Palash's Probhupada Kothamrita

Palash's Probhupada Kothamrita ্র

26/10/2021

কলিপ্রিয়া উপাখ্যান( দামোদর ব্রত)
পদ্মপুরাণে সূত-শৌনক সংবাদে বর্ণিত আছে- পুরাকালে ত্রেতাযুগে শঙ্কর নামে সৌরাষ্ট্রদেশবাসী এক বৃষল (শূদ্র-) ছিল। তার স্ত্রীর নাম কালিপ্রিয়া। সে সর্বদা পতিকে অযোগ্য ভেবে পরপুরুষাকাঙিক্ষনী হয়ে পতকে উচ্ছিষ্ট দিত। মহামূঢ় নীচসঙ্গবশতঃ মদ্য-ম খেয়ে স্বামীকে তিরষ্কার করত। ‘ও মরে না কেন? ও মললে আমি যথেচ্ছা ভোগ করব’, এরমক বলত। হে দিব্জ! সেই নিষ্ঠুরা হৃদযে এইরূপ বিচার করে তখন অসি দ্বারা স্বামীর মস্তক ছেদনপূর্বক এক জারের নিমিত্ত সঙ্কেতস্থলে গমন করল। সেখানে আগত জার পুরুষকে বাঘে খেয়ে ফেলছে দেখে সে রোদন করতে করতে মূর্চ্ছা গেল। সেউ মূঢ়া কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, ‘হায়! হায়! আমি স্বামীকে হত্যা করে পরপুরুষের জন্য এলাম; কিন্তু সেই জারকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। এখন কি করব! কোথায় যাব! আমি বিধাতা কর্তৃক বঞ্চিত হলাম।’ তারপর কালিপ্রিয়া স্বগৃহে ফিরে বিলাপ করতে লাগল- হে নাথ! আমি কি নিদারুণ কর্মই করেছি! কোন লোকেই বা যাব! হে স্বামী! একটিবার কথা বলুন। আমি তোাকে কতইনা ভর্ৎসনা করেছি, কিন্তু তুমি আমার যেন কোনো অপরাধ নাই এমনভাবে ব্যবহার করেছ। এইরূপ বিলাপ করতে সেই ভ্রষ্টা প্রতিচরণে প্রণামপূর্বক অন্র নগরে গমন করল। সেই প্রাতে নর্মদায় স্নানপূর্বক বহুপুণ্যফরে বৈষ্ণবগণকে দেখতে পেল। আরও দেখল, নদীতে রমনীঘণ গন্ধ, পুষ্প, ধুপ, দীপ, বস্ত্র, নানাবিধ ফল, , মুখবাস ও শঙ্খনাদ মহোৎসব সহকারে ভক্তিযুক্তচিত্তে নাধাদামোদারের পূজা করছ এই দেখে বিনযান্বিত হয়ে সে জিজ্ঞাসা করল, হে স্ত্রীগণ! তোমরা কি করছ? স্ত্রীগণ কলল, ‘হে মাতঃ! সর্বমাসোত্তম শুভ কার্তিকমাসে রাধাদামোদরকে পূজা করছি। এত কোটিজন্মার্জিত পাপ বিনষ্ট হয়ে যাবে।’ তা শুনে সেই যোষিৎ বলল, আমিও তোমাদের সাথে ঐরকম পূজা করব’ বলে সে স্ত্রীগণের সঙ্গে পূজা করতঃ নির্মলা হয়ে পৌর্ণমাসীতে মারা গেল। তারপর যমকিঙ্করগণ এসে ক্রোধে চর্মরজ্জু দ্বারা তাকে বন্ধন করল। তখন স্বর্ণময় বিমানে বিষ্ণুদুতগণ আগমন করে চক্রদ্বারা তাদের প্রহার করতে লাগর। সেই প্রহারে যমদূতগণ পালায়ন করল। অতঃপর সেই নীরা বিমানে আরুঢ় বিষ্ণুদূতগণে বেষ্টিতা হয়ে বিষ্ণুমন্দিরে গমন করল। যে নার িবা পুরুষ কার্তিকে রাধাদামোদরের অর্চন করে, সে পাপমুক্ত হয়ে গেলালোকাখ্য মনোহর ধামে গমন করে। ভক্তিসহকারে সমাহিত হয়ে যে নর বা নারী এই কাহিনী শ্রবণ করে তার কোটিজন্মার্জিত পাপ বিনষ্ট হয়।

18/09/2021

গুরুদেব ও শিষ্য:
# # জ্ঞান লাভের জন্য অবশ্যই শ্রীগুরুদেবের হতে হবে।
বহুকাল, বহুজীবন, নীরস মনোধর্মী চিন্তা করেও আমরা জীবনের অন্তিম লক্ষ্যকে উপলব্ধি করতে পারব না। তাই সকল শাস্ত্রই আমাদের সদ্গুরু অন্বেষণের উপদেশ দান করে। গুরু শব্দের অর্থ ‘গম্ভীর’ বা ‘ভারী’। যাঁর আধ্যাত্মিক জ্ঞান আছে, তিনি জ্ঞানের ভারী। এভাবে সদ্গুরু নির্ণয় করা কর্তব্য। আমি তো সব জানি। কে আমাকে পরতত্ত্ব শিক্ষা দেবে?’ এ রকম মনোভাব পোষণ করা উচিত নয়, কারণ সকলেরই তত্ত্বশিক্ষার প্রয়োজন আছে।

গুরুদেবেই জ্ঞানের আলোকবর্তিকা প্রদান করেন।এই জড় জগৎ অজ্ঞানের ঘন অন্ধকারে আচ্ছন্ন, কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত ও জড় জড়তের অতীত। ...
28/08/2021

গুরুদেবেই জ্ঞানের আলোকবর্তিকা প্রদান করেন।

এই জড় জগৎ অজ্ঞানের ঘন অন্ধকারে আচ্ছন্ন, কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত ও জড় জড়তের অতীত। কৃষ্ণভাবনায় কোনো অন্ধকার নেই, আছে শুধু আলোক। রাতের অন্ধকারে কোনো বস্তু অনুসন্ধান করা কষ্টসাধ্য, কিন্তু দিবালোকে সেই কাজ সহজসাধ্য। শাস্ত্রের নির্দেশ হচ্ছে, এ অন্ধকার ত্যাগ করে আমরা যে আলোয় আসি। গুরুদেব আমাদের এ আলোক দান করেন।
ওঁ অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জনশলাকায়।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।
“আমি অজ্ঞানের অন্ধকারে জন্মগ্রহণ করেছিলাম। আমর গুরুমহারাজ জ্ঞানাঞ্জন শলাকা দ্বারা আমার জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত করেছিলেন। আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধা প্রণতি নিবেদন করছি। ”
গ্রন্থ: গুরুও শিষ্য

 # #যথার্থ-জ্ঞান লাভ বা সত্য উপলব্ধির জন্য গুরুদেবের সান্নিধ্যে অবশ্যই যেতে হবে                          তদ্ বিদ্ধি প্রণ...
28/08/2021

# #যথার্থ-জ্ঞান লাভ বা সত্য উপলব্ধির জন্য গুরুদেবের সান্নিধ্যে অবশ্যই যেতে হবে
তদ্ বিদ্ধি প্রণিপাতেন পরিপ্রশ্নেন সেবায়।
উপদেক্ষ্যন্তি তে জ্ঞানং জ্ঞানিনস্তত্ত্বদর্শিনঃ।
অনুবাদ: সদগুরুর শরণাগত হয়ে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার চেষ্টা কর। বিনম্র চিত্তে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা কর এবং অকৃত্রিম সেবার দ্বারা তাঁকে সন্তুষ্ট কর। তা হলে সেই তত্বদ্রষ্টা পুরুষেরা তোমাকে জ্ঞান উপদেশ দান করবেন।
গ্রন্থ: গুরুও শিষ্য , প্রভুপাদ কি , জয়.

 # #তত্ত্বজ্ঞ গুরুদেবের নিদের্শনা ছাড়া ভগবানকে উপলব্ধি করতে যাওয়া নিতান্তেই নির্বুদ্ধিতা ।পরমেশ্বর ভগবান মুকুন্দের পবিত্...
16/08/2021

# #তত্ত্বজ্ঞ গুরুদেবের নিদের্শনা ছাড়া ভগবানকে উপলব্ধি করতে যাওয়া নিতান্তেই নির্বুদ্ধিতা ।
পরমেশ্বর ভগবান মুকুন্দের পবিত্র নামের স্বরূপ উপলব্ধি হলে সাধক বা শিষ্য সিদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে বিবেচিত হবেন। কৃষ্ণতত্ত্ববিদ সদ্গুরু চরণাশ্রিত না হলে, সাধকের ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান সব অসার, অর্থহীনও নির্বুদ্ধিতা মাত্র।

 # #  মানসিক জল্পনা-কলাপনা নয়, সদ্গুরুর মতো যথার্থ মাধ্যমের দ্বারাই ভগবানকে দর্শন করা যায়।ব্রহ্ম-সংহিতায় যে বর্ণনা করা হ...
12/08/2021

# # মানসিক জল্পনা-কলাপনা নয়, সদ্গুরুর মতো যথার্থ মাধ্যমের দ্বারাই ভগবানকে দর্শন করা যায়।

ব্রহ্ম-সংহিতায় যে বর্ণনা করা হয়েছে, মনোধর্মী জ্ঞানীরা তাদের পাণ্ডিতের দ্বারা চেষ্ট করেও অন্তকালে স্বপ্নেও পরম তত্ত্বকে জানবার কথা কল্পনা করতে পারে না। এ প্রকার জ্ঞানীদের কাছে প্রকট না হয়োর অধিকার ভগবানের আছে। যেহেতু তারা ভগবানের চরণকমলরূপী মৃণালের জালে প্রবেশ করতে পারে না, তাই বিভিন্ন মনোধর্মীর বিভিন্ন সিদ্ভান্ত রয়েছে, এবং চরমে তারা একটা অর্থহীন বোঝাপড়া করে নিয়ে তাদের রুচি অনুসারে সিদ্ভান্ত করে যে, ‘যতমত তত পধ’। কিন্তু ভগবান কোনো দোকানদার নন যে তিনি তাঁর সবরকম মনোধর্মী খরিদ্দারদের মনোরঞ্জন করার চেষ্টা করবেন। ভগবান হচ্ছেন পরমেশ্বর, এবং তিনি কেবল তাঁর কাছেই পূর্ণ শরণাগতি দাবি করেন। শুদ্ধ ভক্তেরা কিন্তু পূর্ববর্তী মহাজনদের বা আচার্যদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে স্বচ্ছ মাধ্যমরূপী সদগুরুর মাধ্যমে পরমেশ্বর ভগবানকে দর্শন করতে পারেন ( অনুপশ্রন্তি)। শুদ্ধ ভক্তেরা কখনো মনের আকাশকুসুম কল্পনার মাধ্যমে ভগবানকে দর্শন করার চেষ্টা করেন না, পক্ষান্তরে তাঁরা আচার্যদের পদাঙ্ক অনসরণ করেন (মহাজন যেন গতঃ স পন্থাঃ)

11/08/2021

গুরু শিষ্য, প্রভুপাদ
একমাত্র গুরুদেবের মাধ্যমেই ভগবদুপলব্ধি সম্ভব

ভগবানে প্রতি যিনি অপ্রতিহতা ভক্তিসম্পন্ন এবং ভগবানে প্রতি যেই রকম গুরুদেবের প্রতিও সেই রকম ভক্তিসম্পন্ন, তিনি পরম পুরুষোত্তম ভগবানকে দর্শন করতে পারেন। কেবল মানসিক জল্পনা কল্পনার মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণকে বোধা যায় না। যে সদগুরুর তত্বাবধানে ভগবদ্ভক্তির শিক্ষ লাভ করেনি, তার পক্ষে ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদন করতে পারা যাবে না, কিংবা সফল হবে না।

 # #গ্রন্থ; গুরু শিষ্য, প্রভুপাদ গুরুদেবর নেতৃত্বে ভক্তগণ ভগবৎসেবায় যুক্ত হন।যাঁরা ভগবান এবং শ্রীগুরুদেবের প্রতি ঐকান্তি...
11/08/2021

# #গ্রন্থ; গুরু শিষ্য, প্রভুপাদ
গুরুদেবর নেতৃত্বে ভক্তগণ ভগবৎসেবায় যুক্ত হন।

যাঁরা ভগবান এবং শ্রীগুরুদেবের প্রতি ঐকান্তিক-শ্রদ্ধাসম্পন্ন, ভগবান তাঁদের কাছে ধীরে ধীরে তাঁর স্বরূপ প্রকাশ করেন। তারপর, ভক্ত আটটি যৌগিক সিদ্ধিলাভ করেন, এবং চরমে, ভক্ত ভগবানের স্বপার্ষদত্ব লাভ করেন এবং গুরুদেবের মাধ্যমে ভগবানের বিশেষ সেবা লাভ করেন।

 # #গ্রন্থ; গুরু শিষ্য, প্রভুপাদসরাসরি ভগবানের নিদের্শ পালনের চেয়েও ভক্তের নির্দেশ পালন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণশ্রীল নরোত্...
11/08/2021

# #গ্রন্থ; গুরু শিষ্য, প্রভুপাদ
সরাসরি ভগবানের নিদের্শ পালনের চেয়েও ভক্তের নির্দেশ পালন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ

শ্রীল নরোত্তম দাস ঠাকুর বলেছেন-ছাড়িয়া
বৈষ্ণবসেবা নিস্তার পেয়েছে কেবা। ভক্তের ভক্ত না হলে কখনো জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। তাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু গোপীভর্তুঃ পদকমলয়োর্দাসদাসানুদাসঃ বলে নিজের পরিচয় দিয়েছেন। িএভবে তিনি আমাদের শিক্ষ দেয়েছেন সরাসরিভাবে শ্রীকৃষ্ণের সেবক না হয়ে শ্রীকৃষ্ণের দাসের দাস হতে। ব্রহ্মা, নারদ, ব্যাসদেব, শুকদেব গোস্বামী প্রমুখ ভক্ত প্রথ্যক্ষভাবে ভগবানের সেবক এবং যিনি নারদ, ব্যাসদেব ও শুকদেব গোস্বামীর সেবক, যেমন ষড়গোস্বামীগণ, তিনি ভগবানের অধিক কৃপা লাভ করেন। শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর তাই বলেছেন, যস্য প্রসাদাদ্ ভগবৎপ্রসাদঃ কেউ যদি নিষ্ঠা সহকারে শ্রীগুরুদেবের সেবা করেন, তা হলে সেই ভক্তের প্রতি শ্রীকৃষ্ণ অত্যন্ত অনুকূল হন। ভক্তের নির্দেশ অনুসরণ করা সরাসরিভাবে উপদেশ অনুসরণ করার থেকেও অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

 # #গুরু শিষ্য গ্রন্থ , প্রভুপাদ  অনুকূলভাবে কৃষ্ণসেবার জন্য গুরুদেবের নিকট জানতে হবে, কৃষ্ণ কী চান।শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ...
10/08/2021

# #গুরু শিষ্য গ্রন্থ , প্রভুপাদ
অনুকূলভাবে কৃষ্ণসেবার জন্য গুরুদেবের নিকট জানতে হবে, কৃষ্ণ কী চান।
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু শুদ্ধ ভগবদ্ভক্তির পন্থা অবলম্বন করার নির্দেশ দিযে গিয়েছেণ। জড় বাসনা চরিতার্থ করার কোনো রকম ইচে।ছ পোষণ করা উতিন নয়। দার্শনিক জল্পনা-কল্পনার মধ্যমে ভগবানকে জানার চেষ্টা করা উচিত নয় এবং শ্রীকৃষ্ণের কাছ থেকে কোনো রকম জড় সুবিধা লাভ করার কামনা করা উচিত নয়। শুধু তাঁর ইচ্ছে অনুসারে, অনুকূলভাবে তাঁর সেবা সম্পাদন করার চেষ্ট করা উচিত। শ্রীকৃষ্ণ যদি কিছু চান, তা হলে সেটি করা আমাদে কর্তব্য। জানতে হবে শ্রীকৃষ্ণ কী চান? শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে সম্পার্কিত হলে, সবচাইতে অনুকূলভাবে তাঁর সেবা করা যায়। অন্তরঙ্গ সম্পর্ক না থাকলে শ্রীকৃষ্ণ কী চান তা সদগুরুর মাধ্যমেই জানতে হবে।।

৥৥  গ্রন্থ:; গুরু ও শিষ্য , প্রভুপাদসরাসরি ভগবানের কাছে কেউ দীক্ষিত হতে পারে না, দীক্ষাগ্রহণ করতে হয় সদগুরুদেবের কাছে।ব্...
10/08/2021

৥৥ গ্রন্থ:; গুরু ও শিষ্য , প্রভুপাদ
সরাসরি ভগবানের কাছে কেউ দীক্ষিত হতে পারে না, দীক্ষাগ্রহণ করতে হয় সদগুরুদেবের কাছে।
ব্রহ্মা তাঁর অন্তরে ভগবান কর্র্তক দীক্ষিত হয়েছিলেন। পরমাত্মারূপে ভগবান প্রতিটি জীবের অন্তরে বিরাজমান এবং যেহেতু ব্রহ্মা দীক্ষা লাভের বাসনা করেছিলেন, তাই তিনি ব্রহ্মাকে দীক্ষা দিয়েছিলেন। এভাবে যারা দীক্ষা গ্রহণকে উচ্ছুক, তাদের ভগবান এভাবে দীকষা দিতে পারেন। কিন্তু তা বলে কখনো মনে করা উচিত নয় যে, তিনিও ব্রহ্মার মতো অন্তরে সরাসরি ভগবান কর্তৃক দীক্ষিত হবেন।
কেননা এ যুগে কেউই ব্রহ্মারমেতো নির্মল নন।
ব্রহ্মারণ্ডের সৃষ্টিকার্য সম্পাদন করার জন্য ব্রহ্মার পদ সবচাইতে পরিত্র জীবকে দেওয়া হয়, এবং সে রকম যোগ্যতা না থাকলে ব্রহ্মাজীর মতো ভগবান কৃর্তৃক সরাসরিভবে ভগবানে কৃপা লাভ করা সম্ভব নয়। কিন্তু সেই একই সুবিধা ভগবানে শুদ্ধ ভক্তের মাধ্যমে, শাস্ত্রের মাধ্যমে (বিশেষ করে শ্রীমদ্ভগবদগীতা এবং শ্রীমদ্ভাবগতের মাধ্যমে) ও সদগুরুর মাধ্যমে ঐকান্তিকভাবে আগ্রহী জীবের পক্ষে লাভ করা সম্ভব।

08/08/2021

Address

Wari

Telephone

+8801518401187

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Palash's Probhupada Kothamrita posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share