06/06/2026
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই নামাজি হিসেবে গড়ে তুলতে মায়ের ভূমিকা অতুলনীয়। এটি কেবল একটি অভ্যাস নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া যার জন্য মায়ের ধৈর্য্য, ধারাবাহিকতা এবং অক্লান্ত শ্রম প্রয়োজন।
সন্তানকে আনন্দের সাথে সালাতে অভ্যস্ত করে তুলতে মায়েদের জন্য কিছু কার্যকর টিপস :
নিজেকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন:
শিশুরা যা দেখে, তা-ই শেখে। মা নিজে যখন নিয়মিত ও আগ্রহের সাথে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করবেন, তখন সন্তান অবলীলাক্রমে সেটি অনুসরণ করবে।
সহজ বয়স থেকে অভ্যস্ত করা:
৭ বছর বয়স থেকে নামাজের নির্দেশ দিতে হবে এবং ১০ বছর বয়সে নামাজের জন্য শাসন করতে হবে। আমি অবশ্য আমার সন্তানদের ৪-৫বছর বয়স হতেই হাতেখড়ি দিয়ে যাচ্ছি...
আনন্দদায়ক পরিবেশ তৈরি:
প্রথম দিকে সন্তান ঠিকমতো নামাজ পড়ছে কি না তা নিয়ে কঠোর না হয়ে, তাকে উৎসাহ দেওয়া উচিত। সুন্দর জায়নামাজ, জায়নামাজ বিছিয়ে দেওয়া বা ছেলেদের জন্য টুপি ও আতরের ব্যবস্থা করে দিলে নামাজের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে।
ধীরে ধীরে দায়িত্ব দেওয়া:
শুরুতেই ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে বাধ্য না করে, শুধু জুমার নামাজ দিয়ে শুরু করানো যায়। এতে তাদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় না।
দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা:
সন্তান যেন ভালো মানুষ হয়, মানবিক হয়, হক্বের পথে অবিচল থাকে, সে জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। মায়ের দোয়া সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় রহমত।
দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদের সন্তানেরা যেনো থাকে দুধেভাতে... হাশরের মাঠে যেনো অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে না হয়। রব্বে কারীম, আমাদের সন্তানদের চক্ষুশীতলকারী, নয়নজুড়ানো হিসেবে কবুল করুন।
09/05/2026
যাদের বহুবার দেখার পরেও মন ভরে না, নয়ন জুড়ায় না,তাদের আজ বহুদিন দেখি না...
রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগীরা। রাব্বানাগফিরলি ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়া লিল মু'মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব...
04/05/2026
সুবহানাল্লাহ্, আল্লাহর কী অপার মহিমা !!!
28/04/2026
ফুলের মত পবিত্র, নিষ্কলুস হোক আমাদের অন্তর...
15/03/2026
হে আমার আরশের মালিক , ইয়া আরহামার রাহিমীন, রহমাতুল্লিল আলামীন; আপনি আমাকে সামর্থ্য দিন, আপনি শুরু থেকে আমার উপর যে অনুগ্রহ করে এসেছেন এবং আমার পিতা-মাতার উপর যে অনুগ্রহ করে এসেছেন আমি যেন এর সর্বোপরি কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারি, আমি যেন এমন সব ভালো কাজ করতে পারি যার ফলে আপনি আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। আমার সন্তান-সন্ততিদের মাঝেও আপনি সংশোধন এনে দিন। সন্তানদের আপনি দ্বীনের খাস দাঈ হিসেবে কবুল করে নিন, তাদের সিনাকে কোরআনের নূর দ্বারা পূর্ণ করে দিন, কাল কিয়ামত পর্যন্ত নাজাতের ওসীলা বানাইয়া দিন, আলেম-ওলামার বংশধর হিসেবে কবুল করে নিন, রাসূলের ওয়ারিশ হিসেবে কবুল করে নিন। আর অবশ্যই আমি আপনার দিকে ফিরে আসছি,আমি তো আপনার বান্দাদেরই একজন।
05/03/2026
উত্তম আচরণের মাধ্যমে মন্দকে প্রতিহত করে দাও। একদা তোমার সাথে যাদের শত্রুতা ছিল, তারা তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধুতে রূপান্তর হবে। যারা ধৈর্যশীল, এ গুণ কেবল তারাই লাভ করে; তারাই এই গুণের অধিকারী হয়, যারা মহা সৌভাগ্যবান।
— মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহি.)
[বই : রাগ নিয়ন্ত্রণ, পৃষ্ঠা : ২০]
02/03/2026
মায়ের মৃত্যুর মুহূর্তে পাশে না থাকতে পারার যে হাহাকার, তা এক গভীর অপরাধবোধ ও চিরস্থায়ী ক্ষত যা সময় পেরিয়ে গেলেও বুকের ভেতর হাহাকার তৈরি করে । শেষ বিদায় জানাতে না পারার যন্ত্রণা, না বলা কথাগুলো জমে থাকা এবং মৃত্যুর দৃশ্য কল্পনায় বারবার ফিরে আসা মানুষের হৃদয়কে শুকিয়ে চৌচির করে দেয়..
রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সাগীরা। রাব্বানাগফিরলী ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়া লিল মু'মিনিনা ইয়াওমা ইয়াকুমুল হিসাব...
26/02/2026
হে আল্লাহ...
আজ তারা নেই, কিন্তু তাদের স্মৃতি আমার শ্বাসের সঙ্গে মিশে আছে।
ঘরের প্রতিটি কোণ আজও তাদের কণ্ঠস্বর খুঁজে বেড়ায়।
আমি যখন “মা” বলে ডাকতে চাই, নীরবতা ছাড়া কিছুই পাই না...
“বাবা” বলে ভরসা খুঁজতে গেলে বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে।
হে আমার রব!
আপনি তো বলেছেন আল-কুরআন–এ:
“রব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সগীরা” —
হে আল্লাহ! যেভাবে তারা শৈশবে আমাকে আগলে রেখেছিলেন,
আজ আপনি তাদের আপনার রহমতের চাদরে আগলে রাখুন।
হে দয়াময়!
কবরের অন্ধকার যেন তাদের জন্য নূরের বাগান হয়ে যায়।
প্রতিটি একাকী মুহূর্তে ফেরেশতারা যেন তাদের সঙ্গী হয়।
যদি তারা ভুল করে থাকেন—আপনি ক্ষমা করে দিন।
যদি তারা কাঁদে—আপনি তাদের চোখের পানি মুছে দিন।
হে আল্লাহ...
আমি তো তাদের আর কিছু দিতে পারি না,
শুধু দু’হাত তুলে কান্না দিতে পারি।
আমার এই অশ্রু, এই দোয়া—
তাদের নাজাতের কারণ বানিয়ে দিন।
হাশরের ময়দানে আবার যেন তাদের হাত ধরতে পারি।
জান্নাতের দরজায় যেন শুনি—
“এই সেই সন্তান, যে আমাদের জন্য কেঁদেছিল।”
হে আল্লাহ,
আমার মা–বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
তাদের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।
আমাদেরকে তাদের সদকা জারিয়া হওয়ার তাওফিক দিন।
আমীন…
(কপি)
22/02/2026
যেতে তো হবেই... পালানোর কোন উপায় নেই। তবে হিসেবের দরকার, কি রেখে কবরে যাচ্ছি। আর কবরে যাওয়ার পর মুনকার-নকীরের নিকট আমি কি উত্তর পেশ করবো ??? মুনকার নাকিরের প্রশ্ন-পর্বে,আমার জবাবের উপর ফায়সালা হবে আমার বারযাখের জীবন। দুনিয়াবি কর্মের উপর নির্ভর করবে কবরটা জাহান্নামের সাথে সংযুক্ত হবে নাকি জান্নাতের সাথে! এর পর কাটবে সপ্তাহ, মাস, বছর, যুগ, শতাব্দী, সহস্রাব্দ, কাল, মহাকাল... আর এভাবেই চলে আসবে ধ্বংসযজ্ঞের সেই মহা ক্ষণ, কেয়ামত! আসুন, একটু চিন্তা করে হিসেব মিলিয়ে নেয়ার চেষ্টা করি।।।