ইয়া রব্বে কারীম, আপনি আমাদের মা-বাবা, শ্বশুর, দাদা-দাদি, চাচা-চাচী, নানা- নানি, বুজি, খালা-খালু, ফুপা-ফুপুসহ সকল কবরবাসীদের মাফ করে দিন। আপনি তাদের পাশে থাকেন, ইয়া রব। আপনি তাদের রহমতে চাদর দিয়ে ঘিরে রাখুন। ইয়া আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল। আপনি যদি মাফ না করেন বান্দাদের... বলেন, আপনার বান্দা যাবে কার দ্বারে ??? আপনি ছাড়া, আমাদের যে আর কোন ইলাহ নেই...
Jalal Anowara Cadet Madrasah
✨ "সহীহ্ কোরআন শিক্ষার আসর"
(Hafeza Anannya Mehjabeen Afreen)✨
06/07/2026
হে আল্লাহ্! আমাদের বংশধরকে আপনি দ্বীন ইসলামের জন্য কবুল করেন।
যার মধ্যে তিনটি গুণ পাওয়া যাবে, আল্লাহ তার মৃত্যুকষ্ট লাঘব করে দিবেন এবং তাকে জান্নাতে ঠাঁই দিবেন....
১. দুর্বলের প্রতি সহানুভূতি
২. পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা
৩. দাসদাসী/অধীনস্থ কর্মচারীদের সাথে উত্তম আচরণ
এ তিনটি গুণই ব্যক্তিগত মানবিক আচরণ সম্পর্কিত। তাই বান্দাকে বলা হয়েছে, দুনিয়ার জীবনকে শান্তিময় করার জন্য তুমি যদি মানুষের সাথে মানবিক আচরণ করো; তবে আল্লাহ তোমাদের পরকালীন জীবনকেও শান্তিময় করে দিবেন।
আল্লাহ আমাদের সকলের সাথে উত্তম মানবিক আচরণ করার তৌফিক দিন।
হে সর্বশক্তিমান মাবুদ, আমার হৃদয় থেকে অহংকার ও স্বার্থপরতা দূর করুন। বিনয়ের শিক্ষা দিন, আমার হৃদয় উদারতা ও সহমর্মিতায় পূর্ণ করুন। যেনো, আমি যা কিছু করি, তার সবকিছুতেই আপনাকে স্মরণ করতে পারি।
প্রতিদানের ঊর্ধ্বে থেকে ভালো কাজ করার আনন্দটাই আসলে অন্যরকম! আত্নায় শান্তি অনুভূত হয়
ভাবুন, যাদের আপনি সাহায্য করেছেন, তারা হয়তো আপনার মঙ্গল কামনা করে সর্বশক্তিমানের নিকট দোআ করছে! তাই সর্বদা এগিয়ে যান, কখনোই থামবেন না।
অন্তরকে বারবার পরিশুদ্ধ করুন, হৃদয়কে শুধু পাপ নয় বরং বিদ্বেষ, অভিমান, রাগ ও নেগেটিভিটি থেকেও পবিত্র করুন। দেখবেন, আপনার আমার হৃদয় আলোকিত হবে....
হৃদয় থাকিবে যার নম্রতা সদা... রহমত আসিবে সেথা আল্লাহর ওয়াদা...
অর্থ কম থাকুক, যোগ্যতা কম হোক কিন্তু আপনার কথা, আপনার ব্যবহার, আচরণ, মানসিকতা এগুলো যেন সুন্দর এবং মার্জনীয় হয়..কারন একজন মানুষ হিসেবে এগুলোই আপনার সবচাইতে বড় সম্পদ,
এবং মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সম্মানটা আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন...
©️
06/06/2026
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই নামাজি হিসেবে গড়ে তুলতে মায়ের ভূমিকা অতুলনীয়। এটি কেবল একটি অভ্যাস নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া যার জন্য মায়ের ধৈর্য্য, ধারাবাহিকতা এবং অক্লান্ত শ্রম প্রয়োজন।
সন্তানকে আনন্দের সাথে সালাতে অভ্যস্ত করে তুলতে মায়েদের জন্য কিছু কার্যকর টিপস :
নিজেকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন:
শিশুরা যা দেখে, তা-ই শেখে। মা নিজে যখন নিয়মিত ও আগ্রহের সাথে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করবেন, তখন সন্তান অবলীলাক্রমে সেটি অনুসরণ করবে।
সহজ বয়স থেকে অভ্যস্ত করা:
৭ বছর বয়স থেকে নামাজের নির্দেশ দিতে হবে এবং ১০ বছর বয়সে নামাজের জন্য শাসন করতে হবে। আমি অবশ্য আমার সন্তানদের ৪-৫বছর বয়স হতেই হাতেখড়ি দিয়ে যাচ্ছি...
আনন্দদায়ক পরিবেশ তৈরি:
প্রথম দিকে সন্তান ঠিকমতো নামাজ পড়ছে কি না তা নিয়ে কঠোর না হয়ে, তাকে উৎসাহ দেওয়া উচিত। সুন্দর জায়নামাজ, জায়নামাজ বিছিয়ে দেওয়া বা ছেলেদের জন্য টুপি ও আতরের ব্যবস্থা করে দিলে নামাজের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে।
ধীরে ধীরে দায়িত্ব দেওয়া:
শুরুতেই ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে বাধ্য না করে, শুধু জুমার নামাজ দিয়ে শুরু করানো যায়। এতে তাদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় না।
দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা:
সন্তান যেন ভালো মানুষ হয়, মানবিক হয়, হক্বের পথে অবিচল থাকে, সে জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। মায়ের দোয়া সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় রহমত।
দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদের সন্তানেরা যেনো থাকে দুধেভাতে... হাশরের মাঠে যেনো অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে না হয়। রব্বে কারীম, আমাদের সন্তানদের চক্ষুশীতলকারী, নয়নজুড়ানো হিসেবে কবুল করুন।
09/05/2026
যাদের বহুবার দেখার পরেও মন ভরে না, নয়ন জুড়ায় না,তাদের আজ বহুদিন দেখি না...
রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগীরা। রাব্বানাগফিরলি ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়া লিল মু'মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব...
04/05/2026
সুবহানাল্লাহ্, আল্লাহর কী অপার মহিমা !!!
28/04/2026
ভবিষ্যৎ কর্ণধার......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Tangail
1941