06/04/2026
প্রাচীন অ্যাথেন্সের অ্যাকাডেমির সামনে এক যুবক হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠল,
'আমি সাধারণ ছাত্র! কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্ক নেই! দার্শনিক প্লেটোকে পদত্যাগ করতে হবে। সে পড়াশোনার চাইতে রাজনীতি নিয়ে বেশি কথা বলে কিন্তু আমরা এখানে এসেছি জ্ঞান চর্চা করতে রাজনীতি করতে নয়।
সে অ্যাকাডেমির দরজায় মোটা তালা ঝুলিয়ে দিল। প্ল্যাকার্ডে বড় বড় করে লেখা: 'শুধু জ্ঞানের স্বার্থে!'
তালা লাগানো শেষ হতেই তার চাদরের ভাঁজ থেকে একটা মোম-সিল করা চিঠি খসে পড়ল। চিঠিতে লেখা:
“অসাধারণ কাজ! প্লেটো সরে গেলে স্পার্টার (অ্যাথেন্সের শত্রু শহর - প্লেটো যার বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে লড়ে যাচ্ছিলো) পক্ষ থেকে তোমাকে সোনা, জমি আর উঁচু পদ দেওয়া হবে। কাল অ্যারিস্টটলের লেকচার হলেও তালা মেরো।
ইতি,
তোমার ‘নিরপেক্ষ’ পৃষ্ঠপোষক
যুবকটা তাড়াতাড়ি চিঠিটা লুকিয়ে ফেলে মিষ্টি হাসি দিয়ে বলল,
'ভাইয়েরা, দেখো… আমরা তো কোনো রাজনীতি করি না। শুধু ন্যায় আর জ্ঞান চাই!'
হাজার বছর কেটে গেছে।
কিন্তু আজও .....
18/03/2026
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্দেশনা কী? চীন যদি এই ঘোষণা দিয়ে থাকে তাহলে তার কপি করে বাংলাদেশেও তো ঘোষণা আসার কথা। কালিকুলাম থেকে সবকিছু যেখানে কপি করা হয় সেখানে এইটা কপি না হলে তো বিপদ...
01/03/2026
তারা তোমাদের প্রতিটা যোগ্য নেতাকে আলাদা আলাদাভাবে খু/ন করবে।
এবং তারপর তোমাদের টেক্সটবুকে তারাই লিখে দেবে, মূলত নেতাদের অযোগ্যতাই তোমাদের পিছিয়ে পড়ার কারণ।
তারা তোমাদের সেরা বিজ্ঞানীদের খু/ন করবে, এবং এরপর তারা তোমাদের বলবে বিজ্ঞানে পিছিয়ে থাকার কারণেই তোমাদের উন্নতি হয় না।
তারা তোমাদের সেরা প্রফেসরদের স্লো পয়জনিং করবে, তোমাদের পথে ঘাটে ছড়িয়ে দেবে মাদক। তারপর অভিযোগ করবে, তোমাদের পড়ালেখায় আগ্রহ নেই বা তোমরা শিক্ষায় পশ্চাৎপদ।
তোমাদের সেরা উলামাদেরকে তারা ছাই বানিয়ে দেবে, তারপর তোমাদের তারা শেখাবে, মূলত উলামাদের মধ্যের অনৈক্যই তোমাদের শেষ করে দিচ্ছে।
তোমাদের সমস্ত সেক্টরে তারা জারজদেরকে অগ্রাধিকার দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে, তারপর তোমাদের বইতে লিখে দেবে, তোমরা জারজদেরই জাত।
সেই বই তোমরা স্কুলে পড়বে এবং স্বীকার করতে বাধ্য হবে, পশ্চিমাদের ছাড়া তোমরা কোনদিন মানুষই হতে পারতে না।
আর যেদিন তোমাদের স্কুলগুলোতে তাদের লেখা বই পড়াতে তোমরা রাজি হবে না, সেদিন তাদের মিসাইল তোমাদের বাচ্চাদেরসহ স্কুলগুলোকে উড়িয়ে দেবে।
সানজাক-ই উসমান বইয়ের লেখক প্রিন্স মুহাম্মাদ সজলের টাইমলাইন থেকে
23/02/2026
নতুন তদন্ত কমিশন এক বা দুই সদস্যের করেন। বেশি মানুষকে যুক্ত করে শুধু শুধু রাষ্ট্রের টাকা খরচ কইরেন না। রিপোর্ট কী থাকবে এখনই বলে দিচ্ছি।
দুই মাস আগে মেজর জেনারেল (অব) এএলএম ফজলুর রহমান কমিশনের রিপোর্টে যা আছে, মোটামুটি সেগুলোই থাকবে। শুধু ভারতের সংশ্লিষ্টতার অংশটুকু বাদ যাবে।
22/02/2026
মুরুব্বি,মুরুব্বি! উঁহু,উঁহু!
19/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ, এক ধাক্কায় কয়েক লক্ষ কর্মসংস্থান।
জাস্ট তারেক রহমান ম্যাজিক।
28/01/2026
গণভোটে 'হ্যাঁ' তে ভোট দিলে মানুষ কি খেতে পারবে?
না,পারবে না।
মানুষ খেতে পারবে সারাদেশে ধান লাগানো হলে।তাই আসুন আমরা সবাই ধান লাগাই।
লাগারে লাগা, ধান লাগা।
23/01/2026
Interested!
Making sense of Bangladesh’s ‘Hadi effect’ shaping the vote
Martyrs die, and mourning - after a while - usually fades. Not with Sharif Osman Hadi in Bangladesh. Here's why.
31/12/2025
ভিডিওতে নজরুল ইসলাম খান স্পষ্ট করে বলেছেন-
“এই মৃত্যুর দায় থেকে ‘ফ্যাসিবাদী’ হাসিনা কখনো মুক্তি পাবে না।”
কিন্তু প্রথম আলো সেই বক্তব্যকে কেটে–ছেঁটে বানিয়েছে- ‘শেখ হাসিনা কখনো মুক্তি পাবেন না।’
এইটা কোনো “ভুল উদ্ধৃতি” না, এইটা সরাসরি রাজনৈতিক জালিয়াতি।
‘ফ্যাসিবাদী’ শব্দটা বাদ দিয়ে দেওয়া মানে অভিযোগের কেন্দ্রটাই মুছে ফেলা।
আর ‘পাবে না’কে ‘পাবেন না’ বানানো মানে অভিযুক্তকে সম্মানসূচক ভাষায় ঢেকে দেওয়া।
এইভাবেই প্রথম আলো বছরের পর বছর কনসেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং করে আর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বলা কথাকে ভদ্রতার কাফনে মুড়ে দেয়। এরা সংবাদমাধ্যম না-এরা ক্ষমতার ফিল্টার। যেটুকু বলার অনুমতি ভারতীয় প্রভু দিয়েছে সেটুকুই ছাপাবে আর যেটুকু ভারতীয় আধিপত্যবাদকে আঘাত করবে,সেটুকু বিকৃত করবে।
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো-এই অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে কথা বললেই আপনাকে চরমপন্থী কিংবা মৌলবাদী বানিয়ে দেওয়া হবে। প্রথম আলোকে প্রশ্ন করাই এখানে অপরাধ। সমালোচনাকে এমনভাবে দমন করা হয়,যেন সত্য বলা নিজেই একটটা সহিংসতা।
এই মিডিয়াগুলো নিষ্ঠার সঙ্গে শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করে-এ কথা বলাও যেন নিষিদ্ধ। কারণ সত্যটা উচ্চারণ করলেই আপনাকে ঘৃণার রাজনীতির আসামি বানানো হবে।
তাদের এই অপরাধের নাম সাংবাদিকতা নয়-এইটা ফ্যাসিবাদের দালালি।
17/12/2025
পতনের দুই বছর আগেই হাসিনাকে যে পরামর্শ দিয়েছিলেন মাভাবিপ্রবি ভিসি...
22/07/2025
মাইলস্টোন ট্রাজেডির পর ন্যাশনাল বার্ন ইউনিটে ফিরিয়ে আনার জন্য যে ডা. সামন্ত'র কথা বলা হয়েছে তিনি ছিল জুলাই বিপ্লবে ছাত্র হত্যার অন্যতম কারিগর।গতবছর জুলাই আগস্টে সরকারি হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা না দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেওয়া,হাসপাতালে ঢুকে ছাত্রলীগের আক্রমণ, পুলিশি হয়রানি, হাসপাতালের রেকর্ড পুলিশের হাতে দেওয়া, আহতদের রেকর্ড গায়েব, আবু সাঈদ সহ শহিদদের লাশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বদলে দেওয়া, লাশের পোস্টমর্টেম না করা, লাশ নিতে মুচলেকা দিতে বাধ্য করাসহ এমন কোন কাজ নেই যেটা সে সময়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা সামন্ত লাল সেন করেনি।
৫ই আগস্ট হাসিনার পলায়নের পর এই সামন্ত লাল আত্নগোপনে গেছে।এখন এই আত্নগোপনে থাকা অপরাধীকে পুর্নবাসনে তৎপর হয়েছে প্রফেসর কামরুল হাসান মামুন।আর এসব ফ্যাসিস্ট পুর্নবাসনে তৎপর লোকেরাই জুলাই শহীদ দিবসে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এসে জ্ঞান দেই। আইরোনি এট ইটস পিক!
আমাদের প্রশাসন যে গ্রাউন্ড ওয়ার্কে কতটা দুর্বল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।একটা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্বিক দিক বিবেচনা করে ডিসিশন নিতে হয়।গুটিকয়েক লোকের ডিশিসন সবার উপর চাপিয়ে দেয়ার মানসিকতা থেকে বের হওয়া উচিত।পরেরবার থেকে এসব বিতর্কিত লোকদের কোনভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন প্রোগ্রামে আনা যাবে না।