SJF Child Drowning Prevention Project

SJF Child Drowning Prevention Project

Share

Many children die in Bangladesh every year due to drowning. We work to prevent child death from drowning.

24/07/2025

আসুন সাঁতার শিখি নিজের ও প্রিয়জনের জীবন রক্ষা করি। ধন্যবাদ Riya -কে আমাদের পাশে থাকার জন্য।

08/07/2025

Let’s prepare for July 25, International Child Drowning Prevention Day, as declared by the United Nations.
Let’s raise awareness and take action to prevent child drowning.

Thank you Saad Saadman

ক্ষণিকের অসতর্কতায় নিভছে প্রাণ 15/06/2025

ঈদের ছুটিতে মায়ের সঙ্গে ফরিদপুরের নগরকান্দায় গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিল ৫ বছর বয়সী নাজিবা ও ৩ বছরের নাফিজা। ঘরে কাজ করছিলেন মা, সামনের উঠানে খেলছিল দুই বোন। কিছুক্ষণ পর খোঁজাখুঁজি করে পুকুরে পাওয়া যায় তাদের নিথর দেহ। গত ৬ জুন দক্ষিণ কাইচাইল গ্রামের এ ঘটনা শুধু এই পরিবারকে নয়, কাঁদিয়েছে পুরো এলাকাবাসীকে।

গ্রামের মুক্ত পরিবেশে ছুটির উচ্ছ্বাস, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আড্ডা– সবই নিমেষে মাটি হয়ে গেছে অনেক পরিবারে। সমকালের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে ৫ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত পানিতে ডুবে মারা গেছে ৫৩ জন। তাদের বেশির ভাগই শিশু। প্রতি ঈদেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা নাড়া দেয় সবাইকে। তবে মৃত্যু রোধে রাষ্ট্রীয়ভাবে নেওয়া হয় না কার্যকর উদ্যোগ। পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে প্রায়ই দায় চাপানো হয় মায়ের ওপর। কিন্তু গবেষকরা বলছেন, এটি সামগ্রিক সামাজিক ব্যর্থতা। একটু সচেতন হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি প্রয়োজন।

দ্য সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এবং আইসিডিডিআর,বির গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ১৪ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৪০টি শিশু প্রাণ হারায়। তাদের ৭৫ শতাংশের বয়স ৫ বছরের কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে পানিতে ডুবে প্রতিবছর আহত হয় অন্তত এক লাখ শিশু, তাদের মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার পঙ্গু হয়ে যায়।

একের পর এক ঘটনাঈদের ছুটির আগের ১০ দিনে (২৪ মে-৪ জুন) পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের, তাদের মধ্যে শিশু ১৩টি।
গত ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে মোট ৪৯ জন পানিতে ডুবে মারা গেছে। এর মধ্যে শিশু ৪৭টি (ছেলে ৩০, মেয়ে ১৭)। তাদের বেশির ভাগই মারা গেছে বাড়ির কাছের পুকুরে।

ফাউন্ডেশন ফর ডিজাস্টার ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ঈদুল ফিতরে ৬২ জন ও ঈদুল আজহায় ৭৭ জন পানিতে ডুবে মারা গেছে। শূন্য থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে পানিতে ডুবে মৃত্যু দুই ঈদেই সবচেয়ে বেশি হয়। ঈদুল ফিতরে ৫৮ ও ঈদুল আজহায় ৬৫ শিশু মারা গিয়েছিল। এককভাবে ছেলেশিশুর মৃত্যুর হার বেশি, দুই ঈদে মোট ৭৮ জন মারা গেছে।

ঈদের ছুটিতে শহরের অনেক মানুষ ছুটে যায় গ্রামে। শিশুদের আকৃষ্ট করে গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ। কিন্তু পরিবার ও সমাজের নজরদারির অভাবেই তৈরি হয় মৃত্যুর ফাঁদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহর থেকে যাওয়া শিশুদের তৎপরতা গ্রামের পরিবেশে অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তারা পানির আশপাশে খেলার বিপদ সম্পর্কে সচেতন নয়। শহরের অনেক শিশু জানে না খাল-বিল, ডোবা-পুকুর খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। আবার গ্রামে বিস্তৃত পরিবেশে শিশুদের তদারকির অভাবও প্রকট। মা-বাবা বা অভিভাবকরা অনেক সময় ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকেন, কেউ খেয়াল রাখে না শিশুর গতিবিধির ওপর।

ফাইলেই বন্দি থাকে সরকারি সিদ্ধান্ত
২০১১ সালের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুকে জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এরপর ২০২২ সালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৮ হাজার কমিউনিটি বেইজড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার স্থাপনের ঘোষণা দেয়। উদ্দেশ্য ছিল এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ ও সাঁতার শেখার সুযোগ তৈরি করা। কিন্তু বাস্তবে কয়েকটি প্রশিক্ষণ ছাড়া কিছুই হয়নি।

২০১৫ সালে স্কুল-কলেজে সাঁতার শেখানোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা এখনও উপেক্ষিত। জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবায়নের চিত্র শূন্যের কাছাকাছি।

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শামীমা আক্তার বলেন, গ্রামে বাড়ির পাশেই থাকে পুকুর। শিশু যে কোনো সময় পানিতে পড়ে যেতে পারে। এ নিয়ে পরিবারগুলো এখনও সচেতন নয়।

গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, একটি শিশু মারা গেলে আমরা বলি– মা খেয়াল করেনি। প্রশ্ন হলো, কেন শুধু মা? বাবা, দাদা, দাদি, চাচা, ফুফু– কারও কি দায়িত্ব নেই? সমাজ এই দায়িত্ব অন্যদের ভাগে দেয় না বলেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে থাকে। তিনি আরও বলেন, যখন মৃত্যু হয়, তখন সবাই বলে দুর্ঘটনা। কিন্তু এটি এক ধরনের অবহেলাজনিত হত্যা। প্রতিটি মৃত্যুর বিচার হওয়া উচিত, অন্তত ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া উচিত।

রেকর্ড নেই, পদক্ষেপও নেই
পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু নিয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো নিয়মিত রেকর্ড নেই। হাসপাতাল, থানা, ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কোথাও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উল্লেখ করা হয় না। অনেক পরিবার শিশুর ময়নাতদন্ত করায় না, ফলে মৃত্যুর কারণ থেকে যায় আড়ালে।

ইন্টারন্যাশনাল ড্রাউনিং রিসার্চ সেন্টার (আইডিআরসি) বাংলাদেশের ডিরেক্টর ড. আমিনুর রহমান শিশুস্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ ও অপমৃত্যু রোধে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তিনি বলেন, অপঘাতজনিত কারণে আমাদের দেশে প্রতিবছর যত শিশু মারা যাচ্ছে, তার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। সবাই বলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় বেশি শিশু মারা যায়। কিন্তু বেশি শিশু মারা যায় পানিতে ডুবে। তিনি বলেন, এই মৃত্যু নিয়ে কোনো রিপোর্টিং সিস্টেম নেই। অথচ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে রেকর্ড শুরু করা হলে বছর শেষে পরিকল্পনা করা যেত। এখন আমরা শুধু খবরের কাগজ পড়ে কষ্ট পাই, কিছুই করতে পারি না। পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে, যখন পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকেন। এই সময়টাতে শিশুদের জন্য যত্নকেন্দ্র চালু করা অত্যন্ত জরুরি।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ও চাইল্ড প্রটেকশন চিফ ড. এলিসা কল্পনা বলেন, প্রতিটি শিশুর প্রাণই মূল্যবান। একটি জীবন গেল মানেই হারিয়ে গেল একটি ভবিষ্যৎ, একটি সম্ভাবনা। পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে ইউনিসেফ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সুইমসেফ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জীবন রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে শেখানো হচ্ছে।

ক্ষণিকের অসতর্কতায় নিভছে প্রাণ ঈদের ছুটিতে মায়ের সঙ্গে ফরিদপুরের নগরকান্দায় গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিল ৫ বছর বয়সী নাজিবা ও ৩ বছরের নাফিজা। ঘরে কাজ .....

13/06/2025

রোগেশোকে নয়, সবচেয়ে বেশি শিশুর মৃত্যুর কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া।
আসুন সচেতন হই, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধ করি।
ধন্যবাদ Samiur Rahman Jahin কে

11/06/2025

More details in the comment section.

03/06/2025

আপনার সন্তানকে সাঁতার শেখান এবং নিজে সাঁতার শিখুন, পানিতে ডুবে মৃত্যু রোধ করুন।
আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ Yasin Al Hakim

31/05/2025

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী Mehadi Hasan পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুতে আমাদের সচেতন করতে এগিয়ে এসেছেন। আসুন আমরা সচেতন হই পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু হ্রাস করি এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি।

24/05/2025

শিশুদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু হ্রাস করুন।
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধ প্রকল্পের সচেতনতা প্রেজেক্টে অংশ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ Farhan Sarker-কে

22/05/2025

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে আমাদের সচেতনতাই যথেষ্ঠ। আমাদের সচেতন করতে পাশে আছেন Abdullah Al Fahim

09/04/2025
চৌগাছায় খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু 04/04/2025

এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় বাড়ীর পাশে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে সুমাইয়া খাতুন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) শিশুটির বাড়ির পাশে একটি পুকুরে ডুবে এ ঘটনা ঘটে। সে উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের পাশাপোল পশ্চিমপাড়া গ্রামের প্রাবাসী আব্দুর রহিমের মেয়।শিশুটির মা মিনি খাতুন বলেন, আমি তার খাবার খাওয়ায়ে একটি লাল বল দিই খেলার জন্য। সে বাড়ীর উঠানেই খেলছিলো। এরপর বাড়ির গেইট দিয়ে খেলতে বের হয়ে যায়। সে বাড়ীতে না ফিরে আসায় তাকে খুঁজতে থাকি। খুঁজে না পেয়ে মহল্লাহর (পাড়ায়) কয়েক বাড়িতে যাই। সবাই বলে, আমাদের বাড়িতে আসেনি। তখন হঠাৎ পাশের পুকুরে খুঁজতে যাই।

সেখানে গিয়ে দেখি আমার নয়নের মনি পুকুরের পানিতে ভেসে রয়েছে। আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. খন্দকার জুলকার ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়।চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সবুজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

চৌগাছায় খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় বাড়ীর পাশে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে সুমাইয়া খাতুন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়ে....

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

12/16, Akur Takur Muslim Para, Dhaka
Tangail
1900

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00