Learn and fun with jarin

  • Home
  • Learn and fun with jarin

Learn and fun with jarin It's an Educational page.All necessary information about Government jobs will be provided.Connected!

04/04/2025


প্রফেসর মোঃ ইউনূস স্যার বর্তমানে BIMSTEC এর সম্মেলনে আছেন থাইল্যান্ডে। BIMSTEC নিয়ে তোমাদের পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা আছে। একটু দেখে নাও এই টপিক এর খুটিনাটি জিনিস গুলা।

# BIMSTEC হলো দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি সংগঠন।

# সদর দপ্তর/ সচিবালয় ঢাকায় (২০১৪সালে প্রতিষ্ঠিত)

# ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংককে চারটি দেশ নিয়ে Bangladesh, India, Sri Lanka & Thailand Economic Cooperation যা BIST-EC নামে গঠিত হয়েছিল।

# BIMSTEC এর পূর্ণরূপ- Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical & Economic Cooperation

# অগ্রাধিকার ক্ষেত্রঃ ১৪টি।

# ২০২৫ থেকে বাংলাদেশ সংস্থাটির সভাপতি (২বছরের জন্য)

# BIMSTEC এ Alphabetic সিরিয়াল অনুযায়ী একটার পর একটা দেশ সভাপতি হয়।বাংলাদেশের পর সভাপতি হবে ইন্ডিয়া,এরপর মিয়ানমার এভাবে চলতে থাকবে।

# বিমসটেক সম্মেলন ২০২২ সালে কলম্বোতে হয়েছিল, এবার ব্যাংককে হচ্ছে।

# সদস্য দেশঃ ৭ টি।
B- bangladesh
I- India
M- Myanmar
S- Srilanka
T- Thailand
Nepal এবং Bhutan

 #সাম্প্রতিক
02/10/2024

#সাম্প্রতিক

 #সাম্প্রতিক  #দিবস
22/09/2024

#সাম্প্রতিক #দিবস

   #সাম্প্রতিক
16/09/2024

#সাম্প্রতিক

15/09/2024

#অর্থনৈতিক_সমীক্ষা২০২৪
০১। মোট জনসংখ্যা ১৭১ মিলিয়ন (২০২৩ শুমারি)
০২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩%***
০৩। জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গকিলোমিটার) ১১৭১ জন***
০৪। পুরুষ ও মহিলার অনুপাত ৯৬.৩***
০৫। স্থুল জন্মহার (১০০০ জনে) ১৯.৪ জন***
০৬। স্থুল মৃত্যুহার (১০০০ জনে) ৬.১ জন***
০৭। প্রতিহাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের নীচে জীবিত জনে) ২৭ জন***
০৮। গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর (পুরুষ ৭০.৮
,মহিলা ৭৩.৮)***
৯।জিডিপিতে অবদান:
১০।সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৭.৯% (পুরুষ ৮০.১ মহিলা ৭৫.৮ শতাংশ)***
১১। দারিদ্রের হার ১৮.৭ %,চরম দারিদ্র্যের হার ৫.৬%****
১২। জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%****
১৩। মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার,পার ক্যাপিটাল জিডিপি ২৬৭৫ ডলার***,টোটাল জিডিপি বর্তমান মূল্যে ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা এবং স্থির মূল্যে ৩৩৯৭২৩১ কোটি টাকা।
১৪। মোট ব্যাংক ৬১ টি
১৫। রাষ্ট্রীয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি
১৬। বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি
১৭। বেসরকারি ব্যাংক ৪৩ টি
১৮। বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি,নন ব্যাংক ফিনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান ৩৫
১৯। মুদ্রাস্ফীতি ৯.৭৪%***
২০। বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি তে শীর্ষ দেশ --
২১। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে ভারত ( সংখ্যা), টাকার অংকে( চীন) থেকে
২২। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় যুক্তরাষ্ট,২য় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
২৩। রেমিট্যান্স ১৭.০৭ বিলিয়ন ডলার।(জুলাই- মার্চ)
****২৪।জীবিকাতে নিয়োজিত (কৃষি খাতে ৪৫ %,ইন্ডাস্ট্রি ১৭%,সেবা খাতে ৩৮ %)
২৫।সুপেয় পানি পান ৯৮.২%
২৬।উন্নত টয়লেট সুবিধা ৯৩.৬৩%
২৭।বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৪.০৯১ বিলিয়ন ডলার।
২৮।রপ্তানি আয় ৪০.৮৭৫ মিলিয়ন ডলার।***
২৯।আমদানি ব্যয় ৪৫.৬২ মিলিয়ন ডলার। """
৩০।Total FDI 30.98% of Budget (Public 7.47%,Private 23.51%)
©
🅰️🅰️

 #সাম্প্রতিক        Trun back after a long time.
13/09/2024

#সাম্প্রতিক
Trun back after a long time.

22/08/2024


📢 For all the flood victims 🤲

Lets start a chain ...Those who see this post will read this dua five times and ask others to read it... please I request you to do it and also read as many times you see it if possible
🤲

৫ বার করে দোয়া ইউনুস পড়ে দেন-

لَا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِين

"লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবাহানাকা ইন্নি কুংতু মিনায যোয়ালিমিন"

-পড়া শেষ "আমিন" বইলেন সবাই .......

শুনেছি দোয়ায়ে ইউনুস খতম করে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়। 🤲
দোয়ায়ে ইউনুস এক খতমে ১ লক্ষ ২৪ হাজার বার পড়তে হয়।

Ameen

  গ্রামীণফোন জানিয়েছে, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে আছি আমরা সবাই। ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, খাগড়াছড়ি, হবিগঞ্জ...
22/08/2024


গ্রামীণফোন জানিয়েছে, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে আছি আমরা সবাই। ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, খাগড়াছড়ি, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বন্যাকবলিত এলাকায় সবার যোগাযোগ রক্ষায় ১০ মিনিট ও ৫০০ এমবি ফ্রি দেওয়া হয়েছে। মেয়াদ দেওয়া হয়েছে ৩ দিন। এটি পাওয়ার জন্য গ্রামীণফোন গ্রাহকদের ডায়াল করতে হবে *১২১*৫০৫০ #।

বাংলালিংক এই সু্বিধা দিয়েছে ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লার মানুষদের জন্য। অফারটি বন্যাকবলিত এলাকার নির্দিষ্ট গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য। এসব বাংলালিংক গ্রাহকরা ৩ দিন মেয়াদে ১০ মিনিট ও ৫০০ এমবি পাবেন। সেজন্য বাংলালিংক গ্রাহকদের ডায়াল করতে হবে *১২১*৯০০*৩ #।

সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্গতদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে রবি। তারাও ৩ দিন মেয়াদে ফ্রি দিয়েছে ২০ মিনিট ও ২৫০ এমবি ইন্টারনেট। এই অফারটি একবারই উপভোগ করা যাবে। সেজন্য রবি গ্রাহকদের ডায়াল করতে হবে *২১২*১ #।

বন্যায় কবলিত বন্ধুদের পাশে আছি সবসময় এমন ঘোষণা দিয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ব্র্যান্ড এয়ারটেল। তারাও ৩ দিন মেয়াদে বিনামূল্যে ২০ মিনিট ও ২৫০ এমবি ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই অফারটি গ্রাহকরা নিতে পারবেন একবারই। সেজন্য ডায়াল করতে হবে *২১২*১ #।

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন,'আমাদের দাবি অনুযায়ী বন্যাকবলিত এলাকায় ইন্টারনেট সেবা ফ্রি করে দেওয়ার জন্য কাজ করছেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

19/08/2024

- Z(Generation-Z): (জানুন বিস্তারিত)

▪️পূর্ণরূপ : জেনারেশন জেড বা জুমারস।
▪️জন্ম সাল: ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে।
▪️বয়স: যাঁদের বয়স ১১ থেকে ২৬ বছর।

🔳জেন–জির ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ:

#অরা (Aura)
ব্যক্তিত্বের পরিমাপক। একজন কতটা ‘কুল’ বা ইতিবাচক কিংবা কতটা ‘আনকুল’ বা নেতিবাচক, তা পরিমাপ করা হয় এই শব্দ দিয়ে। ‘অরা গেইন’ ব্যবহৃত হয় ইতিবাচক অর্থে এবং ‘অরা লস’ নেতিবাচক অর্থে।

উদাহরণ: ও কি কাজটা করে অরা লস করল না?

#বেইজড (Based)
প্রকৃত অর্থে ‘অন্যে কীভাবে দেখল, তা তোয়াক্কা না করে নিজের অবস্থানে অবিচল থাকা’। তবে শব্দটি এখন ব্যবহৃত হয় কোনো মতামত বা কোনো কিছুতে একমত পোষণ করার ক্ষেত্রে। বিশেষত যেকোনো বিতর্কিত বিষয়ের বেলায় শব্দটি জুতসই।

উদাহরণ: তোমার মতামত বেইজড।

#ব্রাহ্ (Bruh)
শব্দটি ব্যবহার করা হয় কারও কিংবা কোনো কিছুর প্রতি শক, হতাশা কিংবা বিব্রতবোধ বোঝাতে। এটি মূলত ইংরেজি ‘ব্রাদার’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।

উদাহরণ: এইটা কী করলা, ব্রাহ!

#বাসিন (Bussin)
খুব ভালো। কোনো কিছুকে খুব ভালো বোঝাতে বলা হয় ‘বাসিন’। রান্নার প্রশংসা করতেও শব্দটির চল আছে।

উদাহরণ: সালাদটা যা হয়েছে না! বাসিন!

#ক্যাপ (Cap)
মিথ্যা। কেউ মিথ্যা বলছে, তা ধরতে পারলে ক্যাপ/ক্যাপিং বলে তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সত্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় এর উল্টো, অর্থাৎ ‘নো ক্যাপ’। শব্দটির উৎপত্তি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক আলফ্রেড হেনরি লুইসের ‘কনফেশনস অব আ ডিটেকটিভ’ বইয়ে। ২০১৭ সালে এটি জনপ্রিয়তা পায়।

উদাহরণ: ১. কনসার্টের টিকিট তো ঠিকই পাইছিস, ইউ আর ক্যাপিং!

২. আজকের মধ্যে কাজটা শেষ করবই। নো ক্যাপ!

#কুক (Cook)
কোনো ফলাফলের অভিপ্রায়ে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া, যাতে অন্য পক্ষ বিব্রত বা অস্বস্তিবোধ করে। সবচেয়ে পরিচিত বাক্য হলো ‘লেট হিম কুক’। অর্থাৎ সে এমন পরিস্থিতি তৈরি করুক, পরে যাতে বিব্রত বোধ করে।

উদাহরণ: অপেক্ষা করো, দেখি কী করে। লেট হিম কুক।

#ডেলুলু (Delulu)
ইংরেজি ‘ডিলিউশনাল’ শব্দটির বিবর্তিত রূপ। উৎপত্তি মূলত কে–পপ সংস্কৃতি থেকে। শব্দটি ব্যবহার করা হয় অসম্ভব বা আকাশকুসুম মনোভাব বোঝাতে। বিশেষত কোনো সম্পর্কের বেলায় কারও আকাশকুসুম প্রত্যাশাকে বলে ডেলুলু। শব্দটি জনপ্রিয় হয়েছে টিকটকে ‘ডেলুলু ইজ দ্য সোলুলু’ বাক্যাংশটি ভাইরাল হওয়ার পর। বাক্যাংশটির অর্থ ‘আত্মবিশ্বাসেই সব সমাধান’। এখানে ‘সোলুলু’ এসেছে ইংরেজি ‘সলিউশন’ শব্দ থেকে।

উদাহরণ: ইউ আর সো ডেলুলু।

#ড্রিপ (Drip)
ট্রেন্ডি এবং উচ্চশ্রেণির ফ্যাশন বোঝাতে ব্যবহার করা হয় শব্দটি। ‘কুল’ শব্দের বিকল্প হিসেবেও ড্রিপ ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ: কুল ড্রিপ! কোত্থেকে কিনেছ এটা?

#এরা (Era)
কোনো ব্যক্তির বর্তমান আগ্রহ বা অগ্রাধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ধরা যাক, কেউ স্বাস্থ্যসচেতন হয়েছেন, তখন তিনি নিজেকে নিজের ফিটনেস এরায় আছেন বলে দাবি করতে পারেন।

উদাহরণ: সাবধান! আমি কিন্তু এখন আমার ভিলেন এরায় আছি।

#ফ্লেক্স (Flex)
সোজা বাংলায় ভাব দেখানো। এই ভাব দেখানো হতে পারে যেকোনো বিষয়ে। হতে পারে নিজের অর্জন, গুণ কিংবা প্রভাবপ্রতিপত্তি নিয়ে। অর্থাৎ নিজের কর্মকাণ্ডের উৎকৃষ্টতার প্রকাশকে ফ্লেক্স হিসেবে গণ্য করা চলে।

উদাহরণ: ফ্লেক্স করছি না, এবার টেস্টে ৯৮ পেয়েছি!

#গ্লো আপ (Glow-Up)
বিশেষ উন্নতি অর্থে। কারও বড় কোনো উন্নতি দেখলে সেটিকে ইঙ্গিত করে ‘গ্লো আপ’ ব্যবহৃত হয়। সেই উন্নতি হতে পারে পোশাক–পরিচ্ছদ, আত্মবিশ্বাস কিংবা স্টাইলে। এর উল্টো হলে ব্যবহার করা হয় ‘গ্লো ডাউন’।

উদাহরণ: ওদের গ্লো–আপে তো আমি মুগ্ধ!

#গোট (GOAT)
এটি মূলত ‘গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ (Greatest of all Time)–এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাংলায় যাকে বলে ‘সর্বকালের সেরা’।

উদাহরণ: কী বললা? রোনালদো? ভাই, যত যা–ই বলো, মেসিই কিন্তু গোট!

#আই ওয়াই কে ওয়াই কে (Iykyk)
এটি ‘ইফ ইউ নো, ইউ নো’ (If you know, you know)–এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোনো একটি বিষয়ে কেউ আগে থেকে অবগত থাকলে শব্দটি ব্যবহার করে তার ইঙ্গিত দেয়। ধরা যাক, বন্ধুকে আপনি এমন একটি মিম পাঠালেন, যেটি সরাসরি কিছু না বললেও বিশেষ কিছুর অর্থ প্রকাশ করে, যা আপনি জানেন। সে ক্ষেত্রে লিখতে পারেন Iykyk।

উদাহরণ: ঠিক এটা বলছি না, তবে...Iykyk!

#লিট (Lit)
ইতিবাচক, মজার, বিস্ময়কর, দারুণ, চমৎকার বা ‘কুল’ অর্থে। এখন ‘কুল’-এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় লিট।

উদাহরণ: আজকের পার্টিটা লিট ছিল!

#ওকে বুমার (OK Boomer)
১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের বলা হয় ‘বেবি বুমার্স’ বা ‘বুমার্স’ প্রজন্ম। এই প্রজন্মের গোঁড়া মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোকে বলে ‘ওকে বুমার’। বুমার প্রজন্মের কেউ যদি বদ্ধমূল ভুল ধারণা নিয়ে বসে থাকেন, তখন সেসব ধারণাকে পাত্তা না দিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো অর্থে এই শব্দ ব্যবহার করে জেন–জিরা।

উদাহরণ: আপনার ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টা ভুয়া? ওকে বুমার!

#পুকি (Pookie)
আদর করে পছন্দের মানুষ, বিশেষত বন্ধু ও ভালোবাসার মানুষকে ডাকা হয় ‘পুকি’।

উদাহরণ: হ্যালো, মাই পুকি!

#রেড ফ্ল্যাগ (Red flag)
সম্পর্কের বেলায় কারও ব্যাপারে বিপৎসংকেত। আসন্ন বিপদ বোঝাতে লাল পতাকার ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই। তেমনই সম্পর্কের বেলায় কারও ব্যবহারে বা কাজে যদি বিপদ বা ক্ষতির আভাস পাওয়া যায়, তাকে রেড ফ্ল্যাগ হিসেবে গণ্য করা হয়।

উদাহরণ: ওর ব্যাপারে রেড ফ্ল্যাগগুলো আমার চোখেই পড়ল না!

#রিজ (Rizz)
ইংরেজি ‘কারিজমা’ শব্দটি থেকে এসেছে ‘রিজ’। বাংলায় যেটা কারিশমা বা আকর্ষণী শক্তি কিংবা মাধুর্য। কারও কথা, চলনবলন বা ব্যক্তিত্ব কতটা আকর্ষণীয়, তা বোঝানো হয় ‘রিজ’ দিয়ে।

উদাহরণ: হি হ্যাজ অল দ্য রিজ।

#সিম্প (Simp)
কারও প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে পড়া। বিশেষ করে কোনো নারীর প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে পড়াকে বলে সিম্প।

উদাহরণ: ওই মেয়ের জন্য এত সিম্পিং বাদ দে তো! ও তো তোরে চেনেই না!

#স্কিবিডি (Skibidi)
অতিরঞ্জিত কোনো কিছু কিংবা হাস্যকর। ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুটি অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ: গানটা পুরাই স্কিবিডি।

#সাস (Sus)
সন্দেহজনক। ইংরেজি ‘সাসপেক্ট’ এবং ‘সাসপিশিয়াস’ শব্দ দুটির সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি দিয়ে কোনো বিষয়ে বা কারও ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।

উদাহরণ: তোকে কিন্তু সাস লাগতেছে! ঘটনা কী?

#টি (Tea)
পরচর্চা করা। নির্দিষ্ট কারও কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা কিংবা পরচর্চা করা। মূলত চা খেতে খেতে আলোচনা থেকে ‘টি’ শব্দের এমন ব্যবহার শুরু।

উদাহরণ: সো, হোয়াটস দ্য টি?

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

(Collected)

13/08/2024



শিক্ষার্থীদের পড়ার চাপ আর কমলো না- পড়তে থাকুন
ডঃ মুহাম্মদ #ইউনূস এর জীবনবৃত্তান্ত:
জন্মঃ ২৮ জুন, ১৯৪০
অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

#পরিবার-Family

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।

#শিক্ষা জীবন

তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

#কর্ম জীবন

১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়। তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে। ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে। ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ

Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Proverty. (১৯৯৮)
Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University; (১৯৭৪)

#সম্মাননা

ডঃ ইউনুস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৮টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডাল গ্রহণ করেছেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হলো ইউনূসকে, যিনি এই পদক পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ও মুসলিম।
বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ২০১৩, ৫ মে বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এ সম্মাননা জানানো হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে এ ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

অ্যাওয়ার্ড
=======

✓প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
✓রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
✓কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫)
✓স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭)
✓আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯)
✓কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩)
✓নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬)
✓মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩)
✓মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩)
✓রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩)
✓বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
✓পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
✓ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪)
✓ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম ✓পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫)
✓ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন ✓পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫)
✓আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬)
✓ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬)
✓আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
✓প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭)
✓হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭)
✓শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭)
✓বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
✓ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮)বিশ্ব
✓দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮)
✓সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮)
✓অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮)
✓ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
✓জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or )
✓রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯)
✓গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯)
✓রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯)
✓রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
✓অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০)
✓এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০)
✓কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০)
✓আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০)
✓আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১)
✓গ্র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১)
✓হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১)
✓আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১)
✓নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১)
✓মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২)
✓বিশ্ব টেকনোলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩)
✓ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩)
✓জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩)
✓দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড ✓গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩)
✓তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪)
✓সিটি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪)
✓দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
✓ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
✓লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
✓প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪)
✓নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪)
✓গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা ✓সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫)
✓ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫)
✓বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ (২০০৫)
✓প্রাইজ ২ পন্টে, ইটালি (২০০৫)
✓ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি নেউসতাদ এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
✓গ্লোব সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার এ্যাওয়ার্ড,যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
✓ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট স্বাধীনতা পুরস্কার, নেদারল্যান্ড (২০০৬)
✓ইতু বিশ্ব তথ্য সংগঠন পুরস্কার, সুইজারল্যান্ড (২০০৬)
✓সিউল শান্তি পুরস্কার, কোরিয়া (২০০৬)
✓কনভিভেঞ্চিয়া (উত্তম সহকারিতা) সেউতা পুরস্কার, স্পেন (২০০৬)
✓দুর্যোগ উপশম পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৬)
✓সেরা বাঙালী, ইন্ডিয়া (২০০৬)
✓গ্লোবাল ট্রেইলব্লেজার পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓এ বি আই সি সি এ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশীপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓সামাজিক উদ্যোক্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓বিশ্ব উদ্যোগী নেতৃত্ব পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓রেড ক্রস স্বর্ণ পদক, স্পেন (২০০৭)
✓রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম শত বার্ষিকী স্মারক, ইন্ডিয়া (২০০৭)
✓ই এফ আর বাণিজ্য সপ্তাহ পুরস্কার,নেদারল্যান্ড (২০০৭)
✓নিকলস চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓ভিশন এ্যাওয়ার্ড, জার্মানি (২০০৭)
✓বাফি গ্লোবাল এচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓রুবিন মিউজিয়াম মানডালা এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓সাকাল বর্ষ ব্যক্তিত্ব পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৭)
✓১ম আহপাডা গ্লোবাল পুরস্কার, ফিলিপাইন (২০০৭)
✓মেডেল অফ ওনার, ব্রাজিল (২০০৭)
✓জাতিসংঘ সাউথ- সাউথ সহযোগিতা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
✓প্রোজেক্ট উদ্যোগী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
✓আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য মিশন পুরস্কার, নিউইয়র্ক (২০০৮)
✓কিতাকইয়ুশু পরিবেশ পুরস্কার, জাপান (২০০৮)
✓চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
✓প্রেসিডেন্স পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
✓মানব নিরাপত্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
✓বাৎসরিক উন্নয়ন পুরস্কার, অস্টিয়া (২০০৮)
✓মানবসেবা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
✓শিশু বন্ধু পুরস্কার,স্পেন (২০০৮)
✓এ জি আই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
✓করিনি আন্তর্জাতিক গ্রন্থ পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
✓টু উয়িংস প্রাইজ,জার্মানি (২০০৮)
✓বিশ্ব মানবতাবাদী পুরস্কার, ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
✓ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড ,ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
✓এস্টরিল গ্লোবাল ইস্যু’স ডিসটিনগুইশড বুক প্রাইজ, পর্তুগাল (২০০৯)
✓এইসেনহওয়ের মেডেল ফর লিডারশীপ অ্যান্ড সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
✓গোল্ডেন বিয়াটেক এ্যাওয়ার্ড, স্লোভাকিয়া (২০০৯)
✓গোল্ড মেডেল অফ ওনার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
✓প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
✓পি আই সি এম ই টি এ্যাওয়ার্ড, পোর্টল্যান্ড (২০০৯)
✓বৈরুত লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৯)
✓ সোলারওয়ার্ল্ড আইন্সটাইন এ্যাওয়ার্ড (২০১০)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই লোকটি এত পুরস্কার পেয়েছে এর পরও যদি আপনি তার যোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেন তাহলে বুঝতে হবে আপনি কুয়ার ব্যাঙ

25/04/2024

Address

Dhaka ,Uttara

1230

Telephone

+8801720871887

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn and fun with jarin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Learn and fun with jarin:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share