Saifa Academy

Saifa Academy

Share

Saifa Academy, Education.Affiliate marketing etc.

07/03/2026

আতা গাছে তোতা পাখি

06/03/2026

Kabita

06/03/2026

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

09/08/2025

"এক দুঃখী বাবার গল্প "
সাল ২০০৪ ইং একই বিল্ডিং এ একই তালায়
বাস করত ইউসুফ ও সালমা।
হঠাৎ তাদের মধ্যে হলো প্রেম। জানতোনা তাদের পরিবার। দুই পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিলো।সালমার একটা ছোট ভাই ছিলো নাম তাহার শাহাদাত। তখন শাহাদাত অনেক ছোট। বোন ভাইকে নিয়ে যেত ছাদে এই সুযোগে দু'জন করতো ভালোবাসা বিনিময়। সালমা তখন হাসনাবাদ কামুচাঁন শাহ্ উচ্চ বিদ্যালয় (Hasnbad Kamuchan Shah High School, keranigonge .Dhaka) লেখাপড়া করে। ইউসুফ তখন গাড়ি চালানো শিখছে। এখন ইউসুফ একজন ড্রাইভার ।
ধীরে ধীরে ভালোবাসা গভীর হতে থাকে। ছেলের পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরে মেয়ের পরিবারের কাছে প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু এর পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি নয়। দুই পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ভেঙে গিয়ে সেটি
বিষাদে পরিণত হয়। অপরদিকে দুজনার মধ্যে সম্পর্ক আরো গভীর হতে থাকে। এক সময় তারা দুজনে পালিয়ে গিয়ে ছেলের বোনের বাসায় যায়। সেখানে মেয়ের পরিবার গিয়ে ঝামেলা করে। কিন্তু তারা সেখানে পেশী শক্তি ব্যবহার করতে পারেনা। পরে সেখান থেকে চলে আসে। এদিকে ছেলে মেয়ের বিবাহ হয়। সবাই বিবাহের আনন্দে উল্লাসে মেতে উঠে। অপরদিকে মেয়ের পরিবার রাতে পুলিশ নিয়ে ছেলে মেয়ে ও বোনের স্বামীকেসহ থানায় নিয়ে আসে। পুলিশকে দিয়ে মেয়ে ও ছেলেকে বেদর মারধর করে। এতে মেয়ে নাছোড়বান্দা। সে ছেলেকে ছেড়ে যাবে না সারা জীবন তার পাশে থাকবে। এটা শুনে মেয়ের বাবা-মা ছেলে নামে শিশু নির্যাতন মামলা দেয়। পরে ছেলের বাবা অনেক টাকা পয়সা ব্যয় করে। তাদের জাবিন কোরিয়ে আনেন। এদিকে মামলা চলতে থাকে। এরমধ্যে তাদের দুজনের একটা কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। কন্যাটির নাম হল খাদিজা। সন্তান হওয়ার পর মেয়ের পরিবার তাদেরকে মেনে নেয়। কিন্তু উপরে উপরে মানলেও তাদের অন্তরে ছিল বিষ ও কুটকৌশল। ছেলের পরিবার সেটা জানতো না। মেয়েটি যখন তার পরিবারের সাথে আসা-যাওয়া করতো তখন মেয়ের পরিবার টি সব সময় মেয়েটিকে কুমন্ত্রণা দিত। মেয়েটির একটা বড় বোন ছিল। তারা দুই বোন এক ভাই। তাদের বাড়ি উজিরপুর বরিশাল। কিন্তু তখন তারা থাকতো হাসনাবাদ। এখন কোথায় আছে জানিনা। সালমাকে কুমন্ত্রনা দিতে দিতে ইউসুফ সম্পর্কে মিথ্যাচার করে। একসময় ইউসুফ ও সালমার মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে দেয়। এবং আগের মামলা আবার পুনরায় শুরু করে। এতে করে ইউসুফের পরিবারের অনেক অর্থ ব্যয় হয়। শেষে একটা শর্তে মামলা উঠাতে রাজি হয়। শর্তটি হলো এই দেড় বছরের মেয়েটি খাদিজাকে আর কখনো তার বাবা দাবি করতে পারবেনা। যদি দাবি করতে আসে তাহলে মামলাটি আবার পুনরায় শুরু করবে। ইতিমধ্যে ইউসুফের পরিবারের অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়ে গেছে। এখন ইউসুফের বুক ভাঙ্গা হাহাকার। সন্তান হারানো কষ্ট। বলি শোনো আমার যখন প্রথম সন্তান হয়েছিল তার স্পর্শ নেওয়ার জন্য আমার হৃদয় ব্যাকুল হয়েছিল।সেটা কি অপেক্ষা বাবা ছাড়া কেউ বুঝবে না তার সন্তানকে স্পর্শ করার কি স্বাদ। সন্তান হারানো কি যে কষ্ট কি যে বেদনা কি যে যন্ত্রনা। যে হারিয়েছে সেই বুঝবে। যে বা যারা বাবার কোল থেকে বাচ্চা কেড়ে নেয় তাদের শাস্তি, আল্লাহ তুমি তাদের দিও। বলছি সে ইউসুফের কথা আজ কত বৎসর হয়ে গেল তার সন্তানকে কখনো কাছে পাইনি। কত রাত কেদেছে সে। কতবার তাকে দেখার জন্য তার মন ব্যাকুল হয়ে ছোটাছুটি করেছে পারেনি তার জন্ম দেয়া সেই সন্তানকে বুকে একবার জড়াতে। ভাবতে এটা কত কষ্টের কত যন্ত্রণার কত বেদনার। ধিক্কার জানাইও পরিবারকে যে পরিবারের কারনে মেয়ে পাইনি তার বাবার স্নেহ মমতা ভালবাসা। বাবা পাইনি তার সন্তানকে কাছে। তাদের বিচার আল্লাহ যেন করে পৃথিবীতে। আজও বাবা প্রতি রাতে কাঁদে মেয়ের জন্য। হারিয়ে গেছে মেয়ে তার বাবার বুক থেকে। আপনারাই পারেন এই সন্তানকে তার বাবার বুকে ফিরিয়ে দিতে। আপনারা যদি এটি শেয়ার করেন তাহলে হয়তো একদিন এই গল্পটি মেয়েটির কাছে গিয়ে পৌঁছাবে অথবা কেউ জানে এই মেয়ের পরিচয় কোথায় আছে সে। ➡️যোগাযোগ : 01637113916
নামঃখাদিজা 18-20 years
পিতার নামঃ ইউসুফ
মাতার নামঃ সালমা
Monosatoli ,বরগুনা.
মায়ের বাড়িঃউজিরপুর, বরিশাল

07/08/2025

এক দুঃখী বাবার কাহিনী

সাল তখন দুই হাজার চার। হাসনাবাদের এক বহুতল ভবনের তৃতীয় তল, আলো-আঁধারির প্রতিসরণে বাস করিত দুই পরিবার—ইউসুফ ও সালমার। জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে কখন যে চোখে চোখ পড়িল, তাহা বুঝিবার পূর্বেই মন পলাতক হইল। ভালোবাসা যে এমন সহজে আসে, তাহা কেহ জানিত না।

সালমা তখন বিদ্যালয়ের ছাত্রী—হাসনাবাদ কামুচাঁন শাহ উচ্চ বিদ্যালয়। কোমল কল্পনার দিনে প্রতিদিনের ক্লাসের ফাঁকে, ছোট ভাই শাহাদাতের আঙুল ধরে ছাদে যাওয়া ছিল তাহার অভ্যাস। সেই ছাদেই, একান্তে, কুয়াশার মতো মৃদু কণ্ঠে ধরা দিত ভালবাসার প্রথম গুঞ্জন।
ইউসুফ তখন নতুন গাড়ি চালানো শিখিতেছিল—জীবন বুঝিতে না শিখিলেও, ভালবাসার মানে হৃদয়ে গেঁথে গিয়াছিল।

ভালবাসা গভীর হইল। গৃহস্থ পরিবারে এই সংবাদ যখন পৌঁছাইল, ছেলের পরিবার সম্মতিসূচক প্রস্তাব রাখিল মেয়ের অভিভাবকের নিকট। কিন্তু যাহা প্রেমের আত্মা, তাহা সমাজের দৃষ্টিতে প্রায়শই অপরাধ। মেয়ের পরিবার অসম্মত; ফলত দুই পরিবারের মধ্যকার সুসম্পর্ক ছিন্ন হইল।

তবু প্রেম পিছাইবার নয়—প্রেম তো নদীর স্রোতের মতো, যত বাঁধ, ততই প্রবাহ।
পালাইয়া গেল দুইজন, গমন করিল ইউসুফের বোনের বাসায়।
পিছনে আসিল ঝড়—কথার, শাসনের, হুমকির।
তবু তাহারা বিবাহ করিল।
তৎক্ষণাৎ আনন্দ জাগিল আশেপাশে, নৃত্য করিল হৃদয়;
কিন্তু রাত্রি আনিল পুলিশের পদধ্বনি।

থানায় লইয়া গিয়া দু’জনকে, এমনকি বোনের স্বামীকেও, মারধর করা হইল।
সালমা বলিল,

> “আমি এই মানুষটিকে ছাড়িব না। এই আমার স্বামী, এই আমার পথ।”

অতঃপর মিথ্যা মামলার নাটক আরম্ভ। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে চেপে বসিল আইনের জাঁতাকল।
ইউসুফের পিতা খরচ করিলেন সর্বস্ব।
হাতের আঙুলের রেখা মুছে গেল,
তবু পুত্রের জেলমুক্তি ঘটিল।

এই দুঃখের প্রহরে জন্ম নিল এক কন্যা—খাদিজা।
সেই শিশুর চোখে যেন ছিল শান্তির স্বর্গীয় ইঙ্গিত।

কিন্তু মানুষের অন্তর সহজ নয়।
সালমার পরিবার বাহিরে হাসিল, ভিতরে রাখিল কলুষতা।
কুমন্ত্রণা, মিথ্যাচার, সন্দেহ—চুরি চুরি গিলিতে লাগিল দাম্পত্যের বিশ্বাস।
সালমা, কালের স্রোতে নেমে, ফিরিয়া চাহিল না ইউসুফের দিকে।

এমনকি তাহার মেয়েকে তাহারই বুকে ঠাঁই দিল না।
একদিন ইউসুফ শুনিল—

> “খাদিজা আর কখনো তোমার কন্যা নয়। তুমি যদি পিতৃত্ব দাবি কর, মামলা আবার ফিরিবে।”

এই শর্তের ভারে ইউসুফ নিঃশব্দে দমিয়া গেল।
প্রতিদিন রাত্রে তাহার বুক কাঁদে।
সে মনে মনে ডাকে—

> “খাদিজা... আমার রক্ত... আমার সন্তান...”

কে জানে, কাহার হৃদয় এই কান্না শুনিবে?

---

শেষ পত্র

খাদিজা,
তুমি যদি কোথাও এই লেখাটি পড়ো,
জেনো, তোমার এক পিতা আছেন—
যিনি প্রতিদিন রাতের আকাশে তোমার মুখ কল্পনা করেন।
একটি জড়ানো স্পর্শের জন্য আজও চোখে জল রাখেন।

আপনার প্রতি অনুরোধ

আপনি যদি এই কাহিনীটি শেয়ার করেন, হয়তো কোন একদিন এই মেয়ে জানবে—
তার একজন পিতা আছে, যিনি তাঁকে এখনও ভালোবাসেন নিঃশর্তে।

---

পরিচয়:

👧 কন্যা: খাদিজা
👨 পিতা: ইউসুফ
👩 মাতা: সালমা
🏠 ঠিকানা: তালতলী, বরগুনা
🏡 মাতুলালয়: উজিরপুর, বরিশাল

---

এটি কোনো কল্পকাহিনী নয়। এটি একজন নিঃস্ব বাবার জীবন্ত আর্তনাদ।
যদি পারেন, এই পিতা যেন তাঁর কন্যাকে ফিরে পান, সেই পথে আপনি হোন এক প্রদীপ।

06/08/2025

এক দুঃখী বাবার গল্প

নাম: ইউসুফ | কন্যার নাম: খাদিজা

সাল ২০০৪।
একই বিল্ডিংয়ের একই তলায় বাস করতেন ইউসুফ ও সালমা। পরিচয়ের সূত্রে গড়ে ওঠে এক অব্যক্ত প্রেম। কারো জানা ছিল না—এই প্রেমে ছিল দু’টি হৃদয়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। সালমা তখন হাসনাবাদ কামুচাঁন শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী, আর ইউসুফ গাড়ি চালানো শিখছিল।

তাদের ভালোবাসা গড়ে ওঠে ছাদে দেখা করার মধ্য দিয়ে। সালমা তার ছোট ভাই শাহাদাতকে নিয়ে ছাদে যেত, এই সুযোগেই দেখা হতো ইউসুফের সঙ্গে। ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীর হয়।

একসময় ছেলের পরিবার বিষয়টি জেনে যায় এবং মেয়ের পরিবারের কাছে প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু মেয়ের পরিবার সেই সম্পর্ক মানতে নারাজ। যে দুই পরিবারে আগে ছিলো সুসম্পর্ক, তা ভেঙে বিষাদে রূপ নেয়।

ভালোবাসা তাদের আলাদা করতে পারেনি। তারা পালিয়ে যায় ইউসুফের বোনের বাসায়। সালমার পরিবার সেখানেও ঝামেলা করে, কিন্তু সফল হয় না। অবশেষে ইউসুফ ও সালমার বিয়ে হয়।

বিয়ে—যা ছিল ভালোবাসার পূর্ণতা, তা-ই হয়ে ওঠে দুঃস্বপ্নের সূচনা।

রাতেই পুলিশ এসে ইউসুফ, সালমা ও তার বোনের স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। থানায় চলে মারধর। সালমা তবু অটল—"আমি এই ছেলেকে ছেড়ে যাব না", সে বলে।

এরপর সালমার পরিবার ইউসুফের নামে "শিশু নির্যাতনের" মিথ্যা মামলা দেয়। ইউসুফের পরিবার মামলা চালাতে গিয়ে হারায় অর্থ, মানসিক শান্তি, আত্মমর্যাদা।

এর মাঝেই জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান—খাদিজা।

সন্তানের জন্ম কিছুটা প্রশান্তি এনেছিল। সালমার পরিবার তাদের মেনে নেয়। কিন্তু এই গ্রহণে ছিলো ভেতরে বিষ—প্রতিশোধ, ষড়যন্ত্র, মিথ্যা প্ররোচনার বিষ।

সালমা ধীরে ধীরে ইউসুফের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ভরিয়ে তোলে মন। সম্পর্ক ভেঙে যায়। আবার শুরু হয় পুরনো মামলার পুনরুজ্জীবন।

শেষ পর্যন্ত সালমার পরিবার একটি নির্মম শর্ত দেয়:
"এই সন্তান খাদিজাকে ইউসুফ কোনোদিন বাবা বলে দাবি করতে পারবে না। করলে মামলা আবার চালু হবে।"

একজন বাবাকে তার কন্যাসন্তান থেকে চিরদিনের জন্য দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

আজ সেই ইউসুফ বেঁচে আছে এক বুক হাহাকার নিয়ে।
সে কাঁদে প্রতি রাতে...
তার বুক কাঁদে খাদিজার জন্য...
তার হৃদয় কাঁদে একটিবার মেয়েকে জড়িয়ে ধরার আকাঙ্ক্ষায়...

বলুন তো, একজন বাবা তার প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে না পারার কষ্ট কে বোঝে?
সন্তানের গায়ে একটিবার হাত না দিতে পারার যন্ত্রণা কে বোঝে?

হে আল্লাহ, যারা বাবার বুক থেকে সন্তানকে ছিনিয়ে নেয়, তুমি তাদের বিচার করো।
আজও ইউসুফ চায় তার সন্তানকে কাছে পেতে।
সালমা কোথায় আছে, খাদিজা কোথায় আছে—কেউ জানে না।

হয়তো আপনি জানেন... হয়তো এই পোস্ট একদিন খাদিজার কাছে পৌঁছাবে।

তুমি যদি পড়ো, খাদিজা—
জেনে রেখো, এক বাবা আজও অপেক্ষায় আছে।
তোমার জন্য, শুধু তোমার জন্য।

---

তথ্য:
👧 কন্যার নাম: খাদিজা
👨 পিতার নাম: ইউসুফ
👩 মাতার নাম: সালমা
🏠 স্থায়ী ঠিকানা: তালতলী, বরগুনা
🏡 মায়ের বাড়ি: উজিরপুর, বরিশাল

---

✅ এই পোস্টটি শেয়ার করুন, হয়তো একদিন এই নিষ্পাপ শিশুটি তার বাবার বুকে ফিরে আসবে।
একজন বাবার কান্না থামাতে হয়তো আপনিই পারবেন।
Phone number.01310314462

15/07/2025

বাবা

11/07/2025

" অন্ধকার যতই গভীর হোক না কেন, সূর্য ঠিক সময়েই ওঠে—তেমনি তুমিও আলো খুঁজে পাবে, শুধু থেমো না।"

11/07/2025

কখনো ভেঙে পড়ো না, কারণ তোমার চোখের পানি দেখেই হয়তো কেউ সাহস পাবে উঠে দাঁড়াতে।"

Want your school to be the top-listed School/college in Tongi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Tongi
48