10/07/2026
আল্লাহ তায়ালা হুজুরকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক।
“শিক্ষা, জীবনবোধ ও চিন্তার নিরন্তর প্রকাশ”।
10/07/2026
আল্লাহ তায়ালা হুজুরকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক।
এর সাথে মিস্টার তার ছেড়া কবি – আমাকে এইমাত্র তার একজন অন্যতম সেরা ফ্যান হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে!
এর সাথে ꧁𝐒ᴘᴀʀʀᴏᴡ꧂ – আমাকে এইমাত্র তার একজন অন্যতম সেরা ফ্যান হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে!
07/07/2026
দীর্ঘ ক্লাসের ক্লান্তি দূর করতে সামান্য বিরতি, আর সেই বিরতিতেই আমার ছোট্ট শিল্পীদের আঁকা অপূর্ব সব ছবি! তাদের হাতের এই সাদা চক আর কালো স্লেট যেন জাদুর মতো কাজ করেছে। আপনাদের সবার সাথে শেয়ার না করে পারলাম না। সবাই ওদের জন্য শুভকামনা জানাবেন।
07/07/2026
With Mahdi Hasan – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
আসসালামু আলাইকুম। আমার খুব কাছের এবং প্রিয় একজন মানুষ আজ ভীষণ অসুস্থ। তার এই অসুস্থতা আমাকে খুব ভাবিয়ে তুলছে।
আপনাদের সবার কাছে আন্তরিক দোয়ার অনুরোধ করছি, মহান আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এবং তার সব কষ্ট সহজ করে দেন। আমিন।
লেখার মাঝে ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ চাই
25/06/2026
মাদ্রাসার স্টোর রুমে পাওয়া সেই খাতাটি কি অভিশপ্ত? 😱
ঘটনাটি গত সপ্তাহের। মাদ্রাসার এক কোণায় ধুলোয় ঢাকা একটি পুরনো খাতা পেলাম। খাতাটি খুলতেই আমার মেরুদণ্ড বেয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল! প্রথম পাতায় লেখা— "যিনি এটি পড়ছেন, তিনি কি প্রস্তুত?"
এরপর যা ঘটল, তা আমার চিন্তার বাইরে! কক্ষের বন্ধ জানালা নিজে থেকেই খুলে গেল এবং মেঝেতে পড়ে থাকা সেই সোনালী পালকটি আজও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়। ঠিক কী রহস্য লুকিয়ে আছে নিভৃতপুর মাদ্রাসার স্টোর রুমে?
আজকের পর্বে থাকছে সেই উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলো। যারা রহস্য গল্প ভালোবাসেন, তারা শেষ পর্যন্ত না পড়ে যেতে পারবেন না!
👇 নিচে গল্পের পর্বটি পড়ুন এবং আপনার মতামত দিন।
গল্প: হারানো খাতার রহস্য | পর্ব ১: ধুলোমাখা সেই খাতা
শহর থেকে অনেক দূরে, সবুজ পাহাড় আর শান্ত নদীবেষ্টিত গ্রাম ‘নিভৃতপুর’। এখানকার স্থানীয় নূরানী মাদ্রাসার পরিবেশটা বেশ স্নিগ্ধ। মাহদী সাহেব এই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নতুন যোগ দিয়েছেন মাত্র সপ্তাহখানেক হলো। শান্ত স্বভাবের এবং শিশুদের খুব কাছের মানুষ হিসেবে তিনি খুব দ্রুতই গ্রামবাসীর আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন।
সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাহদী সাহেব মাদ্রাসার দোতলার পুরনো স্টোর রুমটি পরিষ্কার করার দায়িত্ব নিলেন। রুমটি বহুদিন ধরে বন্ধ ছিল। দরজার কবজাগুলোতে মরিচা ধরেছে, ঠেলতেই বিকট শব্দ করে উঠল। ভেতরে ঢুকতেই ভ্যাপসা গন্ধ নাকে এল। চারপাশে অগোছালো পুরনো বেঞ্চ, ভাঙা আলমারি আর ধুলোয় ঢাকা কিছু নথিপত্র।
ঘণ্টাখানেক পরিষ্কার করার পর মাহদী সাহেবের নজর পড়ল আলমারির একেবারে নিচে, একটি কোণায়। সেখানে ধুলোর আস্তরণ জমে আছে, কিন্তু ঠিক তার মাঝখানে একটি কালো চামড়ায় বাঁধানো পুরনো খাতা পড়ে ছিল। খাতাটি দেখে মনে হচ্ছিল, যেন এটি বহু বছর ধরে এখানে কেউ ফেলে রেখে গেছে।
মাহদী সাহেব কৌতূহলী হয়ে খাতাটি হাতে নিলেন। খাতাটির মলাট বেশ ভারী এবং অদ্ভুত এক ধরণের সুগন্ধে ভরা। তিনি ধুলো ঝেড়ে খাতাটি খুললেন। প্রথম পাতায় খুব ঝকঝকে কালিতে লেখা: "যিনি এটি পড়ছেন, তিনি কি প্রস্তুত?"
তিনি চমকে উঠলেন! হাতের লেখাটা এত নতুন যে মনে হচ্ছে কিছুক্ষণ আগেই কেউ এখানে লিখে গেছে। খাতাটির পরের পাতায় কোনো সাধারণ লেখা নেই; বরং সেখানে আঁকা রয়েছে অদ্ভূত সব জ্যামিতিক নকশা আর নিচে আজকের তারিখ—২৪ জুন, ২০২৬! তারিখটা দেখে মাহদী সাহেবের মেরুদণ্ড বেয়ে যেন একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল।
ঠিক সেই মুহূর্তে, বাইরে থেকে কোনো হাওয়া না থাকলেও বন্ধ জানালার একটি কপাট সশব্দে খুলে গেল। ঘরের ভেতর অন্ধকার আরও গাঢ় হয়ে এল। মাহদী সাহেব টেবিলের দিকে পিছু ফিরে দেখলেন, মনে হলো তার পেছনের চেয়ারে কেউ যেন মাত্রই উঠে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তিনি ঘুরে তাকাতেই দেখলেন—রুমটি সম্পূর্ণ খালি!
মেঝের দিকে তাকিয়ে তিনি দেখলেন, ঠিক যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেখানে একটি সোনালী রঙের পালক পড়ে আছে। পালকটি থেকে মৃদু এক ধরণের আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। এটি কোনো পরিচিত পাখির পালক নয়। মাহদী সাহেবের মনে হলো, এই খাতাটি কেবল একটি খাতা নয়, এটি এমন কিছুর প্রবেশদ্বার যা তিনি নিজেও কল্পনা করেননি।
তিনি খাতাটি বন্ধ করে পকেটে রাখতে যাবেন, এমন সময় নিচতলার নামাজ ঘর থেকে মাগরিবের আজানের ধ্বনি ভেসে এল। কিন্তু সেই আজানের ধ্বনি যেন আজকের দিনে খুব বেশি রহস্যময় আর গম্ভীর মনে হচ্ছিল।
(চলবে...)
#হারানোখাতাররহস্য #গল্পেরআড্ডা #বাংলাগল্প