07/06/2026
কিছু বলার আছে আপনাদের?
বিসিএস পাঠশালা
Follow our page for important information, HandNote,Motivation, Recent information, BCS subjective videos to be encouraged.
07/06/2026
কিছু বলার আছে আপনাদের?
বিসিএস পাঠশালা
07/06/2026
এটাকে কিভাবে দেখতেছেন এবং বাস্তবায়ন কি আদোও সম্ভব??
বিসিএস পাঠশালা
07/06/2026
টান টান উত্তেজনা এবং ফেয়ার এন্ড লাভলি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হলেন তামিম ভাই।
পৃথিবীর সেরা নির্বাচনে সেরা বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল 😀✅
I got over 500 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
06/06/2026
পুরো একটা দেশের জন্য, চাকরির ভালো একটি ইংরেজি বই নেই। একটা বই একটু চলে সেটাও নাকি বেয়াদব ও অকৃজ্ঞরা পড়তে পারবে না। ইংরেজরা ১৯০ বছর শাসন করে কি করলো? আফসোস।
~মিহির ভাই
বিসিএস পাঠশালা
06/06/2026
Master Jahangir Alam Master Jahangir Alam
যদি এটা বলে থাকেন তাহলে বলবো এতো অহংকার ভালো নয়।
06/06/2026
আবেদ আলীর নেতৃত্বে দেশে প্রশ্নফাঁস শুরু হয় ১৯৯৭ সালে।
ডামি পরীক্ষার্থী থেকে প্রশ্নফাঁসের সাম্রাজ্য * পরীক্ষার্থীদের ‘মেহমান’ বলে উল্লেখ করা হতো * হোয়াটসঅ্যাপে চলত দরকষাকষি * ফরেনসিক রিপোর্টে বেরিয়ে আসে গোপন চ্যাটের আদিঅন্ত.
সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসচক্রের সূত্রপাত ১৯৯৭ সালে। যার নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তৎকালীন গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী।
সিআইডির তদন্তে ওঠে এসেছে প্রায় তিন দশকের এক বিস্তৃত প্রশ্নফাঁসচক্রের চিত্র।
পরীক্ষার্থীদের আসন ব্যবস্থাপনা ও ডামি পরীক্ষার্থী সরবরাহের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সেই কার্যক্রম ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রশ্নফাঁসের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটে। ওই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং প্রশ্নপত্র কেনাবেচার তথ্য ওঠে এসেছে সিআইডির অভিযোগপত্রে।
১৯৯৭ সালে পিএসসিতে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর আবেদ আলী কমিশনের তৎকালীন সদস্য মেছার মুজিবর রহমান বিশ্বাস ও মোজাম্মেল হকের গাড়িচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে তিনি পিএসসির অভ্যন্তরে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ পান এবং বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন। সে সময়ে প্রথম দিকে পরীক্ষার্থীদের একই কেন্দ্রে বা কাছাকাছি আসনে বসানোর ব্যবস্থা করে দিতেন তিনি। পরে ডামি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। একজন প্রকৃত পরীক্ষার্থীর সঙ্গে দুজন ডামি পরীক্ষার্থী যুক্ত করে পরীক্ষা দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো।নিয়োগের পর থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে এভাবে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাইয়ে দিয়ে লাখ লাখ টাকা লেনদেন করেন আবেদ আলী।
পরবর্তীতে তার সঙ্গে পরিচয় হয় মাহফুজার রহমান কালুর। কালু চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা সংগ্রহ করতেন এবং আবেদ আলী অর্থের বিনিময়ে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিতেন। এ কাজে দুজনের মধ্যে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
২০১৫ সালে আতিকুল ইসলামের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব কর্মকর্তা পদে কয়েকজনকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ঘটনায় আরও প্রায় ৩২ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এ সময়ের মধ্যে আবেদ আলী নিয়োগ পরীক্ষাকেন্দ্রিক একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবেদ আলীর কর্মকাণ্ড ডামি পরীক্ষার্থী সরবরাহের পর্যায় পেরিয়ে সরাসরি প্রশ্নফাঁস পর্যন্ত গড়ায়। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত পলিটেকনিক কলেজের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তিনি পিএসসির অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলামের কাছ থেকে পরীক্ষার দুদিন আগে প্রশ্ন সংগ্রহ করেন। পরে ৪০ জন পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের ‘মেহমান’ নামে উল্লেখ করা হতো। তাদের কোথায় রাখা হবে, কতজনের জন্য ব্যবস্থা করা যাবে, সে বিষয়ে চক্রের সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এক বার্তায় লেখা পাওয়া যায়, ‘ভাই দুই জায়গা ম্যানেজ করছি, ৪০/৪৫ জন রাখা যাবে।’ একইভাবে গত ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষায় ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্ন সরবরাহের জন্য অগ্রিম প্রায় ৪ কোটি টাকা নেওয়ার তথ্য পেয়েছে সিআইডি।
পরীক্ষার দুদিন আগে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে তা নির্দিষ্ট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। প্রশ্নপত্র সংগ্রহের বিনিময়ে সাজেদুল ইসলামকে ৭৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার্থীদের সাভারের একটি রিসোর্টে রেখে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের এ কার্যক্রমে একাধিক ব্যক্তি পরীক্ষার্থী সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতেন।
মামলার তদন্তে জব্দ করা মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণে প্রশ্নফাঁস চক্রের বিস্তৃত যোগাযোগ, পরীক্ষার্থীদের তালিকা, ব্যাংকে টাকা জমার রসিদ, চেকের ছবি এবং অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত অসংখ্য বার্তা পাওয়া গেছে। বার্তাগুলোতে পাওয়া গেছে, ‘টাকা কই’, ‘মেহমানদের লিস্ট পাঠাও’, ‘ভাইয়া যে কোনোভাবে একটু হওয়ানোর চেষ্টা করেন’, ‘কাজ ১০০ ভাগ হবে’-এ ধরনের কথোপকথন।
আবেদ আলীর নিজের ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ১২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকা জমার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্যও তদন্তকারীদের নজরে এসেছে, যার বৈধ উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
বিসিএস পাঠশালা
#বিসিএস_পাঠশালা
06/06/2026
🇧🇩⚽ **ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ!**
বাংলাদেশ (০২)- সান ম্যারিনো (০১)
৫ জুন ২০২৬—বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে দিনটি। ইউরোপের মাটিতে নিজেদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচেই সান ম্যারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ। এটি ছিল কোচ **শন লেন ডুলি (Sean Lane Dooley)**-এর অভিষেক ম্যাচও।
🌟 **ম্যাচের নায়ক: তপু বর্মণ**
বাংলাদেশের দুই গোলই করেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার **তপু বর্মণ**। তাঁর জোড়া গোলে আসে এই স্মরণীয় জয়। জাতীয় দলের জার্সিতে একজন ডিফেন্ডারের এমন ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে বিরল ঘটনা।
📌 সাধারণ জ্ঞানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
✅ ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ
✅ ইউরোপীয় কোনো দেশের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
✅ প্রতিপক্ষ: সান ম্যারিনো
✅ ফলাফল: বাংলাদেশ ২-১ সান ম্যারিনো
✅ বাংলাদেশের জয়ের নায়ক: তপু বর্মণ (জোড়া গোল)
✅ ম্যাচটি ছিল নতুন কোচ শন লেন ডুলির অভিষেক ম্যাচ
✅ ভেন্যু: সেরাভালে, সান ম্যারিনো
✅ সান ম্যারিনোর রাজধানী: সান ম্যারিনো সিটি
✅ মুদ্রা: ইউরো
✅ সরকারি ভাষা: ইতালীয়
✅ বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র এবং প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি: সান ম্যারিনো।
#পরীক্ষায় যেভাবে প্রশ্ন আসতে পারে—
• ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ কার বিপক্ষে ছিল?
• সান ম্যারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়সূচক ম্যাচে জোড়া গোল করেন কে?
• বাংলাদেশের নতুন কোচের অভিষেক ম্যাচ কোনটি ছিল?
• সান ম্যারিনোর রাজধানীর নাম কী?
• বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন প্রজাতন্ত্র কোনটি?
যাহোক, আজকের জয় শুধু তিন পয়েন্টের নয়; এটি বাংলাদেশের ফুটবলের আত্মবিশ্বাস, সম্ভাবনা ও নতুন যুগের সূচনার প্রতীক।
অভিনন্দন বাংলাদেশ ফুটবল দল! ❤️🇧🇩
সঠিক উত্তর কি হবে? #
05/06/2026
পিএসসির প্রশ্নফাঁসকাণ্ড: আবেদের নেতৃত্বে ৫৫ সদস্যের চক্র, মিলেছে পরিচয়
এক যুগ আগেও অর্থকষ্টে দিন কাটতো যে গাড়িচালক আবেদ আলীর, হঠাৎই পালটে যায় তার সবকিছু। আবেদ রাতারাতি বনে যান অঢেল সম্পদের মালিক। মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বোতলা গ্রামে গড়ে তুলেন আলিশান বাড়ি। এছাড়া ঢাকায় একাধিক বাড়িম ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ রয়েছে তার। তিনি আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালান।
আবেদ আলী বছরের পর বছর পিএসসির প্রশ্নফাঁসের টাকায়ই গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ।
সম্প্রতি এর আদ্যোপান্ত বেরিয়ে এসেছে এ সংক্রান্ত মামলার চার্জশিটে। দীর্ঘ তদন্তের ভিত্তিতে ১৮ মে আদালতে জমা দেওয়া ৪১ পৃষ্ঠার চার্জশিটের পরতে পরতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। আলোচিত মামলাটি ২০২৪ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা হয়।
প্রশ্নফাঁসচক্রের মূলহোতা আবেদের নেতৃত্বে পরিচালিত ৫৫ সদস্যের চক্রে ছিলেন পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, ব্যবসায়ী, ছাত্র এবং পরীক্ষার্থী সংগ্রহকারী দালালচক্রের সদস্যরা।
এর মধ্যে গ্রেফতার ৩৬ আসামি হলেন- পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী, মো. নোমান সিদ্দিক, মো. খলিলুর রহমান, পিএসসির অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আবু সোলেমান মো. সোহেল, জাহাঙ্গীর আলম, এসএম আলমগীর কবীর, প্রতিরক্ষা ও অর্থ বিভাগের অডিটর প্রিয়নাথ রায়, মো. জাহিদুল ইসলাম, পিএসসির উপপরিচালক (ডিডি) মো. আবু জাফর, মো. শাহাদত হোসেন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. মামুনুর রশিদ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান নিয়ামুল হাসান, ব্যবসায়ী মো. সাখাওয়াত হোসেন, সাইম হোসেন, ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থী লিটন সরকার, আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, পিএসসির সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, মো. শরীফুল ইসলাম ভূঁইয়া, দীপক বণিক, মো. খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, একেএম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, মো. মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এটিএম মোস্তফা, মাহফুজ কালু, মো. আসলাম হোসেন, কৌশিক দেবনাথ, মোজাহিদুল ইসলাম, মজনু মিয়া, মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, মো. আব্দুল আজিম, রুপন চন্দ্র দাস ও মাহামুদ হাসান মান্না।
পলাতক ১৯ আসামি হলেন-সুমন কুমার বসু, বিপাশ চাকমা, মো. দেলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান দিপু, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. আল মামুন, মো. আনিছুর রহমান, মো. ওয়াসিম খান, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ফেরদৌস আহম্মদ, মো. মান্নান উদ্দিন, মো. আশরাফুল আলম, জাহিদুল সরদার, মো. সোহেল পারভেজ, মো. জুয়েল আল মামুন, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. রুবেল শরীফ, শাকের আহমেদ আল-আমিন এবং এম এম নাজমুল হাসান। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় চার্জশিটে ৩১তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামি মো. গোলাম হামিদুর রহমান, হামিদুল ইসলাম জিয়া, মো. মাহাবুব আলম এবং আজাদ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা যায়নি।
তদন্তে উঠে এসেছে, পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। এরপর পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের টাকা আগাম নিয়ে নিতেন। চক্রটির বিস্তার ছিল দেশের বিভিন্ন জেলায়। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিল বলে তদন্তে জানা গেছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটি বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি এনজিও পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
তদন্ত কর্মকর্তার মতে, প্রশ্নফাঁস কার্যক্রম পরিচালনায় সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিল এবং তারা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভেঙে রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
চার্জশিটে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এর ১১ ও ১৫ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই আইনে।
চক্রের কয়েকজন সদস্যের নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সম্পদের উৎস যাচাই এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে পৃথক উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হলে প্রশ্নফাঁস বাণিজ্যের আর্থিক পরিধি সম্পর্কে আরও বিস্তৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, এ চক্রের কর্মকাণ্ড ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংঘটিত একটি সুপরিকল্পিত অপরাধ। আদালতে বিচার কার্যক্রম শুরু হলে প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে থাকা আরও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাম সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
বিসিএস পাঠশালা