Liton Computer Training Academy

Liton Computer Training Academy

Share

We re Outsourcing and Freelancing Professional Firm & Training Center . Provide A to Z total trainin

29/10/2020
04/10/2020

Keyword Research part 01

04/10/2020

What is SEO? এসইও এর ফুল এলাভোরেশন হচ্ছে

SEO এর ব্যাসিক নিয়ে পরিপূর্ণভাবে আলোচনা করেছি। 🙂🙂
যথেষ্ট সময় ও শ্রম দিয়ে অনেক কষ্ট করে লিখেছি, পর্যাপ্ত মন্তব্য আশা করছি। আপনার যেকোনো মন্তব্য গ্রহন করা হবে।
প্রথমেই বলে রাখি, এই কন্টেন্ট টা সম্পূর্ণ বিগেনার ও মিড লেভেলদের জন্য, এক্সপার্টরা এড়িয়ে যেতে পারেন অথবা পড়তেও পারেন।
বর্তমানে পুরো বিশ্বে অনেক ধরনের পেশা রয়েছে তার মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যতম একটি পেশা। তথ্য প্রযুক্তি যেমন প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে, অনেক মানুষ ইন্টারনেটে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। যার ফলে প্রতিটা কোম্পানি ডিজিটাল এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে আর এইজন্নই কোম্পানি গুলোতে যথেষ্ট ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন হচ্ছে।
বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। আপনি পৃথিবীতে বাস করছেন ডিজিটাল প্রযুক্তির মাঝে। সেই হিসেবে আপনার ব্যবসায় সফলতা পেতে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং সঠিকভাবে করতে হবে। আপনি ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং থেকে তুলনামুলকভাবে কম খরচে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে যেকোনো পণ্যের প্রসার ও প্রচার করা যায়।
The Importance of digital marketing
আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে একটু ধারণা লাভ করি। বিশ্বে যেখানে বর্তমানে ৪০০ কোটির বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং তার মধ্যে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে। (সূত্র- statista.com )
সেখানে বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগনের প্রায় ৮ কোটিরও বেশী মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যাবহার করছে। ( সূত্র- btrc.gov.bd ) সেই সাথে জনপ্রিয় যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি। যেখানে ২০১২ সালে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল মাত্র ৩১ হাজারের একটু বেশি ( সূত্র- btrc.gov.bd ) ।আর সে সময়ে ফেসবুকের ব্যবহারকারী ছিল তো গুটি কিছু মানুষ ।
এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায় কেন দিন দিন ডিজিটাল মার্কেটিং এত জনপ্রিয় হচ্ছে।
তাছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অনেক, বর্তমানে মাঝারি ও বড় পর্যায়ের প্রায় সব ব্যবসাকে প্রমোট করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হয় এমনকি ছোট খাটো ব্যবসায় গুলোতেও ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন হচ্ছে।
আমরা সকালে উঠে প্রথমে কি করি, স্মার্টফোন হাতে নেই, গতকাল ফেইসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, কতটা লাইক পরেছে, কতটা কমেন্ট পরেছে সেগুলো চেক করি, অথবা অন্য কেউ পোস্ট করলো কিনা, কি পোস্ট করেছে সেইটা দেখার চেষ্টা করি। অনেকেই আবার ঘুম থেকে উঠে অফিসের মেইল চেক করছি, ক্লায়েন্টের কোন মেইল আসছে কিনা দেখছি, ই-কমার্স বাজারে নতুন কোন পন্য আসছে কিনা খুঁজে দেখি, এইভাবে প্রায় সবাই ইন্টারনেটের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছি। এতে করে এক পক্ষ্যকে কিন্ত সুযোগ করে দিচ্ছি, আর তারা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটার। তারমানে বুঝতেই পারছেন, ডিজিটাল মার্কেটিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং করার গুরুত্বপূর্ণ উপায় গুলো হচ্ছে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাউজেশন (SEO)
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
কন্টেন্ট মার্কেটিং
কন্টেন্ট অটোমেশন
ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন
ভাইরাল মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
ক্যাম্পেইন মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
ডাটা-ড্রাইভেন মার্কেটিং
ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং
ই-কমার্স মার্কেটিং
টার্গেটেড রিমার্কেটিং
এবং স্পন্সর মার্কেটিং স্ট্রেটেজি অন্যতম।
এছাড়াও রয়েছে অনেক মার্কেটিং স্ট্রেটেজি, সময়, ট্রেন্ড ও অবস্থা বুঝে মার্কেটিং এর বিভিন্ন কৌশল আপ্লাই করতে হয়, তাহলে বলা যায় ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা সেক্টর।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম একটি অংশ হচ্ছে এসইও
ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম একটি পার্ট হচ্ছে এসইও। এসইও কাজের চাহিদা রয়েছে অনেক। আজকে শুধু এসইও সম্পর্কে ব্যাসিক পরিপূর্ণভাবে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো।
আচ্ছা ডিজিটাল মার্কেটিং এর সংজ্ঞাটা দিয়ে ফেলি তাহলে এসইও টা বুঝতে আরও সহজ হবে। শুধু মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি, যেকোনো পণ্য অথবা সেবা, বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা করে বিক্রয় করা।
ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে, যেকোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে, প্রধানত ইন্টারনেট এবং আরও অন্যান্য ডিজিটাল টুলস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো পণ্যের বা সেবার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা করাকে বোঝায়।
অর্থাৎ, ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপ যেমনঃ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (এসইও), সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (এসইএম), সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (এসএমএম), সোশ্যাল মিডিয়া অপ্টিমাইজেশান, ই-মেইল মার্কেটিং, কনটেন্ট মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-কমার্স মার্কেটিং, ডিসপ্লে এ্যাডভারটাইজিং, টিভি এ্যাডভারটিজিং, মোবাইল এসএমএস এবং এমএমএস, কলব্যাক, এবং ইলেক্ট্রনিক্স বিলবোর্ডসহ আরও প্রযুক্তির মাধ্যমে সঠিক এবং নিখুঁত ভাবে যেকোনো পণ্য বা সেবা নির্দিষ্ট কোনো ক্রেতা বা ভোক্তার কাছে পৌঁছানোকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।
তাহলে এখন বুঝতেই পারছেন, ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা ডিপার্টমেন্ট, এটি হতে পারেন অনলাইনে অথবা অফলাইনে, তবে ডিজিটাল এবং ইলেকট্রনি মিডিয়ার মাধ্যমে হবে এবং বেশির ভাগ কাজ হবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। বেশির ভাগ বলতে বুঝাচ্ছি ৯০% মার্কেটিং ইন্টা

রনেটে।
এখন কি বুঝলেন, এসইও টা আসলে কি? বলা যায় এসইও হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম, গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় পার্ট বা উপায়। ডিজিটাল মার্কেটিং করতে গেলে প্রথমেই এসইও এর কথা সবার আগে আসে। তাহলে আমরা প্রথমে এসইও দিয়েই শুরু করবো। অর্থাৎ এসইও সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া চেষ্টা করবো।
What is SEO?
এসইও এর ফুল এলাভোরেশন হচ্ছে –
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO – Search Engine Optimization)।
মূল বিষয় গুলো মাথায় রেখে অনেকেই অনেক ভাবে এসইও এর সংজ্ঞা দিয়ে থাকেন, সবগুলোই সঠিক। আমি এসইও এর সংজ্ঞা যেভাবে দিয়ে থাকি সবসময় -
এসইও হচ্ছে এমন কিছু পদ্ধতি, যে পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটকে প্রোমোট করা যায়।
যদি একটু গভীর ভাবে বলি – এসইও হল কিছু নিয়ম নীতি বা টেকনিক যার মাধ্যমে যেকোনো একটা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন (যেমন- গুগল, বিং ইয়াহু) থেকে বেশি পরিমানে ভিজিটর বা ট্রাফিক ফ্রিতে নিয়ে আসা।
এক কথায়, যদি আমরা আমাদের ওয়েবসাইট গুলোতে ট্রাফিক আনতে চাই, তাহলেই এসইও করা দরকার। একটা ওয়েবসাইট কে যদি সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে প্রথম পেইজ এবং প্রথম পজিশনে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে ফ্রিতে অনেক ট্রাফিক পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। যদি প্রথম পেইজে ও প্রথম পজিশনে আনতে চাই, তাহলেই ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে এসইও করা প্রয়োজন।
খুব সহজ ভাষায় বলছি, আপনার ওয়েবসাইটে ফ্রিতে ভিজিটর নিয়ে আসতে চাইলে এসইও করতে হবে।
এসইও সম্পর্কে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জানতে হলে, ধারাবাহিকভাবে পড়ে যেতে হবে এবং সাথে সাথে অনুশীলন ও গুগলে রির্সাচ করতে হবে। কিছু কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
এসইও সম্পর্কে এই সিরিজে বিস্তারিত জানতে পারবেন, আমি যতটুকু জানি ঠিক ততটুকু জানাবো। তারজন্য আপনাকে ধাপে ধাপে পড়ে যেতে হবে।
আচ্ছা যাইহোক, আশাকরি কিছুটা ধারণা পেয়েছেন, এসইও টা কি? আরেকটু সহজ করার চেষ্টা করছি, আমরা গুগলে হাজার হাজার ওয়েবসাইট দেখতে পায়, আপনি যখন কোন একটা কী ওয়ার্ড (ছোট করে বলি, কী ওয়ার্ড হচ্ছে গুগলে বা ইউটিউবে যা লিখে সার্চ দেয় সেই গুলোই এক একটা কী ওয়ার্ড) কী ওয়ার্ড দ্বারা গুগলে সার্চ করবেন, তখন কিন্ত গুগলের প্রথম পেইজে ১০টা ওয়েবসাইট দেখায়, নিচে দেখবেন ২য়, ৩য়, ৪র্থ এইরকম অনেক পেইজে ১০টা ১০টা প্রচুর ওয়েবসাইট রয়েছে। কিন্ত আপনি যখন কোন কিছু গুগল থেকে খুঁজে বের করতে যাবেন তখন তো সব ওয়েবসাইটে যাবেন না, তাই না। শুধু প্রথম পেইজে থাকা ১, ২, ৩ নাম্বার এর মধ্যে যেকোনো একটা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন, আপনার কাঙ্খিত তথ্য পাওয়া জন্য।
তাহলে বাকি ওয়েবসাইট গুলো তো ভিজিটর পাচ্ছে না, আর ওয়েবসাইটে ভিজিটর না থাকা মানে, কাস্টমার ছাড়া দোকান, ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে হলে, ওয়েবসাইট দিয়ে বিজনেস করতে হলে অবশ্যই যথেষ্ট ট্রাফিক নিয়ে আসতে হবে। অর্থাৎ কাস্টমার নাই, আপনার বিজনেস ও নাই, লাভ ক্ষতি পড়ে হিসাব করবেন। আশা করি এইবার বুজাতে পেরেছেন, না বোঝে থাকলে আবার পড়ুন।
People spend a lot of time developing their websites and designing them. A lot of work goes into making the perfect website. But the small amount of time spent to optimize the posts on the website is easily the most important part. This is where SEO or search engine optimization comes in.
Why need SEO for Online Business?
অনলাইন বিজনেস করার অন্যতম ও প্রধান ধাপ হচ্ছে প্রথমেই একটা ওয়েবসাইট থাকা। আপনি একটা অনলাইন বিজনেস দিয়েছেন, একটা ওয়েবসাইট বানিয়েছেন আপনি বা ডেভেলপার দ্বারা, তারপর এখানে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রয় করবেন অথবা কোন সার্ভিস দিবেন।
এখন আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয় করার জন্য কাস্টমার প্রয়োজন ( এসইও এর ভাষায় ট্রাফিক)। যেকোনো কাস্টমার ব্যবস্থা করলেই কিন্ত সেল হবে না, অবশ্যই আপনার পণ্য রিলেটেড হতে হবে। অর্থাৎ আপনার টার্গেটেড লোকদেরকে জানাতে হবে আপনার একটা বিজনেস আছে। আর ফ্রিতে জানানোর মাধ্যমটাই হচ্ছে এসইও। এসইও ছাড়া আপনি আপনার বিজনেস প্রমোট করতে পারবেন না, মার্কেটিং করার অন্যতম উপায় হচ্ছে এসইও। এইটাও বলতে পারি যে, সঠিক এসইও ছাড়া আপনি অনলাইনে আপনার বিজনেসের মার্কেটিং করতে পারবেন না।
তাই অনলইনে ব্যবসা শুরু করে প্রতিষ্ঠা করতে হলে, যেকোনো অনলাইন ব্যবসাকে ভালো পজিশনে নিয়ে যেতে হলে ওয়েবসাইট দরকার, আর যেখানেই ওয়েবসাইট সেখানেই এসইও প্রয়োজন।
Why SEO is so important for any website?
আগের কথাই, আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর না থাকলে, সেই ওয়েবসাইট দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না। ওয়েবসাইট খুলে লাভ নেই যদি পর্যাপ্ত ভিজিটর না থাকে এবং পর্যাপ্ত ভিজিটর ছাড়া আপনি আপনার পন্য সেল করতে পারবেন না, ট্রাফিক ছাড়া ওয়েবসাইট মানে, কাস্টমার ছাড়া দোকান। তাই প্রতিটা ওয়েবসাইটকেই এসইও করতে হবে। প্রতিটা ওয়েবসাইটকে খুব গুরুত্ব সহকারে এসইও করা আবশ্যক, যদি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে চান বা আপনার কোন পন্য বা সার্ভিস সেল করতে চান।
SEO as a carrier
কেন ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও কে বেঁচে নিবেন? এইটা কি আধৌ ভালো ডিসিশন হবে আপনার জন্য? ভবিষ্যতে কি এইটার ভ্যালু থাকবে? চাকরির ক্ষেত্র কেমন আছে বাংলাদেশে বা বিশ্বে? এসইও শিখে কোথায় কোথায় চাকরি করা বা কাজ করা যাবে। এসইও এক্সাপার্ট হয়ে কেমন ইনকাম করা যায়। এইরকম অনেক প্রশ্নই আপনার মনে থাকতে পারে।
আসলে, এক কথায় যদি বলি – এসইও এক্সপার্টদের বর্তমানে অনেক ভ্যালু রয়েছে। একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের কাজের ক্ষেত্রের অভাব নেই দেশে বা সারা বিশ্বে বলেন। আপনি চাইলে অনলাইনে ও কাজ করতে পারেন অথবা অফলাইনে কোন কোম্পানির সাথে ও কাজ করতে পারেন। তারজন্য অবশ্যই আপনাকে এসইও এক্সপার্ট হতে হবে এবং এ টো জেড খুব নিখুঁত ভাবে জানতে হবে। বর্তমান সময়ে একটি ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময় এবং কাজের ধরনের এই পরিবর্তনে যুগোপযোগি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার বলা হয় বা এসইও এক্সপার্ট বলা হয়।
বাংলাদেশেই হাজার হাজার তরুণ তরুণী সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হিসেবে প্রতি মাসেই হাজার হাজার ডলার আয় করছে। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন, অন্য কোন দেশের সাথেও সরাসরি ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন অনালাইনে। হাঁ ভবিষ্যতেও এইটার ভ্যালু থাকবে। যতদিন ওয়েবসাইট থাকবে, ইন্টারনেট থাকবে, ফেইসবুক, ইউটিউব থাকবে ঠিক ততদিন এসইও এর দরকার হবে, ততদিন এসইও এর কাজ পাওয়া যাবে।
আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে এ দেখা গেছে প্রায় ৫ হাজারের অধিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সার.কম অনলাইন মার্কেটপ্লেসটিতেও প্রায় দুই হাজারের অধিক প্রজেক্ট রয়েছে। এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইবার.কম এখানেও এসইও রিলেটেড ৫ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০/২০০০ ডলারের সার্ভিস দেওয়া যায়। এগুলো ঘন্টাচুক্তিতে বা ফিক্সড প্রাইসে করা যায়। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারকে সম্ভব হলে লোকাল মার্কেটের কিছু কাজ করে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ভ্যালু বাড়ানো উচিত। এতে জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে কাজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকে। লোকাল বড় বড় কোম্পানি আপনাকে হায়ার করে নিবে যখন অনেক এক্সপিরিয়েন্স হবে। বাংলাদেশের অনেক কোম্পানি এসইও এক্সপার্ট হায়ার করে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
What can be done after learning SEO?
এসইও শিখে কি করবেন, এত কষ্ট করে শিখে লাভ কি হবে? দিনের পর দিন রিসার্চ করে কি করবেন? আপনি কি কি ধরনের কাজ করতে পারবেন? সহজ ভাষায় যদি বলি, এসইও শিখে কিভাবে আপনি ইনকাম করবেন? এইরকম ও প্রশ্ন আপনার মনে আসতে পারে।
আপনার অনলাইন কোন বিজনেস থাকলে, সেইটাকে আরও উন্নত করতে পারবেন, এসইও দ্বারা বিজনেসের সেল বাড়াতে পারবেন। Anything online that actually require traffic, online a website, blogging, e-commerce website, affiliate marketing etc.
এসইও শিখার পর কি ধরনের কাজ করতে পারবেন, বিস্তারিত জানুন
০১। আপনি অনলাইনে ব্যবসা করতে পারবেনঃ
হাঁ, আপনি চাইলে নিজের একটা ব্যবসা অনলাইনে করতে পারবেন এসইও শিখার পর। অফলাইনে তো হাজার হাজার বিজনেস দেখছেন প্রতিষ্ঠা হতে। তবে বর্তমানে অনলাইনে ও অনেক বিজনেস দিন দিন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। অনেকেই ই কমার্স বিজনেস করছে, আপনি ও চাইলে করতে পারবেন। এসইও জানা থাকলে খুব ভালো ভাবে মার্কেট ধরতে পারবেন এবং নিজের ব্যবসাকে প্রমোট করতে পারবেন। নিজের কোন ওয়েবসাইট থাকলে সেখানেও যেকোনো সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারবেন। ধরুন আপনি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘড়ি সেল করবেন, তাহলে একটা ওয়েবসাইট ওপেন করতে পারেন, এবং এসইও করার মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন, আর পর্যাপ্ত টার্গেটেড ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারলে ঘড়ি গুলো খুব সহজেই সেল করতে পারবেন।
০২। এসইও শিখে আপনি ব্লগিং করতে পারবেনঃ
এসইও শিখে আপনি বিভিন্ন ধরনের সিংগেল নিস সাইট বা মাল্টি নিস সাইট তৈরি করতে পারবেন। এককথায় যাকে আমরা ব্লগিং বলে থাকি, হাঁ ব্লগিং করে বর্তমানে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে দক্ষ এসইও এক্সপার্টরা। ব্লগিং কাকে বলে? কোন একটা টপিক বা বিষয় সম্পর্কে প্রতিনিয়ত ধারাবাহিকভাবে আর্টিকেল পাব্লিশ করাকেই ব্লগিং বলে। ধরুন আপনি একজন একাউন্টিং বা ম্যানেজমেন্ট এর ছাত্র, আপনি চাইলে এই বিষয় গুলোর উপর বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী তথ্য দিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারেন, প্রতিনিয়ত আপনার ওয়েবসাইট এ আর্টিকেল পাব্লিশ করাকে ব্লগিং বলে। ব্লগিং করে যথেষ্ট ইনকাম করতে পারবেন।
ওয়েবসাইটে বিভিন ধরনের ইনফোরমেটিভ ও কার্যকরী তথ্য দিয়ে বা যেকোনো ধরনের সেবা দিয়ে শুরু করতে পারবেন আপনার নিজস্ব ব্লগিং সাইট। সেখান থেকে অ্যাডসেন্সে ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগিং এ ট্রাফিক নিয়ে আসতে হলে অবশ্যই সবগুলো কন্টেন্টকে এসইও করতে হবে। আর ট্রাফিক পর্যাপ্ত হলে অ্যাডসেন্স ছাড়াও আরও অনেক উপায়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট হয় লোকাল তাহলে লোকাল কোন কোম্পানির অ্যাড দিয়ে ও ইনকাম করতে পারবেন। যদি গ্লোবালি ওয়েবসাইট বানান, তাহলে অ্যাডসেন্স দিয়ে অনেক ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও রয়েছে মিডিয়া.নেট তবে তার জন্য অবশ্যই প্রথম বিশ্বের দেশ গুলোতে থেকে ট্রাফিক আনতে হবে। আর এইজন্য়ই আপনার ভালো ভাবে জানা উচিত এসইও কিভাবে করতে হয়।
যারা ব্লগিং শুরু করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে -
"একটা প্রধান কথা সবসময় মাথাই রাখা উচিত, সেটা হচ্ছে সঠিক, কোন কিছু লেখার সময় সৎ এবং নির্ভুল তথ্য দিতে হবে, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভুল এবং ব্রিভান্তিকর তথ্য দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ, তর্ক বিতর্কের বা মিথ্যা বিভ্রান্তিকর কোন আর্টিকেল দেওয়া যাবে না।"
ব্লগিং ওয়েবসাইট বানিয়ে অনেক ভাবে আয় করা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স দিয়ে ইনকাম করা।
AdSense পাবার সবচেয়ে সহজ উপায়।
১. ইংরেজী কন্টেন্ট হলে কপি ফ্রি ৬-১০টা ইউনিক পোস্ট করুন। বাংলা হলে ১০-১৫টা ইউনিক পোস্ট করুন।
২. প্রতিটা পোস্টে অন্তত একটা পিকচার রাখন, ২/৩ টি হলে ভালো হয় এবং পিকচার গুলোর এসইও করুন।
৩. সাইটের থিম/ট্যামপ্লেট/ডিজাইন অতিরিক্ত গর্জিয়াস করবেণ না, চেষ্টা করবেন একদম সিম্পল রাখতে।
৪. সাইটের ল্যান্ডিং/হোম পেইজ এর লোডিং টাইম যাতে কম থাকে সেদিকে লক্ষ রাখুন।
৫. Contact Us, About Us, Privacy Policy এই ৩টা পেইজ অবশ্যই থাকতে হবে।
৬. Google এর নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম Blogger এ সাইট হলে Adsense পাওয়ার সম্ভাবনা অন্য প্ল্যাটফর্ম এর তুলনায় ১০-২০% বেশি। তবে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আমরা করবো, কারণ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে করলে সহজেই এসইও করতে পারবো। যেহেতু এসইও ছাড়া উপায় নাই, তাই যে সাইট দিলে সহজেই এসইও করতে পারবো, সেটা দিয়ে করবো, অর্থাৎ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট তৈরি করবো।
৭. সাইট অবশ্যই খুব ভালোভাবে Google Search Console এ সাবমিট করা থাকতে হবে।
৮. AdSense এপ্লাই করার সময় সাইটে যেনো কোন এডাল্ট কন্টেন্ট এবং অন্য কোম্পানির Ad/Affiliate Link/Promote Link etc. না থাকে।
৯. AdSense এপ্লাই করার সময় সাইটে কোন কিছুর ডাউনলোড লিংক পোস্ট না করাই ভালো। কারন এতে গুগল মনে করে আপনি ঐ এপ বা প্রোডাক্ট টাকে প্রমোট করছেন।
এই নিয়মগুলো মেনে আবেদন করলে ইনশাআল্লাহ ১-৩ দিনের মধ্যেই এপ্রুভাল ইমেইল পেয়ে যাবেন। এবং ইনকাম করা শুরু করে দিতে পারবেন। এখন যত ট্রাফিক নিয়ে আসবেন, তত অ্যাড এ ক্লিক পরবে এবং তত ইনকাম করতে পারবেন।
০৩। এসইও এর সার্ভিস দিতে পারবেনঃ
আপনি এসইও এক্সপার্ট, ইনকামের কথা ভাবছেন? এসইও শিখে টাকা ইনকাম করার অন্যতম উপায় হচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানি বা ক্লায়েন্টকে এসইও এর সার্ভিস দেওয়া। ঘরে বসে অনলাইনে এখন সারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে এসইও এর সার্ভিস গুলো দিয়ে যথেষ্ট ডলার ইনকাম করতে পারবেন। তাছাড়া লোকাল কোম্পানি তো আছেই। আপনি চাইলে প্রজেক্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন, চাইলে অফিসে গিয়ে সার্ভিসেস দিতে পারবেন। এখন হইতো বলবেন, এসইও শিখে কি কি সার্ভিস দেওয়া যায়। কোম্পানির প্রয়োজন অনুযায়ী, নিস আইডিয়া দিতে পারবেন, কীওয়ার্ড রির্সাচ করে দিতে পারবেন, কোম্পিটিটর এনালাইসিস করে দিতে পারবেন, তাছাড়া সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হচ্ছে অন পেইজ এসইও , অফ পেইজ এসইও, বা সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট এর অডিট করে দিতে পারেন। বিস্তারিত আরও জানতে পারবেন, যখন এসইও এক্সপার্ট হয়ে যাবেন। শুধু লেগে থাকেন, গুগল ইউটিউবে রির্সাচ করেন আপডেট থাকেন নিয়মিত।
০৪। অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করতে পারবেনঃ
এসই শিখে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন, যেইটা আমরা ফ্রীলাঞ্চিং বলে থাকে। জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেস হচ্ছে, আপওয়ার্ক, ফ্রীলান্সার, ফাইবার, পিপল পার আওয়ার সহ আরও অনেক অনলাইনে মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেখানে আপনি এসইও এর বিভিন্ন সার্ভিসেস দিতে পারবেন। তবে অবশ্যই আপনাকে ভালোভাবে কাজ শিখে মার্কেটপ্লেস গুলোতে যেতে হবে। সেখানে যারা কাজ করে তারা অনেক এক্সপার্ট, তাছাড়া যেহেতু আপনার আমার মতো আরও হাজার হাজার এসইও এক্সপার্ট কাজ করবে, তাই কাজ পাওয়াটাও একটু কঠিন হয়ে পরবে। তবে যতদিন যাবে ঠিক অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে তত কাজ পাবেন। তারজন্য কাজ করে লেগে থাকতে হবে, রির্সাচ করতে হবে। অন্যরা কিভাবে কাজ নিচ্ছে ক্লায়েন্ট থেকে সেগুল ভালোভাবে এনালাইসি করতে হবে।
০৫। কোন লোকাল কোম্পানিতে জব করতে পারবেনঃ
এসইও এক্সপার্ট হয়ে লোকাল কোন কোম্পানির সাথে সরাসরি কাজ করতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসার জন্য আপনাকে হায়ার করবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর কাজ পাওয়া যাচ্ছে এসইও এক্সপার্টদের, নির্দিষ্ট কোন সালারি দিয়ে হায়ার করছে এসইও এক্সপার্টদের। অথবা আপনি প্রজেক্ট আকারেও কাজ করতে পারবেন। এইটা নিশ্চিত রাখেন যে এসইও নিয়ে আগামিতে আমাদের দেশের অনেক জব পাওয়া যাবে। কারণ দিনের পর অনেকেই ওয়েবসাইট তৈরি করছে, তাহলে কেনই বা এসইও শিখবেন না। যারা জব পছন্দ করেন তারাও কাজ করতে পারবেন প্রজেক্ট আকারে।
০৬। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেনঃ
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে কিছু জানেন কি? অনেক মানুষ রয়েছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট করে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। সহজ করে স্বল্প ভাষায় বলি, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে – আপনার ওয়েবসাইট দ্বারা অ্যামাজনের মতো যারা কমিশন দেয় বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ব্যবস্থা রেখেছে তাদের কোন প্রোডাক্ট সেল করে দিবেন। অর্থাৎ আপনার যদি একটা নিস ওয়েবসাইট থাকে বা তৈরি করেন এবং সেখানে অ্যামাজনের কোন প্রোডাক্টের রিলেটেড কন্টেন্ট দেন, এবং পর্যাপ্ত টার্গেটেড ট্রাফিক নিয়ে আসেন তারপর তারা যদি আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কিনার জন্য অ্যামাজন ওয়েবসাইট যায় এবং আপনার রেফারেন্সে কোন কাস্টমার যদি অ্যামাজন থেকে প্রোডাক্ট কিনে, তাহলে অ্যামাজন আপনাকে কিছু কমিশন দিবে এইটাই হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেকোনো ইকমার্সের সাথে করতে পারবেন। তাদের পণ্য সেল করে দিবেন তার বিনিময়ে নির্দিষ্ট একটা কমিশন পাবেন।
০৭। এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে পারবেনঃ
ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার অন্যতম উপায় হচ্ছে কন্টেন্ট, অর্থাৎ ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কন্টেন্টের ব্যবস্থা করতে হবে। কন্টেন্ট কি? একটা ওয়েবসাইট আমরা যা দেখি সবগুল এক একটি কন্টেন্ট। যেমনঃ ইমেজ, ভিডিও, আর্টিকেল, ইত্যাদি হচ্ছে কন্টেন্ট। আর্টিকেল রাইটিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে এসইও জানতে হবে। অর্থাৎ গুগলে রাঙ্ক করার জন্য এবং ভিজিটর বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল রাইটিং করতে হবে। বর্তমানে এসইও ফ্রেন্ডলি রাইটিং এর জন্য অনেক বড় বড় কোম্পানি দক্ষ রাইটার খুঁজে। এসইও এর সাথে রাইটিং এর সামঞ্জস্য থাকলে ও অনেকেই এসইও এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট রাইটিংকে আলাদা আলাদা পেশা হিসেবে নিয়ে থাকে। আবার অনেকেই একসাথে কাজ করে। আপনি যদি ইংলিশে দক্ষ থাকেন এবং লেখা লিখি করার অভ্যাস থাকে, তাহলে এই পেশাটাকে নিয়ে পারেন। এসইও শিখতে হবে প্রথমে তারপর এসইও ফ্রেন্ডলি রাইটিং এ এক্সপার্ট হয়ে যাবেন। মার্কেটপ্লেস গুলোতে অনেক কাজ পাওয়া যায় রাইটিং এর। অনেকেই ১০০০ শব্দের জন্য ১০০০ টাকা নিয়ে থাকে আবার হাই কোয়ালিটি রাইটাররা ১০০০ শব্দের জন্য ১৫০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এছাড়াও বর্তমানে বাংলা ওয়েবসাইট বারার কারনে বাংলা রাইটিং এর ও প্রয়োজন পড়ে দেশে। এক কথায়, আপনাকে আগে এসইও জানতে হবে তারপর এসইও ফ্রেন্ডলি রাইটিং করতে পারবেন।
০৮। কোন আপস এর এসইও সেবা দিতে পারবেনঃ
আপস ছাড়া মোবাইল অচল আমরা সবাই জানি, বর্তমানে আপস এর জনপ্রিয়তা অনেক যা বলার অপেক্ষা রাখে না। এপস প্রমোশনের জন্য আপনি কাজ করে দিতে পারবেন।
০৯। অনলাইনে সবকিছুতে যেখান ভিজিটর প্রয়োজন, সেখানেই কাজ করতে পারবেনঃ
অনালাইনে যেসব সাইটে ভিজিটর দরকার হবে, সেসব সাইটেই কাজ করতে পারবেন। ইকমার্স ওয়েবসাইট এর সেল বাড়িয়ে দিতে পারেন এসইও করে। এছাড়াও যেকোনো ওয়েবসাইটের কাজ করতে পারবেন, প্রমোশনের জন্য অবশ্যই আপনাকে হায়ার করবে, যদি এক্সপার্ট হন।
How to I become an SEO specialist?
এসইও বিশেষজ্ঞ হওয়ার কিছু টিপস বলে দেয়, আসলে কিভাবে ধারাবাহিকভাবে কাজ করলে বা আগাতে পারলে, একজন প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট হওয়া যায়।
এইরকম প্রশ্ন পেলে আমি প্রথমেই যে কথাটি বলে থাকি, আপনাকে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করার অভ্যাস থাকতে হবে, গুগল, ইউটিউব এবং ফেইসবুকে যেকোনো কার্যকরী তথ্য খুঁজে বের করার সক্ষমতা থাকতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিজিট করে জ্ঞান আহরন করতে হবে, যেকোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে গুগল করতে হবে। এবং বেশি বেশি অথেনটিক কন্টেন্ট পড়তে হবে। (কন্টেন্ট কি? একটা ওয়েবসাইটে যা থাকে সবকিছুই একটা একটা কন্টেন্ট)। সবার নিচে অনেক গুলো সাইট এর লিস্ট দিয়েছি, যেখানে এসইও ও মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া আছে। সেগুলো পড়তে হবে প্রতিনিয়ত এবং ইউটিউব থেকে এসইও ও মার্কেটিং রিলেটেড ভিডিও টিউটরিয়াল দেখতে হবে। তাছাড়া এসইও শিখার পর গুগলের এর সব অ্যালগোরিদমের সাথে আপনাকে ও আপডেট থাকতে হবে। অর্থাৎ এক কথায় এসইও তে বিশেষজ্ঞ হতে হলে, আপনাকে আপডেট থাকতে হবে এবং গুগলে রির্সাচ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর যাত্রা এসইও দিয়ে শুরু করুন, কেন বলে থাকি?
নতুন সদস্য গ্রুপে এসেই পোস্ট করেন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো? অপরদিকে কিছু তাবিজ ব্যবসায়ীরা কমেন্টে এসে বলে ইনবক্সে আসো, ফুল ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স ফ্রিতে? তখন আমার বলতে ইচ্ছা করে, ডিজিটাল মার্কেটিং কি কলা যে ছোলাও আর খাও।
কেন একেবারে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে না করি।
১) ডিজিটাল মার্কেটিং পরিপূর্ণভাবে শিখতে হবে অনেক উপায় রয়েছে, সবগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকবে হবে, তবে গুরুত্বপূর্ণ ২০ টির মতো স্ট্রেটেজি কাজে লাগে এবং এইগুলোর সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকবে হবে।
২) আমাদের বাঙ্গালীদের ধৈর্য অনেক কম, খুব অল্পে সময়ে ডলারের চিন্তা করতে থাকি, আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবকিছু একসাথে শিখতে গেলে যথেষ্ট সময় লেগে যায়, সেগুলো আবার বাস্তবায়ন করতে সময় প্রয়োজন। যার ফলে হাল ছেড়ে দেওয়ার সম্ভবনা থাকে।
প্রথমেই এসইও শিখতে বলি কেন?
১) ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে বেশি কাজ পাওয়া যায় এসইওতে।
২) এসইও এর কাজের চাহিদা আছে এবং বাজেট সবসময় বেশি থাকে।
৩) ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম অংশ হচ্ছে এসইও।
৪) পৃথিবীতে যতদিন ওয়েবসাইট থাকবে ততদিন এসইও এর কাজ থাকবে।
৫) এসইও শিখতে পারলে প্যাসিব ইনকামের বড় একটি উৎস অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যেতে পারে খুব সহজেই।
৬) আপনি চাইলে এসইও গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ কিওয়ার্ড রিসার্চ (২ মাস একটানা সময় দিলেই শিখতে পারবেন, এক্সপার্ট হতে একটু সময় লাগতে পারে) কিওয়ার্ড রিসার্চ করেই আপনি ইনকাম শুরু করে দিতে পারেন।
আমার মেইন পয়েন্ট হচ্ছে, ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা সেক্টর, যেকোনো একটা দিয়ে জার্নি শুরু করতে পারেন, আপনার পছন্দ হলে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারেন, ইমেল মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং দিয়েও শুরু করতে পারেন।
তাই এখন থেকে নতুনদের কাছ থেকে প্রশ্ন পাবো, কিভাবে এসইও শিখতে হয়, কোথায় এসইও শিখবো এইরকম প্রশ্ন। ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাই, কিন্ত আমি নতুন, কিছুই জানি না কোথায় থেকে শুরু করবো, বেসিক গুলো কোথায় থেকে শিখবো? ধারাবাহিকভাবে কোনটা দিয়ে শুরু করলে ভালো হবে? প্রথম কোনটা শিখতে হবে?
আপনারা ইতোমধ্যে জানেন, ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা ডিপার্টমেন্ট, একেবারে শিখা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
তাদের জন্য আমার ছোট একটা টিপস, নিচে দেখেন প্রায় ৪০টা প্রশ্ন দিয়েছি। প্রশ্ন গুলো প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে একটা একটা করে রিসার্চ করতে হবে, গুগল, ইউটিউবে।
উদাহরণসরূপ -
=> What is Digital Marketing? এই কীওয়ার্ড টা প্রথমে নিবেন, তারপর গুগলে সার্চ দিবেন, যে ওয়েবসাইট গুলো আসবে, সেগুলো থেকে প্রথম ৫/৬ টা সাইটে ভিজিট করবেন এবং মনোযোগ সহকারে প্রতিটা কন্টেন্ট পড়ার চেষ্টা করবেন।
=> গুগলে রিসার্চ করার পর ইউটিউবে যাবেন, একই ভাবে সার্চ করবেন, আর ভিডিও দেখার চেষ্টা করবেন। আশা করি, অনেকটা ধারণা পেয়ে যাবেন। অন্নতপক্ষে বেসিক একটা স্বচ্ছ ধারণা পাবেন।
=> এইভাবে ৪০টা প্রশ্ন রিসার্চ করুন, ধাপে ধাপে।
(ধন্যবাদ)
01. What is Digital Marketing?
02. What is the difference between digital marketing and internet marketing?
03. What is the difference between digital marketing and traditional marketing?
04. What are the types of digital marketing?
05. What are the benefits of digital marketing
06. Why digital marketing is so important?
07. Is Digital Marketing the future?
08. What jobs are in digital marketing?
09. What skills do you need for digital marketing?
10. How to become a digital marketer?
11. What is the Website?
12. What are domain and hosting?
13. How to buy domain and hosting?
14. What is a niche?
15. What is Blog?
16. What is the difference between website and blog?
17. Blog or website which is better?
18. What is the difference between blog and vlog?
19. How to start an online blog?
20. The free website creates the list.
21. What is SEO?
22. What is SEM?
23. What is SMM?
24. What is PPC?
25. What is CPC?
26. What is Email Marketing?
27. What is Affiliate Marketing?
28. What is CPA Marketing
29. What is Content Marketing?
30. What is Inbound Marketing?
31. What is E-commerce marketing?
32. What is the difference between SEO and SEM
33. What is the difference between SEO and SMM
34. What is the difference between SEO and PPC
35. What is the difference between PPC and CPC
36. Which is better SEO or SEM?
37. Why SEO and SMM are more important?
38. Digital Marketing glossary.
39. Introduce Digital Marketing experts in the world.
40. Some important websites for learning Digital Marketing update.
Types of SEO. (From Business Perspective)
Busines perspective এ এসইওকে ২ ভাবে ভাগ করা যায়। ১) লোকাল এসইও ২) গ্লোবাল এসইও।
১) অনলাইনে সার্চ ইঞ্জিন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে ভিজিটরদের সবচেয়ে সঠিক ও নিখুঁত সার্চ রেজাল্ট প্রদানের জন্য। এ কারণে সাধারণ এসইও’র পাশাপাশি লোকাল এসইও সার্চ ইঞ্জিনগুলির কাছে এখন সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
লোকাল এসইও (লোকাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) হলো কোন নির্দিষ্ট অডিয়েন্সকে টার্গেট করে ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করানোর জন্য অপটিমাইজ করা। এটা সত্য যে একটি ওয়েবসাইট আপনাকে অনলাইনে সমগ্র বিশ্বের অডিয়েন্সকে টার্গেট করার সুবিধা দেয়। কিন্তু আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি শুধুই অনলাইন ভিত্তিক না হয়ে থাকে, তাহলে আপনার জন্য লোকাল এসইও খুবই প্রয়োজনীয়।
অনেকেরই এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা লোকাল বিজনেস যেমন দোকান, সার্ভিস সেন্টার থেকে থাকে যেখানে তারা অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনে সেবা প্রদান করে থাকেন। লোকাল এসইও এই কাজটিকেই আরও সহজ করে তোলে যাতে আপনার গ্রাহকরা সহজেই আপনাকে খুঁজে পায়।
যখন আমরা কোন নির্দিষ্ট শহর বা দেশ কেন্দ্রিক কোন কিছু গুগল এ খুঁজে থাকি তখন তাকে লোকাল সার্চ বলা যায়, আর সেই সার্চ এ নিজের ওয়েবসাইট এর অবস্থান এর জন্য ওয়েবসাইট কে যে পদ্ধতিতে এসইও করা হয় তাকে লোকাল এসইও বলে।
লোকাল সার্চ দুই ধরণের হয়।
যেমন আপনি সার্চ করলেন –
১. SEO Service Provider ……… আপনার IP এর উপর নির্ভর করে আপনার কাছাকাছি যে সব SEO Service Provider আছেন তাদের গুগল দেখাবে।
২. SEO Service Provider in Mirpur ……… মিরপুর এর যে সব SEO Service Provider-দের দেখাবে।
২) গ্লোবাল এসইও।
গ্লোবাল এসইও হচ্ছে বিশ্বব্যপী টার্গেট নিয়ে করা হয়। মানে, আপনার ওয়েবসাইটকে সাড়া বিশ্বজুড়ে অপ্টিমাইজেশন করাই হচ্ছে গ্লোবাল এসইও। এই ক্ষেত্রে আপনাকে আসতে হবে google.com এর টপে। তবে একটা তথ্য জেনে নেয়া ভাল যে, গুগল ব্যবহৃত হয়, সাড়া প্রথিবির স্ট্যান্ডার্ড সার্চ ইঙ্গিন হিসেবে এবং এতা আমেরিকার লোকাল সার্চ ইঙ্গিন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
09. Types of SEO. (From Work Perspective)
Word Perspective a এসইওকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়,
01. on page SEO
02. Technical SEO
02. off Page SEO
What is on page SEO
একটু সহজ করে বলে দেয়, একটা ওয়েবসাইট এর ভিতরে যে কাজ গুলো করা যায়, সবই হচ্ছে On page SEO. অর্থাৎ ট্রাফিক আনার জন্য একটা ওয়েবসাইটের ভিতরে যেসব কার্যক্রম করা হয়, সব কিছু On page SEO তে পড়ে। (বিস্তারিত আরও অনেক কিছু আছে)
What is Technical SEO
অনেকেই technical seo কে আলাদা না করে on page seo এর সাথে অ্যাড করে দেয়। আবার অনেকেই আলাদা করে দেয়, কারণ technical seo তে সব google er technical কাজ করা হয়। অর্থাৎ, একটা সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে বা গুগলের সার্ভারে জমা দেওয়া থেকে শুরু করে সবকিছু দেখা বা ঠিক রাখাই হচ্ছে technical seo। (বিস্তারিত আরও অনেক কিছু আছে)
What is off page SEO
সহজ ভাষায় যদি, একটা ওয়েবসাইটকে বাহিরে যত মার্কেটিং করা হয়, সবকিছু off page seo. ওয়েবসাইটের ভিতরে প্রবেশ না করে বাহিরে থেকে যেসব পদ্ধিতে ট্রাফিক আনা হয়, সেগুলোকেই off page seo বলে। (বিস্তারিত আরও অনেক কিছু আছে)
What is white hat & black hat SEO?
ব্ল্যাক হ্যাট এসইও – SEO ইন্ডাস্ট্রিতে আছে আর “ব্ল্যাক হ্যাট SEO” টার্মটি শোনেনি এমন মানুষ হয়তো খুব একটা পাওয়া যাবেনা। এটি মূল

04/10/2020

আপনি Freelancer হতে চান কিন্তু নিচের সাধারণ কাজ গুলা পারেন তো??
=============================
1) জিমেইল account খোলা।
2) মেইল করা।
3) ফেসবুক account করা এবং ব্যবহার করা।
4) twitter account করা এবং ব্যবহার।
5) LinkedIn account করা এবং ব্যবহার।
6) Reddit account করা এবং ব্যবহার।
7) computer typing বাংলা এবং ইংরেজি তে।
8) কম্পিউটারে যে কোন software install করা।
9) Excel sheet এর ব্যবহার।
10) Google Drive এর ব্যবহার।
11) ফেসবুক পেজ তৈরি ।
12) ফেসবুক গ্রুপ তৈরি।
13) Skype account করা।
14) Google Search করা।
15) ইউটিউব হতে সঠিক resources খুঁজে বের করতে পারে।
16) গুগল সার্চ দিয়ে ইচ্ছামত resources খুঁজে বের করা।
17) আপনি যে ধরনের কাজ শিখবেন। সেই ধরনের community খুঁজে বের করা এবং join করা।
18) এ ছাড়া বিভিন্ন popular social media সম্পর্কে টুক টাক ধারণা।

=============

03/10/2020

যিনি SEO সম্বন্ধে কিছু জানেন না, সেই ব্যক্তিকে SEO সম্পর্কে সহজ করে কীভাবে বোঝাবেন ?

যিনি SEO সম্বন্ধে কিছু জানেন না

"ধরুন আমার বাসায় পাঁচটা রুম রয়েছে। আমি পাঁচজনকে আমার বাসায় আসতে বললাম। যে আগে আসবে সে প্রথম রুমে যাবে এবং যে পরে আসবে সে তারপরের রুমে যাবে। এভাবে যে সবার শেষে আসবে সে সবার শেষের রুমে যাবে।

ঠিক আছে?

এখন ধরুন আমি বললাম যে, আমি এই পাঁচজনকে পাঁচটা গিফট দেবো!

এখন আবার প্রশ্ন করবেন না যেন, কি গিফট দেবো! এটা মূখ্য নয়!

যাই হোক!

আমি পাঁচজনকে পাঁচটা গিফট দেবো! প্রথম রুমে যে আছে সে সবার বড় গিফটটা পাবে আর যে সবার শেষের রুমে আছে সে সবচেয়ে ছোট গিফটটা পাবে!

আপনি কোনটা চাইবেন? নিশ্চয়ই বড় গিফটটা তাই না?

এখন আমি যদি বলি, সার্চ ইঞ্জিনগুলো (গুগল, বিং, ইয়াহু ইত্যাদি) উপরের এই ঘটনাটাই ঘটিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত, তাহলে কি আমাকে বিশ্বাস করবেন? কখনোই না! কারণ, আপনি আদৌ কোনো গিফট পাচ্ছেন না গুগলের থেকে তাই না?!

হ্যা! আপনি কোনো গিফট পাচ্ছেন না কারণ আপনি একজন ভিজিটর বা অডিয়েন্স বা কাস্টোমার। আপনার কাজ হচ্ছে, শুধু দেখে যাওয়া আর সার্চ ইঞ্জিনের বিভিন্ন লিংকে ক্লিক করে যাওয়া। কিন্তু যার ওয়েবসাইট রয়েছে বা যার ব্লগ রয়েছে, যার ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সে কিন্তু ঠিকই গিফট পাচ্ছে! কিভাবে?

চলুন তাহলে উপরের ঘটনার সাথে পুরো বিষয়টাকে মিলিয়ে দেখা যাক!

আমার বাসাটাকে সার্চ ইঞ্জিন ধরুন। এবার আমি পাঁচজনকে বলেছিলাম বাসায় আসতে। এরা হচ্ছে ওয়েবসাইটধারী পাঁচটা ব্যক্তি যাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল কিংবা ব্লগ অথবা একটা অনলাইন শপ রয়েছে।

বুঝতে পারছেন কি? না বুঝতে পারলে প্রশ্ন করুন! প্রশ্ন করেছেন? আমি শুনতে পাচ্ছি না! ওহ আচ্ছা! এটা তো বই! দুঃখিত!

আমার বাসায় যে প্রথমে এসেছে সে প্রথম রুমে গিয়েছে, যে শেষে এসেছে সে শেষ রুমে! তাই না?

কিন্তু ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখবেন যে, আমার বাসায় প্রথম রুমে কিংবা দ্বিতীয় রুমে কিংবা শেষ রুমে যাওয়ার আগে তাদেরকে কিন্তু প্রথমে আমার বাসায় এসে প্রবেশ করতে হয়েছে। বাসায় না প্রবেশ করে তারা কি রুমে আসতে পারবে?

পারবে না তো?!

সার্চ ইঞ্জিন এই কাজটাই করছে! একেকটা ওয়েবসাইটকে তাদের বাসায় অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে ঢুকতে দিচ্ছে। আর তারপরে তাদের গুণ দেখে, কাজ দেখে তাদেরকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় অবস্থানে রাখছে। যেভাবে আমি আমার বাসায় সেই পাঁচজনকে পাঁচটা রুমে রেখেছিলাম। এক্ষেত্রে তাদের গুণ বা কাজ ছিলো ‘যে সবার আগে আসবে!’

এখন গিফটের কথায় আসি!

তার আগে আমাকে একটা কথা বলুন। যদিও বললেও আমি শুনবো না!

আপনি যখন গুগলে যান, গিয়ে কিছু একটা লিখে সার্চ করেন তখন সেখানে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত বিভিন্ন লিংক দেখতে পাবেন। যেগুলোতে ক্লিক করে সেই সাইটগুলোতে প্রবেশ করেন তাই না?

এখন মনে করুন আপনার ভাইয়ের একটা গান ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট রয়েছে। সে আপনাকে বললো, “নেক্সট টাইম আমার সাইট থেকেই গান ডাউনলোড করবি!”

আপনিও আজকে গান ডাউনলোড করতে তার ওয়েবসাইটের নাম লিখে গুগলে সার্চ করলেন। প্রথম পেইজে তার সাইটের লিংকটা দেখতে পেলেন না, গেলেন দ্বিতীয় পেইজে। সেখানেও পেলেন না। এভাবে শেষমেষ গিয়ে পেলেন সপ্তম পেইজে। তারপর ঢুকে গান ডাউনলোড করতে শুরু করলেন!

এখন আপনি একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো!

আপনি তো তার কাছের মানুষ! আপনি নাহয় তার সাইটকে খুঁজে খুঁজে এত দূরে গিয়েও তার সাইটে ঢুকেই গান ডাউনলোড দিচ্ছেন। কিন্তু যদি আপনার জায়গায় আরো ১০০টা মানুষ হতো, তাহলে তারা কি এই একই কাজটাই করতো?

আপনাকে উত্তর দিতে হবে না, আমিই উত্তর দিচ্ছি!

কখনোই নয়!

কেউই এত কষ্ট করতে চায় না! সবাই চায় গুগলের প্রথম দুটো কিংবা তিনটি পেইজের মধ্যে চলে আসতে! যাতে করে মানুষ সহজেই সেই সাইটটাকে খুঁজে পায়!

তাই না?

এখন এক্ষেত্রে গুগলের প্রথম পেইজে আসার জন্য আপনার ভাই কি করতে পারে?

সে এসইও করতে পারে!

এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। অর্থাৎ সহজ কাঁচা বাংলায়, সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে আপনার সাইটটাকে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে আসা!

এখন আপনার ভাই সাইট বানানোর সাথে সাথেই কি সেটা সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পেইজে চলে আসবে? উঁহু! আসবে না!

সেজন্য তাকে শুরুতে অন পেইজ এসইও করতে হবে। অন পেইজ এসইও হচ্ছে, এসইওয়ের একটি প্রকারভেদ! এই অন পেইজ এসইও দ্বারা মূলত একটা ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে তুলে দেয়া হয়। অন পেইজ এসইও করার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইঞ্জিনের বাসার দরজা নক করে বলেন, “আমার আমি সাইট নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছে! আর মুখ ফিরিয়ে থেকো না! অন্তত এখন আমায় ঘরে ঢুকতে দাও!”

আপনার ভাইয়ের এই ওয়েবসাইট তৈরি করার পর, সে যদি অন পেইজ এসইও করে তাহলে গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে খবর চলে যাবে যে, আপনার ভাইয়ের এই নামে একটা সাইট এসেছে। তখন গুগল সেটাকে টেনে ধরে তার সাইটের ভান্ডারে নিয়ে জমা করবে!

ঠিক যেভাবে আমার বাসার সেই পাঁচজন মানুষের মতো। যারা বাসায় এসে শুরুতে রুমে যাওয়ার পূর্বে, আমার বাসার কলিংবেল বাজিয়ে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা বাসায় চলে এসেছে। আর আমিও তাদেরকে বাসার ভেতরে ঢুকতে দিয়েছি!

এখন তো আপনার ভাইয়ের ওয়েবসাইটকে গুগল চেনে! তাই না?

গুগল এখন কি করবে জানেন?

আপনার ভাইয়ের সাইটটাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবে যে এটাকে কত নাম্বার পেইজে রাখা যায়। আপনার ভাইয়ের সেই সাইটের গুনাবলী, কাজ, সাইটের অবস্থাসহ বিভিন্ন কিছু পরীক্ষা করে তারপরে ঠিক করলো যে, সপ্তম পেইজ এই সাইটের জন্য সঠিক অবস্থান!

এখন আপনার ভাইয়ের ঘটনায় যাওয়া যাক! আপনি গান ডাউনলোড দিলেন। আপনার ভাইকে দুপুরের খাওয়ার টেবিলে জানালেন যে, আপনি তার সাইট থেকেই গান ডাউনলোড দিয়েছেন। এটা শুনে সে খুশি হলো।

কিন্তু পরক্ষণেই তাকে জানালেন যে, আপনাকে তার সাইট খুঁজে পেতে সপ্তম পেইজ পর্যন্ত যেতে হয়েছে। তখনই সে চিন্তায় পড়ে গেলো। তার মাথাতেও একই প্রশ্ন আসলো। আর সেটা হচ্ছে, একটা মানুষ কি তার সাইট খুঁজতে এত দূর অবধি যাবে?

যাবে না!

তাহলে এখন উপায়?

আর তখনই তার মাথায় আসলো অফ পেইজ এসইওয়ের কথা। অফ পেইজ এসইও হচ্ছে অন পেইজ এসইওয়ের আরেক ভাই এবং এসইওয়ের সন্তান!

অফ পেইজ এসইও করার পর আপনার ভাইয়ের সাইট কিছুদিনের মধ্যেই গুগলের তৃতীয় পেইজে চলে আসলো। তারপর সেটা কন্টিনিউ করতে থাকলো সে। আরো পনেরদিন পর সে দেখলো তার সাইট প্রথম পেইজে চলে এসেছে! এবার সে হাফ ছেড়ে বাঁচল।

আপনাকে এসে আবারো বললো, গান ডাউনলোড দেয়ার জন্য! আপনিও আবারো সার্চ করলেন গুগলে, আপনার ভাইয়ের সাইটের নাম লিখে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখলেন যে, সাইট কিছুদিন আগেও সপ্তম পেইজে ছিলো এখন সেটা প্রথম পেইজে চলে এসেছে! আপনিও ডাউনলোড দিলেন খোঁজাখুঁজির কোনো ঝামেলা ছাড়াই।

এই যে একটা সাইটকে গুগল সপ্তম থেকে তৃতীয়, তারপর তৃতীয় থেকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসার পদ্ধতি, এটাকেই মার্কেটাররা বলে থাকে অফ পেইজ এসইও।

কারণ, গুগলের সপ্তম পেইজে যদি আপনার সাইটে প্রত্যেকদিনে ক্লিক পড়ার সম্ভাবনা থাকে ১০০টি তাহলে তৃতীয় পেইজে সেই সম্ভাবনা বেড়ে হয়ে যায় ৫০০টি! আর প্রথম পেইজে সম্ভাবনা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় হাজারের কাছে! আর এটাই একটা সাইটের জন্য গিফট! যত বেশি ভিজিটর, তত বড় গিফট!

ঠিক একইভাবে আমার বাসায় যারা এসেছে, তাদের আমি শুরুতেই র‍্যান্ডমলি প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা শেষ রুমে যেতে দিই নি। তাদের গুণগুলো দেখেছি, তাদের বাসায় আসার সময়টাই এখানে তাদের গুণ ছিলো। তারপর যে শুরুতে এসেছে তাকে প্রথম রুমে দিয়ে সবচেয়ে বড় গিফট দিয়েছি আর যে শেষে তাকে ছোট গিফট দিয়েছি!

যেটা গুগল করছে প্রতিনিয়ত!

সুতরাং, শেষ কথায় বলি – এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনে একটা ওয়েবসাইটকে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসা। এসইওয়ের দুটো অংশ রয়েছে। অন পেইজ এসইও, যেটা দ্বারা সার্চ ইঞ্জিনে একটা ওয়েবসাইটকে দেখানো হয় বা র‍্যাংক করানো হয় এবং অফ পেইজ এসইও, যেটা দ্বারা সার্চ ইঞ্জিনে একটা ওয়েবসাইটের র‍্যাংক উপরে নিয়ে যাওয়া হয় বা বৃদ্ধি করানো হয়!"

বুঝেছেন?

সূত্রঃ BD Tech Help

Want your school to be the top-listed School/college in Thakurgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Mathergonj, Kachubari
Thakurgaon
5100