Umm-Al- Qura Madrasa Dhaka

  • Home
  • Umm-Al- Qura Madrasa Dhaka

Umm-Al- Qura Madrasa Dhaka সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ★জ্ঞানের পরিধি বিস্তার★সমসাময়িক তথ্যপ্রবাহ ★লেখালেখি ★অন্যান্য...

24/08/2020
27/01/2019

উম্মুল ক্বোরা মাদরাসা

20/06/2017

একটি অবহেলিত নেকীর ভান্ডার
একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল যে ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই উদাসীন এবং এর আমলকারী কম যা হাদীস দ্বারাই প্রমাণিত। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, দুটি অভ্যাস এমন আছে, যে ব্যক্তি এর পাবন্দী করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তা অত্যন্ত সহজ, কিন্তু তার আমলকারী নিতান্তই কম। এক. প্রত্যেক নামাজের পর দশবার সুবহানাল্লাহ, দশবার আলহামদুলিল্লাহ, দশবার আল্লাহু আকবার পড়া। হযরত আবদুল্লাহ রা. বলেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি নিজ আঙ্গুলীর উপর তিনি তা গুনছিলেন। এইভাবে তিনটি কালেমা প্রত্যেক নামাজের পর দশবার করে পড়ার দ্বারা একশ পঞ্চাশবার হবে, কিন্তু আমল ওজন করার পাল্লায় (দশগুন বৃদ্ধির কারণে) পনেরশ হয়ে যাবে।
দুই. যখন শোয়ার জন্য বিছানায় যাবে তখন সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ তেত্রিশবার পড়বে এবং আল্লাহু আকবার চৌত্রিশবার পড়বে। সব মিলে একশ কালেমা পড়া হলেও সওয়াবের হিসাবে (দশ গুণ বৃদ্ধির কারণে) এক হাজার নেকী হল। এখন এটা ও সারা দিনের নামাযের পরের সংখ্যা মিলিয়ে মোট দুই হাজার পাঁচশ নেকী হয়ে গেল। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সারাদিন দুই হাজার পাঁচশ গুনাহ কে করে? অর্থাৎ এই পরিমাণ গুনাহ হয় না অথচ এই আমল করার দ্বারা দুই হাজার পাঁচশ নেকী হয়ে যায়।
হযরত আবদুল্লাহ রা. জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই অভ্যাসগুলোর উপর আমলকারী কম হওয়ার কারণ কী? নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, (কারণ এই যে) শয়তান নামাযের মধ্যে এসে বলে, অমুক প্রয়োজন বা অমুক কথা স্মরণ কর। অবশেষে তাকে বিভিন্ন খেয়ালে মশগুল করে দেয়, যেন এই কালেমাগুলো পড়ার কথা খেয়াল না থাকে। আর বিছানায় এসে তাকে ঘুম পাড়াতে থাকে। এইভাবে সে কালেমাগুলো না পড়েই ঘুমিয়ে পড়ে। (সহীহ ইবনে হিববান, হা. ২০১২; সুনানে আবু দাউদ, হা. ৫০৬৭; জামে তিরমিযী, হা. ৩৪১০)
আল্লাহ আমলের তাওফীক দিন।

28/02/2017

একটি ভুল ধারণা : মিনার জামারাগুলো কি স্মারক বা ভাস্কর্য?
আমার জানামতে উপরোক্ত ভ্রান্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত নয়। তবে এক সাপ্তাহিক পত্রিকায় একথাটা লেখা হয়েছে। বলাবাহুল্য, এটা পড়ে অনেক মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন। ওই সাময়িকীতে বলা হয়েছে যে, মিনার জামারাগুলো হচ্ছে ভাস্কর্য। তদ্রূপ আরাফার ময়দানে হযরত আদম আ. ও হযরত হাওয়া আ.-এর সাক্ষাতস্থলে যে স্তম্ভ রয়েছে তাতে ছবিও রয়েছে। এজন্য এটাও ভাস্কর্যের মধ্যে গণ্য।’ যারা এই অসত্য কথাগুলো লিখেছেন তাদের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট নয়। তারা এভাবে তাদের ভাস্কর্যপ্রীতির পক্ষে সমর্থন পেশ করতে চান এবং ইসলামের নিদর্শনগুলো সম্পর্কে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মুসলমানদেরকে এই ধারণা দিতে চান যে, বিষয়টা ইসলাম ধর্মেও রয়েছে ! কিন্তু আল্লাহ তাআলা দ্বীনের হেফাযতের দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করেছেন। এজন্য এই অপচেষ্টাগুলো কখনো সফল হতে পারবে না।
মিনার জামারাগুলো ভাস্কর্যও নয়, কোনো স্মারকস্তম্ভও নয়। এগুলো একটা বিশেষ স্থান নির্দেশ করার চিহ্নমাত্র। যেই তিন স্থানে হযরত ইবরাহীম আ. শয়তানকে নূড়ি নিক্ষেপ করেছিলেন ওই স্থানগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য তিনটি স্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। স্থানগুলোতে কোনো প্রাণীর ছবি তো দূরের কথা কোনো জড়বস্ত্তরও ছবি নেই এবং এগুলো কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা ঘটনার স্মারক হিসেবেও স্থাপিত হয়নি। তাহলে এগুলোকে ভাস্কর্য বা স্মারক স্তম্ভ কীভাবে বলা যায়?
যদি এগুলো ভাস্কর্যই হত তবে কার স্মরণে? শয়তানের স্মরণে কি? অথচ যে শয়তানের অপদস্থতার জন্যই ওই স্থানগুলোতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা হয়, তাহলে একে ভাস্কর্য বলা কি ভাস্কর্য শব্দেরই অপপ্রয়োগ নয়?
আরাফার ময়দানে আদম-হাওয়ার (আলাইহিমাস সালাম) সাক্ষাৎস্থল হিসেবে কোনো স্থান নির্ধারিত নেই এবং এমন কোনো বিষয় প্রমাণিতও নয়। আরাফাতে জাবালে রহমতের উপর সাদা রংয়ের ছোট একটা স্তম্ভ রয়েছে, যা প্রতিবছর হাজার হাজার হাজী সাহেবের দৃষ্টিগোচর হয়। এতে কোনো ধরনের ছবি নেই। মিথ্যাই যদি বলতে হয় তাহলে এমন মিথ্যা কেন যে, শোনামাত্রই লোকেরা বলবে, ‘সুবহানাকা হাযা বুহতানুন আযীম।’ ‘এ যে এক নির্জলা মিথ্যা।’
ঐ স্তম্ভ জাবালে রহমতকে চিহ্নিত করার জন্য স্থাপিত। আরাফাতে সবদিকেই পাহাড়। এর মধ্যে কোন পাহাড়টা জাবালে রহমত, যার পাদদেশে রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্বের খুৎবা দিয়েছিলেন, তা যেন লোকেরা সহজেই চিনতে পারেন এজন্য এই চিহ্ন সেখানে স্থাপন করা হয়েছে। একে ভাস্কর্য বলে দাবি করা মিথ্যাচার ছাড়া আর কী হতে পারে?

28/02/2017

হাসপাতালের রোগশয্যা থেকে : মৃত্যুকে স্মরণ কর
মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ
হযরত মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ দামাত বারাকাতুহুম এখন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি। এক সপ্তাহ যাবৎ সিসিইউতে আছেন। এমন নাযুক মুহূর্তেও আমরা যারা তালেবানে ইলম আমাদের জন্য তিনি এই নসীহতনামা নিজ কলমে লিখে পাঠালেন। সুবহানাল্লাহিল আযীম।
আমি আশা করি আমরা নসীহতগুলোর খুব কদর করব। হুযুরের জন্য দুআ করি, হুযুরের উস্তাযের জন্য দুআ করি। আমাদের সকল আকাবিরের সিহ্হাত আফিয়াত এবং দীর্ঘ নেক হায়াতের জন্য দুআ করি। অনেকে মহব্বত ও ইখলাছ নিয়ে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে ইয়াদাত করতে চান। কিন্তু একে তো হাসপাতালের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা। দ্বিতীয়ত হুযুরের পসন্দ হল, আমরা নিজ জায়গায় থেকে দুআতে থাকি। ইনশাআল্লাহ এতে আমরা ইয়াদাতের ছওয়াবও পেয়ে যাব। খুশির বিষয়, আলহামদু লিল্লাহ, হুযুরের হালত ভালোর দিকেই যাচ্ছে। (আবদুল মালেক)

بسم الله الرحمن الرحيم
হে প্রিয় তালেবানে ইলম! হাসপাতালের রোগশয্যা থেকে তোমাদেরকে, প্রথমত যারা মাদরাসাতুল মাদীনায় পড়, দ্বিতীয়ত যারা মাদানী নেসাবে পড়, তৃতীয়ত যারা না দেখে আমাকে ভালোবাসো, তোমাদের সবাইকে আমার মুহব্বতপূর্ণ সালাম।
আলহামদু লিল্লাহ আমার কথাগুলো এখন মৃত্যুকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে, আশা করি ইনশাআল্লাহ আমল করার নিয়তে গ্রহণ করলে কামিয়াব হবে। এ কয়দিন শুধু বিছানায় পড়ে আছি চিত হয়ে। মৃত্যুর সঙ্গেই যেন বসবাস করছি এবং মৃত্যুকে যেন কিছুটা ভালোবাসতেও শুরু করেছি। পুরোপুরি চিনে উঠতে পারিনি। তবু বুঝতে পেরেছি এ মৃত্যুর পোলটা পার হলেই মাওলায়ে করীমের সঙ্গে আমার মিলন।
মৃত্যু এখন কত কাছে! এই যেন একটু সুঘ্রাণ পেলাম। এই হরফগুলো যখন লিখছি আমার খুব কাছে আল্লাহর এক বান্দা মৃত্যুযন্ত্রনা ভোগ করছে। দেখছি আর লিখছি। এমন লেখা কি সবসময় লেখা যায়?
এই যে আল্লাহর বান্দা চলে গেলো, জীবনের সমাপ্তি হলো এবং অনন্ত জীবন শুরু হয়ে গেলো। আমার ডাক যখন আসবে, কখন আসবে জানি না, আমি ছুটে যাব, মা যেমন হাতছানি দিয়ে ডাকে আর অবুঝ সন্তান ছুটে গিয়ে মায়ের কোলে আশ্রয় নেয়। তোমরা শুধু একটু দুআ কর আসানির সঙ্গে আমার ঈমানের জন্য
পরিবেশ এখন এমন, ইচ্ছে করলেও ফেরার কথা ভাবা যায় না। মনটা আল্লাহর প্রিয় আপনাতেই যেন সমর্পিত হতে চায়। তো নেয়ামতের শোকর হিসাবে বলছি, আমি তালেবানে ইলমকে সবসময় বলি, কিন্তু কেউ বুঝতে চায় না। কথাটা হলো...
সুবহানাল্লাহ! এত বড় আল্লাহু আকবার বলে, এইমাত্র আরেকজন...
বলছিলাম, কথাটা হলো কিতাবের পাতা হলো ইলম হাসিলের সবচে’ দুর্বল মাধ্যম, এর চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ মাধ্যম হলো বিশ্বজগতের এই খোলা কিতাব, আরো শক্তিশালী মাধ্যম হলো উস্তাযের মুহব্বতপূর্ণ ছোহবত, আরো উর্ধ্বস্তরের মাধ্যম আল্লাহর সঙ্গে মুহব্বতের তাআল্লুক, তাফবীযের তাআল্লুক। তো এই সমস্ত মাধ্যম যে যথাযথরূপে ব্যবহার করে, সেই প্রকৃত আলিম, নূরান্বিত আলিম। কথাগুলো নতুন কিছু নয় তবে মউতের মাঝখানে বসে লিখছি এবং আমার আল্লাহর ইশারায় লিখছি, তাই ফায়দা আশা করা যায়।
তোমরা আমার পেয়ারা ভাই আল্লাহকে মুহব্বত করো, আল্লাহ ও তার রাসূলের ইত্বাআত করো। আমাদের খোলা দুশমন শয়তানের প্ররোচনা থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করো, আর সবসময় ইস্তিগফার কর, করতে থাকো। ইস্তিগফার যদি একটু শরমেন্দিগির সঙ্গে হয় তাহলে তা তোমাকে আল্লাহর কাছাকাছি রাখবে, কখনো তোমাকে আল্লাহ থেকে দূরে যেতে দেবে না। আর শয়তানকেও কামিয়াব হতে দেবে না।
নেক আখলাক অর্জন করো। মানুষ যেন মনে করে এরা ইনসান নয়, আসমান থেকে নেমে আসা ফেরেশতা। বিশ্বাস কর, লড়াই করে হয়ত হকের কোন কথা প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে, কিন্তু মানুষের দিলের বদ্ধ দুয়ার খুলতে পারবে না। তা পারবে ভালোবাসা দিয়ে, হামদর্দি দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, যেমন আল্লাহ আদেশ করেছেন।
হাসপাতালে আমি ইচ্ছা করে আসিনি। এটাই আমার জীবনে প্রথম হাসপাতালে প্রবেশ। কিন্তু আমাকে যারা জানে তারা বোঝবে কত কঠিন অবস্থা হলে হাসপাতালে এসে এতদিন পড়ে থাকতে পারি। আমার প্রার্থনা, কাউকেই যেন হাসপাতালে আসতে না হয়, আল্লাহ যেন এমনিতেই আসান করে দেন। তবে আল্লাহর অনেক দয়া। হাসপাতালের এই কয়দিনের জীবনে আল্লাহ মেহেরবান যা কিছু দান করেছেন তা আল্লাহর কসম দুনিয়া-জাহানের সমস্ত সম্পদ থেকে উত্তম। দুআ করি, আল্লাহ তাআলা যেন এই সমস্ত সম্পদ ভরপুর পরিমাণে তোমাদেরকে দান করেন। তোমরা আমাকে এত ভালোবাসো তোমাদের জন্য দুআ না করে কি পারি! তবে ছাহিবে ফিকির ও ছাহিবে সাখছিয়াত হওয়ারও চেষ্টা করো, তখন দেখবে নিজেকে তোমার আকাশের পূর্ণিমার উজ্জ্বল চাঁদের চেয়েও নূরানী মনে হবে। তুমি বাসি ডাল খাবে, ছেঁড়া জামা গায়ে দেবে, ফাটা জুতা পরবে কিন্তু তোমাকে খরিদ করতে পারে এমন সম্পদ এবং এমন সম্পদশালী পৃথিবীতে পাবে না, তোমার খরিদ্দার শুধু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।
আমার তো সব শেষ হয়ে গেছে, মনে পড়ছে হাদীসে যেন এক মযমূন

Address


Telephone

+8801756335299

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umm-Al- Qura Madrasa Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share