WayFarer Irfan

WayFarer Irfan السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ال


لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللَّٰهِ

07/10/2024

যারা ইউটিউব, ফেসবুক থেকে ইনকাম করবেন ভাবতেছেন।
দুনিয়ার সামান্য টাকার জন্য, আজীবন থাকার যায়গা কে দোযখে পরিণত কইরেন না।।।।

শাপলা চত্বর ম্যাসাকার : ডাম্পিং গ্রাউন্ড মাতুয়াইল** লাশগুলো ওয়েস্ট প্রসেসিং মেশিনে গার্বেজের সাথে একে একে ফেলে দেয়া হয় ।...
20/08/2024

শাপলা চত্বর ম্যাসাকার : ডাম্পিং গ্রাউন্ড মাতুয়াইল

** লাশগুলো ওয়েস্ট প্রসেসিং মেশিনে গার্বেজের সাথে একে একে ফেলে দেয়া হয় । ক্রাশিং এবং শ্রেডিং করে হাড় মাংস সব মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। এমনভাবে মিশিয়ে দেয়া হয় যে প্রফেশনাল ফরেনসিক টিম আর তাদের ইকুইপমেন্ট ছাড়া খালি চোখে সেই প্রসেসড গার্বেজ দেখলে কেউ বলতে পারবেনা এর মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ আছে। **

*** ভোরে যখন মাদরাসায় ফিরলাম, জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম একের পর এক ময়লার ট্রাক ঢুকছে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। মিনিমাম ১৫/২০টা হবে যদ্দূর মনে পড়ছে। তবে সবগুলোর ওপরে ত্রেপাল দিয়ে ঢাকা, যা আগে কখনো দেখিনি। পেছনে দেখলাম পুলিশ-র‌্যাবের গাড়ি, মেইন গেইটের সামনে পুলিশের গাড়ি, আর স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাদের উপস্থিতি দেখলাম।
এরও কয়েকদিন পর যখন সেখানে আবারও গেলাম, ভেতরে সেখানকার পরিচিত কর্মচারীদের মুখে স্পষ্ট শুনলাম, গাড়ি ভরতি লাশ এনে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে সব গুড়ো গুড়ো করে মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। যেখানে ফেলা হয় গুড়োগুলো, সেই জায়গাটা ঘেরাও করা ছিল, প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। ***

গত ১৬ বছরের ফ্যাসিজম আর ডিক্টেটরশিপে পেঁচিয়ে থাকা আতংকের কারণে অনেকেই অনেক ইনফরমেশন প্রকাশ করতে পারেননি। এখন আস্তে আস্তে সেই ইনফরমেশনগুলো সামনে আসছে, মিলে যাচ্ছে অনেকগুলো অসমাপ্ত পাজল। তাই আমিও ভাবলাম একটা ঘটনা শেয়ার করি। এই ঘটনা আমি আমার কাছের অনেককেই পারসোনালি শেয়ার করেছি, কিন্তু পাবলিকলি এই প্রথম বললাম।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য : মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডের ঘটনাটা ওই এলাকায় বাস করেন এমন মানুষজনই আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। উনাদের থেকে যা শুনে এসেছি সেটাই এই পোস্টে লিখেছি। এর সাক্ষী হিসেবে আমার তখনকার কলিগকেও আমি এই পোস্টে ট্যাগ করেছি। ঘটনার সত্যতা কতটুকু সেটা অবশ্যই তদন্তকারী বিভাগ যাচাই করে দেখবেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি শাপলা চত্বরে সেদিন রাতে যা হয়েছিলো সেখানে সরকারী ক্যাজুয়ালটির হিসাব কোনদিনই গ্রহণযোগ্য নয় এবং প্রচুর তথ্য ও এভিডেন্স গোপন করা হয়েছে।)

২০১৬ সালে (মাসটা ঠিক মনে নাই, খুব সম্ভবত এপ্রিল কিংবা মে মাস হবে) ব্যক্তিগত একটা ডকুমেন্টারির কাজে সাইট রেকির জন্য আমি আর Mithun Banik গিয়েছিলাম ঢাকার যাত্রাবাড়ীর পেছনের দিকের এরিয়া, গোলাপবাগের ভেতরে। সেখান থেকে ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই কাজলার পাড় এলাকায়। লোকাল কয়েকজন ভাইব্রাদার কে নিয়ে এরিয়া ঘুরে দেখছিলাম, উনারাও আমাদেরকে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা দেখাচ্ছিলেন।

এক পর্যায়ে আমরা এসে পৌঁছাই কাজলার পাড়ের শেষ প্রান্তে, যেখানে শহরের চিহ্ন শেষ হয়ে খোলা ধানি জমি শুরু হয়েছে। আমাদের ডান পাশে ঢাকা-ডেমরা হাইওয়ে, সাঁই সাঁই করে গাড়ি যাচ্ছে। সামনে কিছুটা দূরে, বড় বড় ফ্লাডলাইটের আলোয় আলোকিত বিশাল এক খোলা অঞ্চল। কিছু বুলডোজার আর এক্সক্যাভেটর কাজ করছে, আর এই রাতের বেলাও উড়ছে শত শত কাক। আশেপাশে পুরোটাই খালি জায়গা হওয়ায় কাকের চিৎকার আমাদের কান পর্যন্ত ভেসে আসছে।

আমি একটু কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই ওইটা কি?" আমাদের সঙ্গে থাকা একজন উত্তর দিলেন, "ওইটা? ওইটা মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ড!"

আমি তখন বললাম, "বাপরে, এত বড় ময়লার ভাগাড়ে কাউকে গায়েব করে ফেললে তো কোনদিন খুঁজেও পাওয়া যাবে না!"

এরপরেই উনাদের মাঝে নেমে এলো এক অস্বস্তিকর নীরবতা। ওই ভদ্রলোক নিজে থেকেই জানালেন এক নির্মম সত্য যেটা গোলাপবাগ, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা সহ আশেপাশের সব এলাকার মানুষই জানে কিন্তু মুখ খুলতে কেউ রাজি না।

২০১৩ সালের ৫ই মে রাতে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের অন্তত এক লাখ কর্মীকে চত্বর থেকে সরানোর জন্য রাত ১টা থেকে জয়েন্ট অপারেশন শুরু করে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি। এর দুইঘন্টা পর রাত ৩টা/সাড়ে ৩টার দিকে অনেকগুলো ট্রাক প্রবেশ করে মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে।

সেই ট্রাকগুলো থেকে নামানো হয় সারি সারি পাঞ্জাবি পায়জামা পরা রক্তাক্ত লাশ। কারো মাথায় তখনো টুপি আছে, কারো মাথায় নাই। কারো বুকের মধ্যে গর্ত, কারো মাথায়। বোঝাই যাচ্ছে গুলি খাওয়া।

সেই লাশগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে। সেখানে ওয়েস্ট প্রসেসিং মেশিনে গার্বেজের সাথে একে একে ফেলে দেয়া হয় লাশগুলো। ক্রাশিং এবং শ্রেডিং করে হাড় মাংস সব মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। এমনভাবে মিশিয়ে দেয়া হয় যে প্রফেশনাল ফরেনসিক টিম আর তাদের ইকুইপমেন্ট ছাড়া খালি চোখে সেই প্রসেসড গার্বেজ দেখলে কেউ বলতে পারবেনা এর মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ আছে। পুরো ঘটনাটা তদারকি করে র‍্যাব এবং লোকাল সরকার দলীয় কিছু নেতা।

সেইদিন এক্স্যাক্টলি কয়টা লাশের ভাগ্যে এই পরিণতি হয়েছিলো সেটা কেউ বলতে পারবে না। তবে নাম্বারটা যে তিন সংখ্যার কম নয় এই ব্যাপারে সবাই নিশ্চিত।

©️ Farhad Rakib

Another eye witness:
আপনি যেই বর্ণনা দিলেন এরপর আমার আর বিস্তারিত বলার মত না হলেও, শুধু এইটা অন্যদের জানানোর জন্য যে লাশগুলো একটা জায়গায় শুধু এমন করা হয় নি।

কারণ কাকরাইলে যাদের বাসা এবং যারা ওই রাত জাগনা ছিলেন উনারা জানেন যে ভোররাতের দিকে ৮টা ট্রাক গিয়েছিল লাশে ভরা আর যাওয়ার সময় লাশের গন্ধে পুরা রাস্তা সহ আশে পাশে ছড়িয়ে পরায় কুরবানীর সময় যেমন সিটি করপোরেশন ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করে রক্তের গন্ধ। তেমনি ঐদিন ও ব্লিচিং দিয়ে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করে লাশের গন্ধ। পরের দিন সকাল থেকে যারা অফিসে স্কুলে গিয়েছেন উনাদের মনে থাকলে থাকতে পারে।

আমার বলার মূল কারণ হলো, দুইটা দুই প্রান্তে মাতুয়াইল আর কাকরাইল, সেই হিসাবে বুঝাই যায় এক জায়গায় dump করেনি তারা। multiple যায়গায় ডাম্প করেছে।

Original post:
https://www.facebook.com/share/p/5VikkZdUUHPfraAc/?mibextid=oFDknk

From an eye witness testimony:
https://www.facebook.com/share/RgrQd2HtWB4gzyfs/?mibextid=WC7FNe

আলহামদুলিল্লাহ... দীর্ঘ ৮/১০ বছর গুম থাকার পর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী ও ব্যারিস্টার আরমান ভাই কুখ্যাত...
06/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ...
দীর্ঘ ৮/১০ বছর গুম থাকার পর বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী ও ব্যারিস্টার আরমান ভাই কুখ্যাত আয়না ঘর থেকে ফিরেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

অথচ তারা বলতো কাওকে গুম করা হইনি। আয়না ঘির নামে কিছু নেই।।।

26/06/2024

বাংলাদেশে জন্মানোর একটা লাভ আছে। এই দুনিয়ায় না, আখিরাতে আরকি।

আপনার এত পরিমাণে হক মারা হবে, আপনি নিজেও হিসাব রাখতে পারবেন না। রাস্তার মুজুর থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তা সবাই আপনার হক মারবে কোনো না কোনোভাবে।
আর হাসরের ময়দানে এইগুলার জন্য একটা বড় সংখ্যক নেকি আপনার আমলনামায় আসবে।

কিন্তু শর্ত একটাই, আমি নিজেও যেন ঐ জালিমদের অন্তর্ভুক্ত না হই।

-গাজী ফয়সাল ভাই

আজ আনুমানিক বিকাল ৫:৩০ এর দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস - Upakul Express ট্রেন থেকে ভৈরব মেঘনা ব্রিজের ২য় পিল...
31/05/2024

আজ আনুমানিক বিকাল ৫:৩০ এর দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস - Upakul Express ট্রেন থেকে ভৈরব মেঘনা ব্রিজের ২য় পিলারে কাছে তানভীর মোল্লা নামের একটি ছেলে উপকূল এক্সপ্রেস - Upakul Express ট্রেনের দরজায় বসে ছিলো হঠাৎ দরজা থেকে পড়ে যায় নদীতে 😰

পরবর্তী তে ফায়ার সার্ভিস গঠনাস্থলে পৌঁছায় এবং উ*দ্ধা*র কাজ শুরু করে।
ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের টিমকে উ*দ্ধা*র কাজে সহযোগিতা করে যুব রেড ক্রিসেন্ট, ভৈরব উপজেলা টিমের সদস্যগন। আজকের মত অত্র রাত ০৮:২০ মিনিট পর্যন্ত উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়।।

কিন্তু এখনো লা*শ পাওয়া যায় নি 🥲
ছেলেটি বাড়ি আখাউড়া থানার দেবগ্রাম গ্রামে।

29/05/2024

🙂🙂

একদিনের জ্বর,দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট,মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে তাই...
01/05/2024

একদিনের জ্বর,দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট,মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে তাই একটা নাপা খাইছে" বাদে কোনো ড্রাগের হিষ্ট্রি পাওয়া গেলো না।

আমরা পেশেন্ট ভর্তি নিলাম এবং পরের দিন অবস্থা আরও খারাপ হতে শুরু করলো।শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বুলাস লেশন(Bullous lesion-অনেকে ফুসকুড়ি বলে থাকেন) দেখা গেলো।এ ধরনের লেশন ড্রাগ রিএকশনেও হয় আবার ইমিউন হাইপারসেন্সিটিভিটিতেও হতে পারে।

যেহেতু সিগনিফিক্যান্ট ড্রাগ খাওয়ার হিষ্ট্রি নাই এবং বুলাস লেশন হতে পারে ইমিউন বুলাস ডিজিজগুলোতে।কিন্তু বয়স এবং অন্যান্য লক্ষনের সাথে সে রোগও প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

কনফার্মেশনের জন্য স্কিন ডিপার্টমেন্টের শরনাপন্ন হলাম।উনারা বায়োপসি ফর হিস্টোপ্যাথলজি এবং DIF(Direct Immunofluorescence) দিলেন।

ফাইনালি,বায়োপসিতে আসলো ড্রাগ রিএকশনের কারনেই হইছে।এবং সেই একটা ড্রাগের নাম "নাপা"।

যেহেতু নাপা মানুষ মুড়ির মত খায় এবং এটা একটা OTC(drugs you can buy without a prescription) ড্রাগ। তাই নাপার কারনে এমন হতে পারে আমাদের চিন্তাতেও ছিলো না।

"নিরীহ নাপা"ও মারনঘাতি হতে পারে এরকম কপাল হয়তো খুবই অল্পকিছু মানুষের আছে।পৃথিবীর বুকে এই ছেলেটাও সেই বিরল কিছু মানুষের একজন।

Hossain Sagor

কোনো সন্দেহ নেই যে—ফিতনা-কালের চরম উর্বর সময়টা অতিক্রম করছি আমরা। চারপাশে হারামের এতো এতো ছড়াছড়ি যে, হাজার চেষ্টা করেও য...
30/04/2024

কোনো সন্দেহ নেই যে—ফিতনা-কালের চরম উর্বর সময়টা অতিক্রম করছি আমরা। চারপাশে হারামের এতো এতো ছড়াছড়ি যে, হাজার চেষ্টা করেও যেন এসব থেকে নিষ্কৃতি মিলানো সেরকম দুষ্কর, হাদিসের ভাষায় যেরকম দুষ্কর বলা হয়েছিল হাতের তালুতে আগুনের কয়লা ধরে রাখার বিষয়টাকে। ফিতনা এখন হাতের মুঠোয়—ফোন খুললেই যেন হুড়মুড় করে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে চোখের সামনে।

ফিতনার এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে আমাদের চেষ্টারও অন্ত নেই। আমরা মোবাইল কম ব্যবহার করি, হারাম কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকি, হারাম ছড়ায় এমন ব্যক্তি থেকেও রাখি নিরাপদ দূরত্ব। কিন্তু, এতোসব চেষ্টা তদবিরের পরও কি আমরা আদৌ নিরাপদ? আদৌ কি আমরা সকল হারাম কন্টেন্ট আর তার নির্মাতাদের এড়িয়ে যেতে পারি?

সেটা সম্ভব হয় না, কারণ এসব হারাম যারা বানায় আর যারা ছড়ায়, তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত এসবের সাথে। সুতরাং আমি আর আপনি দেখতে না চাইলেও আমাদের টাইমলাইনে, আমাদের ভিডিওর মধ্যে, আমাদের পড়তে থাকা আর্টিকেলের মধ্যে তারা কখনো ‘সাজেশান’ অথবা কখনো ‘পুশ’ নোটিফিকেশন আকারে সেসব হারাম কন্টেন্ট আর তার উৎসকে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়।


স্ক্রীনের এই হারাম দেখা থেকে বাঁচার দুটো উপায় হতে পারে। প্রথম উপায়—স্মার্টফোন ব্যবহারটাই বাদ দেওয়া। কিন্তু আমরা জানি, স্মার্টফোন বর্তমানে আমাদের জীবনের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে, এটাকে বাদ দিয়ে কাজ আর জীবনকে অনেকপর্যায়ে কল্পনাও করা যায় না ।

দ্বিতীয় উপায় হলো—এমন কোনো প্রযুক্তির দ্বারস্থ হওয়া যারা আমার সামনে আসা হারাম জিনিসগুলোকে আটকে দেবে।
কিন্তু, মুসলিম-ফ্রেণ্ডলি এই প্রযুক্তি কোথায় পাবেন আপনি, তাই তো?

আপনার জন্য সেরকম একটা প্রযুক্তি নিয়েই হাজির হয়েছে কাহাফ গার্ড।

কাহাফ গার্ড অ্যাপটা ডাউনলোড করে যদি আপনি ফোনে কানেক্ট করে রাখেন, তাহলে এর DNS সিস্টেম ভার্চুয়াল জগতের মিলিয়ন মিলিয়ন হারাম কন্টেন্ট আপনার সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

অর্থাৎ, আপনি যখন কোনোকিছু সার্চ দেন ইউটিউব অথবা গুগলে, তখন সাজেশানে এমন অনেক ভিডিও বা ওয়েবসাইট অথবা আর্টিকেল লিঙ্ক চলে আসা যার মধ্যে হারাম কন্টেন্ট বিদ্যমান। কাহাফ গার্ড সেসমস্ত হারাম উৎসগুলোকে আপনার সামনে আসতে দিবে না।

কাহাফ গার্ড আরো যেসব সুবিধা আপনাকে দেবে:

০১. কোনো ধরণের হারাম বিজ্ঞাপন আপনার সামনে শো করবে না। আর, বিজ্ঞাপন ব্যতীত যেকোনো ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হয় । ফলে, আপনার জন্য যেকোনো সাইটে এক্সেস নেওয়া আগের চাইতে সহজতর হবে।

০২. ৫.৫ মিলিয়ন হারাম ওয়েবসাইট আপনার সামনে আসা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বাই ডিফল্ট। ফলে, গুগল বা অন্যান্য ব্রাউজার আমাদের সামনে রেগুলার বেইসিসে যেসব হারাম ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট শো করতো, সেসবের অধিকাংশই আর আসতে পারবে না।

০৩. ইসলামের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ায় বা ইসলামবিদ্বেষ প্রচার করে এমন এন্টি-ইসলামিক ওয়েবসাইটগুলোকে কাহাফ গার্ড ব্লক করে দেবে।

০৪. পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইট, অশ্লীল ওয়েবসাইট, জুয়া বা প্রতারণা টাইপ ওয়েবসাইট, ফিশিং বা ড্রাগ ওয়েবসাইট সহ যাবতীয় হারাম ওয়েবসাইট ব্লক করে দেবে এই কাহাফ গার্ড।

০৫. গুগল/Bing এ দিবে সেইফ সার্চ নিশ্চয়তা যা অশ্লীল কন্টেন্ট সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।

০৬. ইউটিউবে অ্যাডাল্ট বা অশ্লীল ভিডিও ব্লক করবে।


মোস্ট ইন্টারেস্টিংলি, কাহাফ গার্ড অ্যাপ একদম ফ্রি এবং অ্যাড মুক্ত অ্যাপ । শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নিরাপদ এবং হারাম মুক্ত ইন্টারনেট নিশ্চিত করাই এই প্রজেক্টের একমাত্র লক্ষ্য।

কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কগুলো থেকে Kahf Guard অ্যাপটা নামিয়ে নিন। অথবা, প্লে-স্টোর/অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Kahf Guard লিখলেই পেয়ে যাবেন অ্যাপটি।


কাহাফ গার্ড ব্যবহার করুন এবং দূরে থাকুন ইন্টারনেটের যাবতীয় হারাম কন্টেন্ট থেকে । নিজে ব্যবহার করুন, সাথে নিজের পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সহ সকলকে কাহাফ গার্ড ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করুন ।

আলহামদুলিল্লাহ, এতোবড় এই প্রজেক্টে আমার খুব ক্ষুদ্র আকারে হলেও কন্ট্রিবিউশান থাকছে—সেটাই মহা আনন্দের 💚

আমাদের ইন্টারনেট হোক অশ্লীলতা মুক্ত 💚

©️ আরিফ আজাদ

Address

Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WayFarer Irfan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to WayFarer Irfan:

Shortcuts

Share