এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুল

এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুল সন্তান আপনাদের গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের৷ ☺️

05/09/2026

📢 শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুলের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়ে দক্ষ, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ দেওয়া হবে।

📚 বিষয়সমূহ:
🔹 বিজ্ঞান — ১ জন
🔹 ইংরেজি — ১ জন

🎓 যোগ্যতা:

• সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর/৩য় ৪র্থ বর্ষে শিক্ষা চলমান।
• পাঠদানে দক্ষ ও শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে
• শ্রেণিকক্ষে সুন্দরভাবে বিষয় বুঝিয়ে পড়ানোর সক্ষমতা থাকতে হবে
• অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে

💼 দায়িত্ব:

• নির্ধারিত শ্রেণির নিয়মিত পাঠদান
• শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা
• প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে দায়িত্ব পালন

সম্মানী: যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আলোচনা সাপেক্ষে।

📞 আগ্রহী প্রার্থীদের যোগাযোগ:
মোবাইল: 01768217281
(হোয়াটসঅ্যাপ)

25/04/2026
এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুল এর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৫ ইং
10/02/2025

এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুল এর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৫ ইং

10/02/2025

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৫ ইং

31/12/2024

২০২৪ এর সৃতি৷

সন্তান আপনাদের সু-শিক্ষায় আপনার সন্তানকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের৷
31/12/2024

সন্তান আপনাদের সু-শিক্ষায় আপনার সন্তানকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের৷

আজ মহান স্বাধীনতা দিবসআজ মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা।হাজার বছরের সংগ...
25/03/2024

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

হাজার বছরের সংগ্রামমুখর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করে।
স্বাধীন বাংলাদেশ এবার ৫৪ বছরে পা দিল।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর দীর্ঘ ১৯০ বছরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নির্যাতনের হাত থেকে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ মুক্তি পেলেও পূর্ব বাংলার জনগণের ওপর নতুন করে জেঁকে বসে সামরিক জান্তা।

ধর্মের ভিত্তিতে ভারতকে ভাগ করে পাকিস্তান নামের যে রাষ্ট্রের জন্ম হয়, পূর্ব বাংলা থেকে ছিল তার হাজার মাইলের ভৌগলিক বিছিন্নতা। শুধু তাই নয়, ভাষা-সংস্কৃতির কোনো মিল ছিল না বাঙালিদের সঙ্গে পাকিস্তানিদের।

তা সত্ত্বেও ধর্মের উন্মাদনাকে পুঁজি করে পূর্ব বাংলাকে সঙ্গে যুক্ত করা হয় পাকিস্তানের সঙ্গে।
বাঙালির ওপর চেপে বসা পাকিস্তান রাষ্ট্রের যাত্রার শুরুতেই পূর্ব বাংলার মানুষ সীমাহীন অত্যাচার, শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিকসহ সব দিক থেকে বিভিন্নভাবে বৈষমের স্বীকার হয়। বঞ্চিত হতে থাকে ন্যায্য অধিকার থেকে। তবে এই পরিস্থিতিকে তখন থেকেই মেনে নেয়নি এ ভূখণ্ডের মানুষ। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক আচরণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলার ছাত্র, কৃষক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদে নামে, আন্দোলন গড়ে তুলতে থাকে। দ্রুতই এই আন্দোলন সংগ্রামগুলো একত্রিত হয়ে জাতীয় সংগ্রামে রূপ নিতে থাকে, যা স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামে পরিণত হয় এবং ’৭১ -এ রক্ষক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর বাঙালির এই আন্দোলন-সংগ্রামকে সংগঠিত ও নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

পাকিস্তানের দুঃশাসন আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি শুরু থেকেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামে। দানবরূপী পাকিস্তান রাষ্ট্রের শৃঙ্খল ভেঙে বেরিয়ে আসতে বাঙালি ধাপে ধাপে আন্দোলন গড়ে তোলে। মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সংগ্রামের পথ প্রশস্ত হয়। ’৫৪-তে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-তে শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচনসহ দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি ১৯৭১ সালে এসে উপনীত হয়। পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসন, অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির ধারাবাহিক আন্দোলন এক পর্যায়ে স্বাধিকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়।

বাঙালির এ আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেন শেখ মুজিবুর রহমান। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে শেখ মুজিব বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা ও বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স) দেওয়া বক্তব্যে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দেন। তথন থেকেই বাংলার সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু করে। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে গণহত্যা শুরু হলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। এর আগেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা বার্তা লিখে যান—‘ইহাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। ....চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও। ’ বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা প্রথমে ইপিআরের ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রচারিত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে এই বার্তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, চাকরিজীবী, নারী, পুরুষ, বাংলার সর্বস্তরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ রাত থেকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী গণহত্যা শুরু করে, বর্বরোচিত কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সাথে যুক্ত হয়ে তাদের দোসর জামায়াতে ইসলাম, মুসলিম লীগ, রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এর বিরুদ্ধে অসীম সাহস নিয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করে বাঙালি। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির কাছে পরাজিত পাকিস্তানি বাহিনী ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লাথ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

17/03/2024

বড় ছেলেদের ৪০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতা ২০২৪ ইং

13/03/2024

পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী মাইশা মনি৷

Address

Hatubanga, Mirzapore
Tangail
1940

Telephone

+8801916037870

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এডুকেয়ার একাডেমিক স্কুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category