Ramjan Law Chamber- RLC

Ramjan Law Chamber- RLC যেকোন আইনি সেবা ও পরামর্শ দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
( ভূমি, ক্রিমিনাল, ব্যাংক)

📚🏡 ভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা (পর্ব–৪) 🏡📚ভূমি, জরিপ ও রেকর্ড সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের সহজ ব্যাখ্য...
07/06/2026

📚🏡 ভূমি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা (পর্ব–৪) 🏡📚

ভূমি, জরিপ ও রেকর্ড সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের সহজ ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো 👇

🔹 ১৫। ডি.সি.আর (DCR) 📄💰
ভূমি উন্নয়ন কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যে রশিদ প্রদান করা হয়, তাকে ডি.সি.আর (Duplicate Carbon Receipt) বলা হয়।

🔹 ১৬। নকশা ভাওরান 🗺️📏
জরিপের নকশা অনুযায়ী জমির সীমানা নির্ধারণে জটিলতা দেখা দিলে পূর্ববর্তী ফিল্ড বুক ও মাপজোকের ভিত্তিতে প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে নকশা ভাওরান বলা হয়।

🔹 ১৭। আলামত 🌳🏠🕌
সেটেলমেন্ট নকশায় গাছ, ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা, নদী, রেললাইন, কবরস্থান, শ্মশান ইত্যাদি বোঝাতে যে বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে আলামত বলা হয়।

🔹 ১৮। ট্রেসিং পেপার 📑✏️
তৈল ও মোমের সংমিশ্রণে তৈরি স্বচ্ছ কাগজ, যা নকশা বা মানচিত্র অনুলিপি (Tracing) করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

🔹 ১৯। পাট্টা 🏡🌾
সরকারি খাস জমি ভূমিহীন ও দরিদ্র মানুষের কৃষিকাজ ও বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার দলিলকে পাট্টা বলা হয়।

🔹 ২০। কবুলিয়াত 📝⚖️
রায়ত বা জমির ব্যবহারকারী কর্তৃক সরকার (পূর্বে জমিদার) বরাবরে প্রদত্ত শর্তযুক্ত চুক্তিপত্রকে কবুলিয়াত বলা হয়।

🔹 ২১। হোল্ডিং 📋🔢
এক বা একাধিক দাগ নিয়ে গঠিত একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়। এর নির্দিষ্ট পরিচয় নম্বরকে হোল্ডিং নম্বর বলা হয়।

🔹 ২২। হালট 🛣️🌿
জমির মধ্যবর্তী প্রশস্ত আইল বা রাস্তার পাশের অনাবাদী জমিকে হালট বলা হয়।

📖 ভূমি সংক্রান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিভাষা জানতে আমাদের পেজের সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদান্তে
অ্যাড. রমজান
জজকোর্ট কুমিল্লা।

#ভূমি_তথ্য #জমিজমা #খতিয়ান #দাগ #নকশা #পাট্টা #কবুলিয়াত #হোল্ডিং #হালট

BS রেকর্ড ছাড়া শুধুমাত্র CS ও SA খতিয়ানের বিবরণ দিয়ে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করলে ডিক্রি দেয়া যাবে না। ✅ইন্দ্র মোহন বসাক ও ...
05/06/2026

BS রেকর্ড ছাড়া শুধুমাত্র CS ও SA খতিয়ানের বিবরণ দিয়ে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করলে ডিক্রি দেয়া যাবে না।

✅ইন্দ্র মোহন বসাক ও অন্যান্য VS চঞ্চলা তানি বসাক ও অন্যান্য।

📌Reported:
[73 DLR (HCD), Page- 111]

#ভূমি_আইন ানুন #দলিল_হারিয়ে_গেলে ায়তা #বাংলাদেশ_ভূমি_সেবা #দলিল_নকল #সার্টিফাইড_কপি

আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে বা কেউ গোপন করলে করণীয় কী? 📜⚠️জমির মূল দলিল হারিয়ে যাওয়া যে কারো জন্য দুশ্চিন্তার কারণ, তবে ...
20/05/2026

আপনার জমির দলিল হারিয়ে গেলে বা কেউ গোপন করলে করণীয় কী? 📜⚠️

জমির মূল দলিল হারিয়ে যাওয়া যে কারো জন্য দুশ্চিন্তার কারণ, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে খুব সহজেই দলিলের ডুপ্লিকেট বা সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা সম্ভব। চলুন ধাপে ধাপে জেনে নিই কী করবেন।

✅ ১️⃣ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন
প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি জিডি করতে হবে। সেখানে উল্লেখ করবেন—
🔹 দলিল নম্বর
🔹 রেজিস্ট্রির সাল ও তারিখ
🔹 কোন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি হয়েছে
🔹 কীভাবে হারিয়েছে বা গোপন হয়েছে

জিডির কপি ভবিষ্যতের সব আইনি কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

✅ ২️⃣ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করুন 📰
একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা ভালো। সেখানে উল্লেখ থাকবে যে দলিলটি হারিয়ে গেছে এবং কেউ পেয়ে থাকলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। এটি ভবিষ্যৎ জালিয়াতি প্রতিরোধে সহায়ক।

✅ ৩️⃣ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবেদন করুন 🏢
জিডি কপি ও পত্রিকার কাটিং নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করুন। দলিল নম্বর ও সাল দিয়ে “সার্টিফাইড কপি” বা অবিকল নকলের জন্য আবেদন করতে হবে।

✅ ৪️⃣ ফি ও স্ট্যাম্প জমা দিন 💳
নির্ধারিত সরকারি ফি ও স্ট্যাম্প শুল্ক জমা দেওয়ার পর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের সার্টিফাইড কপি প্রদান করা হবে।

📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
এই সার্টিফাইড কপির আইনগত শক্তি মূল দলিলের সমান।

✅ ৫️⃣ নামজারি/খতিয়ান যাচাই করুন 📑
সার্টিফাইড কপি পাওয়ার পর—
✔ নামজারি (Mutation) ঠিক আছে কিনা দেখুন
✔ খতিয়ান ও রেকর্ড মিলিয়ে নিন
✔ প্রয়োজনে ভূমি অফিসে রেকর্ড সংশোধন নিশ্চিত করুন

⚠️ সতর্কতা
দলিল হারানোর পর দেরি না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। কারণ মূল দলিল অন্য কারো হাতে গেলে জালিয়াতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। জিডি ও সার্টিফাইড কপি আপনার মালিকানার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

#দলিল_হারিয়ে_গেলে #জমি_জমা #ভূমি_আইন #জিডি #সার্টিফাইড_কপি #বাংলাদেশ_ভূমি_সেবা #দলিল_নকল ায়তা
ানুন #অগ্রক্রয়

কোন কোন কারণে ডিভোর্স কার্যকর হয় না?• লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ না দিলে• ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানকে  নো...
10/05/2026

কোন কোন কারণে ডিভোর্স কার্যকর হয় না?

• লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ না দিলে
• ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানকে নোটিশ না পাঠালে
• নোটিশ দেওয়ার পর ৯০ দিন পূর্ণ না হলে
• স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান জন্মের আগে
• জোরপূর্বক, ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে তালাক দিলে
• আইন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে
• আদালতের স্থগিতাদেশ বা মামলা চলমান থাকলে
• কাবিননামার শর্ত ভঙ্গ করে তালাক দিলে
• অপ্রাপ্তবয়স্ক বা মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা থাকলে
• ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী সঠিক নিয়ম পালন না করলে

সঠিক পরামর্শ নিয়ে মামলা করুনঅযথা হয়রানি মুক্ত থাকুন #হয়রানি #ভূমি  #আইন  #আদালত #কুমিল্লা  #জজ
06/05/2026

সঠিক পরামর্শ নিয়ে মামলা করুন
অযথা হয়রানি মুক্ত থাকুন
#হয়রানি
#ভূমি #আইন #আদালত
#কুমিল্লা #জজ

হেবা দলিল কি?আগে হেবাকে মৌখিক ঘোষণা দিতে হতো। এখন শুধু মৌখিক ঘোষণাই যথেষ্ট নয়। এখন হেবা ঘোষণা সরকারি স্ট্যাম্প আইন অনুয...
07/03/2026

হেবা দলিল কি?
আগে হেবাকে মৌখিক ঘোষণা দিতে হতো। এখন শুধু মৌখিক ঘোষণাই যথেষ্ট নয়। এখন হেবা ঘোষণা সরকারি স্ট্যাম্প আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের অধীনে নির্ধারিত সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে লিখিতভাবে নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি একটি হেবা দলিল।

দলিল সম্পাদনের পর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে নিবন্ধন করতে হবে। HEBA ডকুমেন্ট রেজি: ১ লা জুলাই ২০০৫ থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া হেবা দলিলের কোন স্থায়ী স্বার্থ দাবি করা যাবে না।

হেবা দলিলের শর্ত।
হেবা দলিলের ৩টি মৌলিক শর্ত রয়েছে। এগুলো না মানলে দলিল বাতিল বলে গণ্য হবে। হেবা দলিলের ৩ (তিন) শর্ত হল-

হেবা বা দান দাতা কর্তৃক ঘোষণা বা প্রস্তাব করা উচিত।
প্রাপকের দ্বারা হেবা বা দান গ্রহণ।
দাতাকে হেবা সম্পত্তির দখল সুবিধাভোগীকে দিতে হবে।
এসব শর্ত পূরণ হলে হেবা শরীয়ত পূর্ণ হবে।

কোনো বিনিময় মূল্য ছাড়াই রক্তের আত্মীয়দের মধ্যে হেবা স্থানান্তর করা যেতে পারে। যথা-

ভাইবোন একে অপরের সাথে প্রতারণা করতে পারে।
একজন বাবা/মা তার ছেলে/মেয়ের যত্ন নিতে পারেন।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হেবা করা যায়। অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ঠকাতে পারে।
হেবা দাদা/ঠাকুমা এবং নাতি/নাতনির মধ্যে পাস করা যেতে পারে।
হেবা দাদা-দাদির মধ্যে ভাগাভাগি করা যায়।
উপরের কিছু সম্পর্কের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।
সাধারণভাবে, একজন মুসলমান তার সম্পূর্ণ জমি সম্পত্তি যে কোনো ব্যক্তিকে এমনকি একজন অমুসলিমকেও দান করতে পারে। অন্য কথায়, গ্রহণের ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক, অপ্রাপ্তবয়স্ক, পুত্র, নাতি, স্বামী বা স্ত্রী, ধনী-গরিব, যে কেউ দান করতে পারেন এবং তিনি বা তারা বিনা প্রশ্নে দান গ্রহণ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, উপরের ১৫টি রক্তের সম্পর্ক ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করলে বিনিময় ছাড়া হবে না। বিনিময় দিয়ে করতে হবে। অন্য কথায়, এটি নির্দেশাবলী অনুযায়ী করা উচিত। অন্যথায় অফারটি বাতিল হয়ে যাবে।

হেবা দলিল বাতিলের নিয়ম

বাংলাদেশের প্রতিকার আইন অনুযায়ী, হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় সমস্ত হেবা শর্ত পূরণ করে হেবা ঘোষণার দলিল প্রস্তুত করা হয়। তাই হেবা ঘোষণার দলিল মৌখিকভাবে দাতার দ্বারা নির্ধারিত সম্পত্তির উইল করে: হস্তান্তরকারীর কাছে হেবা সম্পত্তির দখল হস্তান্তর এবং হেবা হস্তান্তরকারী কর্তৃক এর গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপরন্তু, যেহেতু দাতা ও গ্রহীতা উভয়ের স্বাক্ষর এবং সাক্ষীদের স্বাক্ষর এবং শনাক্তকারীর নাম উল্লেখিত নথিতে স্বাক্ষরিত, তাই দখল হস্তান্তর অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

এমন পরিস্থিতিতে হেবার ঘোষণার দলিল বাতিলের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

যাইহোক, যদি হেবার ঘোষণার নথি বাতিল করার বৈধ এবং যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে, তাহলে আদালতের কাছে যেতে হবে। অর্থাৎ আদালতের মাধ্যমে তা বাতিল হতে পারে।

হেবা দলিল কখন বাতিল করা যায়?

হেবা দলিল সুবিধাভোগীর কাছে দখল হস্তান্তরের আগে দাতা যে কোনো পর্যায়ে বাতিল করতে পারেন। কারণ হেবার তিনটি শর্তের একটি হল দখল হস্তান্তর। দখল হস্তান্তর না হলে হেবা সম্পূর্ণ হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে হেবা দলিল বাতিল চাওয়া যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ,

সম্পত্তির দাতা বা মালিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অর্থ প্রদান।
যদি সে কোন প্রকার ভয়ভীতি বা প্রলোভন দেখিয়ে আমল সম্পাদন করে।
দাতা মানসিকভাবে বিকৃত বা অসুস্থ হলে হেবা কাজটি কৌশলে করা হয়।
উপরে উল্লিখিত হেবা দলিলের ৩টি শর্তের যে কোনো একটি মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়া।
সম্পত্তি হস্তান্তর বা দখলের আগে দাতার মন পরিবর্তন হলে।
দখল হস্তান্তরের পূর্বে দাতা-উপভোগীর কেউ মারা গেলে।
সম্পত্তি দাতার দখলে না থাকলে।
তবে কিছু শর্তের পরিপ্রেক্ষিতে হেবা দলিল বাতিল করা যাবে না।

কখন দলিল বাতিল করা যায় না
দাতা-গ্রহীতার সম্পর্ক যদি স্বামী বা স্ত্রী হয়।
দখল হস্তান্তরের পর সুবিধাভোগী মারা যায়।
দাতা এবং প্রাপকের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকলে।
রিসিভার দ্বারা হেবা সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে।
সম্পত্তির অবসান বা ধ্বংস বা সম্পত্তির আকার সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে।
বন্ধক রাখা সম্পত্তির দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে।
দান বা হেবা দলিল বাতিলের পদ্ধতি।
মুখের কথায় বা শরীরের জোর দিয়ে হেবা আমল বাতিল করা যায় না। আদালতের মাধ্যমে হেবা দলিল বাতিল করতে হবে।
দলিলটি বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা দায়ের করা হলে, আদালত মামলার বিষয়বস্তুর মান বিবেচনা করে যুক্তিসঙ্গত মনে করলে উক্ত দলিলটি বাতিল করতে পারেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের 39 ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি একটি লিখিত নথি বাতিল বা অকার্যকরতা চাইছেন, যার যুক্তিসঙ্গত আশংকা আছে যে যদি এই ধরনের লিখিত নথি তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে থাকে, তাহলে তিনি বাতিল বা বাতিলযোগ্যতার ঘোষণার জন্য মামলা করতে পারেন। উল্লেখিত লিখিত দলিল। করতে পারা

উল্লিখিত মামলার ভিত্তিতে, আদালত তার বিবেচনার ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পেলে বাতিলের আদেশ দিতে পারে।

এছাড়াও, নিম্নলিখিত কারণে বাতিলের আদেশ দেওয়া আদালতের বিবেচনার ক্ষমতা।
আদালত যদি মনে করেন যে দলিলটি বাদীর পক্ষে ক্ষতিকর।
উল্লিখিত নথিটি প্রকৃতপক্ষে জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পাদিত বা নিবন্ধিত হয়েছে।
হেবার সব শর্ত পূরণ হয় না।
হেবা দলিল সম্পাদনের সময় কোনো সরকারি স্বার্থ রক্ষা করা হয়নি।
এসব কারণে আদালত দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন।

এবং যদি মনে হয় যে হয়রানি বা প্রতারণা করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে দলিল বাতিলের আদেশ দেবেন না। এখানে আদালতের সম্পূর্ণ ক্ষমতা বিচক্ষণ, আদালতকে কোনো নির্দিষ্ট ঘোষণা দিতে বাধ্য করা যাবে না।

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব??? ➡️হ্যা সম্ভব!!! বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় ...
26/02/2026

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব???

➡️হ্যা সম্ভব!!!

বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশ আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলো ⬇️⬇️

➡️ প্রযোজ্য আইন
Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
👉 ধারা ৭ (Section 7)

➡️ নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

★ ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

★ ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

★ ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

➡️ 📂 প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

★ ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

★ ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

➡️ যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
➡️ আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⚠️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

➡️ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

➡️ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

➡️ ব্যবহারিক পরামর্শ
তা লা ক নামায় তারিখ, পূর্ণ ঠিকানা, স্বাক্ষর স্পষ্ট রাখুন
স্ত্রীর এলাকার সঠিক চেয়ারম্যান নির্ধারণ করুন
ডাকের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ দখল দখল পুনরুদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়।৮। (১) কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত ...
25/02/2026

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ দখল দখল পুনরুদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়।
৮। (১) কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা হইলে, তিনি দখল পুনরুদ্ধার করিবার জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।

(২) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতীত উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা হইয়াছে মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, তাহাকে তাহার পূর্ব-দখলীয় ভূমিতে দখল পুনর্বহাল করিবার নিমিত্ত যথাযথ আদেশ প্রদান ও এতদুদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার জন্য, উভয়পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ও সরেজমিন তদন্ত করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যথাযথভাবে নোটিশ জারি করা সত্ত্বেও কোনো পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপস্থিত থাকিলে সরেজমিনে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করিবার পর লিখিত আদেশ প্রদান করা যাইবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হইতে ৩(তিন) মাসের মধ্যে উহার নিষ্পত্তি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দখল পুনরুদ্ধার করিতে হইবে এবং কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ উহাতে অসহযোগিতা বা অবহেলা করিলে তাহার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীন সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি নিজে বা তদকর্তৃক নিয়োজিত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করিতে পারিবেন।

(৬) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট জেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন বা অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া আদেশ জারি করিতে পারিবেন।

(৭) কোনো দেওয়ানি আদালতে দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত কোনো মামলা বিচারাধীন থাকিলে একই বিষয়ে এই ধারার অধীন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত আদালত তাহার নিকট দায়েরকৃত বা বিচারাধীন কোনো মামলা উহার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে বা স্বীয় বিবেচনায় এই ধারার অধীন ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে।

(৮) এই ধারার অধীন ব্যবস্থা গ্রহণের অন্যান্য পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৪৫ এর বিধান অনুসরণ করিয়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

৭। (১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।

অ্যাড. রমজান আলী
জজ কোর্ট,কুমিল্লা।

Address

Khulna

Telephone

+8801752343349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramjan Law Chamber- RLC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share