High Deen Academy

High Deen Academy

Share

It's an international online Assignment Writing service provider company. We have stored 600+ Experts. We help student who is facing obstacles in their study.

PhD, Masters, Bachelor all level's Academic Solutions, Writing help, Publication Help, Training Course are available in High Deen Genius Academy

02/07/2025

✍️ Academic Writing: More Than Just Big Words! 📚
Academic writing isn’t about using fancy language — it’s about being clear, logical, and well-structured. Whether it’s a research paper, thesis, or journal article, your goal is to communicate ideas effectively.

🔍 Tips for Better Academic Writing:
✅ Be concise and to the point
✅ Support your claims with evidence
✅ Use a formal tone — but stay readable
✅ Edit and proofread carefully

Strong writing reflects strong thinking. Let your words show the depth of your knowledge!

🌟 Need help with academic writing?
At High Deen Academy, we offer professional guidance on academic writing, thesis support, and research editing services.

01/07/2025

📚 The Importance of Lifelong Learning in Islamic Tradition
At High Deen Academy, we believe that seeking knowledge is not just an academic pursuit but a lifelong spiritual journey. The Quran and Sunnah emphasize the value of education, critical thinking, and personal growth.

🔍 Did You Know?
The first word revealed in the Quran was "Iqra" (Read) (Surah Al-Alaq 96:1), highlighting the divine command to seek knowledge. Prophet Muhammad (ﷺ) also said:
💡 Why Continuous Learning Matters:
✅ Strengthens Faith – Deepening Islamic knowledge helps us understand our purpose and connection with Allah.
✅ Empowers Critical Thinking – Islam encourages reflection (Tafakkur) and reasoning.
✅ Builds Ethical Leadership – Knowledge shapes character, fostering justice and wisdom in society.
🎓 Join High Deen Academy’s Programs
We offer structured courses in Quranic studies, Hadith, Fiqh, and personal development—designed to nurture both ‘Ilm (knowledge) and Akhlaq (character).

📩 Enroll Today!
💬 How do you incorporate learning into your daily life? Share in the comments!

27/04/2024

এটি একটি ভাষ্কর্য - ফিনল্যান্ডের একটি রাস্তায়। সাধারণ কিন্তু কত গভীর।

ভাস্কর্যটির নাম - "Read even if you are drowning", - মানে "তুমি যদি ডুবে যেতে থাকো, তবুও পড়ো।"

নামটি প্রতীকী, কিন্তু এর ব্যাখার ব্যাপকতা অনেক। জীবনের যে পর্যায়েই থাকি না কেন আমরা, কখনোই আমাদের পড়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত নয়।
আমাদের দেশে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে আমরা পড়ার দিকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি যা আমাদের সামনে যাবার পথে সবথেকে বড় বাঁধা।

Note: আমরাও পড়ি কিন্তু সেটা ফেসবুকে 😁😁😁

24/10/2022

The Students, Are you worry with your
, , paper, analysis, PPT , Online Live Exam, or any kinds of study bindings? We are here to help you. We have more than 600 Experts writer from different background in whole over the world. If you need help please fill up the form below ....👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇

https://forms.office.com/Pages/ResponsePage.aspx?id=DQSIkWdsW0yxEjajBLZtrQAAAAAAAAAAAANAATaKqxRUQTRQTjU4T1Q3VVcxVVBZMUVSSFhESlo0MC4u

Contact:
[email protected]
Whatsapp: +86 19307499735
💪💪💪💪💪💪💪💪💪
Take our service, feel free & make glorious results🤘🤘🤘🤘🤝🤝🤝

23/10/2022

Few seat are empty... Contact us soon...

20/10/2022

বিজ্ঞান কেন পড়া উচিত? 📚🙇🙇‍♀️
নিচের ছবিতে যে সিম্পল বায়ু টারবাইনটি দেখা যাচ্ছে এইটা সম্প্রতি একটা বিশ্ব রেকর্ড করেছে।

ডেনমার্কে, এই একটা টারবাইন ২৪ ঘন্টায় ৩৫৯ মেগাওয়াট-আওয়ারস (MWh)বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।
(Siemens Gamesa 14-222 DD prototype)

৩৫৯ মেগাওয়াট আওয়ারস বিদ্যুৎ দিয়ে একসাথে ১৮০০০ পরিবারকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। 🏡⚡️🔋

শুধু বাতাস থেকে এই এক টারবাইন 24 ঘন্টায় যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে তা দিয়ে বাংলাদেশের এক মাথা থেকে আর মাথাতে, অর্থাৎ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়াতে যাওয়া যাবে ১৯২৫ বার (ইলেকট্রিক কার ড্রাইভ করে)।"Enough energy to drive 1.8 million km in a mid-sized electric car!" 🚗🔋

আজকে রোমে যাবার প্লেন টিকেট কাটলাম।
ভাবছি, যদি আমরা ড্রাইভ করতাম, 359 MWh বিদ্যুৎ দিয়ে, আমাদের টেসলা মডেল 3 চালিয়ে লন্ডন থেকে রোমে গিয়ে আবার ফিরে আশা যাবে ৫০০ বার!! 🇬🇧🇮🇹

তবে, ডেনমার্কে এই নতুন বিশ্ব রেকর্ডটি এমনি এমনি হয়নি।
বিজ্ঞান চর্চার জন্য লাগে সরকারি এবং বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা।
স্টাডি এবং গবেষণার জন্য লাগে নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন।
লাগে মুক্ত চিন্তার বিকাস।
সবকিছুর দায় কিন্তু আবার সরকারে একার নয়।
বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও অনেক বড় অবদান রাখে।
নতুন গবেষণা ফান্ডিং এবং নতুন আবিষ্কারকে কমার্শিয়ালি ফিসিবল করার জন্য।
রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পলিটিক্স না করে নিজেরা পড়াশুনা করেন। 📚🧫
আর অন্যদের পড়া লেখার পরিবেশ সৃষ্টি করেন, দেখবেন, বাংলাদেশের নতুন প্রজম্ন দেশকে বদলে দেবার ক্ষমতা অর্জন করবে।📈🇧🇩

Collected

07/10/2022

♦ ♦ বিষাক্ত কাগজ ♦♦
সন্ধ্যা রাতে তরুণী বসে, পড়ছে ক্লাসের পড়া
মাথা চুলকায় মাথা যে তার ,খুশকি উকুনে ভরা।

কাছে চিকন চিরুনি পেয়ে, মারতে লাগল মাথায়
উকুন খুশকি পড়তে লাগল, খোলা বইয়ের পাতায়।

বইয়ের পাতায় জ্যান্ত উকুন পিলপিলিয়ে হাটে
পিষে তাদের মারছে খুকি, শক্ত নখের পিঠে।

ধুলাবালি উকুন খুশকি হাজার ময়লা মাখা
বইখানিরে বছর শেষে বাক্সে হলো রাখা।

বিকেল বেলা খবর কাগজ পড়তে বসে দাদু
কোলে নিয়ে নাদুস নুদুস নাতনি সোনা যাদু।

হঠাৎ সোনা দাদুর কুলেই করে দিল সিসু
কিছুই তো নেই পেপার হল মুত্র মোছার টিস্যু।

ছোট্ট শিশুর সর্দি নাকে মুছতে ডাকে মা কে
মায়ের হাতের পেপার ছিল মারলো ঘষা নাকে।

মল মূত্র সর্দি মাখা ময়লা পেপার যত
তুলে রাখলো সেই বাক্সে ময়লা বইয়ের মত।

কাগজ পেয়ে বাঁধলো বাসা টিকটিকি ও উই
তেলাপোকা ইঁদুর বাবু সঙ্গে ইতর দুই।

বাসা বেঁধে ইঁদুর বাচ্চা দিচ্ছে মাসে মাসে
কাগজ মাখে প্রসবকালীন ময়লা রক্ত রসে।

বাথরুম নেই তেলাপোকার নেই কো ধোয়ার জল
এই কাগজেই ত্যাগ করে তাই মূত্র এবং মল।

হঠাৎ করে কাগজ কেনার হকার ব্যাটা এসে
টিকটিকিদের সুখের বাসা ভেঙ্গে দিল শেষে।

কিনে নিল পুরনো কাগজ হাজার ময়লা যাতে
পৌঁছে গেল আচার মুড়ি ফুচকাওয়ালার হাতে।

এই কাগজে আমরা সবাই খাবার রেখে খাই
দোহাই লাগে এমন কাজটি আর করো না ভাই।

পথের ধারে আচার দেখে জ্বিবে এল জল
মুখে নেস নে কাগজে ভাই তেলাপোকার মল।

ময়লা জেনেও কাগজে খাই আমরা আজব বোকা
সভ্য সাজের অন্তরালে ময়লা খাওয়ার পোকা।

Collected

06/10/2022

সিভির ১৫টি পছন্দ ও অপছন্দের বিষয়:

চাকুরির জন্যে সিভি তো জমা দিতেই হয়। কিন্তু সেই সিভির কোন বিষয়গুলো খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন চাকুরিদাতারা? সম্প্রতি 'ক্যারিয়ার বিল্ডার স্টাডি' দুই হাজার দুই শত জন ম্যানেজারের উপর জরিপ পরিচালনা করে এমন ১৫টি ভালো বিষয় বের করেছেন যা আপনার সিভিতে উল্লেখ থাকলে আপনার চাকুরিদাতা আপনাকে নির্বাচন করতে পারেন। অন্যদিকে, এমন ১৫টি বিষয় বের করা হয়েছে, যা আপনার সিভিতে থাকলে তা চাকুরিদাতার অপছন্দ বা বিরক্তির উদ্রেগ ঘটাতে পারে। নিম্নে ওই ১৫টি ভালো-মন্দ বিষয় আলোচিত হলো :

সিভির ১৫টি ভালো বিষয়:
১. অর্জন : আপনার সিভিতে এটা অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে, পেশাগত জীবনে এ পর্যন্ত আপনার অর্জন কি।

এক্ষেত্রে ৫২ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
২. উন্নতি : আপনার সিভিতে উল্লেখ থাকতে হবে যে, পেশাগত জীবনে এ পর্যন্ত উন্নতি হয়েছে কতটুকু। এক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৩. প্রশিক্ষণ : আপনার সিভিতে উল্লেখ থাকতে হবে যে, যে পেশায় আপনি আবেদন করেছেন, সে পেশায় আপনি প্রশিক্ষিত কিনা। অর্থ্যাৎ, আপনার প্রশিক্ষণ আছে কিনা। এক্ষেত্রে ৪৭ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৪. ব্যবস্থাপনার দক্ষতা : আপনার সিভিতে উল্লেখ থাকতে হবে যে, আপনার কাজটি গুছিয়ে করার ক্ষেত্রে আপনি কতোটা ভালো ব্যবস্থাপক। এক্ষেত্রে ৪৪ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৫. সৃষ্টিশীলতা : এখনকার প্রতিযোগীতা মূলক বাজারে নতুন কিছু করে দেখাতে পারলেই সাফল্য আসে। সেক্ষেত্রে আপনাকে সৃষ্টিশীল হতে হবে। আপনার সৃষ্টিশীলতার কিছু উদাহরণ জুড়ে দিন সিভিতে। এক্ষেত্রে ৪৩ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৬. প্রতিজ্ঞা : আপনার সিভিতে এটা ফুটে উঠা চাই যে, এই চাকুরিটি করার ক্ষেত্রে আপনি কতোটা প্রত্যয়ী। কারণ, আপনার আগ্রহ কতোটা সেটা বিবেচ্য বিষয়ের মধ্যে পড়ে। এক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৭. পরিকল্পনা : আপনি যে, চাকুরির জন্যে আবেদন করছেন, সেখানে সুযোগ পেলে কিভাবে কাজ করবেন তার একটা পরিকল্পনা থাকতে পারে আপনার সিভিতে। এক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৮. প্রভাব : আপনি যে সেক্টরে চাকুরি করতে চাচ্ছেন, সেই সেক্টরে আপনার জানা শোনা কেমন বা প্রভাব কেমন সেটাও তুলে ধরুন সিভিতে। এক্ষেত্রে ২৯ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
৯. কত দূর যেতে পাবেন : চাকুরিটি পেলে আপনি কত দূর যেতে পারবেন সেই আশাবাদও উল্লেখ করুন সিভিতে। কারণ, চাকুরিদাতারা আশাবাদী মানুষ পছন্দ করেন। এক্ষেত্রে ২৮ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১০. আইডিয়া : আপনি সিভিতে কিছু বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করতে পারেন। এতে আপনার চিন্তা-ভাবনার পরিপক্কতা বোঝা যাবে। এক্ষেত্রে ২৭ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১১. পরিষ্কার আলোচনা : আপনার সিভিতে একটি পরিষ্কার আলোচনা থাকতে হবে, যাতে করে আপনাকে খুব বেশি প্রশ্ন করতে না হয় চাকুরিদাতাকে। আপনার এবং চাকুরিদাতার মধ্যে অধিকাংশ আলোচনাই যেন ওই সিভির মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১২. উপস্থাপন : কিভাবে সিভিটি লিখছেন বা ডিজাইন করছেন সেটিও নজরে থাকে চাকুরিদাতার। তাই এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম উপস্থাপনের আশ্রয় নিন। এক্ষেত্রে ২৪ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১৩. বর্তমান আয় : আপনার বর্তমান আয় উল্লেখ করুন সিভিতে। তাহলে চাকুরিদাতা বুঝতে পারবে আপনার বর্তমান স্ট্যাটাস সম্পর্কে। এক্ষেত্রে ২৩ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১৪. অর্থ পরিকল্পনা : যদি এমন কোনো চাকুরি হয় যেখানে আপনাকে কোনো পন্য প্রস্তুত করতে হবে, সেখানে আপনি ওই পন্য তৈরীর খরচটাও আপনার সিভিতে তুলে দিন। চেষ্টা করবেন অন্যদের চেয়ে কম বাজেট দিতে। এক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।
১৫. সফলতা : এই চাকুরিতে ইতিপূর্বে আপনার সফলতা তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ মনোযোগ থাকে চাকুরিদাতার।

সিভির ১৫টি অপছন্দের বিষয়:
১. পারিবারিক পরিচিতি : প্রতিষ্ঠান চাকুরি দেবে আপনাকে, আপনার পরিবারকে নয়। তাই আপনার বিষদ পারিবারিক পরিচিতি সিভিতে দেয়া দরকার নেই। এক্ষেত্রে ৩৮ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
২. ধৃষ্টতা : আপনি আপনার আত্নবিশ্বাস প্রকাশ করতে পারেন সিভিতে। কিন্তু, অতিরিক্ত আত্ন বিশ্বাস বা ধৃষ্টতা প্রকাশ করলে আপনাকে অপছন্দ করাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে ২৭ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৩. প্রসঙ্গের বাইরে আলোচনা : যে চাকুরি করবেন সেই চাকুরি সংশ্লিষ্ট আলাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুন সিভিতে। বাইরের আলোচনা দরকার নেই। এক্ষেত্রে ২৬ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৪. দলাদলি : আপনি যদি ইতিপূর্বে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকুরির সুবাদে ইউনিয়ন বা দলাদলি করে থাকেন, তবে সেই অভিজ্ঞতা সিভিতে ভুলেও উল্লেখ করবেন না। কেউই চান না তার প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক অসন্তোস দেখা দিক। এক্ষেত্রে ২২ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৫. কোনো ব্যক্তির তদবীর : আপনার পরিচিত কোনো ব্যেক্তির লিখিত তদবীর যেন আপনার সিভিতে না থাকে। এক্ষেত্রে ২২ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৬. নের্তৃত্বের বাসনা : এমন কোনো বিষয় যেন সিভিতে না থাকে, যাতে আপনার মনে সঞ্চিত নের্তৃত্বে বাসনা ফুটে উঠে। এক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৭. গুরুত্ব তুলে ধরা : এমন কিছু লিখবেন যাতে অহেতুক আপনার গুরুত্ব ফুটে উঠে। এক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৮. প্রভাবিত করার উপাদান : এমন কিছু বিষয় থাকে যা নির্বাচকরা 'প্রভাবিত' করার চেষ্ঠা হিসেবেই বাকা চোখে দেখে থাকেন। এরকম বিষয় এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে। এক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
৯. সহকারী মনোভাব : এমন কিছু প্রকাশ করবেন না যাতে আপনাকে উল্লেখিত পদের বদলে তার সহকারীর পদে উপযুক্ত মনে হয়। এক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
১০. বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি : সার্বজনীন হতে হবে আপনাকে। এমন কিছু লিখবেন যাতে আপনাকে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি মনে হয়। এক্ষেত্রে ১৪ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
১১. কঠোর পরিশ্রম : এটা বোঝানোর দরকার নেই যে, আপনি কঠোর পরিশ্রমী। অনেক ক্ষেত্রেই কায়িক পরিশ্রমের চেয়ে মানসিক পরিশ্রমের মূল্য অনেক বেশি। এক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
১২. কৌশলী চিন্তা : আপনি এমন কিছু তুলে ধরবেন না যাতে আপনাকে ধূর্ত মনে হয়। এক্ষেত্রে ১২ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
১৩. বহুমাত্রিকতা : সৃষ্টিশীলতা যেমনি পছন্দনীয় বিষয় তেমনি বহুমাত্রিকতা ভালোবাসেন না অনেকেই। কারণ, এর সঙ্গে ভবঘুরেপনার সংযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে ১২ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।
১৪. নিজেকে পরিবর্তন : আপনি যা নন, সেটা কখনো সিভিতে তুলে ধরবেন না। কারণ, সাক্ষাৎকারের সময় আপনি ধরা পড়ে যাবেন যে, আপনি তেমন নন, যেমনটি আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন।
১৫. সম্পূর্ণ অপারগতা : অনেক সময় অনেকেই এমন কিছু লিখেন যাতে তার অজান্তেই নিজের অপরগতা ফুটে ওঠে। এক্ষেত্রে ১১ শতাংশ অনীহা থাকে চাকুরিদাতার।

16/08/2022

Some moments is very special.....

Want your school to be the top-listed School/college in Shanghai?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

The Bund (外滩), Zhongshan East 1st Road, Huangpu District, Shanghai (黄浦区中山东一路)
Shanghai
200002