01/02/2026
অনেক মানুষ আছেন, যারা জিনের প্রভাব, যাদু, বদনজর, মানসিক অস্থিরতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় বছরের পর বছর ভুগছেন। ডাক্তার বদলান, চিকিৎসা বদলান কিন্তু সমস্যার মূল যেন থেকেই যায়।
কেন এমন হয়?
আমাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে
সমস্যা না সারা মূল কারণ হলো রুকইয়াহ না করা, অথবা করলেও ধারাবাহিকভাবে না করা।
অনেকে মনে করেন, একদিন রুকইয়াহ করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো
সমস্যা যত পুরনো ও গভীর, সুস্থতার পথও তত ধৈর্যের।
ধারাবাহিক রুকইয়াহ (রুকইয়াহ দাওরিয়্যাহ) কেন জরুরি?
★ দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে দুর্বল হয়
★ জিন ও যাদুর প্রভাব আস্তে আস্তে ভেঙে পড়ে
★রোগীর মন ও শরীর আমল করার উপযোগী হয়
★ ভয়, অস্থিরতা ও মানসিক চাপ কমে
★ আত্মবিশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তি ফিরে আসে
★ শরীরের স্বাভাবিক সুস্থতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়
রুকইয়াহ আসলে শুধু “চিকিৎসা” নয় এটি একটি প্রক্রিয়া, যার জন্য নিয়ম ও ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।
আমাদের পরিকল্পিত রুকইয়াহ পদ্ধতি:
১. ৭ দিন / ১৫ দিন / ৩০ দিন পরপর ধারাবাহিক রুকইয়াহ সেশন
২. প্রথম দিনেই সমস্যার ধরন অনুযায়ী পূর্ণ চিকিৎসা পরিকল্পনা
৩. বিশেষ রুকইয়াহ পানি, তেল ও মধু প্রস্তুত করে দেওয়া
৪.অভিজ্ঞ ও সিনিয়র রাকিদের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট সময়ের চিকিৎসা।
প্রতিটি ধাপ পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করা হয়, যেন সমস্যার মূল শেকড় পর্যন্ত পৌঁছানো যায়।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
31/01/2026
বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণ: আ'উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি 'আইনিন লা-ম্মাহ
অর্থ: আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি, আল্লাহ্র পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে। (বুখারী৩৩৭১)
30/01/2026
অনেকেই মনে করেন, রুকইয়াহ মানেই জিন, যাদু বা শারীরিক অসুস্থতার চিকিৎসা। বাস্তবতা হলো রুকইয়াহ তার চেয়েও অনেক গভীর ও বিস্তৃত একটি ইবাদতভিত্তিক মাধ্যম। কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে রুকইয়াহ এমন এক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আল্লাহর ইচ্ছায় অনেক অদৃশ্য সত্য প্রকাশ পায়।
আল্লাহ তায়ালা কোরআনকে বলেছেন
“মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত”।
এই শিফা শুধু দেহের রোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মন, আত্মা, চিন্তা, অনুভূতি এবং গোপন ক্ষতির ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে।
অনেক সময় মানুষ নিজেই বুঝতে পারে না তার সমস্যার মূল কারণ কী।
হঠাৎ করে
১.মানসিক অস্থিরতা
২.সংসারে অশান্তি
৩.রিজিক বন্ধ হয়ে যাওয়া
৪.অকারণ ভয় ও দুশ্চিন্তা
৫.ইবাদতে অনীহা
৬.নামাজে অস্থিরতা
৭.কোরআন তিলাওয়াত বা শুনলে অস্বস্তি
এসবকে আমরা সাধারণ বিষয় মনে করি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে এমন কারণ থাকতে পারে, যা সাধারণ চোখে ধরা পড়ে না।
রাসুলুল্লাহ ﷺ নিজে রুকইয়াহ করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও রুকইয়াহ করার অনুমতি দিয়েছেন—শর্ত একটাই, তা হতে হবে কোরআন, আল্লাহর নাম ও সহিহ দোয়ার মাধ্যমে। হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি, রুকইয়াহর সময় অনেকের ভেতরে লুকানো কষ্ট ও বাস্তবতা প্রকাশ পেত। কারো সমস্যার প্রকৃত উৎস স্পষ্ট হয়ে যেত, কারো ওপর অন্যায় কোনো প্রভাব আছে কি না তা বোঝা যেত।
রুকইয়াহ চলাকালীন অনেক মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়—
১.কেউ অঝোরে কান্না করে
২.কেউ হঠাৎ অস্থির হয়ে পড়ে
৩.কেউ রাগান্বিত বা ভয় পায়
৪.কারো শরীরে অস্বাভাবিক অনুভূতি হয়
এসব আচরণ ইচ্ছাকৃত নয়; নিজের অজান্তেই ঘটে। এখান থেকেই অভিজ্ঞ রাক্বী সমস্যার গভীরতা ও উৎস অনুধাবন করতে পারেন।
রুকইয়াহ কোনো জাদু নয়, কোনো নাটকও নয়।
এটি কোরআনের শক্তি। আর কোরআনের সামনে মিথ্যা ও অন্ধকার টিকে থাকতে পারে না।
সত্য যখন আসে, তখন মিথ্যা ভেঙে পড়ে—এটাই আল্লাহর সুন্নাহ।
আপনার সমস্যাকে যদি বাইরে থেকে সাধারণ মনে হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে অস্বাভাবিক কিছু অনুভব করেন বারবার চেষ্টা করেও সমাধান না পান তাহলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না। কোরআনের মাধ্যমে সত্য জানা এবং সঠিক পথে চিকিৎসা নেওয়াই একজন সচেতন মুমিনের দায়িত্ব।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
25/01/2026
ওয়াসওয়াসার লক্ষণ ও দূর করার আমল
১) অযু-গোসোল ও নামায (সালাত)-এর বিশুদ্ধতা নিয়ে বারবার সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া। ঠিকভাবে সবকিছু হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ হওয়া।
২) অযু-গোসোলের সময় এক অঙ্গ বারবার ধুইতে থাকা। ঠিকভাবে ধোয়া হল কিনা তা নিয়ে সন্দেহ হওয়া।
৩) নামায (সালাত)-এর রাকাত-সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হওয়া। বিভিন্ন আরকান সম্পর্কে দ্বিধা-দন্দ্বে পড়া।
৪) বারবার অযু ভেঙ্গে যাওয়ার সন্দেহ হওয়া। বিশেষকরে নামাযের মধ্যে।
৫) সর্বদা মাথায় অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা আসা। পাপকাজের প্রতি আগ্রহবোধ করা।
৬) আল্লাহ, রাসূল (সাঃ) ও ইসলামের ব্যাপারে মনের মধ্যে বারবার অবমাননাকর চিন্তা আসা।
৭) শ্রদ্ধাভাজন কারো সামনে থাকলে মনের ভেতর থেকে বেয়াদবি করার জন্য উস্কানি অনুভূত হওয়া।
৮) টয়লেটে বা গোসোলখানায় বিনা কারণে অতিরিক্ত সময় ব্যায় করা।
৯) পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরনের কাপড় নিয়ে সন্দেহ হওয়া।
১০) উদাসীনতা। কোনো কিছুই ভালো না লাগা। কাজ-কর্ম ও ইবাদত-বন্দেগীতে অমনোযোগী।
১১) বিনা কারণে সর্বদা চিন্তিত থাকা। বিভিন্ন অহেতুক চিন্তা মাথায় ঘুরাঘুরি করা। ইত্যাদি।
শয়তানের ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) থেকে বাঁচার উপায়:
সকাল সন্ধ্যা নিচের লিংকে দেয়া আমলগুলো করুন।
https://tinyurl.com/3v3zufpk
ওয়াসওয়াসা দূর করার সবচেয়ে বড় আমল হলো ওয়াসওয়াসাকে পাত্তা না দেওয়া। সূরা নাস অর্থ বুঝে পড়বেন।
🌿 ১. আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া
ওয়াসওয়াসা আসামাত্রই বলুন—
أَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম
📖 কুরআন: সূরা আ’রাফ ৭:২০০
🌿 ২. সূরা নাস ও সূরা ফালাক নিয়মিত পড়া
ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার
ঘুমানোর আগে ৩ বার
এগুলো শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে শক্তিশালী ঢাল।
🌿 ৩. আয়াতুল কুরসি পড়া
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর
ঘুমানোর আগে
👉 হাদীসে এসেছে, এতে শয়তান কাছে আসতে পারে না।
🌿 ৪. বেশি বেশি যিকির করা
বিশেষভাবে—
لا إله إلا الله
سبحان الله
الحمد لله
الله أكبر
📌 যে ঘরে যিকির হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালায়।
🌿 ৫. নামাজে মনোযোগ ও সময়মতো নামাজ
ওয়াসওয়াসা বেশি আসে যখন—
নামাজে গাফিলতি হয়
একা ও অলস সময় বেশি থাকে
নিয়মিত নামাজ শয়তানের কৌশল ভেঙে দেয়।
🌿 ৬. বাজে চিন্তা এলে উপেক্ষা করা
বিশেষ করে—
আকিদা নিয়ে কু-চিন্তা
হারাম কল্পনা
👉 এগুলোতে ভয় পাবেন না, আলোচনা বা গভীর চিন্তায় যাবেন না। বরং সঙ্গে সঙ্গে যিকিরে ফিরে আসুন।
📖 হাদীস: সাহাবিরা এমন চিন্তা এলে রাসূল ﷺ বলেছেন—
“এটা ঈমানের আলামত।”
🌿 ৭. ঘুম ও খাবারের আগে দোয়া পড়া
খাবারের আগে বিসমিল্লাহ
ঘুমানোর আগে ৩ কুল + আয়াতুল কুরসি
শয়তান যেন শরিক হতে না পারে।
🌿 ৮. পাপ থেকে দূরে থাকা
পাপ করলে—
ওয়াসওয়াসা বাড়ে
অন্তর দুর্বল হয়
তাই তাওবা, ইস্তিগফার খুব জরুরি।
🌿 ৯. রুকইয়াহ শরইয়াহ করা
নিজের ওপর ফুঁ দিয়ে পড়ুন—
সূরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসি
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস
🤲 বিশেষ দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ، وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَنْ يَحْضُرُونِ
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ। গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
25/01/2026
রুকইয়ার বিশেষ গোসল:
জ্বিন, যাদু ও বদনজরের প্রভাব নষ্টের পরীক্ষিত আমল
জ্বিনের কষ্ট, যাদুর প্রভাব কিংবা বদনজরের কারণে অনেক সময় মানুষের শরীর ও মনে অস্থিরতা তৈরি হয়। আল্লাহর কিতাব কুরআনের মাধ্যমে রুকইয়া করা একটি সুন্নাহসম্মত ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। এর মধ্যে রুকইয়ার বিশেষ গোসল অত্যন্ত উপকারী একটি আমল।
নিচে সংক্ষেপে রুকইয়ার বিশেষ গোসলের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।
রুকইয়ার গোসলের পদ্ধতি:
★ একটি বালতিতে গোসলের পরিমাণ পরিষ্কার পানি নিন।
★এরপর ৭ অথবা ২১টি তাজা বরই পাতা ভালোভাবে বেটে নিন। সম্ভব হলে পাটায় পিষে নিলে উত্তম।
★পিষে রাখা বরই পাতা পানির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
এরপর ঐ পানির ওপর নিচের আমলগুলো পড়ুন
দুরুদ শরীফ — ৩ / ৭ বার
সূরা ফাতিহা — ৩ / ৭ বার
আয়াতুল কুরসি — ৩ / ৭ বার
সূরা ইখলাস — ৩ / ৭ বার
সূরা ফালাক — ৩ / ৭ বার
সূরা নাস — ৩ / ৭ বার
সূরা আল-আরাফ : ১১৭–১২২ — ৩ বার
সূরা ইউনুস : ৮১–৮২ — ৩ বার
সূরা ত্বহা : ৬৯ — ৩ বার
পড়ার সময় মাঝে মাঝে পানির মধ্যে হালকা ফুঁ দিতে পারেন।
গোসল করার নিয়ম:
১.পড়া শেষ হলে সেই পানি থেকে তিন ঢোক পান করুন।
২. এরপর অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করুন।
কতদিন করবেন?
এই গোসলটি প্রয়োজন অনুযায়ী টানা ৩ দিন, ৭ দিন ২১ দিন অথবা ৪১দিন পর্যন্ত করা যেতে পারে।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
22/01/2026
জ্বিন-জাদু আক্রান্তদের বিভ্রান্তিকর স্বপ্ন: ভয় নয়, সচেতনতা জরুরি
জ্বিন-জাদুর রোগী, বিশেষ করে যারা আশিক জ্বিনে আক্রান্ত, তাদের মধ্যে একটি বিষয় প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়—
অনেকে স্বপ্নে এমন দৃশ্য দেখেন যেখানে তারা মাহরাম আত্মীয়দের সাথে (যাদের সাথে বিবাহ চিরতরে হারাম) জিনা করছে।
এই স্বপ্ন দেখার পর ভুক্তভোগীরা গভীরভাবে মানসিক আঘাতে ভেঙে পড়েন।
কেউ ভাবেন—
“আমি কত বড় পাপ করেছি যে এমন নোংরা স্বপ্ন দেখছি!”
আবার কেউ লজ্জা ও অপরাধবোধে মাহরামদের সামনে যেতেই পারেন না।
অনেকে বলেন—
“আমি তো জীবনে কখনো এসব চিন্তাও করিনি, তাহলে এমন স্বপ্ন কেন?”
বাস্তবতা হলো:
এগুলো আপনার মনের কল্পনা নয়, আপনার চরিত্রের প্রতিফলনও নয়।
এগুলো শাইতান ও আশিক জ্বিনের কৌশল
১. আপনাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার জন্য
২. লজ্জা, ভয় ও হতাশায় ফেলে দেওয়ার জন্য
৩. যাতে আপনি ডিপ্রেশনে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়েন
কারণ মানুষ মানসিকভাবে যত দুর্বল হয়, শাইতান ও জ্বিনের প্রভাব তত সহজ হয়।
খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে রাখুন:
এই ধরনের স্বপ্ন দেখার কারণে আপনার কোনো গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ।
স্বপ্ন মানুষের ইচ্ছার অধীনে নয়, বরং তা অনেক সময় শাইতানের পক্ষ থেকেই আসে।
এমন স্বপ্ন দেখলে করণীয় :
এসব স্বপ্নকে গুরুত্ব দেবেন না
নিজেকে দোষারোপ করবেন না
ভয় ও লজ্জায় নিজেকে গুটিয়ে নিবেন না
বরং আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন
নিয়মিত সকাল সন্ধ্যা আমল করুন আমল করতে আমাদের নিচের লিংকে ক্লিক করুন
https://tinyurl.com/3v3zufpk
★প্রতিদিন ঘরে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করুন অথবা সূরা বাকারার অডিও প্লে করুন। তাহলে ঘর থেকে জিন শয়তানেরা পালিয়ে যাবে। ঘরের মধ্যে শয়তানদের অবস্থান ধ্বংস হয়ে যাবে।
★প্রতিদিন সকাল , সন্ধ্যা ও ঘুমানোর আগে মাসনুন আমল করুন।
★ আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। ইনশাআল্লাহ, ধৈর্য ও সঠিক আমলের মাধ্যমে দ্রুত সুস্থতা আসবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে শাইতানের কুমন্ত্রণা থেকে হেফাজত করুন।
রুকইয়াহ করুন
রুকইয়াহর পরামর্শ ও আমলগুলো ঠিকভাবে অনুসরণ করুন
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
21/01/2026
ইসলামে নজর (বদনজর) একটি বাস্তব বিষয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“নজর লাগা সত্য।” (সহিহ মুসলিম)
অনেক সময় শিশু নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে না। কিন্তু কিছু লক্ষণের মাধ্যমে বিষয়টি বোঝা যায়।
🟢 শিশুদের বদনজরের সম্ভাব্য লক্ষণ:
১. হঠাৎ অকারণ কান্না ও অস্থিরতা।
২.আগে যে কাজ পছন্দ করত, হঠাৎ তা অপছন্দ করা।
৩. অতিরিক্ত ভয় পাওয়া বা চমকে ওঠা।
৪.ঘুমে বারবার জেগে ওঠা / দুঃস্বপ্ন দেখা।
৫. খাবারে অরুচি বা বমি ভাব
৬. শরীরে কোনো কারণ ছাড়া দুর্বলতা
৭.মায়ের কোল ছাড়া শান্ত না হওয়া
৮.ডাক্তারি রিপোর্ট স্বাভাবিক, তবু সমস্যা চলতে থাকা
শিশুদের বদনজর থেকে প্রতিকারের উপায়:
১. কোরআনি রুকইয়াহ প্রতিদিন শিশুর ওপর পড়ে ফুঁ দেবেন—
সূরা ফাতিহা
সূরা ইখলাস
সূরা ফালাক
সূরা নাস (৩ বার করে)
২. সুন্নাহসম্মত দোয়া
রাসূল ﷺ শিশুদের জন্য পড়তেন—
أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ
مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ
وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
অর্থ:
“আমি তোমাদের আল্লাহর পূর্ণ কালাম দ্বারা আশ্রয় দিচ্ছি—
সব শয়তান, ক্ষতিকর বস্তু ও বদনজর থেকে।”
(সহিহ বুখারি)
৩. সকাল-সন্ধ্যার যিকির শিশুর জন্য বাবা-মা নিয়মিত সকালে ও সন্ধ্যায় যিকির করবেন।
৪. রুকইয়াহ করা পানিতে গোসল / পান করানো
কোরআন পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করানো।হালকা করে শরীরে লাগানো।
৫.প্রতিদিন ঘরে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করুন অথবা সূরা বাকারার অডিও প্লে করুন। তাহলে ঘর থেকে জিন শয়তানেরা পালিয়ে যাবে। ঘরের মধ্যে শয়তানদের অবস্থান ধ্বংস হয়ে যাবে।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
19/01/2026
কোরআনের চিকিৎসায় পারিশ্রমিক একটি সুন্নাহসম্মত বাস্তবতা:
কোরআন শুধু হিদায়াতের গ্রন্থ নয়; এটি মুমিনদের জন্য শিফা (চিকিৎসা)। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَنُنَزِّلُ مِنَ ٱلْقُرْءَانِ مَا هُوَ شِفَآءٌۭ وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ ٱلظَّـٰلِمِينَ إِلَّا خَسَارًۭا
“আমি কোরআনে এমন বিষয় নাজিল করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।”
(সূরা আল-ইসরা: ৮২)
অনেকে মনে করেন, কোরআনের মাধ্যমে চিকিৎসা (রুকইয়াহ) করলে পারিশ্রমিক নেওয়া নাজায়েজ। কিন্তু বাস্তবতা হলো—
রাসূল ﷺ নিজেই রুকইয়াহর বিনিময়ে পারিশ্রমিক নেওয়াকে অনুমোদন করেছেন।
হাদীসের দলিল
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ نَفَرًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ مَرُّوا بِمَاءٍ فِيهِ لَدِيغٌ، فَعَرَضَ لَهُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَاءِ، فَقَالَ: هَلْ فِيكُمْ مِنْ رَاقٍ؟ إِنَّ فِي الْمَاءِ رَجُلًا لَدِيغًا، فَانْطَلَقَ رَجُلٌ مِنْهُمْ فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ عَلَى شَاةٍ، فَبَرَأَ، فَأُتِيَ بِالشَّاةِ، فَأَبَوْا أَنْ يَقْبَلُوهَا حَتَّى ذَكَرُوا ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ ﷺ، فَقَالَ:
«وَمَا يُدْرِيكَ أَنَّهَا رُقْيَةٌ؟ اقْتَسِمُوا، وَاضْرِبُوا لِي مَعَكُمْ سَهْمًا، فَإِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ»
📖 বাংলা অর্থ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
নবী ﷺ–এর কিছু সাহাবী এক পানির স্থানে পৌঁছালেন। সেখানে একজন লোককে বিষধর প্রাণী দংশন করেছিল। পানির লোকদের একজন এসে বলল, “তোমাদের মধ্যে কি কোনো ঝাড়ফুঁককারী (রুকইয়াহকারী) আছে? আমাদের একজন লোক দংশিত হয়েছে।”
তখন সাহাবীদের একজন সূরা ফাতিহা পাঠ করে একটি ছাগলের বিনিময়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করলেন। লোকটি সুস্থ হয়ে গেল।
ছাগল দেওয়া হলে সাহাবীরা তা নিতে অস্বীকার করলেন, যতক্ষণ না নবী ﷺ–কে বিষয়টি জানানো হয়।
নবী ﷺ বললেন,
“তুমি কীভাবে জানলে যে এটি রুকইয়াহ? তোমরা পারিশ্রমিক ভাগ করে নাও, আর আমার জন্যও একটি অংশ রেখো। নিশ্চয়ই যে জিনিসের বিনিময়ে পারিশ্রমিক নেওয়া সবচেয়ে বেশি হকদার, তা হলো আল্লাহর কিতাব (কুরআন)।”
✔️ কোরআনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা বৈধ
✔️ এর বিনিময়ে পারিশ্রমিক নেওয়াও জায়েজ ও সুন্নাহসম্মত
⚖️ তবে শর্ত আছে
রুকইয়াহ হতে হবে কোরআন ও সহীহ দোয়ার মাধ্যমে
কোনো শিরক, কুফরি কথা বা ভেলকিবাজি নয়
মানুষকে ভয় দেখিয়ে বা বাধ্য করে অর্থ আদায় নয়
নিয়্যত হবে সেবা ও আল্লাহর উপর ভরসা
রুকইয়াহ ইবাদত, আবার এটি মানুষের জন্য একটি সেবা।
সেবা প্রদানকারী যদি শরঈ সীমার ভেতরে থেকে পারিশ্রমিক নেন।
তা হারাম নয়, বরং সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত একটি বাস্তবতা।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
17/01/2026
অলসতার জাদুর সম্ভাব্য লক্ষণ:
১. ইবাদতে চরম অলসতা
নামাজ পড়তে মন না চাওয়া
কুরআন তিলাওয়াত করতে বিরক্ত লাগা
দোয়া–যিকিরে অনীহা।
২. কাজে অস্বাভাবিক অনীহা
গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করতেই ক্লান্তি
পড়াশোনা বা ব্যবসায় মন বসে না
সামান্য কাজেও শরীর ভারী লাগে।
৩. অতিরিক্ত ঘুম ও অবসাদ
যথেষ্ট ঘুমের পরও তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকা
ঘুম ভাঙতে কষ্ট হওয়া
সারাদিন শক্তিহীন অনুভব।
৪. মনঃসংযোগে সমস্যা
কিছু পড়লে বা শুনলে মাথায় না ঢোকা
দ্রুত বিরক্ত হয়ে যাওয়া
সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষমতা।
৫. হঠাৎ রুটিন ভেঙে যাওয়া
আগে যেসব কাজে আগ্রহ ছিল তা হঠাৎ ছেড়ে দেওয়া নিজের লক্ষ্য ভুলে যাওয়া।
অলসতার জাদু থেকে বাঁচার প্রতিকার :
★প্রতিদিন ঘরে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করুন অথবা সূরা বাকারার অডিও প্লে করুন। তাহলে ঘর থেকে জিন শয়তানেরা পালিয়ে যাবে। ঘরের মধ্যে শয়তানদের অবস্থান ধ্বংস হয়ে যাবে।
★প্রতিদিন সকাল , সন্ধ্যা ও ঘুমানোর আগে মাসনুন আমল করুন।
★সব সময় অজু অবস্থায় থাকবেন। ইস্তেগফার ও দুরুদ পাঠ করবেন ।
★গুনাহ থেকে দূরে থাকা, গুনাহ অলসতা বাড়ায়
বিশেষ করে চোখ, কান ও জিহ্বার গুনাহ পরিহার করুন
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health
16/01/2026
মারিদ জ্বীন হলো শক্তিশালী, বিদ্রোহী ও ধূর্ত প্রকৃতির জ্বীন। কুরআনে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে :
“وَمَرَدُوا عَلَى النِّفَاقِ”
অর্থাৎ তারা অবাধ্যতা ও শয়তানিতে পারদর্শী।
মারিদ জ্বীনের ভয়ংকর প্রভাব:
১. ঈমান ও আমলের ওপর আঘাত
নামাজে অমনোযোগ, বিরক্তি ও অলসতা
কুরআন পড়তে ভয় বা অস্বস্তি
আল্লাহর স্মরণে মন বসে না।
২.মানসিক ও স্নায়বিক সমস্যা
হঠাৎ ভয়, দুঃস্বপ্ন ও চাপ
একা থাকলে অস্বস্তি
মাথার ভেতর খারাপ চিন্তা ঢুকে পড়া
৩.শারীরিক লক্ষণ
বুক ধড়ফড়, শরীর ভারী লাগা
পেট, মাথা বা কোমরে অকারণ ব্যথা
ঘুমের সময় শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া
৪.পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষতি
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বাড়ে
বিনা কারণে রাগ ও সন্দেহ
একাকীত্ব ও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া
৫. জাদু ও সিহরের মাধ্যমে আক্রমণ
রিজিক বন্ধ
বিয়ে বা সন্তান দেরি
কাজ-কর্মে বারবার ব্যর্থতা
মারিদ জ্বীন থেকে বাঁচার উপায়:
১. ফরজ ও সুন্নাত নামাজ ঠিক রাখা
ফজর ও এশার নামাজ বিশেষভাবে গুরুত্ব দিন
নামাজে আয়াতুল কুরসি পড়ুন
২.প্রতিদিন ঘরে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করুন অথবা সূরা বাকারার অডিও প্লে করুন। তাহলে ঘর থেকে জিন শয়তানেরা পালিয়ে যাবে। ঘরের মধ্যে শয়তানদের অবস্থান ধ্বংস হয়ে যাবে।
৩.প্রতিদিন সকাল , সন্ধ্যা ও ঘুমানোর আগে মাসনুন আমল করুন।
৪..প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ঘরের মধ্যে পড়া পানি স্প্রে করুন।
৫. ঘরকে নিরাপদ রাখা
ঘরে গান-বাজনা, অশ্লীলতা বন্ধ
নিয়মিত যিকির ও সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ
রাতে ঘুমানোর আগে বিসমিল্লাহ
৬.সকাল-সন্ধ্যার যিকির
أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق (৩ বার)
بسم الله الذي لا يضر... (৩ বার)
৭. হারাম জিনিস থেকে দূরে থাকা
তাবিজ, তান্ত্রিক, ঝাড়ফুঁক পরিহার
শুধু কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা
অহংকার ও বিদ্রোহের কারণে এই জিনেরা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, শয়তানের পথে চলে।
মারিদ জিন যতই শক্তিশালী হোক, আল্লাহর কালাম তার চেয়ে অগণিত গুণ শক্তিশালী।রুকইয়াহ মানে শুধু পড়া নয়।আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে চিকিৎসা করা।
রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ পেতে আপনার সমস্যাগুলো বিস্তারিত ইনবক্সে লিখুন
অথবা কল করুন
+8801330418659
কুমিল্লা সেন্টার:
ধর্মপুর মধ্য চৌমুহনী,(ধর্মপুর ভিক্টোরিয়া কলেজ মোড়।) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সামনে। কুমিল্লা শহর।
ঢাকা সেন্টার:
গিনি হাউজ, গোরান বাজার প্রি ক্যাডেট স্কুল গলি, খিলগাঁও, ঢাকা।
Quranic Health