বিস্তারিত পড়তে নিচে দেওয়া আমার ওয়েব সাইটের লিংকে প্রবেশ করুন।
https://zoherulislam.com/sisur-kopala-kalo-tip-dawa-jaba-ki/
Freelancing Education Institute
ফ্রিলেনসিং শিখুন আয় করুন।
ডাটা এন্ট্রি কাজ করে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে কিনা ?
মজার একটা বিষয় হল নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চায় তারা চিন্তা করে প্রথমে ডাটা এন্ট্রি দিয়ে আমি টুক টাক ইনকাম করব । কিন্তু আসলে বাস্তবতা হল – ডাটা এন্ট্রি কাজটাই সবচাইতে কঠিন । নতুনদের জন্য এই কাজ একদম উপযুক্ত নয় । কেন ?
১. নতুনদের কল্পনায় থাকে বায়ার আমাকে হাতে লিখে কিছু ডকুমেন্ট ইমেইল বা হোয়াটস এপে দিবে আর আমি মনের সুখে সেগুলো টাইপ করে বায়ারকে ইমেইল করব । কত্ত সোজা । হা হা । আসলে এই কাজগুলো সফটওয়্যার দিয়ে করানো যায় । বাস্তবে এই রকম কোন কাজ কোন বায়ার দেয় না ।
২. কিন্তু মার্কেটপ্লেসে তো ডাটা এন্ট্রি লিখে সার্চ করলে অনেক কাজ পাওয়া যায় !! ওকে পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো সবচাইতে কঠিন কাজ । কেন কঠিন ? কারণ আপনাকে সেই কাজগুলো করার জন্য অনেক অনেক কিছু জানতে হবে এবং বুঝতে হবে । যেমন: ডাটা স্ক্রপিং, ডাটা মাইনিং, ডাটা রিসার্চ, প্রাইমারী ডাটা এন্টি, সেকেন্ডারী ডাটা এন্ট্রি, ওয়েবসাইটে এন্ট্রি, ই. আর . পি সফটওয়্যারে ডাটা এন্টি…… ইত্যাদি ইত্যাদি আরো অনেক কিছু ।
৩. এই সামান্য কাজটা করতে এত কিছু জানতে হবে কেন । শুধু A B C D টাইপ করতে পাররেই তো পারার কথা !! Ok, মনে করুন আপনার এলাকায় যে কম্পিউটারের দোকাকে টাইপিং এর কাজ করে অর্থাৎ ডাটা এন্ট্রি করে তাকে অনেক কিছু জানতে হয় যেমন: বিভিন্ন দলিল ফরমেট তৈরী, চুক্তি নামা ফরমেট, এই রকম আরো শত রকম ডকুমেন্ট তৈরী সম্পর্কে তার নলেজ থাকতে হবে । না থাকলে শুধুমাত্র টাইপিং এর নলেজ নিয়ে সে কখনো কম্পিউটার কম্পোজের দোকানে চাকরী করতে পারবে না ।
৪. তো এই সাধারণ একটি দোকনে কাজ করা লোক কে যদি এত কিছু জানতে হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানীতে ডাটা এন্ট্রি করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক কিছু জানতে হবে । এটাই স্বাভাবিক ।
৫. তাই ফ্রিল্যান্সিং এ ডাটা এন্ট্রির কাজ আছে । কিন্তু সেগুলো অনেক জটিল এবং এই কাজে সবচাইতে বেশী সেলারী দেয়া হয় । কিন্তু এই মুহুর্তে আপনি সেই কাজগুলো করতে পারবেন না । অনেকদিন ফ্রিল্যান্সিং করার পর অভিজ্ঞতা হলে পারবেন ।
৬. ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য সবচাইতে সহজ কাজ হল : ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, ক্লাসিফাইড পোষ্টিং, লিডস জেনারেশন, লিংক বিল্ডিং, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ওয়েব রিসার্চ ইত্যাদি । কাজগুলো এতই সহজ যে আপনি মাত্র এক দিনে একটি কাজ শিখতে পারবেন ।
ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত সকল লেখা, ভিডিও এবং টিউটোরিয়াল পেতে ফেসবুক, গুগল এবং ইউটিউবে সার্চ করুন । যেগুলো দেখে আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখে খুব দ্রুত ইনকাম শুরু করতে পারবেন ।
সম্পূর্ণ নতুন অবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া খুব সহজেই কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাবেন ?
যে যে সকল বায়ার কম টাকায় কাজ করাতে চায় তারাই নতুনদেরকে হায়ার করে। এখন কিভাবে করবে ? চোখ বন্ধ করে বা লটারী করে বাছাই করবে ? একদমই না । হায়ার করার আগে বায়ার যাচাই করবে আপনি আসলে কাজ পারেন কিনা এবং আপনার কাজের মান কত ভাল । তো কিভাবে যাচাই করবে ?
যাচাইয়ের মানদন্ডগুলো হল:
১. পোর্টফোলিও বা স্যাম্পল:
আপনাকে অবশ্যই সম্যাল তৈরী করতে হবে এবং কোন রকম স্যাম্পল হলে হবে না খুব ভাল মানের হতে হবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি ভাল মানের কাজ পারেন । আর স্যাম্পলগুলো অন্য কোথাও থেকে কালেকশন করা যাবে না । অবশ্যই অবশ্যই আপনাকেই তৈরী করতে হবে । কারণ এই স্যাম্পলের উপর বায়ার আপনাকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন প্রশ্ন করবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার নিশ্চিত হবে যে আপনি কাজ করেন নাই কিন্ত আপনি কাজ পারেন এবং কাজের মান ভাল ।
২. প্রফেশনাল মানের এবং নির্ভুল গিগ:
শুধু কোন রকম একটি গিগ তৈরী করলে কাজ পাবে না । চাকরী দেয়ার আগে বায়ার অনেক সময় নিয়ে আপনার গিগটি পড়বে । সুতরাং গিগটি যদি মানসম্মত না হয় তাহলে শুরুতেই আপনার প্রতি একটি নেগেটিভ ধারণা তৈরী হবে ।
৩. আপনার প্রোফাইল:
অবশ্যই প্রফেশনাল মানের প্রোফাইল তৈরী করতে হবে এবং এটি ১০০ % কমপ্লিট হতে হবে । প্রোফাইলে আপনি কিভাবে নিজেকে উপাস্থাপন করছেন, কিভাবে আপনার স্কিল এবং এক্সপার্টাইজগুলোকে ডেসক্রাইব করছেন এটা খুবই গুরুত্বর্ণ । যারা কাজ পারে না তারা স্বাভাবিকভাবে নিজের প্রোফাইলকে প্রফেশনাল লুক দিতে পারবে না ।
৪. কয়টি টেষ্টে পাশ করেছেন:
প্রত্যেক মার্কেটপ্লেসে টেষ্ট এর ব্যাবস্থা আছে । আপনি যত বেশী টেষ্ট দিয়ে পাশ করবেন ততই আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং ক্রাউডের মধ্যে আপনি আলাদাভাবে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে পারবেন ।
৫. বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই:
অনেকেই মনে করেন যেনতেন ভাবে ২/৩ লাইন রিপ্লাই লিখে দিলেই হয়ে যায় । একদমই না । আপনার রিপ্লাইগুলো অবশ্যই বায়ারের সবগুলো সেনসেটিভ পয়েন্টকে কাভার করতে হবে । একটি ভাল মানের রিপ্লাই কমপক্ষে ১০/১২ হওয়াটা স্বাভাবিক । বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই লিখা একটি টেকনিক্যালি বিষয় । অবশ্যই এটি ভালভাবে শিখতে হবে । আপনার রিপ্লাই পড়ার পর বায়ার ডিসাইড করবে আপনাকে নক করবে কি করবে না ।
৬. বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ:
আপনার রিপ্লাই পাওয়ার পর বায়ার যদি সেটা পছন্দ করে তবে আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকবে । ইন্টারভিউ মানে লিখে লিখে চ্যাট করবে । অবশ্যেই এই ইন্টারভিউর ম্যানারগুলো জানতে হবে এবং কিভাবে বায়ারকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন যুত্তি ও তথ্য দিয়ে ইমপ্রেস করবেন তা শিখতে হবে ।
৭. খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে:
সবচাইতে বড় কথা হল খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে এবং একই কাজ বার বার করার মাধ্যমে স্কীল অর্জন করতে হবে । চাকরী পাওয়ার পর যদি কাজ করতে না পারেন তবে চাকরী এমনিতেই থাকবে না ।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি নতুন অবস্থায় সহজেই চাকরী পাবেন এবং আরো বুঝতে পেরেছেন কেন অনেক ফ্রিল্যান্সার মাসের পর মাস এপ্লাই করেও কাজ পায় না ।
বিশ্বাস করুন ৯৫% ছেলে উপরোক্ত বিষয়গুলো জানে না বুঝে না । জাষ্ট একটা একাউন্ট খুলেই এপ্লাই করতে থাকে । কিন্তু আপনি যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো ফলো করেও কাজ না পান তাহলে আপনাকে আমরা পুরষ্কার দিব ।
ফ্রিল্যান্সিং করতে কি শিখব ? কিসের উপর প্র্যাকটিক্যাল স্কীল ডেভেলপ করব ?
প্রথমত ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংক্রান্ত বেসিক কাজগুলো শিখতে হবে ।
দ্বিতীয়ত আপনি যে সাবজেক্টে অনার্স বা মাষ্টার্স করেছেন বা বর্তমানে যেই বিষয়ের উপর পড়াশুনা করছেন সেই রিলেটেড জব সেক্টরে কি রকম স্কিল দরকার তা খোঁজ খবর নিন । যেমন আপনি যদি একাউন্টিং মেজর নিয়ে বিবিএ বা এম.বি এ করেছেন বা এখনো স্টূডেন্ট তবে আপনি সিদ্ধান্ত নিন যে কোন ধরনের কোম্পানীতে আপনি একাউন্টিং জব করতে চান ।
ধরে নিলাম আপনি রিয়েল এষ্টেট কোম্পানী তে জব করতে চান । তাহলে বিদেশী রিয়েল এষ্টেট বা হসপিটালে কিভাবে প্র্যাকটিক্যাল একাউন্টিং করা হয় তা শিখুন । ঐ সেক্টরে জব করছে এমন কারো কাছ থেকে শিখতে পারবেন । এমন কাউকে না পেলে Linked in এই রকম লাখ লাখ প্রফেশনাল পাবেন । তাছাড়া গুগল এবং ইউটিউবে হাজার হাজার ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাবেন যেগুলো দেখে আপনি প্র্যাকটিক্যাল নলেজ গ্রো করতে পারবেন ।
না আমি আমার সাবজেক্ট মেটার নিয়ে কাজ করতে চায় না । অন্য কিছু আরো সহজ কিছু নিজে কাজ করতে চায় এবং দ্রুত ইনকাম শুরু করতে চায়:
ভেরি গুড তাহলে নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ঢুকার সবচাইতে সহজ কাজ হল – ডিজিটাল মার্কেটিং । খুব সহজ কাজ, কম সময়ে শিখা যায়, প্রত্যেক কোম্পানীকে এই কাজটা করাতেই হয় তাই এই কাজটাই সবচাইতে বেশী পরিমানে পাওয়া যায় । শুধুমাত্র এই কাজটি করেই আপনি প্রতি মাসে ৫০ হাজার বা তার বেশী ইনকাম করতে পারবেন । প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা স্থায়ীভাবে ইনকাম হতে থাকলে তখন আপনি অন্যান্য রিটেটেড কাজেও স্কীল ডেভেলপ করতে পারবেন । শিখার জন্য সারা জীবন সময় আছে । আগে মূল কাজগুলো শিখে উপার্জন শুরু করতে হবে ।
কিভাবে সহজে কোটিপতি হবেন ?
সহজে বলতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে না । সঠিক স্কীল ডেভেলপ করে, কিভাবে খুব কম সময়ে সফলতার পিকে পৌঁছাবেন সেটাই আজ বলব । যারা কোন প্ররিশ্রম না করে বড়লোক হতে চান তার নিচের লিখাগুলো পড়বেন না প্লিজ ।
ধরে নিচ্ছি আপনি খুব বেশী পড়শুনা করেন নাই । রেজাল্ট ও মোটামোটি । ইংলিশ এবং কম্পিউটার নলেজও একদম বেসিক । এখন আপনি চান খুব দ্রুত কোটিপতি হতে । ইনশাল্লাহ অবশ্যই পারবেন । আপনার এলাকায় যে সকল কোটিপতি পাবেন দেখন কারো রেজাল্ট ভাল নাই, ইংলিশ কম্পিউটার ইত্যাদিও ভালভাবে পারে না, ইভেন অনেকে শিক্ষিতও না । তো তারা যদি কোটিপতি হতে পারে আপনি পারবেন না কেন ? মনকে শক্ত করুন । স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরুন । সিটবেল্ট বাঁধুন – আসেন কোটিপতি হওয়ার জার্নি শুরু করি ।
আগে বিশ্লেষণ করি তার কিভাবে কোটিপতি হয়েছে । প্রথমত তারা একটা ব্যবসা বা কাজ খুব ভালভাবে শিখেছে । এবং ঐ কাজেই সম্পূর্ণ ফোকাস দিয়েছে । যার ফলে সে তার ব্যবসা বা সার্ভিস উন্নত করতে পেরেছে, মানুষের গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, ভালবাসা পেয়েছে তার ব্যবসা বড় হয়েছে এবং সে স্বাভাবিকভাবেই কোটিপতি হয়েছে । এক কথায় তারা তাদের কাজকে ভালবেসেছে এবং পরম মমতা দিয়ে নিজের কাজটি করেছে ।
তারা কখনো কোটিপতি হওয়ার চেষ্টা করেনাই । কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে নাই । শুধুমাত্র কাজকে ভালবাসার কারণেই তাদের আজ টাকা-পয়সা, সামাজিক সম্মান, প্রতিপত্তি সবকিছুই আছে ।
এখন আপনি কি কাজ করবেন আর কিভাবে কাজকে ভালবাসবেন ?
১. আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ আছে সেটাকেই আপনার পেশা বানিয়ে ফেলুন । যেমন আপনি ছবি আঁকতে পছন্দ করেন তাহলে ইউটিউব দেখে গ্রাফিক ডিজািইন শিখুন ।
এখন এই গ্রাফিক ডিজাইন শিখে কিভাবে কোটিপতি হওয়া সম্ভব ? জাষ্ট এক্সপান্ড ইউর ইমাজিনেশন । আপনি একটি ফার্ম তৈরী করুন । সেখানে ৫ জন লোক নিয়োগ দিন । এর পর বড় বড় কোম্পানীগুলোর সাথে চুক্তি করুন যাদের প্রতিদিন হাজার হাজার গ্রাফিক ডিজাইন করাতে হয় যেমন: ইকমার্স সাইট । এই রকম ২/৩ টি কোম্পানীর কাজ পেলে আপনি কাজ করে শেষ করতে পারবেন না । কমপক্ষে আপনি মাসে ১০ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন । বড়জোড় ১ লাখ টাকা খরচ হবে । ক্যালকুলেশন করুন কোটিপতি হতে কয়দিন লাগবে ।
বুদ্ধিমানরা নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন ”গ্রাফিক ডিজাইন” একটি উদাহরণমাত্র এটি যে কোন কাজ হতে পারে ।
আসুন এইবার আলুর ব্যাবসা করে কোটিপতি হই । আলু ? হ্যা আলু । এক টাকাও ইনভেষ্ট করতে হবে না । আপনি একটি ওয়েব সাইট তৈরী করুন যেখানে সর্বপ্রকার আলু পাওয়া যাবে, যেমন গোল আলু, লাল আলু, ঠান্ড আলু, দেশী, বিদেশী ইত্যাদি । সবগুলোর সুন্দর ছবি ডেসক্রিপশন, গুণাগুণ এবং দাম লিখুন । তারপর আপনার ওয়েবসাইটে এস. ই.ও করে লাখ লাখ মানুষকে দেখান । অনেক আলুর অর্ডার আপনি পাবেন । কিন্তু আপনার কাছে তো প্রোডাক্ট নাই । কোন সমস্যা নাই । বাংলাদেশের অনেক জায়গা আছে যেখানে কৃষকরা দাম না পেয়ে আলু ফেলে দেয় । অনলাইনের মাধ্যমে তাদেরকে খুঁজে বের করুন । তারাই ঐখানে থেকে আলু ডেলিভারী দিবে । আর আপনি এইখান থেকে অর্ডার নিবেন । আপনি ২০ টাকায় আলু বিক্রি করলে কৃষককে ১৫ টাকা দেয়ার পরও আপনার ৫ টাকা লাখ থাকবে । বাংলাদেশের সকল রেষ্টুরেন্টে কম দামে ফ্রেস আলু সাপ্লাই দিতে পারবেন । ব্যবসা আরো বড় করলে আপনি দেশের বাইরেও ওয়েবসাইটের প্রচার করে আলু রপ্তানী করতে পারবেন ।
মজার বিষয় হচ্ছে আপনার কোন খরচ নাই, রিস্ক নাই , ইনভেষ্ট নাই । ইনভেষ্ট শুধু আপনার ব্রেইন । এখানে আমি জাষ্ট দুইটা উদাহরণ দিলাম । এমন না যে আপনি আলুর ব্যবসা করবেন । আমি জাষ্ট আপনাকে ভাবনার পথ দেখিয়ে দিলাম । দুনিয়াতে এই রকম হাজারো ব্যাবসা বা পেশা আছে ।
এত সহজ ? না এত সহজ না । আমি আপনাকে হিমালয় পর্বতের চূড়া দেখিয়ে দিলাম । এখন আপনাকে হাঁটতে হবে । চলতে চলতে আপনার পা রক্তাক্ত হয়ে যাবে । সেই রক্তাত্ত পা নিয়ে আপনাকে দিনের পর দিন হাঁটতে হবে একা একা । সাহস আছে ? যাদের এই সাহস আছে তারাই কোটিপতি হওয়ার যোগ্য ।
ধন্যবাদ
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Tangail