E - Learning Engineering

E - Learning Engineering E - Learning Engineering

Established to enhance the technical, knowledge, and skills of Electrical and Electronics Engineering and all related to it.

05/06/2025

1 HP = KW ?

সিঙ্গেল ফেজ সাবমার্সিবল কন্ট্রোল বক্স কানেকশন।
26/05/2025

সিঙ্গেল ফেজ সাবমার্সিবল কন্ট্রোল বক্স কানেকশন।

সিলিং ফ্যানের বিভিন্ন অংশ
19/09/2022

সিলিং ফ্যানের বিভিন্ন অংশ

Different Types of Lamps
16/09/2022

Different Types of Lamps

20/07/2022

#ট্রান্সফরমার_নিয়ে_গুরুত্বপূর্ণ_প্রশ্ন

১) টেপ চেঞ্জার বলতে কি বোঝ?
ট্রান্সফরমারের আউটপুট ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করতে পাওয়ার ট্রান্সফরমারের ট্যাপ চেঞ্জারটি ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি, পাওয়ার গ্রিড সিস্টেমের ভোল্টেজ স্থির থাকেনা। তারা মুহূর্তে পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। তাই পরিবর্তিত ভোল্টেজকে পুনরায় আগের মানে নিয়ে আসার জন্য যে রেগুলেটর ব্যবহার করা হয় তাকেই ট্যাপ চেইঞ্জার বলে।

২) ট্রান্সফরমারের কোরের লেমিনেশন/ইন্সুলেশন কতটুকু পুরু হয়ে থাকে?
উত্তরঃ আসলে এই লেমিনেশন স্বাভাবিকভাবে ০.৪ মিমি থেকে ০.৫ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাওয়ার লাইনে ব্যবহৃত অনেক ট্রান্সফরমারের লেমিনেশনের পুরুত্ব অনেক কম হয় (০.২ মিমি)।

৩) ট্রান্সফরমার রেটিং 50/75 MVA বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ এই রেটিং দিয়ে বুঝায়, প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করেই ট্রান্সফরমার 50MVA লোড বহন করতে সক্ষম। কিন্তু কৃত্রিম কুলিং (এয়ার প্রেসার) ব্যবহার করে ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা 75 MVA পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে।

Transmission & Distribution voltage 11KV, 33KV, 66KV ও 132KV কেন হয়?Transmission & distribution voltage গুলো 11KV, 33KV,...
22/06/2022

Transmission & Distribution voltage 11KV, 33KV, 66KV ও 132KV কেন হয়?

Transmission & distribution voltage গুলো 11KV, 33KV, 66KV,132KV কেন হয়? কেন তারা 11 এর গুণিতক? কেন 10, 30, 60, 120 নয়?? চলুন এর ব্যাখ্যা খুঁজি।

অনেকের ধারণা ফর্ম ফ্যাক্টর 1.11 হয় বলে, ভোল্টেজ প্যাটার্ন গুলো এরুপ হয়।
10 x 1.11 = 11.1
30 x 1.11 = 33.3
60 x 1.11 = 66.6
120 x 1.11 = 133.2

বাস্তবে এ ধারণা সঠিক নয় কারণ 120 ভোল্ট কে 1.11 দিয়ে গুণ করলে 132KV আসছেনা।

আর ফর্ম ফ্যাক্টর হল RMS & Average value এর Ratio। সেটা গুণ করার কোন মানে নেই। তাইলে সঠিক কোনটি??

তার আগে একটা উপমা দিই। ধরুন, আপনি রাজশাহী থেকে ৫০০ আম চট্টগ্রামে পাঠানোর কন্টাক্ট পেলেন। তখন আপনি কি বরাবর ৫০০ আমই পাঠাবেন?? অবশ্যই নয়।

কারণ, পথিমধ্যে ছিনতাই হতে পারে কিংবা আম পচে যেতে পারে। তাই কিছু ব্যাক আপ রাখতে হবে। ৫০ টা বাড়তি দিতে হবে। একইভাবে পাওয়ার ট্রান্সমিশন /ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আসল ভোল্টেজের থেকে ১০% অতিরিক্ত ভোল্টেজ প্রেরণ করে। কারণ, তারা ভালই জানে যে পথিমধ্যে সিস্টেম লস হবে।

এখন তাহলে আসুন হিসেব করলে দাঁড়ায়,
10 + 10 x 10% = 11 KV
30 + 30 x 10% = 33 KV
60 + 60 x 10% = 66 KV
120 + 120 x 10% = 132 KV

এখন অনেকের মাথাই প্রশ্ন ঘুরতেছে আমি খালি 10, 30, 60, 120 কেই হিসেবে আনতেছি কেন?

আমাদের দেশে মূলত জেনারেটিং & ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশনগুলো এই ভোল্টেজ উৎপন্ন করে। পরবর্তীতে ব্যাক আপ সহ উক্ত ভোল্টেজগুলো প্রেরণ করে। হুম একটু কম বেশি হতেই পারে। তবে এ হিসাব অন এভারেজ।

চিত্রে ডিভাইসটি ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে কখনো লক্ষ্য করেছেন কি? অনেকেই লক্ষ্য করেছেন আশা করি। রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় প্রায়...
20/06/2022

চিত্রে ডিভাইসটি ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে কখনো লক্ষ্য করেছেন কি? অনেকেই লক্ষ্য করেছেন আশা করি। রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় প্রায়শই চোখে পড়ে।
অনেকেই হয়তো এর নাম জানি আবার অনেকেই দেখেছি কিন্তু জিনিসটির ব্যাপারে অবগত নয়। চলুন জেনে আসা যাক।

ইন্সট্রুমেন্ট টি হল “ক্যাপাসিটর ব্যাংক“। ডিস্ট্রিবিউশন লাইন এর সাথে প্যারালালি সংযুক্ত থাকে।

এখন প্রশ্ন চলে আসে, ক্যাপাসিটর ব্যাংকের কাজটা কি?

আমরা জানি, ক্যাপাসিটর এক ধরনের রিয়েক্টিভ ইলিম্যান্ট। এটা এনার্জি মজুত করে রাখতে পারে আবার ফিডব্যাক ও দিতে পারে। ডিস্ট্রিবিউশন ভোল্টেজ লস কমানোর জন্যই এই ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও তার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে তা হল সিস্টেমের পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভ করা।

Image
Pole-mounted capacitor bank

03/05/2022

Md Asib er এবিসি ভাইবা 6/4/২২

প্রথম এ ভিতরে গিয়ে স্যার কে সালাম দিলাম স্যার অন্য দিক এ মনোযোগ ছিল তাই শুনতে পায়নি। স্যার যখন আমার দিক এ তাকালো আমি আবার সালাম দিলাম । স্যার বসতে বললো । বসলাম কাগজ পাতি চাইলো অ্যাডমিট আর চালান কপি দিলাম । স্যার দেখার পর প্রশ্ন শুরু করলো
1। গ্যাং সুইচ দিয়ে বললো এটা কিভাবে কানেকশন করতে হয় বলেন
উ: বললাম
2। স্যার , আচ্ছা ফেজ দিলেন তাহলে নিউটাল কোথায় দিবেন
উ: আমি বললাম স্যার সুইচ এ নিউট্রাল লাগে না সুইচ লোড এর সাথে সিরিজ এ থাকে
3 । কমাইন্ড সকেট দিয়ে বললো এটা কিভাবে কানেকশন দিতে হয়
উ: বললাম
4। স্যার: চোক কয়েল এর কাজ কি
উ: ভোল্টেজ কে কম বেশি করে টিউবলাইট কে জ্বালাতে সাহায্য করা
5। টিউবলাইট এর সব অংশ গুলো কিভাবে কানেকশন করা থাকে?
উ : সিরিজে
6। স্যার : এমসিবি এসপি ,এমসিবি ডিপি ,এমসিবি টিপি, mccb দেখিয়ে বললো এগুলো কি
উ: বললাম
7। স্যার: কত অ্যাম্পিয়ার
উ: হতে নিয়ে দেখে বললাম
8। স্যার: dol স্টার্টার দেখিয়ে এটা কি
উ: বললাম
9। স্যার : dol এর ফুল মিনিং কি
উ: ডাইরেক্ট অন লাইন
10। স্যার : ম্যাগনেটিক কন্টাট , ওভার লোড রিলে, অ্যাম্পিয়ার সিলেক্টর নব দেখিয়ে বললো এগুলো কি
উ: বললাম
11। স্যার : স্টার ডেল্টা বক্স দেখিয়ে এটা কি জানো?
উ: বললাম
12। স্যার: স্টার ডেল্টা কেনো ব্যবহার করা হয় কি জন্য?
উ: 5 hp এর উপরে মোটর গুলো স্টার্টিং এর সময় অনেক কারেন্ট নেই এই অতিরিক্ত কারেন্ট নেওয়া থেকে মোটর কে রক্ষা করার জন্য প্রথমে স্টার কানেকশন দিয়ে স্টার্ট করা হয় যেনো কম কারেন্ট নিয়ে স্টার্ট হতে পারে এবং পরে ডেল্টা কানেকশন করা হয় যেনো মোটর তার পূর্ণ গতিতে ঘুরতে পারে বা পূর্ণ আউটপুট দিতে পারে । এভাবে একটা স্টার ডেল্টা স্টার্টার কাজ করে থাকে
13। স্যার: কোনটা কি কন্টাক্ট দেখান । আর কিভাবে মোটর কানেকশন করতে হবে?
উ : মেইন কন্টাক্ট এর সাথে ওভার লোড লাগানো ছিল এবং 3 টা তার মোটর এর সাথে সংযুক্ত হবে , স্টার কন্টেট এর এক পাশের 3 প্রান্ত শর্ট থাকে , এবং ডেল্টা কন্টাক্ট এর থেকে 3 টা তার মোটর এর সাথে সংযুক্ত হবে।
14।স্যার: টাইমার দেখিয়ে এটা কি? কিভাবে কাজ করে
উ : টাইমার এ সাপ্লাই দিলে এতে সেট করা নির্দিষ্ট সময় পর এর Nc গুলো NO এবং No গুলো NC তে রুপান্তর হয়।
15। স্যার : পিন ইনসুলেটর, শেকল ইনসুলেটর, গাই ইনসুলেটর দেখিয়ে এগুলো কি?
উ : বললাম
16 । স্যার : 2ধরনের লাইটিং অ্যারেস্টর দেখিয়ে এগুলো কি?
উ : বললাম
17। স্যার : কোনটার মান কত দেখে বলো
উ : 11kv এবং 10.5 kv
18। কোনটা কোথায় ব্যাবহার করা যাবে?
উ: এগুলো সবোচ্চ 11kv এবং 10.5 kv te ব্যাবহার করা যাবে?
19। কিন্তু 11 kv 10.5 kv kothai থাকে?
উ : স্যার যেহেতু 11kv লাইন গুলোর ভোল্টেজ লাইন to লাইন ভোল্টেজ হয়ে থাকে এজন্য এটি প্রতি সিঙ্গেল ফেজ লাইন টু গ্রাউন্ড এ দেওয়ার জন্য ব্যাবহার করা হবে তাহলে প্রতি ফেজ হিসাবে ধরলে 6 kv লাইনে ব্যাবহার করা যাবে ( আমি নিজেও জানিনা সঠিক উত্তর কিনা কিন্তু স্যার কিছু বলেনি)
20। স্যার: পিছনে ওই বড় টা কি বলো তো
U : ট্রান্সফরমার
21। ওইখানে কি এটা (লাইটিং অ্যারেস্টর) আছে?
উ: জি স্যার আছে
22। কোনটা বলো তো
উ: ht বুশিং এর উপরে এবং নিচে যে 2 টা রড আছে ওগুলো । এটা রড গ্যাপ লাইটিং অ্যারেস্টর
23 । স্যার: আচ্ছা মনে করো ট্রান্সফরমার এর ht বুশিং ফেটে গেলো এখানে কি এটা (টেবিল এর উপরের লাইটিং অ্যারেষ্টর টা দেখিয়ে) ব্যাবহার করতে পারবো?
উ : স্যার পারবো না
24। স্যার: কেনো ? দেখতে তো 2 টাই একই রকম তাহলে পারবো না কেনো? ট্রান্সফরমার এর কাছে যাও দেখে আসো পারবো কিনা ( একটু ধমক দিয়ে😁 স্যার ভেবেছিল আমি হয়তো উত্তর বদলে নেবো)
উ: আমি ট্রান্সফরমার এর কাছে গেলাম দেখে ফিরে আসলাম তারপর বললাম স্যার লাইটিং অ্যারেস্টর এর ভিতরে কিছু ফাঁকা জায়গা থাকে এর রেটিং এর তুলনায় বেশি পরিমাণ ভোল্টেজ গেলে তখন এটি ওই ভোল্টেজ কে অর্থ এ প্রেরণ করে । যদি আমরা এর ভিতরে গ্যাপ টা কন্ডাক্টর দিয়ে পূরণ করে দেই তাহলে বুশিং হিসাবে ব্যাবহার করতে পারবো
25। স্যার : কোনো কিছু না করে ব্যাবহার করতে পারবো কিনা তাই বলো
উ: না স্যার
( এটা নিয়ে অনেক প্যাচ মেরেছিল যতটুকু মনে আছে ততটুকু বললাম)
26। স্যার: ট্রানফর্মার দেখিয়ে উপরের ওই অংশ টার নাম কি
উ : কনজারভেটভ ট্যাংক
27। স্যার : ব্রিদারের কাজ কি সিলিকা জেল কেনো ব্যাবহার করা হয়?
উ: ট্রান্সফরমার এর তেল গরম হয়ে আয়তন বেড়ে গেলে ভিতরের বাতাস বাইরে যাওয়ার জন্য এবং তেল ঠান্ডা হলে বাইরের বাতাস জন ভিতরে যেতে পারে তার জন্য ব্রীদার ব্যাবহার করা হয়। আর বাইরের বাতাসের সাথে যেনো জলীয় বাষ্প যেতে না পারে তার জন্য সিলিকা জেল ব্যাবহার করা হয়
28। স্যার: সাইড এর ওই পাতলা শিট গুলো কিসের?
উ: এগুলো রেডিয়েটর ট্রান্সফরমার কে ঠাঙা করতে ব্যাবহার করা হয়।
29। একটা ফিউজ দেখিয়ে এটা কি ?
উ: RT ফিউজ
30। স্যার: কোথায় ব্যাবহার করা হয়?
উ: HT লাইন এ
31। HRC ফিউজ এর নাম শুনেছ?
উ: জি স্যার
32। স্যার: HRC এর ফুল মিনিং জানো?
উ : high reputing current ( স্যার বললো কারেন্ট না ক্যাপাসিটি) ওহ আচ্ছা স্যার
33। কোথায় ব্যাবহার হয় যানো?
উ: LT লাইন এ , pfi প্যানেল এ
34। স্যার: HT ক্যাবল দেখিয়ে এটা কি?
উ: বললাম
35। স্যার: এই সোনালী কালার এর এই 3 টা কি?
উ : কন্ডাক্টর
36। এর পাশের সাদা অংশ টা কি
উ: pvc ইন্সুলেশন (xlpe ইন্সুলেশন হবে)
37। উপরের লাল অংশ টা দেখিয়ে তাহলে এটা কি?
উ: স্যার এটা pvc ইন্সুলেশন আগের টা xlpe ইন্সুলেশন
স্যার : এবার ঠিক আছে
38। লাল অংশের নিচে এগুলো কি ?
উ: আর্মার শিল্ড
39। স্যার : কিসের তৈরি?
উ: এটা স্টিল , কিছু জায়গায় অ্যালুমিনিয়াম এর ও থাকে
স্যার বললো গুড
স্যার: বাসা কোথায় তোমার
বললাম
স্যার : অত দূর থেকে এসেছো
না স্যার মিরপুর থাকি
স্যার: ওহ কি করো তুমি
ডিপ্লোমা শেষ করেছি স্যার
স্যার: ও তাই তো বলি এত সহজেই সব পেরে গেলে কিভাবে ( স্যার প্রশ্ন করার সাথে সাথেই উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলাম দেরি হয়নি একটুও। এতগুলো প্রশ্ন করার পরও 15 মিনিট লাগেনি ভাইবা শেষ হতে)
স্যার: আচ্ছা তুমি এখন আসতে পারো
আমি উঠে সালাম দিয়ে চলে আসলাম
স্যার ভালো হলে ভাইবা ও ভালো হবে ( আমাকে খুব বেশি কঠিন প্রশ্ন করেনি)
আবেদন করেছিলাম : ABC
পেয়েছি :ABC
( কিছু কথা : অনেকেই বলেছিল ABC তিনটা একসাথে করলে পাওয়া যায়না । এমনকি একজন bc প্রাপ্ত প্রার্থী ও বলেছিল ABC তিনটায় করছেন শুধু c দিবে BC করেন তাহলে BC দুইটাই পাবেন । আমি বলবো , মনেবল থাকলে আর কাজ জানলে ABC তিনটায় করেন পেয়ে যেতে পারেন)
17

অর্ণব ইসলাম আব্দুল্লাহর ভাইভা অভিজ্ঞতা ইলেকট্রিশিয়ান লাইসেন্স ABC পেয়েছে 20.03.2022
23/03/2022

অর্ণব ইসলাম আব্দুল্লাহর ভাইভা অভিজ্ঞতা ইলেকট্রিশিয়ান লাইসেন্স ABC পেয়েছে 20.03.2022

কি করে তৈরী হয় পারমানবিক বিদ্যুৎ?পারমাণুর নিউক্লিয়াসে (কোরে) আবস্থিত আবদ্ধ শক্তিকে পারমাণিবিক শক্তি বলে। পরমাণুকে ভেঙ্গে...
19/01/2022

কি করে তৈরী হয় পারমানবিক বিদ্যুৎ?

পারমাণুর নিউক্লিয়াসে (কোরে) আবস্থিত আবদ্ধ শক্তিকে পারমাণিবিক শক্তি বলে। পরমাণুকে ভেঙ্গে এ শক্তিকে মুক্ত করে সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।আসলে শক্তিটি আসে তাপ শক্তি হিসেবে। এ তাপ শক্তি পানিকে বাষ্পে পরিণত করে।
বষ্প-চাপ টারবাইন ঘুরেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে। উৎপাদিত এ বিদ্যুতই হলো পাররমাণবিক বিদ্যুৎ। নিউক্লিয়ার ফিশন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন এ দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরমাণুস্থিত নিউক্লিয়াস থেকে এ শক্তি নির্গত হয়ে থাকে।

রুপপুর পারমাণুবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হবে
ইউরেনিয়াম-২৩৫(235U)-এর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়াঃ
আমাদের রুপরুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করা হবে। ইউরিনিয়াম-২৩৫ (235U) পরমানুকে ভেঙ্গে প্রাপ্ত তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এ ভাঙ্গার কাজটি করবে নিউট্রন। এতে পৃথিবী বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সাড়া জাগানো E=mc2 সূত্রানুযায়ী এক পরমাণু ইউরোনিয়াম-২৩৫ (235U) থেকে ২০০MeV শক্তি উৎপাদন হবে।

উৎপাদিত শক্তিটি আসবে এক পরমাণু ইউরোনিয়াম-২৩৫ এর ভর এবং বিক্রিয়ায় উৎপাদিত এক পরমাণু জেনন-১৪৩ (143Xe) ও এক পরমাণু স্ট্রনশিয়াম-৯০ (90Sr) এর ভরের পার্থক্য থেকে।ইউরেনিয়াম-২৩৫(235U)-এর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়াঃ
আমাদের রুপরুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করা হবে। ইউরিনিয়াম-২৩৫ (235U) পরমানুকে ভেঙ্গে প্রাপ্ত তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এ ভাঙ্গার কাজটি করবে নিউট্রন। এতে পৃথিবী বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সাড়া জাগানো E=mc2 সূত্রানুযায়ী এক পরমাণু ইউরোনিয়াম-২৩৫ (235U) থেকে ২০০MeV শক্তি উৎপাদন হবে। উৎপাদিত শক্তিটি আসবে এক পরমাণু ইউরোনিয়াম-২৩৫ এর ভর এবং বিক্রিয়ায় উৎপাদিত এক পরমাণু জেনন-১৪৩ (143Xe) ও এক পরমাণু স্ট্রনশিয়াম-৯০ (90Sr) এর ভরের পার্থক্য থেকে।

07/01/2022

A, B, C লাইসেন্স ভাইবার জন্য প্রিপারেশন নিনঃ

(১) RM,SM,RE এগুলো দ্বারা কি বুঝায়?
উত্তরঃ RM,SM,RE এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বোঝানো হয়।
RM বলতে বুঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।
SM বলতে বোঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার সেক্টর আকৃতি।
RE বলতে বোঝায় সিঙ্গেল নিরেট তার যা প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।

(২) ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেকট্রিক্যাল স্ট্যাটিক ডিভাইস।

(৩) ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ হলো-
* ওভার লোডের জন্য গরম হতে পারে।
* ওভার ভোল্টেজ এর জন্য গরম হতে পারে।
* ইনসুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে।
* কোথাও আর্থ হয়ে গেলে।

(৪) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ হলো- * ইহা ট্রান্সফরমার কে ঠান্ডা রাখে।
* ইহা ইনসুলেশনের কাজ করে।

(৫) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।

(৬) এক কিলোওয়াট = কত হর্স পাওয়ার?
উত্তরঃ ১ কিলোওয়াট = ১.৩৪ হর্স পাওয়ার।

(৭) ১ হর্স পাওয়ার = কত কিলোওয়াট?
উত্তরঃ ১ হর্স পাওয়ার = ০.৭৪৬ কিলোওয়াট।

(৮) RMS এর পূর্ণ অর্থ কি? আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ RMS এর পূর্ণ অর্থ হলো Root Mean Square.
আর এম এস এর ভেলু= ০.৭০৭ মেক্স

(৯) DC এর ক্ষেত্রে পাওয়ার ফ্যাক্টর কি থাকে?
উত্তরঃ DC এর ক্ষেত্রে কোন পাওয়ার ফ্যাক্টর থাকে না।
কারণ এর ফ্রিকোয়েন্সি নেই,
এর মান শুন্য।

(১০) RTD এর পূর্ণ অর্থ কী?
উত্তরঃ RTD এর পূর্ণ অর্থ হলো Resistive Temperature Detector,

(১১) ইলেকট্রনিক্স কাজে কোন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ইলেকট্রনিক্স কাজে কার্বন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়।

(১২) ডায়নামো কি ?
উত্তরঃ ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।

(১৩) মেগার কি?
উত্তরঃ মেগার হলো ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপক যন্ত্র।

(১৪) কোন ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?
উত্তরঃ অটো ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?

(১৫) বুখল্জ রিলে কোথায় থাকে?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের এর ট্যাংক ও কনজারভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে লাগানো থাকে।

(১৬) বাংলাদেশের জেনারেটিং ভোল্টেজ কত?
উত্তরঃ ১১ কেভি

(১৭) আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ আর এম এস ভেলু=০.৭০৭ মেক্স

(১৮) ট্রান্সফরমার মূলত কি কি জিনিস দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত
* প্রাইমারি কয়েল
* সেকেন্ডারি কয়েল
* ম্যাগনেটিক কোর ইত্যাদি দ্বারা তৈরি।

(১৯) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ হলো
* ইহা ট্রান্সফরমাকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
* ইহা ইনসুলেশনের কাজ করে।

(২০) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।

(২১) গার্ড ওয়্যার কি?
উত্তরঃ গার্ড ওয়্যার হচ্ছে ট্রান্সমিশন লাইনের নিচের ব্যবহার করা তার যা আর্থের সঙ্গে লাগানো থাকে।

(২২) পাওয়ার ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের সর্বক্ষণ লোড অবস্থায় থাকে তাকে পাওয়ার ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ মেইন সাব স্টেশন

(২৩) ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের উল্লেখযোগ্য সময় লোড অবস্থায় থাকে তাকে ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ ডিস্টিবিউশন সাব স্টেশন।

(২৪) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার হাই ভোল্টেজ এবং হাই কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

(২৫) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তরঃ দুই ভাগে-
* কারেন্ট ট্রান্সফরমার
* ভোল্টেজ অথবা পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার।

(২৬) পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো সাধারণত ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ।
অন্য ভাবে বলতে গেলে একটিভ ও এপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা, রেসিস্টেন্স ও ইম্পিডেন্স এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

(২৭) পাওয়ার ফ্যাক্টরকে কি দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
উত্তরঃ কস থিতা(cos থিতা),
ইহার কোন একক নেই। ইহাকে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

(২৮) MCB কি?
উত্তরঃ MCB এর পূর্ণ অর্থ হলো Miniature Circuit Breaker,
যে সকল সার্কিট ব্রেকার আকার ছোট এবং অনেক কম কারেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে Miniature Circuit Breaker বলে।

(২৯) পাওয়া ফ্যাক্টরের মান কত পর্যন্ত হতে পারে?
উত্তরঃ (০-১) পর্যন্ত হয়ে থাকে।

(৩০) কি কারনে আমরা MCB ব্যবহার করে থাকি?
উত্তরঃ MCB ব্যবহারের কারণ-
* ওভারলোড প্রোটেকশনের জন্য।
* শর্ট সার্কিট প্রোটেকশনের জন্য।
* As s hand operated on/off switch.

DESCO & DPDC area of Dhaka, Bangladesh.
20/12/2021

DESCO & DPDC area of Dhaka, Bangladesh.

Address

Bamnartek, Turag, Uttara, Dhaka
Uttarati
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when E - Learning Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share