকে বর্তমান অন্তর্বর্তী পরিষদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
27/11/2024
কট্টর হিন্দুত্ববাদী ধিকৃত জঙ্গীসংগঠন ইসকন কর্তৃক শিক্ষানবিশ মুসলিম আইনজীবী এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নির্মমহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
“আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর” এর সর্বস্তরের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ! গত জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী মহাবিপ্লবের পর স্বৈরশাসকের পতনের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছি। পুরো বিশ্ব দেখেছে, বিপ্লবোত্তর মুসলিম সম্প্রদায় কীভাবে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ তাদের মন্দির পাহাড়া দিয়েছে। কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে দেখেছি যে, সাম্প্রদায়িক এতো সম্প্রীতির মধ্যেও গতকাল ২৬/১১/২০২৪ তারিখে উগ্রবাদী সংগঠন ইসকনের জঙ্গীরা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গন থেকে বের হওয়ার পর রঙ্গম কনভেনশন হলের সামনে রাষ্ট্রপক্ষের শিক্ষানবিশ আইনজীবী এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এছাড়াও গত ২৫/১১/২০২৪ তারিখে ইন্ডিয়ার এজেন্ট খ্যাত দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোর কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের সময় সাধারণ মুসলিমদের উপর বিনা উস্কানিতে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে।
আমরা আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদ ভাঙচুরসহ সাধারণ মানুষের জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং শিক্ষানবিশ আইনজীবী এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নির্মমভাবে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান গণমানুষের বিপ্লবী সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন অনতিবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার করে দ্রুততম সময়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় এবং এ জঙ্গীসংগঠনকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করে বাংলার পূণ্যভূমি থেকে চিরতরে উৎখাত করা হয়।
আমরা মনে করি, স্বৈরাচারীর প্রেতাত্মাদের উস্কানিতে দেশে একটি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে দিতে একদল সন্ত্রাসী এসব করে যাচ্ছে। তাই দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ হলো, দয়া করে আপনারা এসব ষড়যন্ত্রে পা দিয়ে কোনো ঝটিকা আন্দোলন করবেন না। প্রয়োজনে বুদ্ধিবৃত্তিক এবং বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন ঘরানার আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য অনুরোধ করছি।
আহ্বানে
অন্তর্বর্তী পরিষদ- ২০২৪ খ্রি.
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর
তারিখ: ২৭/১১/২০২৪ খ্রি.
25/11/2024
সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুজাকারা মজলিস
তারিখ: ২২/১১/২০২৪ ইং
সালাফের জীবনচরিত
১. তালাচাবি নির্মাতা ত্রিশ বছর বয়সে ইলমের ভালোবাসা অনুভব করে স্বীয় কর্ম ছেড়ে দেন এবং ফিকহ ও উসূলুল ফিকহে মেহনত-মুজাহাদা শুরু করে উক্ত বিষয়ে বিদগ্ধ ইমাম হয়ে যান। তিনি খুরাসানে শাফী মাজহাবের শায়েখ হয়ে যান। তাকে খুরাসানের ফিকহ গবেষণার ধারক বাহক মনে করা হয়। তিনি হচ্ছেন, ইমাম কাফফাল (তালা নির্মাতা) আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল মারওয়াযী আল খোরাসানী (মৃত্যু: ৪১৭ হিজরি) । তাকে সংক্ষেপে ইমাম কাফফাল সাগীর তথা ছোট ইমাম কাফফাল মনে করা হয়।
এ নামে আরও একজন ইমাম কাফফাল আছে, যাকে রিজাল শাস্ত্রে কাফফাল কাবীর তথা বড় ইমাম কাফফাল বলা হয়। কারণ তার মৃত্যু ৩৬৫ হিজরী। তার পূর্ণ নাম মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইসুমাঈল আল কাফফাল আশশাশী। তিনিও খোরাসানের আলেম ছিলেন। এ দুইজনের মাঝে পার্থক্যের জন্য আরও কিছু বিষয় আছে, ছোটজন মারওয়াযী এবং বড়জন শাশী। বড় কাফফাল হাদীস, তাফসীর, উসূল, ইলমুল কালাম, ফিকহ এবং আরবি ভাষায় পান্ডিত্য লাভ করেন । তাই কাফাফাল কাবীর আশ শাশীর আলোচনা তাফসির, হাদিস, উসূল এবং ইলমে কালামে অধিক পরিমাণে আসে। আর কাফফাল সাগীর আল মারওয়াযীর আলোচনা ফিকহের কিতাবাদীতে অধিক পরিমাণে আসে। বড় ইমাম কাফফাল তালা নির্মাণের বিষয়টি আলোচক রিজাল শাস্ত্রে খুঁজে পাননি, তবে কফফাল নামের কারণে অনুমান করা যায় যে, হয়ত তিনিও জীবিকা নির্বাহের জন্য তালাচাবি বানানোর পেশায় সময় দিতেন। ছোট ইমাম কাফফাল ত্রিশ বছর বয়সে ফিকহের ভালোবাসা তৈরির পর তালাচাবি নির্মাণের পেশা ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি রিজাল শাস্ত্রে পাওয়া যায়। (সিয়ারে আ'লামুন্নুবালা: ১৬/২৮৩-২৮৫, তরজমা নম্বরঃঃ২০০ এবং ১৭/৪০৫-৪০৮, তরজমা নম্বরঃ ২৬৭)
সামনে চলবে (ইনশাআল্লাহ)
ব্যবস্থাপনায়
অন্তর্বর্তী পরিষদ
আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর
তারিখ: ২৫/১১/২০২৪ খ্রি.
23/11/2024
আদর্শ জাতি গঠনে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আখলাকি পরিবর্তনের বিকল্প নেই। মানব জীবনে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আখলাকের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা কোন জাতির অবস্থার পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তনে এগিয়ে আসে। (সূরা রা’দ : ১১)
মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ তার মনের আলোকেই সম্পাদিত হয়। দার্শনিক ঈমাম গাজ্জালীর মতে-যেমন গুণাবলী মানব মনে জাগরুক থাকে তারই প্রতিফলন তার বাহ্যিক কাজ-কর্মে প্রকাশিত হয়। এর আলোকে বলা যায় মানুষের কোনো কাজই তার মূল চিন্তা-চেতনার বহির্ভূত নয়। যে যত জ্ঞানী তার আলো ততই বিচ্ছরিত হয়। এ জন্যই যুগে যুগে সংস্কারকরা মানুষের সংশোধন ও পবিত্র জীবন যাপনের পন্থা হিসেবে তাদের জন্য "ধর্মীয় সঠিক শিক্ষা" ও মূল্যবোধ'কে বেশ গুরুত্ব দিতেন। ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের উন্নতি-অবনতি, উত্থান-পতন, মান-সম্মান ইত্যাদি সব কিছুই মানসিক বিকাশ ও মূল্যবোধ জাগ্রত করার ওপরই নির্ভর করে।
সুতরাং ছাত্রদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে আদর্শ জাতি গঠনের মূল থিঙ্ক 'ইলমে দ্বীন' ও 'মূল্যবোধ জাগ্রত' এর পথকে সুগম করতে দৈনিক ফজর সালাত পরবর্তী ১০/১৫ মিনিট, ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এর টেলিগ্রাম পেইজে যুগ বিখ্যাত বিভিন্ন মনীষীদের লেখা লেখনি পাঠ করা হয়।
ইনশাআল্লাহ আশা করা যায় তাতে আমাদের ইলমে দ্বীন অর্জনের আগ্রহকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিবে ।
23/11/2024
*কুল্লিয়্যা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার ঘোষণা*
“আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর” এর প্রিয় নবীন শিক্ষার্থীবৃন্দ! সোসাইটির বর্তমান অন্তর্বর্তী পরিষদ শিক্ষা-সংস্কৃতি এবং সুস্থ বিনোদনসহ মেধা বিকাশের সবরকম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সবসময় আপনাদের সহযোগিতায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সে ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে যারা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের *"লুগা আরাবিয়্যা, শারিআ ইসলামিয়্যা, উসূলুদ্দীন ও দিরাসাত ইসলামিয়্যা"* এ চার কুল্লিয়্যাতে ভর্তি হয়েছেন তাদের জন্য আমাদের এবারের বিশেষ এ আয়োজন।
বাংলাদেশের মাদরাসাশিক্ষার পাঠন-পঠন ও পরীক্ষাপদ্ধতির সাথে আযহারের পাঠন-পঠন ও পরীক্ষাপদ্ধতির পূর্ণ মিল না থাকায় শিক্ষাবর্ষের শুরুতে অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না, কী পড়বেন, কীভাবে পড়বেন, প্রতিটি শাস্ত্রে কীভাবে কাঙ্ক্ষিত পারদর্শিতা অর্জন করবেন, পরীক্ষায় কীভাবে ঈর্ষণীয় ফলাফল করবেন। সে লক্ষ্যে সোসাইটির অন্তর্বর্তী পরিষদের উদ্যোগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত কর্মশালায় এ চার কুল্লিয়্যার প্রথম সেমিস্টারের সাবজেক্টগুলো সহজে ও স্বল্প সময়ে কীভাবে আয়ত্ব করবেন, পরীক্ষায় কীভাবে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করবেন এবং প্রতিটি সাবজেক্টে কীভাবে শাস্ত্রীয় পাণ্ডিত্য অর্জন করবেন এসব বিষয়ে আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের একঝাঁক অভিজ্ঞ ও মেধাবী সিনিয়র শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ দিবেন। উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত হওয়ার জন্য উল্লেখিত চার কুল্লিয়্যার শিক্ষার্থীদেরকে বিশেষভাবে আহ্বান করা যাচ্ছে। উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিম্নে প্রদত্ত লিংকে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন করা আবশ্যক।
*লুগা আরাবিয়্যার সাবজেক্টগুলো নিয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন:*
*এনামুল হাসান*
এমফিল গবেষক- আরবি ভাষা ও সাহিত্য, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*জাওয়াদ আহমদ সৌরভ*
শিক্ষার্থী- মাস্টার্স তামহিদী, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*শারিআ ইসলামিয়্যার সাবজেক্টগুলো নিয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন:*
*ইকবাল হোসাইন*
এমফিল গবেষক- ফিকহ মুক্বারান, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*সায়েমুল হক জাওয়াদ*
এমফিল গবেষক- সিয়াসা শারইয়্যা, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*উসূলুদ্দীনের সাবজেক্টগুলো নিয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন:*
*আবদুস সালাম*
শিক্ষার্থী- মাস্টার্স তামহিদী, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*তাওহিদুল ইসলাম*
শিক্ষার্থী- মাস্টার্স তামহিদী, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*দিরাসাত ইসলামিয়্যার সাবজেক্টগুলো নিয়ে প্রশিক্ষণ দিবেন:*
*আবদুল্লাহ মাসউদ*
এমফিল গবেষক- তাফসির ও উলুম কোরআন, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*মোহাম্মদ এজাজুল হক*
শিক্ষার্থী- মাস্টার্স তামহিদী, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো, মিশর।
*রেজিস্ট্রেশন লিংক:*
https://form.jotform.com/243232448122549
*কর্মশালার সময়:*
*লুগা আরাবিয়্যা:*
২৩ নভেম্বর রোজ শনিবার থেকে সপ্তাহে প্রতি শনিবার বিকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
*শারিআ ইসলামিয়্যা:*
২৫ নভেম্বর রোজ সোমবার থেকে সপ্তাহে প্রতি সোমবার বিকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
*উসূলুদ্দীন:*
২৭ নভেম্বর রোজ বুধবার থেকে সপ্তাহে প্রতি বুধবার বিকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
*দিরাসাত ইসলামিয়্যা:*
২৮ নভেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার থেকে সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
*কর্মশালার স্থান:*
*শারিআ ইসলামিয়্যা ও লুগা আরাবিয়্যার স্থান:*
মাসজিদুল ফারনুওয়ানী, আহমদ সাঈদ এর ওভারব্রিজের শেষ মাথায় গির্জার বাম পাশের রাস্তায়।
*গুগল লোকেশন:*
https://maps.app.goo.gl/a7YUgJ66t6sPNEaKA
*যোগাযোগ:*
+201557729947
*উসূলুদ্দীন ও দিরাসাত ইসলামিয়্যার স্থান:*
শারেউল ওয়ারশা, তাব্বা, মাদিনাতু নাসর (হারামাইন মসজিদের অদূরে আনোয়ার হোসাইন ভাইয়ের বাসা)
*গুগল লোকেশন:* https://maps.app.goo.gl/SDf8sw263qoAZPgT8
*যোগাযোগ:*
+201070581471
*উল্লেখ্য, সংখ্যাধিক্যের বিবেচনায় উপরোল্লেখিত চার কুল্লিয়্যার শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য কুল্লিয়্যার শিক্ষার্থীরা আগ্রহ প্রকাশ করলে আমরা তাদের জন্যও আয়োজন করবো -ইনশাআল্লাহ-।*
*আয়োজনে*
*অন্তর্বর্তী পরিষদ- ২০২৪*
*আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর।*
*তারিখ: ১৯/১১/২০২৪ খ্রি.*
22/11/2024
*সপ্তাহিক উন্মুক্ত পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুযাকারা মজলিসের ঘোষণা*
*“আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিসর”* এর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি লক্ষ্যের একটি হলো, তালিম-তরবিয়ত। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তী পরিষদের দায়িত্বশীলগণ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে যাচ্ছেন।
সেই ধারাবাহিকতায় তালিবে ইলম ভাইদের পড়াশোনা ও তরবিয়তি বিষয়ে মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সপ্তাহিক উন্মুক্ত পাঠচক্র ও মুযাকারা মজলিসের এক মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তী পরিষদ।
মজলিসে প্রত্যেকে গত এক সপ্তাহে ইলম অন্বেষণের নিজস্ব মুযাকারা পেশ করবেন এবং এতে আকর্ষণীয় ও উদ্বুদ্ধকারী যে কোনো পয়েন্ট মুযাকারায় উল্লেখ করবেন। ইলম অন্বেষণে সালাফের জীবনী থেকেও আপনি যেকোনো বিষয় উল্লেখ করতে পারবেন, যা সবার জন্য পড়াশোনা ও জ্ঞানান্বেষণে উদ্বুদ্ধ করবে।
উক্ত সপ্তাহিক উন্মুক্ত পাঠচক্র ও তরবিয়তি মুযাকারা মজলিসে সকলেই আমন্ত্রিত।
*সময়:* প্রত্যেক শুক্রবার আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত।
*স্থান:* মাসজিদুল ফারনুওয়ানী, আহমদ সাঈদ এর ওভারব্রিজের শেষ মাথায় গির্জার বাম পাশের রাস্তায়।
*গুগল লোকেশন:* https://maps.app.goo.gl/a7YUgJ66t6sPNEaKA
*যোগাযোগ:* +201070-581471
*ব্যবস্থাপনায়*
*অন্তর্বর্তী পরিষদ- ২০২৪*
*আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর।*
*তারিখ ২০/১১/২০২৪ খ্রি.*
مسجد الفرنوانى · Daher, Cairo Governorate
Find local businesses, view maps and get driving directions in Google Maps.