12/18/2019
╭✿╯কেন এই পেইজ?
প্রথমতঃ
আমরা কেউ ওয়াজ করি, কেউ শুনি। কেউ খুত্বাহ দেই আবার কেউ শুনি। আর প্রত্যেক ওয়াজ বা খুত্বায় বক্তা বা খতীবের একটা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। কিন্তু আমরা যারা শ্রোতা, অনেকেই অনেক সময় বক্তা বা খতীবের সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমরা বুঝতে পারি না।
যা অনেক সময় অমনোযোগিতার কারণে হয়।
কখনো আলোচনা দীর্ঘ হওয়ার কারণে হয়।
আবার কখনো শুনে মজা না পাওয়ার কারণে হয়।
কখনো সুন্দরভাবে গুছিয়ে পরিবেশন না করার কারণে।
দ্বিতীয়তঃ
আমরা সবাই ওয়াজ না শুনলেও। বাধ্য হয়েই খুৎবাহ শুনি। আর প্রতিটিই খুৎবায় সাধারণত ৩ থেকে ৫টি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, নামাজান্তে যদি মুসল্লিদের জরিপ করেন, দেখবেন শতকরা ৭০% মুসল্লি ঐ পয়েন্টগুলোই মনে রাখাতে পারে নি।
তৃতীয়তঃ
আমরা সবাই ব্যস্ত। এই ব্যস্ততার মাঝেও সোস্যাল মিডিয়ায় কিছু সময় ব্যয় করি। এই ব্যয়টা যদি হয় সাদাকাতুন জারীয়াহ তাহলে কতই না উত্তম হয়। এর জন্য আপনাকে যা করতে হবেঃ
╭✿╯আপনি খতীব বা বক্তা হলে-
(১) আপনার খুতবাহ বা ওয়াজের সারাংশ সর্বোচ্চ ২৫০ শব্দে লিখে পোস্ট করুন। অথবা ৩ থেকে ৫টি পয়েন্ট আকারে তুলে ধরুন।
(২) সম্ভব হলে আলোচনার বিস্তারিত নোট ও শেয়ার করুন।
(৩) আলোচনায় শিক্ষণীয় কোন সুন্দর ঘটনা থাকলে তা সংক্ষেপে তুলে ধরুন।
(৪) আপনার দাওয়াতী জীবনে ঘটে যাওয়া কোন শিক্ষণীয় ঘটনা শেয়ার করুন।
(৫) ইখলাসের সাথে দাওয়াতী কাজ করতে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে লিখুন।
╭✿╯আপনি মুসল্লি বা শ্রোতা হলে-
(১) খুতবাহ বা ওয়াজ অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করুন।
(২) শোনার সময় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো নোট করে রাখুন।
(৩) নিজে আমল করুন। অন্যের সাথে শেয়ার করতে ফেবুতে পোস্ট করুন।
(৪) খুতবাহ বা ওয়াজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটুকু সবার সাথে শেয়ার করুন।
(৫) নির্ভরযোগ্য খতীব বা বক্তা যারা কুর’আন সুন্নাহ নির্ভর গঠনমূলক আলোচনা করেন তাদের বক্তব্য শোনার জন্য অন্যকে উত্সাহিত করুন। তাদের পরিচয় তুলে ধরুন।
(৬) বিদ’আতি বা ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ লোকদের আলোচনা শেয়ার করা বা সে বিষয়ে কোন কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
---
সবশেষে, সব ধরণের আলোচনা করা বা শোনার একমাত্র উদ্দেশ্য হোক নিজে আমল করা এবং অন্যকে দাওয়াত দেয়া।
আপনার সর্বশেষ করা আলোচনা বা শোনা খুতবাহ-ওয়াজ থেকে যা শিখেছেন তা লিখে আজই পোস্ট করুন ।
Share what you have learnt from any Waj or Khutbah on this page.