29/01/2025
রোহিঙ্গা মুসলমানদের খৃ"স্টান বাননোই এখন মি"শনারী গুলোর প্রধান টার্গেট। দেখুন তাদের দাওয়াহ এক্টিভিটি। শুধু উখিয়া টেকনাফের বাসিন্দা এই রোহিঙ্গারাই নয় এদেশের আনাচে কানাচে এমন আরও অনেক মি"শনারী কাজ করে যাচ্ছে যাদের মূল টার্গেট এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সুকৌশলে ধ"র্মহীন করা কিংবা বি"ধর্মী করা। দেশের উত্তরাঞ্চল আর পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এসবের প্রসারতা দিন দন বৃদ্ধি পাচ্ছে।।অথচ মু"সলিম অধ্যুষিত দেশ হয়েও আলেমরা এভাবে দাওয়াহ কার্যক্রম করতে পারে না। তারা সুকৌশলে এদেশের মানুষের মাঝে ত"ন্ত্র-ম'ন্ত্রের ছোয়া লাগিয়ে তাদের কে নববী মানহাজ থেকে বেরিয়ে এখন বিভিন্ন দলে খণ্ডিত করে বিভক্ত করে রেখেছে। এবং এ কাজে তারা বেশ সফল।সমস্ত বিভক্তি ভুলে এক উম্মাহর কাতারে এসে নির্দলীয় ভাবে কাজ করার মানষিকতায় যতদিন না এই ভূখণ্ডের মুসলিমরা নিজেদের একমাত্র পরিচয় মুসলিম ও একমাত্র দল ইসলাম এই পরিচয়ে এক কাতারে আসতে পারবে না ততদিন এই ভূখণ্ডে দ্বী'ন বিজয়ের সময় কালবিলম্ব হতে থাকবে।
এ দেশে কি এমন কোন আলিম নেই যারা তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে বিজ্ঞ..? যারা এসব বিষয়ে ফোকাস করে কাজ করবে..? এখনো কি এসব নিয়ে কাজ করা জরুরী নয়..? রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আলেমদের মধ্যে দাওয়াহর প্রসারতা বাড়িয়ে তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে এসব জায়গা গুলোতে কি দাওয়াতি কাজ শুরু করা জরুরী নয়..? মিশনারী গুলো করতে পারলে এদেশের আলেম সমাজ কেন বসে থাকবে..? কেন তারা নিজেদের আত্মপরিচয়ের সংকটে ভোগে.? তাদের অতিত ইতিহাস কি এমন ছিল? সেই ইতিহাস কি স্মরণীয় নয়..?
হে মুসলিম জাতী, আছে কি এসব প্রশ্নের উত্তর..?
আপনার ভাইদের কে অমুসলিম বানিয়ে ফেলা হচ্ছে। আপনি কি এখনো আপনার মধ্যে থাকা ইলম কে কুক্ষিগত করে রেখে ঘরেই বসে থাকবেন..? নাকী এখনই দ্বীনের মেহনতে নেমে পড়বেন..?