02/11/2015
“আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুমিনদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাস্তায় অতঃপর মারে ও মরে।”
(সূরা তাওবা-১১১)
"তোমাদের মধ্য হতে একটি জামাত এমন হওয়া জরুরী, যারা মঙ্গলের দিকে আহবান করবে, সৎ কাজে আদেশ করবে ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে, তারাই পূর্ণ কামিয়াব হবে।"
(সূরা আল ইমরান-১০৪)
তোমরা চিন্তিত হয়োনা, তোমরা হতাশ হয়োনা ,তোমারাই বিজয়ী হবে, যদি তোমারা মুমিন হও।
(সুরা আল ইমরান)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলতেনঃ
"দুনিয়ার প্রতি আমার কোন আকর্ষণ নেই এবং দুনিয়ারও আমার প্রতি কোন ভালোবাসা নেই। আমি দুনিয়ায় সেই আরোহীর মত, যে কোন গাছের ছায়ায় একটু বিশ্রাম করে আবারও সে ছায়া ছেড়ে চলে যায়।"
(তিরমিযী-২৩৭৭, ইবনে মাজা-৪১০৯)
রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেন, "যে ব্যক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্যপূর্ণ কাজ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে অর্থাৎ তার হাশর-নাশর তাদের সাথেই হবে"
(আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৩৪৭ ‘পোষাক’ অধ্যায়)
আবু উমামা রা: সুত্রে বর্ণিত রাসুল সা: বলেছেন ”যে নিজে যুদ্ধ করেনি অথবা কোন মুজাহিদকে যুদ্ধের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে দেয় নি অথবা মুজাহিদ পরিবারের উপকার করেনি আল্লাহ কিয়ামতের পূর্বে তাকে কঠিন বিপদে ফেলবেন" (আবু দাউদ ২৫০৩) (আলবানী তাহকিক হাসান)
আবু হুরায়রা রা: সুত্রে বর্ণিত রাসুল (সা:) বলেছেন "যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় মারা গেল যে যুদ্ধ করেনি অথবা মনে যুদ্ধের তীব্র আকাঙ্খা রাখেনি তবে সে মুনাফিক অবস্থায় মারা গেল" (আবু দাউদ ২৫০২) (আলবানী তাহকিক সহিহ) (সহিহ মুসলিম)
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাঃ) - কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ইয়া রাসূল (সাঃ)! কোন কাজ সর্বোত্তম?
তিনি বললেন, ‘সময় মত সালাত (নামায) আদায় করা, আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন,
‘আল্লাহর পথে জিহাদ (সহীহ বুখারি-২৫৯১অধ্যায়ঃ৪৮)
"যে ব্যক্তি সত্য অন্তর নিয়ে আল্লাহর নিকট শাহাদাত প্রার্থনা করবে, তাকে আল্লাহ তা'আলা শহীদদের মর্যাদায় পৌঁছাবেন; যদিও তার মৃত্যু নিজ বিছানায় হয়।" [মুসলিমঃ ১৯০৯; রিয়াদুস স্বা-লিহীনঃ ৫৮]