19/09/2026
কেউ সবার সামনে খোঁচা দিল। মনে হলো, এখনই জবাব না দিলে সবাই দুর্বল ভাববে।
তুমিও পাল্টা কিছু বললে। সে কি চুপ করল? না। আরও কড়া একটা কথা বলল।
এবার চুপ করা আরও কঠিন।
কথা বাড়ল। মেজাজ খারাপ হলো। বাসায় ফিরেও মাথায় ঘুরছে, আর কী বলা যেত।
মানুষটা একটা খোঁচা দিয়েছিল। বাকি দিনটা গেল সেই কথার জবাব সাজাতে।
আরেকটা কেইস বলি,
কাল পরীক্ষা। আজ বন্ধুর মেসেজ, “সাহস থাকলে একটা ম্যাচ খেল।”
তুমি বললে, “আজ না।” উত্তর এল, “হারবি বলে ভয় পাচ্ছিস?”
ব্যস। বই বন্ধ। এখন তাকে হারিয়ে দেখাতেই হবে।
একটা ম্যাচ থেকে তিনটা হলো। জিতলেও হয়তো। কিন্তু যে অধ্যায়টা শেষ করার কথা ছিল, সেটা আর পড়া হলো না।
বন্ধু একটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল। সেটা গ্রহণ করা জরুরি ছিল না।
আবার ধর,
কেউ দামি ফোন কিনল। তোমার ফোন নিয়ে হাসাহাসি করল।
হঠাৎ নতুন ফোন কেনার তাড়া লাগল। অথচ একটু আগেও নিজের ফোন নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না।
প্রয়োজনটা কি সত্যিই বদলেছে? নাকি তার চোখে ছোট না হওয়ার চেষ্টা চলছে?
কোনো প্রতিযোগিতার ঘোষণাই হয়নি। কিন্তু নিজের ভেতরে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে।
এই সব গল্পের মিল এক জায়গায়,
কোনো চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে মানেই সেটা নিতে হবে না।
কেউ তুলনা করেছে মানেই সেই মাপকাঠিতে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে না।
বুঝতে হবে যে লড়াইটা কি সত্যিই আমার কিনা
জিতলে কী পাব? এর জন্য কি স্যাক্রিফাইস করতে হবে?
একটা ম্যাচে জেতা আনন্দের। কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতের দুই ঘণ্টার কি আর ফেরত পাবে?
ম্যাচ তো ছুটির দিনেও ঠিক করা যেতে পারে।
প্রথমবার “আজ খেলব না” বলার পরও বন্ধু হাসতে পারে।
কিন্তু বন্ধুর এই টিটকারী মার্কা হাসির থেকে তোমার সময়ের মূল্য পরীক্ষার আগের রাতে অনেক বেশি।
তার কাছে হয়তো মনে হবে তুমি ভয় পেয়েছ। সেটা বদলাতে গিয়ে নিজের প্রস্তুতি নষ্ট করার প্রয়োজন নেই।...