Kingdom of Truth-সত্যের রাজত্ব

Kingdom of Truth-সত্যের রাজত্ব This is an ISLAMIC page and gives lots of other true information...
"HASBI ALLAHU WA NIMAL WAKIL,NIMAL MAOWLA WA NIMAN NASIR"
লাইক শেয়ার করে সংযুক্ত থাকুন।

Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa barakatuhu.Beautiful view of dubai Creek Harbour.
23/04/2026

Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa barakatuhu.
Beautiful view of dubai Creek Harbour.

05/08/2025

Assalamu Alaikum.

ঈদ মোবারক।তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
28/06/2023

ঈদ মোবারক।
তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

25/12/2021

(অনেকদিন ধরে মাথায় ঘোরপাক খাওয়া একটা প্রশ্নের জবাব পেলাম কাশফুল মাহজুব কিতাবে। আমার প্রশ্নটা ছিলো সারা বাংলাদেশে এত এত ওয়াজ মাহফিল অনলাইন এবং অফলাইনে, তারপরও মানুষের হেদায়েত কই??? আপনারও যদি একই রকম প্রশ্ন থাকে,তবে এই লিখাটি পড়ে দেখুন।)

একজন প্রখ্যাত দরবেশ এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফিকাহবিদ ছিলেন হযরত আবু সালেহ হামদন (রহঃ)।

তার জ্ঞান-বিজ্ঞানের যশে নিশাপুরের সকল ইমাম ও আলেমগণ একদিন তার নিকট এসে বললেন,"হযরত,আপনি মিম্বরে দাড়িয়ে আমাদের কিছু নসিহত করুন যাতে আমরা উপকৃত হতে পারি।"

তিনি বললেন-- আমি এখনও ওয়াজ করার উপযুক্ত হইনি।
তারা বললেন-- কেন??
তিনি বললেন-- এখনও আমার হৃদয় পার্থিব মান সম্মানের আকাঙ্ক্ষী। কাজেই আমার কথায় কেউই উপকৃত হবে না। যেই কথায় অন্তরে কোন প্রকার প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না করে,সেই কথায় ইলমের হীনতা প্রকাশ পায়। অতএব, ইলমকে অপদস্ত করা খুবই অন্যায়।
তারা বললেন-- আলেমদের কর্তব্য লোককে ওয়াজ নসিহত করা।
তিনি বললেন-- ওয়াজ করা তার জন্যই ওয়াজিব যার চুপ থাকায় ধর্মের ক্ষতি হয় এবং ওয়াজ করলে কোন ক্ষতি হয়না।

কথা প্রসঙ্গে কেউ জিজ্ঞেস করলেন,"প্রাচীন বুজুর্গদের নসিহত শুনে লোকে উপকৃত হতো, কিন্তু এখনকার বুযুর্গদের কথা তেমন প্রতিক্রিয়াশীল হয় না, এর কারণ কী?"
তিনি বললেন-- পূর্ববর্তী বুযুর্গদের নসিহত এজন্য কার্যকরী হতো যে, তাদের নসিহত ইসলামের সম্মানে লোকদের মুক্তির পথ প্রদর্শনের এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার উদ্দেশ্যে হতো। আর আমাদের উপদেশদানের পেছনে থাকে নিজেদের গৌরব প্রকাশ করা এবং সাধারণের কাছ থেকে সম্মান ও সম্পদ কুড়ানো(!)। কেননা, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে যেই উপদেশ দেয়, তার কথা মানুষের মনে প্রতিক্রিয়াশীল হয়,মহানুভবতা প্রকাশ পায়। আর যে ব্যক্তি স্বীয় উদ্দেশ্য সাধন করার লক্ষ্যে কথা বলে তার কথায় হীনতা প্রকাশ পায়। কোন লোকই তার কথায় উপকৃত হয় না। অতএব, এমন কথা বলার চেয়ে না বলাই ভালো।

(আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুক - আমিন)

গোমটা মৌলভীরা আর কি দেখাবে!!!১ মিলিয়ন ফলোয়ার এবং ১ লক্ষ সাবসক্রাইভার পূর্ণ হওয়ায় এই উপলক্ষে খুশিতে আলোচনা সভা করতে পারে ...
24/10/2021

গোমটা মৌলভীরা আর কি দেখাবে!!!
১ মিলিয়ন ফলোয়ার এবং ১ লক্ষ সাবসক্রাইভার পূর্ণ হওয়ায় এই উপলক্ষে খুশিতে আলোচনা সভা করতে পারে আর মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আলোচনা এবং মাহফিল করতে এদের শরীরে বিদআত নামক এলার্জি চুলকায়।
আল্লাহ আমাদেরকে সকল ফিৎনাবাজদের কবল জতে রক্ষা করুক। (আমিন)

"দেহবাদী "আহলে হাদিস/ সালাফি আকিদা" যেখানে এসে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ে"( প্রসঙ্গঃ মরহুম প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর...
23/09/2021

"দেহবাদী "আহলে হাদিস/ সালাফি আকিদা" যেখানে এসে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ে"

( প্রসঙ্গঃ মরহুম প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সাহেবের সালাফি আকিদা ও তাঁর বই পড়া)
-------------------------------------------------------------

আল্লাহ তায়া'লা বলেন,
"কুল্লু মান আ'লাইহা ফা-ন। ওয়া ইয়াবকা ওয়াজহু রাব্বিকা যুলজালালি ওয়াল ইকরাম"
শাব্দিক অর্থ করছি সালাফি ভাইদের মতো করেঃ
"এখানকার সবকিছুই ধ্বংসশীল। একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার ওয়াজহুন বা মুখমন্ডল ছাড়া।" (সূরা আর রাহমান, ৫৫ঃ২৬-২৭)
"কুল্লু শাইইন হালিকুন ইল্লা ওয়াজহাহু"
"আল্লাহর ওয়াজহুন বা মুখমন্ডল ব্যাতীত সবকিছু ধ্বংস হবে।" (সূরাতুল কাসাস, ২৮ঃ৮৮)

অথচ আমরা জানি কুরআন -সুন্নাহতে আল্লাহর হাত, পা, পায়ের গুছা ইত্যাদি সম্পর্কেও অনেক কিছু বলা আছে। এখন আল্লাহ পাকের এসব গুণকে আমরা যদি সালাফিদের মত শাব্দিকভাবে যেভাবে আছে সেভাবেই নিই, তবে এর মানে কী এই দাঁড়ায় যে, কেয়ামতের দিনে আল্লাহর মুখমণ্ডল ছাড়া বাকি অঙ্গসমূহ ধ্বংস হয়ে যাবে? মায়া'জাল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহাল আজিম। আল্লাহ পাক কি তবে আংশিক ধ্বংসশীল?

ইমাম বুখারি রাহ. বুখারি শরিফের কিতাবুত তাফসিরে সাহাবা ও তাবিইন তথা সালফে সালিহিনদের অনুসরণে, এই ওয়াজহুন বা মুখমন্ডল এর তাফসির করেছেন আল্লাহর জাত বা অস্তিত্ব দ্বারা, এবং এটাই সঠিক। অর্থ্যাৎ আল্লাহ তায়ালার জাত বা অস্তিত্ব ছাড়া সব ধ্বংস হয়ে যাবে। এটা কমন সেন্সের বিষয় যে, এই গুণগুলো রুপক। কিন্তু সেজন্য সালাফিরা ইমাম বুখারির রাহ. প্রচন্ড সমালোচনা করে তার উপর গোমরাহীর (জাহমি) ফতোয়া দিয়েছে। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। কারণ কমন সেন্স খুবই আনকমন।

আল্লাহ পাক আরশের উর্ধ্বে, এটা রুপক বিষয়। অপর আয়াতে এসেছে, তিনি আকাশের উর্ধ্বে। এসবই রুপক।
আপনি আল্লাহ পাককে আরশের উর্ধ্বে মানেন আমার আপত্তি নাই। কিন্তু আল্লাহর বাড়ি আরশে, তিনি আরশে বসে আছেন? তাহলে এর আগে "সুম্মাস তাওয়া ইলাস সামা-ই" (আল কুরআন, ২ঃ২৯) বলা হয়েছে। এর মানে কী এর আগে আকাশে ছিলেন আল্লাহ পাক? এভাবে স্থানান্তর হচ্ছেন আল্লাহ পাক আমরা সৃষ্টির মত করে? তাহলে আল্লাহ পাক আরশ ও আকাশ সৃষ্টির আগে, বিগ ব্যাং এর আগে আল্লাহ পাক কই ছিলেন? যখন টাইম, স্পেস কিছুই ছিল না, তখন? আল্লাহ পাক কোন স্থান -কাল- পাত্রের মূখাপেক্ষী না, তিনি সামাদ, সূরা ইখলাসের কথা, তিনি অমূখাপেক্ষী। তিনি আগেও যেভাবে ছিলেন, এখনো সেভাবেই আছেন এবং থাকবেন। আল্লাহ পাককে তাঁর সৃষ্টি আরশ, আকাশ ও পৃথিবী কোনকিছুই ধারণ করতে পারে না। তিনি সৃষ্টির মাঝে প্রবিষ্ট হতে পারেন না। তিনি সকল সৃষ্টিকে পরিবেষ্টন করে আছেন। ওয়া কা-নাল্লাহু বি কুল্লি শাইইম মুহিতা৷ (সূরা নিসা, আয়াত নং- ১২৬, সূরা ফুসসিলাত, আয়াত নং -৫৪)
হ্যাঁ, তাদের ওস্তাদ ও ইমাম শায়খ ইবনে তাইমিয়া সাহস করে তাদের প্রকৃত দেহবাদী আকিদা সুস্পষ্ট করে গেছেনঃ
"আমি এখন মিম্বরের উপরের সিড়ি থেকে নিচে যেভাবে নেমে আসলাম, আল্লাহ পাকও প্রতি রাত্রের শেষে আরশ থেকে দুনিয়ার আকাশে এভাবেই নেমে আসেন"। - শায়খ ইবনে তাইমিয়া রাহ.
নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।
এটা দেহবাদ না হলে দেহবাদ কী?
সূত্রঃ রিহলাতু ইবনে বতুতা/প্রথম খন্ড- ৫৭ ও ৫৮ পৃষ্ঠা- প্রকাশক: মাত্ববাআতুল আযহার, মিসর, ১৩৪৬ হিজরী। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বাতুতা দামেশকের মসজিদে তাঁর স্বচক্ষে দেখা ঘটনা তিনি বর্ণনা করেন। (বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে বইয়ের স্ক্রিনশটসহ দিচ্ছি)

এই যুগে আল্লাহর দেহ সাব্যস্তকারীরা পাবলিকের মাইর খাবে বলে এসব বলার সাহস করে না। অন্তরে সেই গোমরাহ বিশ্বাসই লালন করে।
অথচ আল্লাহ তায়ালা বলেন, লাইসা কামিছলিহি শাইউন। তাঁর মতো কোনকিছুই নেই। - আল কুরআন
তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। (আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৫৫)
তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। (সূরাতুল হাদিদ, আয়াত নং ৪)
আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। (সূরা কাফ, আয়াত নং -১৬)

তারা বলেন, এ সংক্রান্ত তাদের পক্ষের সব আয়াত বিনা তাভিল বা ব্যাখ্যা ছাড়াই মানতে হবে, যেভাবে আছে সেভাবেই। আবার আমাদের পক্ষের আয়াতগুলো ও হাদিসগুলো ঠিকই তারা তাভিল করে, ব্যাখ্যা করে। আজব প্রাণী এরা।

আমি এগুলো নিয়ে ওপেন মঞ্চে আলোচনা করতে রাজিই না। তবে করলে ব্যালেন্স ১০০% থাকতে হবে, কারণ এগুলো ইমান আকিদার বিষয়। অন্যথায় সাধারণ মানুষের আকিদার জটিল এসব বিষয় জানার কোন প্রয়োজনই নেই। অথচ আহলে হাদিস /সালাফিরা এসব প্রচারের জন্য ওঠেপড়ে লেগেছে। যত্রতত্র এসব নিয়ে আলোচনা। মানুষের জীবনের কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে কথা নেই।

অথচ মরহুম প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সাহেবের খুব বড় ভক্ত আমাদের দেশের সবচাইতে বড় আজহারী তথাকথিত সেলিব্রেটিকে বক্তব্য দিতে দেখলাম, তিনি বলছেন, (আল্লাহ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে কি বলল আজহারি এটা, সম্পূর্ণভাবে আজহারের আকিদার বিপরীত) "আল্লাহ বলেন, আর রাহমান, আমরা বলি ভাল হইছে আপনি আর রাহমান, আপনি থাকেন কই? আল্লাহ বলেন, আর রাহমানু আলাল আরশিসতাওয়া। আমার বাড়ি আরশে।" নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। মায়াজাল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহাল আজিম।

এর মানে কি? এটা আল্লাহর শানে কথা বলার আদব? এটা এপ্রোচ? ভাই বন্ধু নিয়ে কথা বলছে নাকি সে? "ভালো হইছে আপনি রাহমান, আপনার বাড়ি কই!" ছিঃ! এভাবে আল্লাহ সম্পর্কে মন্তব্য!

"আল্লাহর বাড়ি আরশে" গত ১৪০০ বছরে কোন সালফে সালিহিন কী এমন কথা বলেছেন?

আধুনিক ও স্টাইলিশ হতে হতে পচাইয়া ফেলছে সমাজ। আজব। ইসলাম পুরোটাই আদবের নাম, অথচ আদব নামক কোন জিনিস নাই। আর ভন্ড পীরের মুরিদদের মত আপনারাও শায়খ পূজায় মজে আছেন। শায়খ যা বলে তাই ঠিক। আজব!

পরিশেষে সবার প্রতি অনুরোধ, দয়া করে সালাফি আহলে হাদিসদের এসব বিভ্রান্তিকর আকিদাতে বিশ্বাসী প্রফেসর ড. মরহুম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সাহেবের কিতাবসমূহ সাধারণ মানুষজন পড়বেন না প্লিজ। বিভ্রান্ত হবেন। উলামায়ে কেরামকে পড়তে দিন এসব। আর যদি সাধারণ মানুষ পড়েনও, তবে দয়া করে কোন আকিদা গ্রহণ করবেন না তাঁর কিতাব থেকে। আল্লাহ পাক তাঁকে ও আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন। আমিন।

আর সকলের প্রতি আরেকটা অনুরোধ, আল্লাহর ওয়াস্তে মৃত কিংবা জীবিত কাউকে গালাগালি, বকাবকি, লানত করা ইত্যাদি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য বন্ধ করি। বিভ্রান্তির জবাব একাডেমিক ভাষায় দিতে হবে। যাদের কাছে দলিল থাকে না তারাই আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলে, গালাগালি করে। আমাদের সাথে ১৪০০ বছরের সালফে সালিহিন আছেন, কুরআন সুন্নাহের দলিল আছে, তদোপরি আমরা গালাগালি, লানত, বকাবকি, অশ্লীল শব্দচয়ন, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কেন করব? এগুলো মুসলমানদের ভাষা হতে পারে না।

কৃতঃ সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া আজহারী

02/07/2021

আল্লাহ পাকের দুইটি নাম। একটি হলো জাহির আরেকটি হলো বাতীন। আল্লাহ নিজে জাহির (প্রকাশ্য) এবং বাতীন (গুপ্ত)। আল্লাহ পাক তার জাহির নামের সিফাতের তাজাল্লি আদমের আঃ উপর দিয়েছেন। আর বাতিনী নামের সিফাতের তাজাল্লি হাওয়া আঃ এর উপর দিয়েছেন। এজন্য ইসলামে পুরুষকে প্রকাশের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে। আর নারীরা থাকবে গুপ্ত। তাই আদম আঃ থেকে আজ পর্যন্ত কোন নারীকে আল্লাহ নবী হিসেবে নির্বাচিত করেন নি। কারন নবুয়্যতের কাজ কর্ম প্রকাশ্যভাবে করতে হয়। হ্যা নারীদেরকে আল্লাহ অন্য ভাবে সম্মানিত করেছেন। সকল পুরুষের জন্মদাত্রী হিসেবে। মানে সকল কামিল ইন্সান এই নারীর মাধ্যমেই দুনিয়াতে প্রকাশিত হবেন।

সেই ধারাবাহিকতায় আজ পর্যন্ত কোন নারী পীর হয় নাই। মসজিদের ইমাম হয় নাই। কারন নারী হলো লুকানোর বিষয় গুপ্ত থাকার বিষয়। আর এইটাই আল্লাহর ইচ্ছা। আল্লাহ যা করেন আমাদের ভালোর জন্যই করেন। তা আমাদের বুঝে আসুক বা না আসুক।

16/06/2021

চিন্তা করে বলুনঃ আপনি কি নবীজীকেﷺ ভালবাসেন?

11/06/2021

জুমার দিনে করণীয়গুলো উল্লেখ করা হলো।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kingdom of Truth-সত্যের রাজত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Kingdom of Truth-সত্যের রাজত্ব:

Shortcuts

Share