Suddo Media/শুদ্ধ মিডিয়া

Suddo Media/শুদ্ধ মিডিয়া

Share

সত্যের সন্ধানে অগ্রণী ভূমিকায়, শুদ্ধ মিডিয়া সবসময় এগিয়ে।।।

10/07/2025

🎓 এসএসসি / SSC রেজাল্ট চেক করুন এখনই! ✅

আপনার কাঙ্ক্ষিত পরীক্ষার ফলাফল এখন ঘরে বসেই মাত্র ১ মিনিটে দেখে নিন!✅

দু'টি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজেই রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে—

🔗 ১. সরকারি সাইট:
👉 educationboardresults.gov.bd

➡️ রোল, রেজি নম্বর ও বোর্ড দিয়ে রেজাল্ট চেক করুন।

🔗 ২. মার্কশীটসহ দ্রুত সাইট:
▶️ eboardresults.com
➡️ বিস্তারিত মার্কশীট, ইনস্টিটিউট রেজাল্টসহ।

✅ যেভাবে রেজাল্ট চেক করবেন:
• Examination, Year, Board, Roll, Reg. No. পূরণ করুন
• Captcha পূরণ করে Submit দিন
• সাথে সাথেই ফলাফল পেয়ে যাবেন!

⏰ ওয়েবসাইটে ভিড় থাকলে একটু অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন।

📣 বন্ধুরাও যেন মিস না করে — শেয়ার করে দিন!

✅কোনো সমস্যা হলে টেলিগ্রামে আমাদের মেসেজ দিন – সাহায্য করতে আমরা আছি!

educationboardresults.gov

25/06/2025

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঋণ মুক্ত জীবন যাপন করার তৌফিক দান করুন।

23/05/2025

খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

10/08/2024

চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য জেনে রাখা ভালো!!
ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস এর জীবনবৃত্তান্ত:

জন্মঃ ২৮ জুন, ১৯৪০

অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

# পরিবার-

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।

# শিক্ষা জীবন-

তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

# কর্ম জীবন-

১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাং

05/08/2024

জরুরী লাল সতর্ক (Emergency Red Alert: বার্তা...

শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার (After 24 hours of Resignation of PM) মধ্যে দেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটানো হবে যেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকারীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এজন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়োগ দিয়ে হাসিনার তৈরি করা একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) অধীনস্ত থাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (পিমও) প্রায় ৫০০ সদস্য। তাদের পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

Task 1. হাসিনার পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কিছু বিভৎস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সেখানে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা। Goal: মূলত এই আন্দোলন জামাত-শিবির করেছে সেটা বিশ্বের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে করা হবে।

Task 2. সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা-হত্যা-লুটপাট করা হবে। সেগুলো ভিডিও ও ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করা হবে। Goal: হাসিনা ছাড়া কারো কাছে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় প্রমাণ করা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করা।

Task 3. বিদ্যুৎকেন্দ্র, বড় সেতু, কারখানা বা এমন অনেক স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়া। Goal: মেরামত করতে পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সরকার যেন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়।

- দ্রুত দেশবাসীর কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার। আজ রাতে যেন সংখ্যালঘুদের পাহারা দেয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা দরকার। আন্দোলনের সমন্বয়কদের এই ২৪ ঘণ্টা সরকার গঠনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত রাখা হবে। এর মধ্যে সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলা হবে।

30/04/2024

[ একটু আগে দেওয়া পোস্টটা ফেইসবুক নিজ থেকে ডিলেট করে দিয়েছে কোনো ধরণের নোটফিকেশন ছাড়াই৷ ওরা মনে হয় বুঝতে পেরেছে এই অ্যাপ ব্যবহার করলে ওদের অ্যাড আর হারাম কন্টেন্ট কনজিউমার কমে যাবে—তাই। সরাসরি পোস্টে লিঙ্কটা দিলাম না৷ আগের মতো কমেন্টে দিলাম সব। ]


কোনো সন্দেহ নেই যে—ফিতনা-কালের চরম উর্বর সময়টা অতিক্রম করছি আমরা। চারপাশে হারামের এতো এতো ছড়াছড়ি যে, হাজার চেষ্টা করেও যেন এসব থেকে নিষ্কৃতি মিলানো সেরকম দুষ্কর, হাদিসের ভাষায় যেরকম দুষ্কর বলা হয়েছিল হাতের তালুতে আগুনের কয়লা ধরে রাখার বিষয়টাকে। ফিতনা এখন হাতের মুঠোয়—ফোন খুললেই যেন হুড়মুড় করে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে চোখের সামনে।

ফিতনার এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে আমাদের চেষ্টারও অন্ত নেই। আমরা মোবাইল কম ব্যবহার করি, হারাম কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকি, হারাম ছড়ায় এমন ব্যক্তি থেকেও রাখি নিরাপদ দূরত্ব। কিন্তু, এতোসব চেষ্টা তদবিরের পরও কি আমরা আদৌ নিরাপদ? আদৌ কি আমরা সকল হারাম কন্টেন্ট আর তার নির্মাতাদের এড়িয়ে যেতে পারি?

সেটা সম্ভব হয় না, কারণ এসব হারাম যারা বানায় আর যারা ছড়ায়, তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত এসবের সাথে। সুতরাং আমি আর আপনি দেখতে না চাইলেও আমাদের টাইমলাইনে, আমাদের ভিডিওর মধ্যে, আমাদের পড়তে থাকা আর্টিকেলের মধ্যে তারা কখনো ‘সাজেশান’ অথবা কখনো ‘পুশ’ নোটিফিকেশন আকারে সেসব হারাম কন্টেন্ট আর তার উৎসকে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়।


স্ক্রীনের এই হারাম দেখা থেকে বাঁচার দুটো উপায় হতে পারে। প্রথম উপায়—স্মার্টফোন ব্যবহারটাই বাদ দেওয়া। কিন্তু আমরা জানি, স্মার্টফোন বর্তমানে আমাদের জীবনের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে, এটাকে বাদ দিয়ে কাজ আর জীবনকে অনেকপর্যায়ে কল্পনাও করা যায় না ।

দ্বিতীয় উপায় হলো—এমন কোনো প্রযুক্তির দ্বারস্থ হওয়া যারা আমার সামনে আসা হারাম জিনিসগুলোকে আটকে দেবে।
কিন্তু, মুসলিম-ফ্রেণ্ডলি এই প্রযুক্তি কোথায় পাবেন আপনি, তাই তো?

আপনার জন্য সেরকম একটা প্রযুক্তি নিয়েই হাজির হয়েছে কাহাফ গার্ড।

কাহাফ গার্ড অ্যাপটা ডাউনলোড করে যদি আপনি ফোনে কানেক্ট করে রাখেন, তাহলে এর DNS সিস্টেম ভার্চুয়াল জগতের মিলিয়ন মিলিয়ন হারাম কন্টেন্ট আপনার সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

অর্থাৎ, আপনি যখন কোনোকিছু সার্চ দেন ইউটিউব অথবা গুগলে, তখন সাজেশানে এমন অনেক ভিডিও বা ওয়েবসাইট অথবা আর্টিকেল লিঙ্ক চলে আসা যার মধ্যে হারাম কন্টেন্ট বিদ্যমান। কাহাফ গার্ড সেসমস্ত হারাম উৎসগুলোকে আপনার সামনে আসতে দিবে না।

কাহাফ গার্ড আরো যেসব সুবিধা আপনাকে দেবে:

০১. কোনো ধরণের হারাম বিজ্ঞাপন আপনার সামনে শো করবে না। আর, বিজ্ঞাপন ব্যতীত যেকোনো ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হয় । ফলে, আপনার জন্য যেকোনো সাইটে এক্সেস নেওয়া আগের চাইতে সহজতর হবে।

০২. ৫.৫ মিলিয়ন হারাম ওয়েবসাইট আপনার সামনে আসা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বাই ডিফল্ট। ফলে, গুগল বা অন্যান্য ব্রাউজার আমাদের সামনে রেগুলার বেইসিসে যেসব হারাম ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট শো করতো, সেসবের অধিকাংশই আর আসতে পারবে না।

০৩. ইসলামের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ায় বা ইসলামবিদ্বেষ প্রচার করে এমন এন্টি-ইসলামিক ওয়েবসাইটগুলোকে কাহাফ গার্ড ব্লক করে দেবে।

০৪. পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইট, অশ্লীল ওয়েবসাইট, জুয়া বা প্রতারণা টাইপ ওয়েবসাইট, ফিশিং বা ড্রাগ ওয়েবসাইট সহ যাবতীয় হারাম ওয়েবসাইট ব্লক করে দেবে এই কাহাফ গার্ড।

০৫. গুগল/Bing এ দিবে সেইফ সার্চ নিশ্চয়তা যা অশ্লীল কন্টেন্ট সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

০৬. ইউটিউবে অ্যাডাল্ট বা অশ্লীল ভিডিও ব্লক করবে।


মোস্ট ইন্টারেস্টিংলি, কাহাফ গার্ড অ্যাপ একদম ফ্রি এবং অ্যাড মুক্ত অ্যাপ । শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নিরাপদ এবং হারাম মুক্ত ইন্টারনেট নিশ্চিত করাই এই প্রজেক্টের একমাত্র লক্ষ্য।

কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কগুলো থেকে Kahf Guard অ্যাপটা নামিয়ে নিন। অথবা, প্লে-স্টোর/অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Kahf Guard লিখলেই পেয়ে যাবেন অ্যাপটি।


কাহাফ গার্ড ব্যবহার করুন এবং দূরে থাকুন ইন্টারনেটের যাবতীয় হারাম কন্টেন্ট থেকে । নিজে ব্যবহার করুন, সাথে নিজের পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সহ সকলকে কাহাফ গার্ড ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করুন ।

আলহামদুলিল্লাহ, এতোবড় এই প্রজেক্টে আমার খুব ক্ষুদ্র আকারে হলেও কন্ট্রিবিউশান থাকছে—সেটাই মহা আনন্দের 💚

আমাদের ইন্টারনেট হোক অশ্লীলতা মুক্ত 💚আরিফ আজাদ

10/04/2024

"ঈদ মোবারক" কথাটি ঈদের শুভেচ্ছা হিসেবে আমাদের মাঝে প্রচলিত হলেও রাসুল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবাগন কিন্তু এমনটা বলতেন না! বরং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীরা ঈদের দিন একে অপরকে অভ্যর্থনা জানাতে বলতেন-
"তাকাব্বালাল্লহু মিন্না ওয়া মিনকুম" বাক্যটি ব্যবহার করতেন।
تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
অর্থঃ আল্লাহ আমাদের এবং তোমাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন।"
-- [ফাতহুল বারি, অধ্যায়-২, পৃ. ৪৪৬]

28/02/2024

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহ্'র সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।

একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে এসে অনুরোধ করলো, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন মূসা আলাইহিসসালাম যাতে আল্লাহকে অনুরোধ করেন আর আল্লাহ তাকে সন্তান দান করেন।

মহিলাটি বিবাহের পর অনেকদিন হয়ে গিয়েছিল, মনেপ্রাণে তিনি মা হতে চাচ্ছিলেন। মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে চাইলেন। আল্লাহ জবাব দিলেন- সেই মহিলা বন্ধ্যা, সে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। মূসা আলাইহিসসালাম মহিলাকে এ কথা জানালে সে চলে গেলো।

আমি বা আপনি যদি আল্লাহর কাছ থেকে এব্যাপারে জানতে পারতাম, আমরা হয়তো থেমেই যেতাম। আমরা অনেকে তো কিছুদিন দু'আ করেই হতাশ হয়ে যাই আর নালিশ জানাই। অনুযোগ করে বলে ফেলি- আল্লাহ কখনোই আমার দু'আ শুনেন না। কিন্তু ওই মহিলা ক্রমাগত আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছিলো। সে অকাতরে, বিনীত ও বিনম্রভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে থাকলো। কখনো দু'আ করা বাদ দিলোনা।

এরপর একদিন তিনি দ্বিতীয়বার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে গিয়ে বললেন, "আপনার প্রভুকে বলুন, হে মূসা!"

মূসা আলাইহিসসালাম জানালেন- আল্লাহ একই জবাব দিয়েছেন, আপনি বন্ধ্যা।

এভাবে তিনি তিনবার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে অনুরোধ জানিয়ে প্রত্যাখ্যান হলেন। প্রতিবারই একই উত্তর পেলেন- তিনি বন্ধ্যা, সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

তিনি চতুর্থবার মূসা আলাইহিসসালাম এর সাথে দেখা করলেন। কিন্তু, এবার তার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো। তার হাত ধরে নারছিলো আরেকটি শিশু। তিনি বললেন, "দেখুন মূসা! আল্লাহ আমাকে দুটো সন্তান দান করেছেন।"

মূসা আলাইহিসসালাম বিব্রতবোধ করলেন। আল্লাহকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনি তিনবার আমাকে জানালেন যে, সে বন্ধ্যা, তার সন্তান হবেনা। কিন্তু তারপর আপনি তাকে সন্তান দান করলেন!"

আল্লাহ জবাব দিলেন, "প্রত্যেকবার যখন আমি লিখে রাখি যে সে বন্ধ্যা, তখনই সে দু'আ করছিলো আর বলছিলো: 'হে দয়াময়! হে দয়াময়!"

আল্লাহ বলেন- হে মূসা, তখন আমার দয়া তার জন্য নির্ধারিত তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।

(শিক্ষা: ক্রমাগত দুয়া তাকদীরকে উত্তম কিছু দ্বারা পরিবির্তন করে দিতে পারে।)



- শাইখ মূসা জিবরীল
বই: বিপদ যখন নিয়ামত

31/12/2023

আমি মুসলিম তাই

23/12/2023

২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে রিয়াজ নতুন গাড়ি কিনেছে। একদম ঝকঝকে সিলভার কালারের গাড়ি। গাড়ি দেখে স্ত্রী, দুই সন্তান আর বাবা-মা তো ভীষণ খুশি। ঠিক দুই মাস আগে নতুন এপার্টমেন্টে উঠেছে। পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে রিয়াজের ভাগ্যটাও বেশ ভাল ফেভার করেছে। বছর বছর চাকুরীতে পদন্নোতি পাচ্ছে। বেতনও বেড়ে চলছে হু হু করে। তাই দ্রুত ব্যাংক লোন নিয়ে সেই টাকায় বাড়ি-গাড়ি সব কিনে ফেলল। সংসারে যেন আনন্দের বন্যা বইছে।

সেই সুবাদে রিয়াজ বাসায় একটা পার্টি দিল। অফিস কলিগরা দুপুর থেকে বিকেল আর আত্নীয়-স্বজনেরা সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আমন্ত্রিত ছিল। বেশ হৈ-হুল্লোর আর খাওয়া দাওয়ায় রিয়াজ পার্টি শেষ করলো। সবাই বেশ খুশি আর রিয়াজের প্রশংশায় পঞ্চমুখ।

সকাল হলেই রিয়াজ গাড়ি করে অফিস করবে,ছেলেমেয়েরা গাড়ি করে স্কুলে যাবে, স্ত্রী গাড়ি করে শপিং এ যাবে, গ্রামে বেড়াতে গেলেও গাড়ি করে যাবে ভাবতেই গর্বে রিয়াজের বুক ফুলে উঠতে লাগল। রিয়াজ ড্রাইভিংটাও শিখে নিয়েছে।
রিয়াজ পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য খুব চিন্তা করত। অর্থ সম্পদ জমানো রিয়াজের যেন নেশা। স্ত্রীর নামে ২৫ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে দিয়েছে। ছেলেমেয়ের নামে মোটা অংকের ডি.পি.এস আর এফ.ডি.আর করে রেখেছে। পরিবার যেন থাকে দুধে-ভাতে।

চার মাস পরের কথা। গাড়ি এক্সিডেন্ট করে রিয়াজ মারা গেল। সে এক বিভীষিকাময় মৃত্যু। কাভার্ড ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ, স্পট ডেড। ড্রাইভারটা প্রথম থেকেই রাফ চালাত। রিয়াজ যতদিন চালিয়েছে ধীরে সুস্হ্যেই চালিয়েছে। কোন সমস্যা হয় নাই। ড্রাইভারেরর বেসামাল গতি এদূর্ঘটনার বড় একটা কারন। কয়েকবার সতর্ক করার পরও পরিবর্তন হয়নি আর এখন তো সবই শেষ হয়ে গেল।

সারা বাড়িজুড়ে শোকের মাতম। স্ত্রী, সন্তান, মামা-বাবা, আত্নীয়স্বজন সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে। রিয়াজের মা এই বয়সে এমন শোক কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না, বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্ত্রী যেন শোকে পাথর হয়ে গেছে। সন্তান দুটো হাউ মাউ করে কাঁদছে। এত সুখের সংসারটা ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল।

রিয়াজের লাশ গ্যারেজে শুইয়ে রাখা হয়েছে। সারা শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে লাশের খাটে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। একটু পর পর সবাই এসে মুখটা শেষবারের মত দেখে আবার ঢেকে দিয়ে যাচ্ছে। একটু পর জানাযা পড়ানো হবে। মৃত রিয়াজ সবার আহাজারী,আফসোস দেখছে। ওর কেন যেন বিরক্ত লাগছে কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না। হুজুর আসল, জানাযা পড়ানো হলো। কবর দেয়া হলো। কবর হতে হতে রাত প্রায় ১২ টা বেজে গেলো। সবাই ফিরে গেছে, এখন কবরস্হানে আর কেউ নেই।

দুইজন ফেরেশতা এসে মুখ গোমড়া করে রিয়াজকে কিছু প্রশ্ন করতে লাগল। তারপর রিয়াজকে নিয়ে আসমানের দিকে রওয়ানা হলো। অর্ধ-আসমানে পৌছানোর পর আওয়াজ আসল, থামো,এর আত্না আর এগোতে পারবে না। এর অনেক ঋণ আছে। ওর ঋণ এখনও শোধ হয় নাই। ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত ও গ্রহনযোগ্যতা পাবে না। ওকে যেখান থেকে নিয়ে এসেছো সেখানে নিয়ে যাও। রিয়াজকে আবার কবরে নিয়ে আসা হলো। কবরে রিয়াজের খুব কষ্ট হচ্ছিল। রিয়াজ চিৎকার করে স্ত্রীকে বলছে আমার ঋণগুলো তাড়াতাড়ি পরিশোধ করে দাও। তোমার নামে করা সঞ্চয়পত্রগুলো ভেঙ্গে ফেল,ছেলেমেয়েদের সমস্ত ডি.পি.এস আর এফ.ডি.আর ভেঙ্গে ফেল আমি আর এ যন্ত্রনা সহ্য করতে পারছি না। কিন্তু না, রিয়াজের চিৎকার কারও কাছে পৌছাল না।

এভাবে ৬ মাস চলে গেল। রিয়াজের ঋণগুলো কেউ শোধ করল না। নিদারুন কষ্টে রিয়াজ আফসোস করতে লাগল। বেঁচে থাকতে পরিবারের জন্য কত কষ্ট করে সম্পদ গড়েছি আর আজ আমার কোন মুল্য নাই। ৬ মাস হয়ে গেল এখনও আমার আত্না গ্রহনযোগ্যতা পেল না, আর কোনদিন পাবে কিনা তাও জানি না। রিয়াজ কাঁদতে লাগল।

আসরের আযানের শব্দে রিয়াজের ঘুম ভাঙ্গল। এতক্ষন রিয়াজ স্বপ্ন দেখছিল। ঘেমে একাকার হয়ে গেছে। রিয়াজ উঠে বসল। ঘুম থেকে উঠে আজ গাড়ি কিনতে যাওয়ার কথা। রিয়াজ ওয়াশরুমে গেল এবং ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে গাড়ি কিনতে নয় মসজিদে চলে গেল। যাওয়ার পথে কেবল এটুকুই মনে হলো এ দুনিয়াতে কেউ কারো নয়।
প্রতিজ্ঞা করল, আর কোন ঋণ নয়।

সমাপ্তcollected
পোস্ট টা ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারে ❤️

08/12/2023

এভাবে জীবন যৌবন কাটানো আর জোর করে দায়িত্ব নিয়ে সন্তান মানুষ করতে ইসলাম বলেনি। ইনসাফ?।

আমাদের মাঝে এখন হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি অনুপ্রবেশ ঘটেছে। ইসলামি সংস্কৃতি হলো, স্ত্রীকে তালাক দিলে /তালাক হয়ে গেলে সন্তান প্রতিপালনের দায়িত্ব পড়বে স্বামীর কাঁধে। অনেক স্ত্রী তালাকের পর জোর করে সন্তান নিয়ে আসে পরে মারাত্বক সমস্যার সম্মুখীন হয় প্রমাণিত। স্বামী মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ (বাবা, দাদা, ভাই, চাচা) লালন পালনের দায়িত্ব বহন করবে। স্ত্রীকে সম্পূর্ণ দায়িত্বমুক্ত করে দিতে হবে ইদ্দত নির্ধারিত (সময়সীমা) শেষে সে অন্যত্র বিয়ে বসবে। অথচ বিধবা হলে সন্তান জোর করে তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় বা সে এই নিয়েই জীবন যৌবন পার করে এটা ইনসাফ?।

কিন্তু আমাদের উপমহাদেশে হিন্দুদের সংস্কৃতি প্রভাব মুসলমানদের মধ্যেও পড়েছে। তাই মুসলিম যুবতীর স্বামী মারা গেলে অনেক সময় তালক হলেও সে সন্তান নিয়েই আজীবন কাটিয়ে দেয়; বিয়ে আর বসে না। দুর্বল একজন মা কীভাবে শিশুদের লালন- পালন করবে, একজন যুবতী নারীইবা কেন বাচ্ছাদের নিয়ে বা বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে বসে থাকবে। এটা ইনসাফ? শুধু একাধিক বিয়ের কথা বললেই ইনসাফের কথা বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে যায় পুরুষ নারী।

আমাদের একজন বুযুর্গ মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. বলেন। আমার বড় ছেলে দুটো বাচ্চা রেখে মারা যাওয়ার সময় তার স্ত্রীর বয়স ছিল ২৩। যতদিন তার যোগ্য পাত্র পাইনি ততদিন আমার তত্বাবধানে রেখেছি। তাদের ভরণপোষণও দিয়েছি। কারণ শরিয়তের দৃষ্টিতে (দাদা হিসেবে) আমি ছিলাম অভিভাবক। একসময় উপযুক্ত পাত্র পেয়ে গেলে পুত্রবধূকে সেখানে বিয়ে দিয়েছি। এমন শশুড় বা বাবা কতজন আছে?। বাস্তবতা ইসলাম জানা আর মানা উচিৎ।

Collected

Want your school to be the top-listed School/college in Tongi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Hariken Road
Tongi
1704