24/06/2026
পবিত্র কুরআন মানব জাতির জন্য এক উপদেশ ও শিফা এবং মুমিনদের জন্য হেদায়েত ও রহমত। The Noble Quran is an advice and a cure for mankind and guidance and mercy for the believers!
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ
﴿يَأَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَآءَتْكُمْ مَّوْعِظَةٌ مَّن رَّبِّكُمْ وَشِفَآءٌ لِّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ﴾
১০ঃ৫৭। হে মানব জাতি! সত্যই তোমাদের নিকট তোমাদের রাব্বের পক্ষ থেকে এসেছে এক উত্তম উপদেশ (অর্থাৎ এই কুরআন যা আদেশ করে সবকিছু যা ভাল এবং মানা করে সবকিছু যা মন্দ) এবং তোমাদের অন্তরে (অজ্ঞতার, সন্দেহের, মুনাফিকির এবং মতবিরোধের ব্যাধি) যা রয়েছে তার জন্য এক শিফা (নিরাময়) এবং মু‘মিনদের জন্য এক হেদায়েত ও রহমত।
সুরাহ ইউনুস ১০:৫৭ Surah Yunus 10:57
23/06/2026
হায়! আমরা তো কুরআন পড়তেই জানিনা এবং পড়তে জানলেও অর্থ জানিনা। অথচ আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বলেছেন কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে! Alas! We don’t even know how to read the Quran and even we can read, we don’t understand the meaning. But Allah ta'ala asked us to reflect on the Quran!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ
أَفَلاَ يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْءَانَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَآ
৪৭:২৪। তবে কি তারা কুরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেনা? নাকি তাদের হৃদয় তালাবদ্ধ (কুরআন বুঝার ব্যাপারে)?
সুরাহ মুহাম্মদ ৪৭ঃ২৪, Surah Mohammad 47:24
22/06/2026
আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করার এবং সত্য কথা বলার আদেশ এবং উহার পুরস্কার! The command to fear Allah ta'ala and speak the truth and the rewards thereof!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেন:
يأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُواْ اتَّقُواْ اللَّهَ وَقُولُواْ قَوْلاً سَدِيداً
৩৩:৭০। হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং ন্যায় ও সত্য কথা বল।
يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَـلَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَن يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً
৩৩:৭১। (তাহলে) তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের আমলগুলোকে সঠিক করে দিবেন এবং তোমাদের জন্য তোমাদের গুণাহগুলোকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলকে মান্য করে সে সত্যি অর্জন করে এক মহা সফলতা।
সুরাহ আল-আহযাব ৩৩:৭০-৭১ Surah Al-Ahzab 33:70-71
21/06/2026
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হেদায়েত, পরহেজগারিতা, সৎচরিত্রতা ইত্যাদি চেয়ে যে দুআটি পাঠ করতেন। Rasulullah (Pbuh) recited this Dua for guidance, piety, chastity etc.
দুআ: اللَّهُمَّ إنِّي أسْألُكَ الهُدَى وَالتُّقَى وَالعَفَافَ وَالغِنَى
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস‘আলুকাল-হুদা ওয়াত-তুকা ওয়াল-আফাফা ওয়াল-গিনা।
দুআটির অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি হেদায়েতের জন্য, পরহেজগারিতা, সৎচরিত্রতা এবং আত্মতৃপ্তির জন্য।
Meaning: Oh Allah! I beseech you for guidance, piety, chastity and contentment.
রিয়াদুসসালেহীন ১৪৬৮, Riyadus-Saliheen 1468
20/06/2026
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সালাতে তাশাহহুদের পরে চারটি বিষয়ে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চেয়ে এই দু'আটি করতে বলেছেন। Rasulullah (Pbuh) asked us to seek refuge from four things after Tashahhud in Salat.
«اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ»
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আউদুবিকা মিন আদাবি জাহান্নাম, ওয়া মিন আদাবিল কাবর, ওযা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাত, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসিহিদ্দাজ্জাল।
দুআটির অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নামের শাস্তি থেকে, কবরের শাস্তি থেকে, জীবন ও মৃত্যূর ফিতনা (পরীক্ষা) থেকে এবং দাজ্জালের ফিতনার (পরীক্ষার) অনিষ্ঠ থেকে।
[রিয়াদু-সালিহীন হাদিস নং ১৪২৩ এটি মুসলিম থেকে সংকলিত হাদিস] Riyadus-Saliheen 1423
19/06/2026
পিতামাতার সাথে আল্লাহ তা'আলা যেরূপ আচরণ করতে আদেশ করেছেন! The way to behave with the parents as commanded by Allah ta'ala!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ
﴿وَقَضَى رَبُّكَ أَلاَّ تَعْبُدُواْ إِلاَّ إِيَّـهُ وَبِالْوَلِدَيْنِ إِحْسَـناً إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلاَهُمَا فَلاَ تَقُل لَّهُمَآ أُفٍّ وَلاَ تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلاً كَرِيمًا
১৭:২৩। আর তোমার রাব্ব আদেশ করেছেন যে তুমি তাঁকে ব্যতিত আর কারও ইবাদত করবেনা এবং পিতামাতার প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হবে। তোমার জীবদ্দশায় যদি তাদের একজন অথবা উভয়েই বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছে তাহলে তাদেরকে বলোনা “উফ্ফ“ (অর্থাৎ সামান্যতম বিরক্তির কথাও বলোনা) এবং তাদেরকে তিরস্কারও করোনা। বরং তাদেরকে সম্ভোধন কর সম্মানসুচক কথার দ্বারা (অর্থাৎ নম্রসুরে, দয়ার সাথে , ভদ্রভাবে, সম্মান ও আদরের সাথে)।
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًا ﴾
১৭:২৪। আর দয়ার সাথে তাদের জন্য অবনত কর বিনয়ের ডানা এবং বল, “হে আমার রাব্ব! তাদের প্রতি দয়া করুন যেরূপ তারা আমাকে লালন-পালন করেছিলেন যখন আমি ছোট ছিলাম।“
সুরাহ আল-ইসরা' ১৭ঃ২৩-২৪ Surah Al-Isra' 17:23-24
06/06/2026
কুরআন মানব জাতির জন্য এক উপদেশ এবং নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য এক হেদায়েত ও রহমত! The Quran is a proof for mankind and guidance and mercy for the people who believe with centainty!
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
هَـذَا بَصَـئِرُ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةً لِّقَوْمٍ يُوقِنُونَ
৪৫:২০। ইহা মানবজাতির জন্য এক সুস্পষ্ট প্রমাণ এবং এক হেদায়েত ও রহমত সেই লোকদের জন্য যারা নিশ্চিত বিশ্বাস করে।
সুরাহ আল-জাথিয়া Surah Al-Jaathiya 45:20
24/05/2026
কুরবানীর মাংসে যাদের ভাগ রয়েছে। Those who are entitled to get the meat of the sacrificial animals!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ
﴿وَالْبُدْنَ جَعَلْنَـهَا لَكُمْ مِّن شَعَـئِرِ اللَّهِ لَكُمْ فِيهَا خَيْرٌ فَاذْكُرُواْ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا صَوَآفَّ فَإِذَا وَجَبَتْ جُنُوبُهَا فَكُلُواْ مِنْهَا وَأَطْعِمُواْ الْقَـنِعَ وَالْمُعْتَرَّ كَذلِكَ سَخَّرْنَـهَا لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ﴾
২২ঃ৩৬। আর আল-বুদন (কুরবাণীর জন্য আনিত পশু), আমরা উহাদেরকে করেছি তোমাদের জন্য আল্লাহর প্রতীকসমূহের অন্তর্ভুক্ত। তোমাদের জন্য ওসবে রয়েছে প্রচুর কল্যাণ। কাজেই তাদের উপর আল্লাহর নাম নাও যখন সারিতে দাড়ায় (কুরবাণীর জন্য)। অতপর যখন তারা তাদের পার্শ্বদেশের উপর (জবাইয়ের পর), তখন তাদের থেকে খাও এবং সেই গরীবদেরকে খাওয়াও যারা ভিক্ষা করেনা এবং ভিক্ষুকদেরকে। এভাবেই আমরা তাদেরকে তোমাদের জন্য অধীন করে দিয়েছি যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পার।
সুরাহ আল-হাজ্জ ২২ঃ৩৬ Surah Al-Hajj 22:36
21/05/2026
যাদের কোরবাণী আল্লাহ তা'আলা কবুল করেন! Those whose sacrifices Allah ta'ala accepts!
আপনার কোরবাণী কবুল হতে হলে আপনাকে মুত্তাকিন হতে হবে। মুত্তাকিন ছাড়া আল্লাহ তা‘আলা কারও কোরবাণী কবুল করেন না।
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ
إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ
“নিঃশ্চয়ই আল্লাহ শুধু আল-মুত্তাকুনদের থেকে (কুরবাণী) কবুল করেন।“ সুরাহ আল-মাইদাহ ৫:২৭ Surah Al-Ma'idah 5:27
তাহলে কারা এই মুত্তাকিন? মুত্তাকিন তারাইঃ
১) যারা বিশ্বাস করে আল-গায়েবে
২) যারা সালাত আদায় করে
৩) যারা আল্লাহ যা দিয়েছেন তা থেকে ব্যয় করে
৪) যারা বিশ্বাস করে যা পাঠানো হয়েছে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নিকট
৫) যারা বিশ্বাস করে যা পাঠানো হয়েছিল মুহাম্মাদ (সাঃ) এর পুর্বের নবী-রাসুলগণের নিকট
৬) যারা পরকালে নিশ্চিত বিশ্বাস করে।
এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা সুরাহ আল-বাকারাহতে (২:২-৫) বলেছেনঃ
﴿ذَلِكَ الْكِتَابُ لاَ رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ﴾
২:২। ইহা সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই, (ইহা) মুত্তাকিনদের জন্য এক হেদায়েত (পথ প্রদর্শক)।
﴿الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ الصَّلوةَ وَمِمَّا رَزَقْنَـهُمْ يُنفِقُونَ﴾
২:৩। যারা বিশ্বাস করে আল-গায়েবে (অদৃশ্যে যেমন আল্লাহ, জান্নাত, জাহান্নাম, কবরের শাস্তি ইত্যাদি) এবং সালাত আদায় করে এবং আমরা যা রিযিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে
﴿وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ وَبِالأْخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ﴾
২:৪। আর যারা বিশ্বাস করে (কুরআন ও সুন্নাহতে) যা আপনার (হে মুহাম্মাদ সাঃ) নিকট পাঠানো হয়েছে এবং (বিশ্বাস করে) তাতে যা পাঠানো হয়েছিল আপনার পূর্ববর্তীদের নিকট (অর্থাৎ যাবুর, তাওরাত এবং ইঞ্জিল ইত্যাদি) এবং তারা আখিরাতের উপর নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে (অর্থাৎ পুনরুত্থান, ভাল ও মন্দ আমলের প্রতিদান, জান্নাত ও জাহান্নাম)।
﴿أُوْلَـئِكَ عَلَى هُدًى مِّن رَّبِّهِمْ وَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ﴾
২:৫। উহারাই তাদের রাব্বের হেদায়েতের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং উহারাই কৃতকার্য।
সুরাহ বাকারাহ ২ঃ২-৫ Surah Al-Bakarah 2:2-5
কাজেই আসুন আমরা সবাই সালাত আদায় করি এবং সামর্থ অনুযায়ী যাকাত প্রদান করি এবং আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে মুত্তাকিন হই।
17/05/2026
যাদের উপর শয়তানের কোনো ক্ষমতা নেই এবং যাদের উপর শয়তানের ক্ষমতা আছে! On whom the Shaitan has no power and on whom the Shaitan has power!
আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ
إِنَّهُ لَيْسَ لَهُ سُلْطَانٌ عَلَى الَّذِينَ ءامَنُواْ وَعَلَى رَبّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ
১৬:৯৯। নিশ্চয়ই তার (শয়তানের) কোনো ক্ষমতা নেই তাদের উপর যারা বিশ্বাস করে এবং তাদের রাব্বের উপর ভরসা করে।
إِنَّمَا سُلْطَـنُهُ عَلَى الَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُ وَالَّذِينَ هُم بِهِ مُشْرِكُونَ﴾
১৬:১০০। তার ক্ষমতা শুধু সেই লোকদের উপর যারা তাকে বন্ধু হিসাবে নেয় (অর্থাৎ তাকে মান্য করে ও অনুসরণ করে) এবং যারা তাঁর (অর্থাৎ আল্লাহর) সাথে শরীক স্থাপন করে।
সুরাহ আন-নাহল ১৬ঃ৯৯-১০০, Surah An-Nisa 16:99-100