21/08/2026
অভিভাবক সচেতনতামূলক বার্তা
সন্তানের হাতে মোবাইল দেওয়ার আগে একটু ভাবুন
প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।
সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ আমাদের সবার স্বপ্ন। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হলেও অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত মোবাইল ব্যবহার একজন শিশুর পড়াশোনা, ঘুম, খেলাধুলা, মনোযোগ ও পারিবারিক যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অনেক সময় আমরা সন্তানকে ব্যস্ত রাখার জন্য হাতে মোবাইল তুলে দিই। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই মোবাইলই তার অভ্যাস ও নির্ভরতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।
* অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে—
# পড়াশোনায় মনোযোগ কমতে পারে।
# বই পড়ার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।
# রাতে দেরি করে ঘুমানোর অভ্যাস হতে পারে।
# খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ড কমে যেতে পারে।
# চোখে ক্লান্তি ও অস্বস্তি হতে পারে।
# মোবাইল না পেলে বিরক্তি বা অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
# পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ কমে যেতে পারে।
তাই সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ—
সন্তানকে মোবাইল থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখার পরিবর্তে মোবাইল ব্যবহারে সঠিক নিয়ম ও সীমা নির্ধারণ করুন। সন্তান কী দেখছে, কখন দেখছে এবং কতক্ষণ দেখছে—সেদিকে নজর রাখুন।
👉 পড়াশোনার সময় মোবাইল নয়।
👉 খাবারের সময় মোবাইল নয়।
👉 ঘুমানোর আগে মোবাইল নয়।
👉 প্রতিদিন কিছু সময় খেলাধুলা ও পরিবারের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ দিন।
মনে রাখবেন—
আমরা সন্তানকে শুধু মোবাইল কিনে দিই না; তার হাতে আমরা তার সময়ও তুলে দিই।
তাই সেই সময়টি যেন শিক্ষা, খেলাধুলা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে কাজে লাগে—এটি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
অভিভাবক ও বিদ্যালয় একসঙ্গে সচেতন হলেই আমরা গড়ে তুলতে পারব মনোযোগী, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম।
ধন্যবাদান্তে,
মোঃ সোহেল রানা
প্রধান শিক্ষক
কাউন্সিল কলেজিয়েট স্কুল
কাউন্সিল বাজার, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।