প্রিয় কবিতা

প্রিয় কবিতা

Share

আপনার লেখা কবিতা ও গল্প ইনবক্স করুন।

30/04/2026

📢 মেধাবীরা কোথায়?
দেখি তো কার মাথা সবচেয়ে বেশি কাজ করে! 🧠

13/04/2026

তাহলে সেবার মান পূর্বের থেকে ভালো হবে নাকি খারাপ হবে? খুলনাবাসী মন্তব্য করে যান।

12/04/2026

প্রিয় মতিহার,
পরশু বিকালে এসেছি কোলকাতা । ওপরে ঠিকানাই আছে । ওর আগেই আসবার কথা ছিল । অসুখ বেড়ে ওঠায় আসতে পারিনি । দু-চারদিন এখানেই আছি । মনটা কেবলই পালাই পালাই করছে । কোথায় যাই, ঠিক করতে পারছিনে । হঠাৎ কোনোদিন এক জায়গায় চলে যাবো । অবশ্য দু-দশদিনের জন্য । যেখানেই যাই, আর কেউ না পাক; তুমি খবর পাবে ।

বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের “মতিহার” । বাদল রাতের বুকের বন্ধু । যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে, সেদিন অন্তত তোমার বুক বিঁধে ওঠবে । তোমার ওই ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে, যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মত জড়িয়ে শুয়েছিলে; অন্তত এইটুকু সান্ত্বনা নিয়ে যেতে পারবো । এই কী কম সৌভাগ্য আমার!
কেন এই কথা বলছি, শুনবে? বন্ধু আমি পেয়েছি । যার সাক্ষাৎ আমি নিজেই গুণতে পারবো না! এরা সবাই আমার হাসির বন্ধু, গানের বন্ধু, ফুলের সওদার খরিদদার এরা । এরা অনেকেই আমার আত্মীয় হয়ে ওঠেছে, প্রিয় হয়ে ওঠেনি কেউ । আমার জীবনের সবচেয়ে করুণ পাতাটির লিখা তোমার কাছে লিখে গেলাম । আকাশের সবচেয়ে যে দূরের তারাটির দীপ্তি চোখের জল্পনার মত ঝিলমিল করবে, মনে করো সেই তারাটি আমি । আমার নামেই তার নামকরণ করো । কেমন!

মৃত্যু এত করে মনে করছি কেন, জানো? ওকে আমাকে আজ সবচেয়ে সুন্দর মনে হচ্ছে বলে! মনে হচ্ছে, জীবনে যে আমায় ফিরিয়ে দিলে, মরলে সে আমায় বরণ করে নেবে । সমস্ত বুকটা ব্যথায় দিনরাত টনটন করছে । মনে হচ্ছে, সমস্ত বুকটা যেন ওইখানে এসে জমাট বেঁধে যাচ্ছে । ওর যদি মুক্তি হয়, বেঁচে যাবো । কিন্তু কী হবে, কে জানে!

তোমার চিঠি পেয়ে অবধি কেবল ভাবছি আর ভাবছি । কতো কথা, কতো কী! তার কী কূল-কিনারা আছে! ভাবছি আমার ব্যথার রক্তকে রঙিন খেলা বলে উপহাস যে করে, তিনি হয়ত দেবতা । আমার ব্যথার অশ্রুর বহু উর্ধ্বে । কিন্তু আমি মাটির নজরুল হলেও সে দেবতার কাছে অশ্রুর অঞ্জলি আর নিয়ে যাবোনা । ফুল ধুলায় ঝরে পড়ে, পায়ে পিষ্ট হয়; তাই বলে কী ফুল এত অনাদরে! ভুল করে সে ফুল যদি কারোর কপোলেতে খসে পড়ে, এবং তিনি যদি সেটাকে উপদ্রপ বলে মনে করেন; তাহলে ফুলের পক্ষে প্রায়শ্চিত্ত হচ্ছে, এক্ষুনি কারো পায়ের তলায় পড়ে আত্মহত্যা করা!

সুন্দরের অবহেলা আমি সইতে পারিনা, বন্ধু! তাই এত জ্বালা! ভিক্ষে যদি কেউ তোমার কাছে চাইতে আসে অদৃষ্টের বিড়ম্বনায়, তাহলে তাকে ভিক্ষে নাই দাও, কুকুর লেলিয়ে দিওনা । আঘাত করবার একটা সীমা আছে । সেটাকে অতিক্রম করলে আঘাত অসুন্দর হয়ে আসে; আর তক্ষুনি তার নাম হয় অবমাননা!
ছেলেবেলা থেকেই পথে পথে মানুষ আমি । যে স্নেহে, যে প্রেমে বুক ভরে ওঠে কানায় কানায়, তা কখনো কোথাও পাইনি ।
এবার চিঠির উত্তর দিতে বড্ড দেরি হয়ে গেলো । না জানি কতো উদ্বিগ্ন হয়েছো! কী করি বন্ধু, শরীরটা এত বেশি বেয়াড়া আর হয়নি কখনো । ওষুধ খেতে প্রবৃত্তি হয় না!

আমায় সবচেয়ে অবাক করে নিষুতি রাতের তারা । তুমি হয়ত অবাক হবে, আমি আকাশের প্রায় সব তারাগুলোকে চিনি । তাদের সত্যিকারের নাম জানিনে, কিন্তু তাদের প্রত্যেকের নামকরণ করেছি আমার ইচ্ছেমত । সেই কতো রকম মিষ্টি মিষ্টি নাম । শুনলে তুমি হাসবে । কোন তারা কোন ঋতুতে কোনদিকে উদয় হয়, সব বলে দিতে পারি ।
জেলের ভিতর যখন সলিডারি সেলে বন্দি ছিলাম, তখন গরমে ঘুম হতো না । সারারাত জেগে কেবল তারার উদয়াস্ত দেখতাম । তাদের গতিপথে আমার চোখের জল বুলিয়ে দিয়ে বলতাম, বন্ধু, ওগো আমার নাম না জানা বন্ধু! আমার এই চোখের জলের বিচ্ছিরি পথটি ধরে তুমি চলে যাও অস্তপারের পাণে, আমি শুধু চুপটি করে দেখি । হাতে থাকতো হাতকড়া! দেয়ালের সঙ্গে বাঁধা চোখের জলের রেখা আঁকাই থাকতো মুখে । আচ্ছা বন্ধু, কফোঁটা রক্ত দিয়ে একফোঁটা চোখের জল হয়? তোমাদের বিজ্ঞান বলতে পারে? এখন শুধু কেবলই জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, যার উত্তর নেই, মীমাংসা নেই; সেই সব জিজ্ঞাসা।

যেদিন আমি ওই দূরের তারার দেশে চলে যাবো; সেদিন তাকে বলো, এই চিঠি রেখে সে যেন দুফোঁটা চোখের অশ্রুর দর্পণ দেয় শুধু আমার নামে । হয়ত আমি সেদিন খুশিতে উল্কা ফুল হয়ে তার নতুন খোঁপায় ঝরে পড়বো । তাকে বলো, বন্ধু । তার কাছে আমার আর চাওয়ার কিছু নেই । আমি পেয়েছি, তাকে পেয়েছি । আমার বুকের রক্তে, চোখের জলে । আমি তার উদ্দেশ্যে আমার শান্ত, স্নিগ্ধ অন্তরের পরিপূর্ণ চিত্তের একটি সশ্রদ্ধ নমস্কার রেখে গেলাম । আমি যেন শুনতে পাই, সে আমায় সর্বান্তকরণে ক্ষমা করেছে । ফুলের কাঁটা ভুলে গিয়ে তার উর্ধ্বে ফুলের গন্ধই যেন সে মনে রাখে ।

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । স্বপ্ন দেখে জেগে ওঠে আবার লিখছি । কিন্তু আর লিখতে পারছিনে, ভাই! চোখের জল, কলমের কালি দু-ই শুকিয়ে গেলো । তোমরা কেমন আছো, জানিও । তার কিছু খবর দাওনা কেন? নাকি সে মানা করেছে? ঠিক সময় মতো সে ওষুধ খায় তো? কেবলই কিটসকে স্বপ্ন দেখছি । তার পাশে দাঁড়িয়ে ফেমি ব্রাউন পাথরের মত । ভালোবাসা নাও।

ইতি
তোমার নজরুল।

12/04/2026

কে পারবা?

30/12/2025
10/12/2025

✨ আপনার প্রিয় মানুষের ছবি দিয়ে তৈরি করুন ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার! ✨
📅 পরিবারের বা পছন্দের মানুষের ছবি দিয়ে বানানো ক্যালেন্ডার এখন দারুণ জনপ্রিয় ও স্মরণীয় একটি উপহার।

🖼 ক্যালেন্ডার সাইজ (Standard):
🔹 ওয়াল ক্যালেন্ডার: 12" x 18"
🔹 ডেস্ক ক্যালেন্ডার: 6" x 8"

🌟 যা যা পাবেন:
✔ আপনার দেয়া ছবি দিয়ে সম্পূর্ণ কাস্টম ডিজাইন
✔ হাই-কোয়ালিটি প্রিন্ট
✔ প্রতিটি মাসে আলাদা ছবি
✔ ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত—দুটোর জন্যই পারফেক্ট

📸 শুধু ছবিগুলো দিন —
আমরা বানিয়ে দেবো একদম প্রিমিয়াম লুকিং ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার।

👉 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন অথবা ফোন করুন ০১৭২৪৯৮৯৪৭৮ নাম্বারে।
স্মৃতিগুলোকে রাখুন চোখের সামনে—সারা বছর জুড়ে! ❤️📅

07/12/2025

স্যার_যখন_রোমান্টিক_হাজবেন্ড
_পর্ব_১
স্বপ্নীল_আজিম

স্যারের ঠোঁ*ট আমার ঠোঁ-টের খুব কাছে।
তাই আমি যখন বন্ধ করে নিলাম। কারণ এরপর কি হবে সেটা আমি খুব ভালো করেই জানি।
কিন্তু অজানা কোন এক ভয় আমার মধ্যে কাজ করছে কি হচ্ছে সেটা ভেবে হয়তো।
ভালোবাসার মানুষের ঠোঁটের স্পর্শ পাবো তার মধ্যে আমি আনন্দিত কিন্তু তারপরও কাঁপা কাঁপা একটা অনুভূতি আমার মধ্যে কাজ করছে

আজ আমার বিয়ে। খুব খুশি লাগছে।এই
দিনটার জন্য আমি কতকাল প্রতীক্ষায়
ছিলাম। কারণ আমার দীর্ঘ ৩ বছরের
প্রেমের পূর্ণতা পাবে এই বিয়ের
মাধ্যমে।আমার আর সাগরের দীর্ঘ ৩ বছর
ধরে প্রেম। আমি যখন অনার্স ২য় বর্ষে
উঠি তখন থেকেই আমার মা বাবা আমার
বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
মা বাবা জিজ্ঞেস করেছিল আমি
কাউকে পছন্দ করি কিনা?যদি করে থাকি
তাহলে তা যেন আমি তাদের নির্ভয়ে
বলি।আমার পছন্দের কোন ছেলে থাকলে
তারা আমাকে তার সাথে বিয়ে দিতে
রাজি আছে।আমি সেদিন মা বাবাকে
আমার আর সাগরের রিলেশনের কথা বলে
দিলাম।তারা ও আমাদের প্রেম মেনে
নিল।আমি খুব সৌভাগ্যবতী এমন মা বাবা
পেয়ে যারা আমার উপর তাদের পছন্দের
ছেলেকে বিয়ে দেওয়ার জন্য
কোনপ্রকার চাপ না দিয়ে আমার
পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েছে। অন্য ছেলের
সাথে কেন রিলেশন করছি,রিলেশন কত
বছর ধরে চলছে সেসব জিজ্ঞাসা না করে
তারা শুধু এতটুকুই জানতে চাইল ছেলের
নাম কি? ভাবাও যায় এমন মা বাবা আজও
আছে।

ইচ্ছে করলেই তারা আমাকে অনেক
বকাঝকা দিতে পারত,কথা শুনাতে পারত
কিন্তু না তারা সেটা করে নি। আমি
জানি তারা কেন সেটা করে নি কারণ
তারা আমাকে অনেক বিশ্বাস করত আর
যাই হোক তাদের মেয়ে তাদের বিশ্বাস
নিয়ে খেলবে না আর ভুল পথে পা
বাড়াবে না। আমার সুখেই তাদের সুখ।
তাই তারা আমার সুখের জন্য সাগরকে
মেনে নিয়েছে।আমিও আজীবন সেই
চেষ্টা করে গেছি যাতে আমার জন্য
তাদের সম্মানহানি না হয়। সেজন্য আমি
আমার রিলেশনে সবসময় সতর্কতা অবলম্বন
করেছি। আমার আর সাগরের পরিবারের
সম্মতিতে আমাদের বিয়ের তারিখ ঠিক
করা হল। আমার আর সাগরের স্বপ্ন পূরণ
হতে যাচ্ছে । ওর আর আমার টুনাটুনির
সংসার হবে।ভাবতেই খুব ভাল লাগছে।
আমার বিয়েটা গ্রামের বাড়িতে হবে।মা
বাবার খুব ইচ্ছা বিয়েটা যাতে আমাদের
নিজের গ্রামের বাড়িতে হয়।আমার ইচ্ছা
তারা কোন প্রশ্ন ছাড়াই পূরণ করতে
যাচ্ছে আমি তাদের এই সামান্য আবদার
রাখতে পারব না তা কেমন করে হয়।
তাদের ইচ্ছায় বিয়েটা গ্রামে অনুষ্ঠিত
হবে।ভার্সিটিতে আমার সবচেয়ে বেস্ট
ফ্রেন্ড তাসপিয়াকে বিয়ের দাওয়াত
দিলাম।বাকি আর কাউকে এই খবর বলে
নি। বান্ধবীকে বিয়ের দাওয়াত দেওয়ার
পর ক্লাস থেকে যখন বের হতে যাব তখনি
আমাদের ভার্সিটির সবচেয়ে হ্যান্ডসাম,
গুড লুকিং তন্ময় স্যারের সামনে পড়লাম।
উনি হচ্ছেন আমাদের ভার্সিটির সব
মেয়েদের ক্রাশ। পড়ালেখায় খুব ভালো
হওয়ায় আর তাড়াতাড়ি গ্রেজুয়েশন
কমপ্লিট করায় অল্প বয়সেই ভার্সিটিতে
শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে যান। উনি
আমার কাছে এসে আমাকে দাঁড়াতে
বললেন। মেঘ দাঁড়াও।
জ্বী স্যার।

শুনলাম তোমার নাকি ৩ দিন পরে বিয়ে।
কথাটা কি সত্যি?
জ্বী স্যার।
আমার মুখ থেকে হ্যা শব্দ শুনায় মনে হল
উনার চিন্তাগ্রস্ত মুখে মেঘের ছায়া
নেমেছে। প্রতিদিন যাকে
হাস্যউজ্জ্ব-লভাবে থাকতে দেখি আজ
তার মুখটা কেমন যেন বিষাদে ছেয়ে
গেছে।মুখটা শুকিয়ে কেমন ফ্যাকাশে
হয়ে গেছে।উনি গম্ভীর মুখে বললেন
তোমার বান্ধবীকে বিয়ের দাওয়াত
দিলে অথচ আমাকে দাওয়াত দিলে না?
আমাকে কি তোমার বিয়ের দাওয়াত
দেওয়া যেত না!!
স্যারের কথায় কিছুটা অবাক হলাম।স্যার
আমার বিয়ের কথা কেমন করে জানল?
আমিতো শুধু তাসপিয়াকে আমার বিয়ের
দাওয়াত দিছি।আমার বিয়ের কথাতো
একমাত্র ওই জানে।বুঝছি শয়তানীরটা
পেটে কিচ্ছু থাকেনা।স্যারের সাথে ওর
বন্ধুসুলভ সম্পর্ক তাই হয়ত স্যারকে গড়গড়
করে সব বলে দিছে।
মেঘ কি ভাবছ?আমার প্রশ্নের উত্তর
দিলে না যে?
না স্যার… আসলে আমার বিয়েটা
আমাদের গ্রামের বাড়িতে হচ্ছে।
আপনাকে দাওয়াত দিতাম কিন্তু আবার
ভাবলাম আপনি ওতদূরে যাবেন না তাই
আর কি?
তোমার গ্রামের বাড়িতে বিয়ে হোক বা
যেখানে বিয়ে হোক অন্তত দাওয়াততো
দিতে পারতে?সম্ভব হলে যেতেও পারি।
বিয়েতো আর বাংলাদেশের বাইরে হচ্ছে
না।এইখানেই হচ্ছে। তোমার বিয়েতে
আমি যেতে চাই। আমাকে আমন্ত্রণ করা
যাবে?

খুব লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম সেদিন।
আসলেই তো দাওয়াত দিলে বা কি এমন
হত?কমপক্ষে এরকম লজ্জায় তো আর
পড়তাম না।খুব ভুল করে ফেলেছি।
মেঘ কোথায় হারিয়ে যাও একটু পর পর।
দেখ তুমি দাওয়াত না দিলেও কিন্তু আমি
তোমার বিয়েতে আসছি। মেঘ তোমার
বিবাহিত জীবন সুন্দর আর সুখের হোক এই
দুয়া করি কথাটা বলতে গিয়ে উনার
গলাটা কেঁপে উঠল।
জ্বী স্যার আপনি আমার বিয়েতে আসলে
আমিও খুব খুশি হব। এই কথাটা বলতে
গিয়ে স্যারের চোখে তাকালাম।অসম্ভব
লাল হয়ে গেছে ইতিমধ্যে উনার চোখ।
চোখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না।
আমি আবার চোখ সরিয়ে নিলাম।আজকে
স্যারের ব্যবহার খুব আজব ছিল। যাইহোক
এইসব ভেবে কাজ নেই।আজকে বাড়িতে
যাব। বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান করা হচ্ছে।
সবাই খুব হাসিখুশি।আত্মীয়স্বজন ও চলে
এসেছে।পুরো বাড়িতে হৈ-হুল্লড় অবস্থা।
সবার সাথে হাসিখুশিতে কেমন করে যে
দিনগুলো পাড় হয়ে গেল টের পেলাম না।
অবশেষে সে প্রতীক্ষিত দিন হাজির হল।
তাসপিয়া বিয়েতে আসতে পারেনি। ওর
মা নাকি খুব অ-সুস্থ তাই আর ওর আসা হল
না।মনটাই খা*রাপ হয়ে গেল।কিন্তু
বিয়েতে স্যার এসেছে।মা বাবা খুব খুশি
হয়েছে আমার বিয়েতে স্যার আসায়।
স্যার আমার বিয়েতে আসবে সেটা আমার
ভাবনার বাইরে ছিল।বিয়েতে আসতে না
আসতে আমার মা বাবার সাথে উনি গল্প
জুড়িয়ে দিয়েছেন।আর আমার মা বাবাও
স্যারের সাথে অনেক ফ্রী হয়ে গেছে।
কিন্তু আমার জানি কেমন লাগছে।
ক্লাসেও স্যারের সামনে থাকতে
আনইজি লাগে।আর স্যার এখন আমার
বিয়েতে উপস্থিত এখন আরও বেশি
অস্বস্তিকর লাগছে।
পার্লার থেকে লোক আনা হয়েছে
আমাকে সাজানোর জন্য। সবাই এখন
আমাকে সাজাতে ব্যস্ত। এত্ত বিরক্তিকর
লাগছে।সাজগোছ জিনিসটা আমার
বরাবরই অপছন্দের।পুরো ২ ঘন্টা
পার্লারের লোকেরা আমাকে তাদের
মনমতন সার্কাসের জোকারের মতন
সাজিয়ে দেওয়ার পর ক্ষান্ত হল।আর
আমিও এদের অত্যাচার থেকে মুক্তি গল্পের পরবর্তী অংশ সবার আগে পড়তে ব্যর্থ প্রেমের গল্প পেজটি ফলো করুন ধন্যবাদ
পেলাম।বিয়ে বাড়িতে সবাই এখন ব্যস্ত।
আমি রুমে একা বসে আছি। হঠাৎ আমার
মোবাইলে একটা মেসেজ আসল।সাগরের
পাঠানো মেসেজ।এই মেসেজ দেখে
আমার পুরো দুনিয়া উল্টিয়ে গেল।আমার
সাগর আমার সাথে এমন করবে আমি
স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।এ কিছুতেই
আমার সাগর হতে পারে না।
ওর এই মেসেজ পড়ে আমার মাথা ব্যথা শুরু
হয়ে গেছে। মেসেজে এই লিখা ছিল।

চলবে?????

22/07/2025

বিমান দুর্ঘটনায় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন মা.. 😪
তিনি শ্রেণিকক্ষের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন..
ধোঁয়ার মধ্যে, আগুনের ভয়ানক গ্রাসে…
নিজের জীবন বাজি রেখে কেবল একটাই চিন্তা মেয়ে কোথায়?
কিন্তু বিধাতার নির্মমতা..
তার আগেই ছোট্ট মেয়ে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে যায়
কিন্তু মা? ফিরলেন না...
এই পৃথিবীতে মায়ের ভালোবাসার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি যেন এক জীবন্ত প্রার্থনার নাম…
যিনি নিজের জীবন দিয়েও সন্তানকে বাঁচিয়ে যান।

আজ মাথা নত হয়ে আসে এমন আত্মত্যাগের সামনে।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল সেই সব মায়েদের প্রতি…
যারা নিঃশব্দে হয়ে উঠেন সন্তানদের বেঁচে থাকার কারণ। ❤️

21/07/2025

দ-গ্ধ শ-রী-রে শিশুদের বাঁচানোর চেষ্টা করা শিক্ষিকা মাহেরীন মিস আর বেঁচে নে-ই..মাতা-পিতার পরেই শিক্ষকের স্থান..এটাই তার প্রমাণ 💔

21/07/2025

উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আহতদের সংখ্যাও জানিয়েছে আইএসপিআর।

১. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল: আহত ৮ জন, নিহত নেই

২. জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট: আহত ৭০ জন, নিহত ২

৩. ঢাকা মেডিকেল: আহত: ৩, নিহত ১

৪. সিএমএইচ-ঢাকা: আহত ১৭, নিহত ১২

৫. কুর্মিটোলা জেনারেল হসপিটাল: আহত ১, নিহত ২

৬. লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টার, উত্তরা: আহত:-১১ নিহত: ২

৭. উত্তরা আধুনিক হসপিটাল: আহত ৬০, নিহত ১

৮. উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল: আহত: ১, নিহত নেই।

এই ৮ হাসপাতালে মোট আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ১৭১ জন। নিহত ২০ জন।

Want your school to be the top-listed School/college in Gazipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Gazipur