Need Some Moderator For This Page Running Student Will Preferable.
TIA
Tangail textile institute
Tangail Textile Institute is the oldest Textile Institute in Bangladesh. It was established in 1912.For more Information -->>http://www.titangail.gov.bd/
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,,
২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের
টাংগাইল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট
বাজিতপুর রোড, টাংগাইল,
এর পক্ষ থেকে জানাই প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন,,
অএ প্রতিষ্ঠানে ৩৩তম ব্যাচের ১ম পর্বের ভর্তির কার্যক্রম শুরু
হতে যাচ্ছে।
আগামী অল্প কিছুদিন পর থেকে অনলাইনে অএ প্রতিষ্ঠানে
ভর্তির আবেদন করতে পারবেন, তাই যে সকল ভাই বোনরা
টেক্সটাইল এ পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক তারা অবশ্যই আবেদন
করতে পারেন।
আবেদনকারিকে অবশ্যই দশম শ্রেণিতে সায়েন্সে থেকে পাশ
করতে হবে। যারা নন সায়েন্সে থেকে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তারা
রেমিডিয়াল কোর্সে ভর্তি হয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে তাদের
ভর্তির সুযোগ থাকবে।
অএ প্রতিষ্ঠানে ৩টি ডিপার্টমেন্ট রয়েছে।
১|জুট প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং
২৷ ওয়েট প্রসেসিং,
৩। এ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং,
অএ প্রতিষ্ঠানে ৩টি ডিপার্টমেন্ট মিলে ২৫০ জন শিক্ষার্থীর
ভর্তির সুযোগ থাকছে।
সবার জন্য শুভ কামনা রইল। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
ম্যাচিউর হতে হলে মেনে চলুন ৮ টি বিষয়ঃ-
১) সমালোচনা করবেন না। এটা আপনাকে ব্যাক্তিত্বহীন করে তুলবে। ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর সমালোচনা করেন না।
২) তর্ক করবেন না। তর্ক করলে আপনাকে হারতে হবে
নাহলে সম্পর্ক হারাতে হবে। তাই একজন ম্যাচউর মানুষ কখনো তর্ক করেন না।
৩) একজন ম্যাচিউর মানুষ অন্যদের কে সম্মান দিতে জানেন। তিনি সবসময় আপনাকে মূল্যায়ন করে কথা বলবে। তিনি কখনো আপনার প্রতি অবহেলা প্রকাশ করবেন না।
৪) একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো বাবা মা কে অসম্মান করেন না। তাদের সাথে সুসম্পর্ক বাজায় রাখেন। কারণ তারা বুঝতে পারেন মা বাবা একমাত্র স্বার্থহীন ভাবে তাদের জন্য সব কিছু করতে পারে।
৫) একজন ম্যাচিউর মানুষ সবসময় পরিবর্তন কে মেনে নেয়। কারণ তিনি বুঝতে পারেন পরিবর্তন আসবেই।
৬) একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর সাথে নিজেকে তুলনা করেন না। কারণ, তিনি জানেন এ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ এ ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভার অধিকারী।
৭) একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অভিযোগ করেন না। তিনি নিজের ঘাটতি গুলো খুজে বের করেন। এবং, তা পূরণের চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন, অভিযোগ কখনো সমস্যা সমাধান করে না। তিনি নিজেকে পরিবর্তন করে নেন।
৮) একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যর ভুল দেখে ঠাট্টা করেন না। তিনি তাকে ব্যাক্তিগতভাবে তার ভুল শুধরে দেন। যা ইম-ম্যাচিউররা প্রকাশ্য করে থাকেন।
08/03/2019
ESATTI,s up coming program... At Bhawal Resort Gazipur.. ❤
ইসাথির প্রতিস্ঠাতা সভাপতি
ইন্জিঃমোঃআরিফুর রহমান সিদ্দীকি এর
'মা' ০৬/০১/১৬ ইং সকাল ৯ ঘটিকায় তার
নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করিয়াছেন
(ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহে রাজিউন)
।মরহূমার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানাচ্ছি ও তার জান্নাত কামনা করে
সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি।
কোন ইয়ার্ন কোন ফাইবার দিয়ে তৈরি বুঝবেন কীভাবে?
কোন ফাইবার দিয়ে ইয়ার্ন তৈরি এটা বুঝবার জন্যে বার্নিং টেস্ট সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি।
কটনঃ কটনকে পোড়ালো সাদা ছাই পাওয়া যায় এবং কাগজ পোড়ানোর মতো গন্ধ হয়।
সিল্কঃসিল্ককে পোড়ালে শক্ত grey কালারের ছাই পাওয়া যায় যাকে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে মিহি ছাইয়ে পরিণত হয়।
রেমিঃএকে পোড়ালো greyish white ছাই পাওয়া যায় যেটি অনেকটা কটন এর মত ।কিন্তু এতে কাগজ পোড়ানোর মত গন্ধ হয় না।
উলঃএকে পোড়ালে চুল পোড়ানোর মত গন্ধ পাওয়া যায়।এর পোড়া গন্ধ অনেক তীব্র আর উৎকট হয়।
সিনথেটিক ফাইবারকে পোড়ালো অনেক সময় ন্যাচারাল ফাইবার পোড়ানোর মত ছাই পাওয়া যায়।তাই সিনথেটিক ফাইবার বের করতে হলে ল্যাবরেটরি টেস্টই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
রেয়নঃ রেয়নকে পোড়ালে কটন পোড়ানোর মত সাদা ছাই পাওয়া যায়।
পলিএস্টারঃ একে পোড়ালে এটি প্রথমে গলে যায়।যদি আগুণ ধরে যায় তবে কালো রঙের ধোয়া দেখতে পাওয়া যায়।
নাইলনঃ পলিএস্টারের মতো ধর্ম প্রদর্শণ করে।
এক্রিলিকঃ পলিএস্টারের মতো ধর্ম প্রদর্শণ করে।
ইয়ার্নের উপাদান বের করার পদ্ধতিটি অনেকাংশে দক্ষতার উপর নির্ভর করে।অনেক সময় শুধুমাত্র স্পর্শের মাধ্যমেই ইয়ার্ন কি দিয়ে তৈরী সেটা বুঝা যায়।
কি ভাবে বের করবা কতো GSM এর জন্য কতো Count (Ne) লাগবে, এটার সিদ্ধান্ত দেয়া এক জন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার বা ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ার এর মুল কাজ।
এটি অভিজ্ঞার ফসল, তার পরও কিছু টিপস আসে যা ফোলো করলে আরো সহজে কাজের এর প্লান করা যায় ।
জেনে নি কিভাবে বের করবেন আপনার কাপড় এর জন্য কতো কাউন্ট এর সুতা দিলে কতো GSM আসবে :
S/J = 4300 ÷ GSM
Pique=5200 ÷ GSM
Fleece=7200 ÷ GSM
Interlock=7200 ÷ GSM
1X1 Rib=6000 ÷ GSM
Lacost=5500 ÷ GSM
2X2 Rib=6250 ÷ GSM
Terry =6240 ÷ GSM
এখানে GSM এর ঘরে বায়ার যে GSM চাবে তা ওই GSM এর ঘরে বসিয়ে দিলে আপনি ওই GSMএর কাপড় তৈরি করতে কোন কাউন্ট এর সুতা লাগবে তা বের করতে পারবেন !
S/J=(0.141x GSM)+50.22
Pique= (0.146 x GSM )+57.16
Dabol Lacost= (0.167 x GSM )+64.36
1X1 Rib= (0.123 x GSM )+54.57
Interlock= (0.206 x GSM )+80.56
Lycra 1X1 Rib= (0.119 x GSM )+59.12
Lycra 2X2 Rib = (0.108 x GSM)+56.62
Relation between count and GSM:
জেনে নিন কাউন্ট এর সাথে GSM এর সম্পর্ক অথবা কি কাউন্ট দিলে কোন কাপড় এর জন্য কি GSM আসবে
smile emoticon
নিটিং কাজ করা এক জন ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ার এর মিল এ কাজ হলো প্লান দেয়া কোন GSM এর জন্য কত কাউন্ট দিবা, তাই এটা মুখাস্ত রাখা জেতেই পারে।
★ Single Jersey:
130-150- 30’s
160-170- 26’s
180-200- 24’s (210)
220-240- 20’s
★P.K./Lacost/1x1 Rib:
150-170- 34’s
180-200- 30’s
210-225- 26’s
230-250- 24’s
250-270- 20’s
★2x1 Rib:
220-230- 30’s
240-250- 26’s
260-280- 24’s
★Interlock
24 G 22 G
40’s- 220 200
34’s- 250 230
30’s- 260 240
26’s- 275 260
★ S/J with Lycra 5%:
150-160- 34’s
170-190- 30’s
200-210- 26’s
220-240- 24’s
★ Single Jersey:
130-150- 30’s
160-170- 26’s
180-200- 24’s (210)
220-240- 20’s
★P.K./Lacost/1x1 Rib:
150-170- 34’s
180-200- 30’s
210-225- 26’s
230-250- 24’s
250-270- 20’s
★2x1 Rib:
220-230- 30’s
240-250- 26’s
260-280- 24’s
★Interlock
24 G 22 G
40’s- 220 200
34’s- 250 230
30’s- 260 240
26’s- 275 260
★ S/J with Lycra 5%:
150-160- 34’s
170-190- 30’s
200-210- 26’s
220-240- 24’s
--------------------------------------------------
Mofazzel Rahman
আজ কেন জানি মোস্তাফিজ sir
একটা কথা খুব মনে পড়েছে ....
তিনি বলতেন "
বেটা তোমাদেরকে আমরা Practical
number কম দেই তাতে কি অন্য institute
এর fast boy এর সাথে তোদের last boy
fight দেওয়ার যোগ্যতা রাখে "
আরও বলতেন " আমরা ঢাকার
কাছে হওয়ায় ভাল
ছেলেগুলি এখানে আসে তাই আউটপুটও
ভালো হবে , number
দিয়ে কি যোগ্যতা প্রমাণ হয় ,
করতে হবে তোদেরই "
আমরাই সেই ব্যাচ যাদের Written number
এর সাথে Practical number এর অনেক
বেশি পার্থক্য হওয়ায় Principle Sir
কে বোর্ডের কাছে জওয়াব-
দেখি করতে হয়েছিল ।
আজ আমার বলতে ইচ্ছে করছে হ্যাঁ স্যার
আমরা করেছি .....
আমাদের ব্যাচ
থেকে সারা বাংলাদেশের
মধ্যে প্রথম ১০ জনের মাঝে ৭ অবস্হান
করেছিল ।
DUET এর ভর্তি পরীক্ষায় ২০ জনের
মাঝে ১২ Chance পেয়েছিল বাকী ৮
টি সিট এ সারা বাংলাদেশের অন্য
Institute গুলো ।
এবং Fast place সহ প্রথম ৫- ৭টি Position
ধরে রেখেছিল শেষ পর্যন্ত ।
সর্বশেষ BUTEX এর Msc এর
ভর্তি পরীক্ষায় Apparel Department এ
Shoaif Hasan Sumon প্রথম স্হান এবং Fabric
Department এ Shamsuzzaman Sheikh
দ্বিতীয় হয় ।
তাছাড়া বাকি সবাই যার যার
অবস্হান থেকে দেশ ও জাতির
জন্যে অবদান রাখছে ।
তাই আজ স্যারকে গর্ব
করে বলতে পারি স্যার আমরা ২০০৮ এর
ব্যাচ আপনার কথার সত্যতা প্রমান
করেছি এবং ভবিষ্যতে আরও
করবো ইনসাল্লাহ ।
সর্বশেষ আমি একটি কথা বলতে চাই
আমরা যারা Textile Engineers আছি সবাই
মিলে একটি পরিবারের মতো ,
এখানে আমরা একটি অংশ মাএ ।
তাই সকল Textile Engineers বড়ো ও ছোট
ভাইদের কাছে দোয়া ও
ভালোবাসা প্রার্থনা করছি এবং একই
সাথে একটি অনুরোধ করতে চাই যে ,
দেশের এই ক্লান্তি লগ্নে আমাদের
Textile Sector যেন
পিছিয়ে না পড়ে সেই
জন্যে আমরা দিনরাত কাধে কাধ
মিলিয়ে কাজ
করে যাবো একটি পরিবারের ন্যায় ।
10/09/2014
www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2014/09/10/126914 #
অর্ধলক্ষাধিক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা | শেষের পাতা | কালের কণ্ঠ বেসরকারি ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮টি ক্যাম্পাসে ভর্তিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
23/04/2014
কেউ কথা রাখেনি.... :'(
সাভারে রানা প্লাজা ধসের এক বছর....
সাভারের রানা প্লাজা ধসের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে অনেকটা আতঙ্কের সঙ্গেই কাজে যোগ দিয়েছিলেন সাভারে রানা প্লাজায় অবস্থিত ৫টি পোশাক কারখানার প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক। আগের দিন ওই ভবনে ফাটল দেখা দেয়ার পরও কারখানা ও ভবন মালিকের হুমকিতে তারা কাজে যোগ দিতে বাধ্য হন। গরিবের ঘরে জন্মালে কাজ করতেই হবে_ এটা মেনেই হয়ত তারা কাজে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন পর্যন্ত হতভাগ্য ওই শ্রমিকরা জানতেন না তাদের ভাগ্যে ইতিহাসের চরম বিপর্যয়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। নগরবাসী জেগে উঠার আগেই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ ধসে পড়ে ৮ম তলা ভবনের রানা প্লাজা। এ ঘটনায় মারা যান এক হাজার ১৩৫ জন শ্রমিক। আহত হন এক হাজার ১৬৭ জন। গুরুতর আহত ছিলেন ৮১ জন। এখনো ৭৪টি লাশের পরিচয় জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনায় প্রাণে রক্ষা পাওয়া শ্রমিকদের বেঁচে থাকাটাই এখন অভিশাপে পরিণত হয়েছে। কারণ দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন মহল থেকে নিহত শ্রমিকদের পরিবার ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেনি।
02/03/2014
পোশাকশিল্পেরও
কি পাটশিল্পের
মতো দশা হবে?
পাট বলতে একসময় শুধু
বাংলাদেশকেই বুঝাতো।
ঐ সুদিন আমরা হারিয়েছি।
নিজেদের
দোষে আমাদের পাটশিল্প
আজ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন
দেশে বিচরণ করছে।
নিজেদের মাথার রাজমুকুট
আজ অন্যের মাথায়
শোভা পাচ্ছে।২০০৩
সালে এশিয়ার সবচেয়ে বড়
আদমজী জুট মিল বন্ধ
করে দেয়া হয়।আদমজী জুট
মিল বন্ধের
সাথে সাথে পাটশিল্প
ধ্বংস হওয়ার
বার্তাটা আমাদের
কাছে স্পষ্ট
হয়ে গিয়েছিলো।পাটশিল
্প ধ্বংস হওয়ার পর দেশের
বেকার সমস্যা বেড়ে যায়।
পরবর্তীতে পোশাকশিল্পের
উত্থানে এই বেকার সমস্যার
সমাধান কিছুটা হলেও
লাঘব হয়।পোশাকশিল্প
ধ্বংস হওয়ার পর
তৈরি হওয়া বেকার
সমস্যার সমাধান
হবে কীভাবে?
পোশাকশিল্পে আমাদের
সবচেয়ে বড়
প্রতিদ্বন্দী পাশ্ববর্তী দেশ
ভারত।বিশাল জনগোষ্ঠীর
এই দেশে এমন অনেক
জায়গা আছে যেখানে আধুনিক
সভ্যতার কোন
ছোঁয়া লাগেনি।মোটরযান
পৌছাতে পারে নি এখনো।
এইরকম
জায়গাগুলোতে বিদ্যুৎ এর
ব্যবস্থা করে পোশাকশিল্প
প্রতিষ্ঠান স্থাপন
করা হচ্ছে।
আমাদের দেশে বিভিন্ন
বিদেশী বায়ারদের
পোশাক ক্রয়ের আদেশ
দেয়ার অন্যতম কারণ
হলো নিম্নতম
মূল্যে সবচেয়ে গুণগত মানের
পোশাক পাওয়া।নিম্নতম
মূল্যে পোশাক পাওয়ার
অন্যতম কারণ হলো এদেশের
শ্রমিকদের ন্যূনতম
মজুরি ব্যবস্থা।কিন্তু
যেখানে এখনো আধুনিকতা পৌছায়নি ঐখানকার
শ্রমিকদের
মজুরি ব্যবস্থা অবশ্যই
আমাদের দেশের থেকে কম
হবে।তাছাড়া,পোশাক
শ্রমিকদের আন্দোলনের
ফলে মজুরি বেড়ে যাওয়ার
প্রভাব অবশ্যই আমাদের
তৈরি পোশাকে পড়বে।
আগের
মতো কমমূল্যে পোশাক
তৈরি করা হয়তো এখন আর
সম্ভব হবে না ।
আমরা অচিরেই
হারাতে যাচ্ছি বিশ্ববাজারে পোশাক
তৈরির ক্রয়াদেশ পাওয়ার
সবচেয়ে বড় ইতিবাচক
দিকটি।
রাজনৈতিক
অস্থিরতা,পোশাকশ
িল্পপ্রতিষ্ঠান
ধ্বস,কারখানার গুদামে আগুণ
ইত্যাদি বিষয়াদির
সাথে সাথে বিদেশী বিভিন্ন
ষড়যন্ত্রের মোকাবিলাও
করতে হচ্ছে আমাদের।এই
অবস্থায়
পোশাকশিল্পে আমাদের
আধিপত্য কতোদিন
টিকিয়ে রাখা যায় তা ই
দেখবার বিষয়।
বাংলাদেশে পোশাকশিল্পে বিনিয়োগ
করেছিলেন
বেসকরকারী মেধাবী উদ্যোক্তারা।
তারাই
বিদেশে বাংলাদেশের
পোশাকশিল্প বাজার
তৈরি করেছিলেন।বর্তমান
সময়ের
প্রেক্ষিতে বলা যায়
এখনো আমাদের
পোশাকশিল্প
যে অবস্থানে আছে তাতে আগামী দুই
দশক আমরা আধিপত্য
ধরে রাখতে পারবো।কিন্তু
তারপর?তারপর কি হবে?
পোশাকশিল্পে আমাদের
প্রতিদ্বন্দী দেশগুলোত
ফরোয়ার্ড লিংকেজের
সাথে সাথে ব্যাকওয়ার্ড
লিংকেজের দিকেও
যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করা হয়।
কিন্তু আমাদের
দেশে শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড
লিংকেজকেই গুরুত্ব
দেয়া হয়।
এক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত
আমরা পিছিয়ে পড়ছি অন্যান্য
দেশগুলো থেকে।
তাছাড়া অন্যান্য
দেশে টেক্সটাইল
রিসার্চের বিভিন্ন সুযোগ
থাকলেও আমাদের
দেশে এই সুযোগ নেই
বললেই চলে।
এতোসব নেতিবাচক
দিকগুলোর মাঝে আমাদের
সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক
হলো এদেশের
পরিশ্রমী জনগোষ্ঠী।কিন্তু
পরিশ্রম করার
জায়গা না থাকলে পরিশ্রম
করবো কোথায়?হয় নতুন কোন
ক্ষেত্র
তৈরি করতে হবে নয়তো যে ক্ষেত্রটা আছে ওটাই
রক্ষা করার
চেষ্টা করতে হবে?
আপনি কোনটা করবেন?
সিদ্ধান্ততো আপনারই।
Flow chart of Merchandising:
1.receive order details
|
2.consumption
|
3.costing
|
4.negotiation with buyer
|
5.order receiving
|
6.L/C receiving
|
7.back to back l/c opening
|
8.samples developing and
approving
|
9.approval for bulk production
|
10.related work to production
planning
|
11.start bulk production
|
12.line inspection
|
13.final inspection by buyer
|
14.shipment to buyer
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Tangail
09