10/04/2024
খুশির ইদে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করতে ভুলবেন না। আল্লাহর আশীর্বাদে জীবনে সকলের বাধা কেটে যাক এই কামনা করি।😝😀
তোমার অনলাইন শিক্ষা সহায়িকা।
যেখানে ?
10/04/2024
খুশির ইদে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করতে ভুলবেন না। আল্লাহর আশীর্বাদে জীবনে সকলের বাধা কেটে যাক এই কামনা করি।😝😀
09/10/2021
ত্রিপদ নামকরন
যে সমস্ত ধাতু তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় তাদেরকে অভিজাত ধাতু বলে।
এসব ধাতু কম সক্রিয় বলে প্রাচীনকাল থেকে মানুষ গহনা হিসাবে ব্যবহার করে। এসব ধাতুকে খনিতে প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। অভিজাত ধাতু সহজে অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না। কারণ তারা রাসায়নিকভাবে তেমন সক্রিয় নয়। এজন্য এদের অভিজাত ধাতু বলে।
অভিজাত ধাতু গুলি হল- সোনা (Au), রুপা (Ag), প্লাটিনাম (Pt),Cs ; Rb ; Hg ইত্যাদি।
05/09/2020
জীবন বাঁচাতে পদার্থবিজ্ঞান ভৌত রাশি ও পরিমাপ গতি বল কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি পদার্থের অবস্থা ও চাপ বস্তুর উপর তাপের প্রভাব তরঙ্গ ও শব্দ আলোর প্রতিফ....
এক্সরে
X-ray


এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক কম। এই রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০-১০m এর কাছাকাছি। ১৮৯৫ সালে উহ্লহেলোম রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। রঞ্জনরশ্মির আরেক নাম এক্সরে। রঞ্জনরশ্মির প্রকৃতি যখন জানা ছিল না তখন অজানা রশ্মি হিসেবে এর নামকরণ করা হয় এক্সরে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হবে এক্সরের কোনো পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হবে। সাধারণ আলো দৃশ্যমান এবং বিভিন্ন রঙে বিভক্ত কিন্তু এক্সরে দৃশ্যমান নয়। সাধারণ আলোর পথে কোনো অস্বচ্ছ পদার্থ থাকলে তা ভেদ করতে পারে না। অপরদিকে এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। এক্সরে নলে এক্সরে উৎপন্ন হয়। এক্সরে নল একটি বায়ুশুন্য কাচ নল। কাচ নলের দু’প্রান্তে দুটি তড়িৎদ্বার বা ইলেকট্রোড লাগানো থাকে। এদের একটির নাম ক্যাথোড এবং অপরটি অ্যানোড। ক্যাথোডে টাংস্টেন ধাতুর একটি কুণ্ডলী থাকে, একে ফিলামেন্ট বলে। ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎপ্রবাহ ক্যাথোডকে উত্তপ্ত করে। ফলে ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রন মুক্ত হয় এবং বের হয়ে আসে। ক্যাথোড এবং অ্যানোডের মধ্যে খুব উচ্চ বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হলে ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রনগুলো খুব দ্রুতগতিতে ছুটে যায় এবং লক্ষ্যবস্তু অ্যানোডকে আঘাত করে। এর ফলে ইলেকট্রনের গতি হঠাৎ থেমে যায় এবং এক্সরে উৎপন্ন হয়। ইলেকট্রনের গতিশক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গরূপে রূপান্তরিত হয়। ক্ষুদ্র তরঙ্গদের্ঘ্যরে এই বিকিরণই হলো এক্সরে। অর্থাৎ দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন কোনো ধাতুকে আঘাত করলে তা থেকে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে এবং উচ্চ ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন অজানা প্রকৃতির এক প্রকার বিকিরণ উৎপন্ন হয়। এ বিকিরণকে এক্সরে বা এক্স রশ্মি বলে। চিত্র ১৪.১-এ এক্সরে টিউবের প্রয়োজনীয় অংশগুলো দেখানো হয়েছে।

এক্সরে নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর অবদান অপরিসীম।
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই শনাক্ত করা যায়।
২. মুখমণ্ডলের যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে শনাক্ত করা যায়।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের র
13/05/2020
রসায়নের পর্যায় সারনি মনে রাখার উপায় ( ছন্দে ছন্দে পর্যায় সারণী )
আজ লাইসিয়াম একাডেমীর পক্ষ থেকে
S.S.C রসায়েনর কিছু এক্সক্লুসিভ টিপস থাকবে।