Ghatail Cantonment Public School & College

Ghatail Cantonment Public School & College

Share

Ghatail Cantonment School and College

The Institution has been playing a vital role in the arena of education and it has already become the most prominent educational institution in Tangail District by dint of its outstanding result every year.

29/05/2022

#জাতীয়_শিক্ষা_সপ্তাহ_২০২২

** টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত হয়েছে- " #ঘাটাইল_ক্যান্টনমেন্ট_কলেজ"

29/05/2022

#জাতীয়_শিক্ষা_সপ্তাহ_২০২২

ঘাটাইল উপজেলা পর্যায়ে 'ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ'-

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - কলেজ,
শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- স্কুল,
শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ,
শ্রেষ্ঠ শিক্ষক- কলেজ,
শ্রেষ্ঠ শিক্ষক- স্কুল,
শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী-কলেজ,
শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী- স্কুল,
শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষক- কলেজ,
শ্রেষ্ঠ গার্লস গাইড শিক্ষক- স্কুল,
শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষার্থী- কলেজ,
শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট শিক্ষার্থী- কলেজ
এবং শ্রেষ্ঠ গার্লস গাইড শিক্ষার্থী- স্কুল।

# এই অর্জনে আমরা আনন্দিত এবং গর্বিত।

05/04/2021

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ সালাহউদ্দিন, তথ্য বের করতে না পারে পাকিস্থানি সৈন্যরা যাঁকে ছেড়ে দিয়েছিল বাঘের খাঁচায়।

১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর। ঠাকুরগাঁওয়ের ইস্ট পাকিস্থান রাইফেলস (ইপিআর) ক্যাম্প। ভয়ংকর নির্যাতনের পর পাকিস্থানি সেনারা ক্যাম্পের বাঘের খাঁচায় ছুড়ে ফেলল এক তরুণকে। হুংকার দিয়ে দুটো বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ল তাঁর ওপর। টেনে ছিন্নভিন্ন করে খেয়ে ফেলল তাঁকে। ওই তরুণের নাম সালাহউদ্দিন। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও ছিল দিনাজপুর জেলার একটি মহকুমা। এই মহকুমার পীরগঞ্জ থানার কোষারানীগঞ্জ শহিদ সালাহউদ্দিনের গ্রাম।

শহিদ সালাহউদ্দিনের পরিবার, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রামাণ্য সালাহউদ্দিন (বাঘের খাঁচায় মুক্তিযোদ্ধার প্রাণোৎসর্গ) গ্রন্থ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে পাকিস্থান সেনাবাহিনী দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় চরম গণহত্যা চালায়। তারা ১৮ এপ্রিল পীরগঞ্জে গণহত্যা চালাতে গিয়ে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ-লুটপাট ও নারী নির্যাতন করে। গণহত্যার ভয়ে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। আবার অনেকেই যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। সে সময়ের দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সালাহউদ্দিনও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে যান ভারতে। প্রশিক্ষণ শেষ করে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। অস্ত্র হাতে অপারেশন শেষে ছুটতে থাকেন একের পর এক এলাকায়।

১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সালাহউদ্দিন পীরগঞ্জের জাবরহাট ক্যাম্পে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় একটা দুঃসংবাদ এল। সালাহউদ্দিনের বাবাকে পাকিস্থানি সেনারা ধরে নিয়ে গেছে ইপিআর ক্যাম্পে। ভেঙে পড়লেন সালাহউদ্দিন। গভীর রাতে একজন সহযোদ্ধাকে জানিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলেন তিনি। ১১ থেকে ১২ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে সালাহউদ্দিন পৌঁছে গেলেন বাড়ি। ‘মা, মা...’ বলে ডাকতেই খুলে গেল ঘরের দরজার কপাট। পরিবারের সদস্যরা সালাহউদ্দিনকে দেখে আত্মহারা।

এদিকে সালাহউদ্দিন যখন গ্রামে ঢুকছিলেন, তখন রাজাকাররা তাঁকে দেখে ফেলে। খবর চলে যায় পাকিস্থানি সেনা সদর দপ্তরে। সকাল ১০টার দিকে সালাহউদ্দিনের বাড়ি ঘিরে ফেলে পাকিস্থানি সেনারা। টের পেয়ে সালাহউদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও পারলেন না। সালাহউদ্দিনের মা নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও পাকিস্থানি সেনাদের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়েও ব্যর্থ হন। তবে তিনি ঘর থেকে কোরআন শরিফ এনে ক্যাপ্টেনের হাতে দিয়ে বললেন, ‘আমার বাবাকে মারবে না, শুধু এটুকু কথা বলে যাও।’ কোরআন ছুঁয়ে ক্যাপ্টেন বলে যান, ‘নেহি মারুঙ্গা উনকো।’

এরপর পাকিস্থানি সেনারা সালাহউদ্দিনকে বন্দী করে নিয়ে যায় ঠাকুরগাঁওয়ের ইপিআর ক্যাম্পে (বর্তমান বিজিবি ঠাকুরগাঁও সদর দপ্তর)। সেখানেই পাকিস্থানি সেনাদের সদর দপ্তর। সেখানে এনে তাঁর কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্থানি সেনারা। কিন্তু সালাহউদ্দিন তাদের প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তাঁর ওপরে ভয়ংকর নির্যাতন চালাতে শুরু করে সেনারা। প্রথমে ভয়ভীতির পর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নির্যাতনের মাত্রা। চোখের মণিতে বড়শি বিঁধিয়ে নিষ্ঠুরভাবে টানাটানি করা হল। তবু অনড় সালাহউদ্দিন। নির্যাতনের একপর্যায়ে কেটে নেওয়া হলো হাতের আঙুল। হাতে-পায়ে পেরেক ঠুকে তাঁকে ঝুলিয়ে রাখা হলো। তারপরও বিন্দুমাত্র টলানো গেল না সালাহউদ্দিনকে।

শেষ পর্যন্ত সালাহউদ্দিনকে ঘিরে এক বর্বর সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্থানি সেনারা। শহরজুড়ে মাইকে প্রচারণা চালিয়ে মানুষজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১২ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পাকিস্থানি সেনারা তাঁর হাত বেঁধে ক্যাম্পে থাকা বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দেয়। একটি বাঘ একপলকেই সালাহউদ্দিনের বুক ও মুখে থাবা বসিয়ে দিল। সালাহউদ্দিন ‘মা, মা...’ বলে চিৎকার দিতেই খাঁচার দুই বাঘ মিলে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেতে লাগল তাঁর দেহ। আর এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত রাজাকার ও পাকিস্থানি সেনারা উল্লাস করতে লাগল।

সালাহউদ্দিনের চাচাতো ভাই মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে হত্যার বর্বরতা আর আছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এ ঘটনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক নির্মম ঘটনা। দেশের স্বাধীনতার জন্য সালাহউদ্দিন বাঘের খাঁচায় নিজের জীবন উৎসর্গ করলেও আজ সে ঘটনার খুব একটা আলোচনা নেই। বাঘের খাঁচায় সালাহউদ্দিনের জীবন উৎসর্গের ঘটনাটি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তি এবং ১২ নভেম্বর শহিদ সালাহউদ্দিন দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি করেন তিনি।

পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইব্রাহিম খান বলেন, ‘শহিদ সালাহউদ্দিনের বীরত্ব নিয়ে অনেক কিছু করার ছিল। কিন্তু আমরা তেমন কিছুই করতে পারলাম না। এটা আমাদের কষ্ট দেয়।

তথ্যঃ প্রথম আলো।

03/10/2019
03/10/2019

ঘাটাইলের বন্ধুরা তোমরা আমাদের কলেজের কোন ভিডিও করে থাকলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারো। আমরা পেইজের সকল বন্ধুকে তোমার ভিডিওটা শেয়ার করবো।

ধন্যবাদ।

03/10/2019

হ্যালো ঘাটালিয়ান্স বন্ধু-বান্ধবীরা,
কেমন আছো সবাই?

তোমাদের খবর জানাও কমেন্ট করে।
অনেকদিন কার সাথে কথা বার্তা নাই।

সবাই কমেন্ট করে পাশেই থাকো।

18/05/2018

Post your photos in the page...
Everyone is welcome.

Remember your golden days...

24/09/2017

If anybody want to post your group photo of our beloved collge life, please inbox your group photo with your HSC passing year.

Thanks a lot.

25/09/2016

How are you guys?

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Shaheed Salahuddin Cantonment, Ghatail
Tangail
1981

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 14:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00