নিজের হেদায়েতের জন্য তাকওয়া সম্পর্কে আলোচনা:
তাকওয়া (Taqwa) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:-
ভয় করা, আল্লাহকে ভয় করা, বিরত থাকা, তাঁর শাস্তি ও অসন্তুষ্টির ভয়। নিজেকে রক্ষা করা বা ঢাল তৈরি করা; অন্যায়, পাপ ও আল্লাহর অপছন্দনীয় কাজ থেকে নিজেকে সংযত রাখা।
পারিভাষিক অর্থ হলো:-
আল্লাহকে ভয় ও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তাঁর সন্তুষ্টির জন্য সব ধরনের পাপ ও অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা, যা আল্লাহভীতি, ধার্মিকতা বা খোদাভীরুতা নামেও পরিচিত। এটি মূলত আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে রক্ষা করার একটি সচেতন প্রচেষ্টা। আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসার সংমিশ্রণে ধার্মিকতা ও পরহেজগারিতা অবলম্বন করা।
তাক্বওয়া কাকে বলে? আল্লাহর ভয়ে গুনাহের ভয়ে গুনাহের মজা ছেড়ে দেওয়া।
তাক্বওয়া কাকে বলে? হযরত আলী রা: বর্ণনা করেন- তাক্বওয়া ৪ জিনিষের নাম:
التقوى هي الخوف من الجليل، والعمل بالتنزيل، والقناعة بالقليل، والاستعداد ليوم الرحيل. - علي بن ابي طالب
(১) আল্লাহকে পূর্ণ ভয় করা। الخوف من الجليل
(২) নাযিল হওয়া পূর্ণ কুরআনের উপর আমল করা। والعمل باالتنزيل
(৩) অল্পে তুষ্ট হওয়া। والقناعة با القليل
(৪) আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। والاستعداد ليوم الرحيل
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: বর্ণনা করেন:- ত্বাকওয়া ৩ জিনিষের নাম:
(১) আল্লাহর আনুগত্য করা, নাফরমানি না করা।
(২) আল্লাহর নিআমতের শুকরিয়া আদায় করা। (অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা)
(৩) আল্লাহকে সদা-সর্বদা স্মরণ রাখা (ভূলে না যাওয়া)।
রাব্বুল আলামীন (26) সূরা আশ-শো’আরা-৮৮-৯০ নং আয়াতে বর্ণনা করেন:
যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না; يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ-
কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে। إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ-
জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে। وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ.
তাকওয়ার মাহাত্ম্য-(কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে):
তাকওয়া শব্দটি وَقَى (ওয়াকা) মূলধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ রক্ষা করা, বাঁচিয়ে রাখা বা বেষ্টনী তৈরি করা। ইসলামি পরিভাষায় তাকওয়া হলো আল্লাহর ভয় ও সচেতনতা নিয়ে জীবন যাপন করা, তাঁর আদেশ পালন করা এবং নিষিদ্ধ কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
তাকওয়ার গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে কোরআনের আয়াতসমূহ:
১. তাকওয়াই শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড:
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثَىٰ وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا ۚ إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ
অর্থ: “হে মানুষ (লোকসকল)! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর দৃষ্টিতে সর্বাধিক সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে সর্বাধিক পরহেজগার (তাক্বওয়াবান)। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন। (সূরা আল-হুজরাত: ১৩)
✦ এই আয়াতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো জাতি, বংশ বা গোষ্ঠীর কারণে মানুষ মর্যাদাবান হয় না; বরং তাকওয়াই একমাত্র মানদণ্ড।
২. তাকওয়া দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার চাবিকাঠি। وَالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ
অর্থ: এবং সফল পরিণাম তাকওয়াবানদের জন্যই নির্ধারিত। (সূরা আল-আ’রাফ:১২৮)
✦ এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, প্রকৃত বিজয় এবং পরকালীন সফলতা একমাত্র তাকওয়াবানদের জন্যই নির্ধারিত।
৩. তাকওয়াবানদের জন্য রহমত ও পথনির্দেশ রয়েছে।
ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ
অর্থ: এটি সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি তাকওয়াবানদের জন্য পথনির্দেশ। (সূরা আল-বাকারা:২)
✦ যারা তাকওয়াবান, তাদের জন্যই কুরআন সঠিক পথ দেখায়। যারা আল্লাহর ভয় রাখে, তারা কুরআনের শিক্ষা অনুসরণ করে এবং সফলতা লাভ করে।
৪. তাকওয়া জীবনের সংকটে মুক্তির উপায় ও রিজিক বৃদ্ধির কারণ:
وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مَخْرَجًا ﴿٢﴾ وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ
অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য মুক্তির পথ বের করে দেবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। (সূরা আত-তালাক: ২-৩)
✦ যদি কেউ সত্যিকারভাবে তাকওয়া অবলম্বন করে, আল্লাহ তার সব সংকট দূর করেন এবং অপ্রত্যাশিত উপায়ে রিজিকের ব্যবস্থা করেন।
৫. তাকওয়াবানদের জন্য জান্নাত প্রস্তুত করা হয়েছে।
وَسَارِعُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ
অর্থ: তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও, যার প্রশস্ততা আসমানসমূহ ও পৃথিবীর সমান; যা তাকওয়াবানদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। (সূরা আলে-ইমরান: ১৩৩)
✦ এই আয়াত থেকে জানা যায়, জান্নাত তাকওয়াবানদের জন্য নির্ধারিত। তারা দুনিয়ায় আল্লাহর ভয় রেখে জীবন যাপন করে এবং আখিরাতে পুরস্কারস্বরূপ জান্নাত লাভ করে।
তাকওয়ার মাহাত্ম্য নিয়ে হাদিসসমূহ:
১. তাকওয়া হৃদয়ে অবস্থান করে:
النَّبِيُّ ﷺ قَالَ: التَّقْوَىٰ هَا هُنَا وَيُشِيرُ إِلَىٰ صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ
অর্থ: নবী ﷺ বলেছেন, তাকওয়া এখানে (হৃদয়ে) অবস্থান করে।” তিনি তিনবার নিজের বুকে ইশারা করেন। (সহিহ মুসলিম: ২৫৬৪)
✦ এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, প্রকৃত তাকওয়া অন্তরের গুণ, যা বাহ্যিক আচরণে প্রকাশ পায়।
২. তাকওয়া সর্বোত্তম পাথেয়।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِنَّ الدُّنْيَا حُلْوَةٌ خَضِرَةٌ، وَإِنَّ اللَّهَ مُسْتَخْلِفُكُمْ فِيهَا، فَيَنْظُرُ كَيْفَ تَعْمَلُونَ، فَاتَّقُوا الدُّنْيَا، وَاتَّقُوا النِّسَاءَ
অর্থ: আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন: “নিশ্চয়ই দুনিয়া মিষ্টি ও সবুজ (আকর্ষণীয়), আর আল্লাহ তোমাদের সেখানে খলিফা করেছেন এবং দেখছেন তোমরা কী করো। অতএব, তোমরা দুনিয়ার বিষয়ে তাকওয়া অবলম্বন করো এবং নারীদের বিষয়ে সাবধান হও। (সহিহ মুসলিম: ২৭৪২)
✦ এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, দুনিয়ার ফিতনায় পড়া থেকে বাঁচতে তাকওয়া অপরিহার্য।
তাকওয়ার ফলাফল:
আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে তাঁর বান্দাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সুসংবাদ দিয়েছেন। নির্ধারণ করেছেন তাকওয়ার জন্য সুন্দর ফলাফল এবং সম্মান জনক পরিণতি। তম্মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপ:
১) দুনিয়া এবং আখেরাতে আনন্দের সুসংবাদ: আল্লাহ্ বলেন: “যারা ঈমান এনেছে এবং তাওক্বওয়া অর্জন করেছে তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ দুনিয়া এবং আখেরাতে।” [সূরা ইউনুস- ৬৩-৬৪]
২) সাহায্য ও সহযোগিতার সুসংবাদ: আল্লাহ্ বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ্ তাদের সাথে থাকেন, যারা আল্লাহ্কে ভয় করে এবং যারা সৎকর্ম করে।” [সূরা নাহাল- ১২৮]
৩) জ্ঞানার্জনের সুযোগ লাভ: আল্লাহ্ বলেন: “এবং আল্লাহকে ভয় কর; আল্লাহ্ তোমাদেরকে জ্ঞান দান করবেন।” [সূরা বাক্বারা ২৮২]
৪) সত্যের পথ পাওয়া এবং হক্ব ও বাতিলের মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারা: আল্লাহ্ বলেন: তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করো; তবে তিনি তোমাদেরকে (হক ও বাতিলের মাঝে) পার্থক্য করার তাওফীক দিবেন। [সূরা আনফাল- ২৯]
৫) গুনাহ মাফ এবং বিরাট প্রতিদানের সুসংবাদ: আল্লাহ্ বলেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ্কে ভয় করে, তিনি তার পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং বিরাট প্রতিদানে ভূষিত করবেন।” [সূরা ত্বালাক- ৫]
তিনি আরও বলেন: আর তোমরা যদি নিজেদেরকে সংশোধন করে নাও এবং আল্লাহকে ভয় কর, তবেতো আল্লাহ্ ক্ষমাশীল দয়াময়। [সূরা নিসা- ১২৯]
৬) প্রত্যেক বিষয়ে সহজতা লাভ: আল্লাহ্ বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার প্রতিটি বিষয়কে সহজ করে দিবেন। [সূরা ত্বালাক- ৪]
৭) দুশ্চিন্তা ও বিপদ থেকে মুক্তি লাভ: আল্লাহ্ বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার জন্য মুক্তির ব্যবস্থা করে দিবেন। [সূরা ত্বালাক- ২]
৮) কষ্ট ও পরিশ্রম ছাড়া জীবিকা লাভ: আল্লাহ্ বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার জন্য মুক্তির ব্যবস্থা করে দিবেন। এবং এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যা সে ভাবতেও পারে নি। [সূরা ত্বালাক- ২-৩]
৯) আযাব এবং শাস্তি থেকে মুক্তি: আল্লাহ্ বলেন: “যারা তাকওয়া অর্জন করবে, তাদেরকে আমি মুক্তি দিব। [সূরা মারইয়াম- ৭২]
১০) সম্মানিত হওয়ার সনদ: আল্লাহ্ বলেন: নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে বেশী ভয় করে।” [সূরা হুজুরাত- ১৩]
রাসূল (সাঃ)কে প্রশ্ন করা হল, মানুষের মাঝে কে সবচাইতে বেশী সম্মানিত? তিনি বললেন, তাদের মাঝে আল্লাহকে যে বেশী ভয় করে। [বুখারী ও মুসলিম]
১১) ভালবাসার সুসংবাদ: আল্লাহ্ বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ্ পরহেযগারদের ভালবাসেন।” [সূরা তওবা- ৪]
১২) প্রতিদান পাওয়া এবং আমল বিনষ্ট না হওয়া: আল্লাহ্ বলেন: “নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহ্কে ভয় করবে এবং ধৈর্য অবলম্বন করবে; নি:সন্দেহে আল্লাহ্ সৎকর্মশীলদের প্রতিদান বিনষ্ট করবেন না। [সূরা ইউসুফ- ৯০]
১৩) আমল কবুল হওয়া এবং তা প্রত্যাখ্যান না হওয়া: আল্লাহ্ বলেন: “আল্লাহ্ তো তাক্বওয়াবানদের থেকেই কবুল করেন। [সূরা মায়েদা ২৭]
১৪) সফলকাম হওয়া: আল্লাহ্ বলেন: “তোমরা আল্লাহ কে ভয় কর, তবে তোমরা সফলকাম হবে।” [সূরা বাক্বারা- ১৮৯]
১৫) জান্নাত লাভে কামিয়াবী: আল্লাহ্ বলেন: “নিশ্চয় মুত্তাকীরা জান্নাত এবং ঝর্ণাধারার মধ্যে থাকবে। [সূরা যারিয়াত- ১৫]
রাসূল (সাঃ) কে প্রশ্ন করা হল, সর্বাধিক কোন জিনিস মানুষকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে? তিনি বলেন, আল্লাহ্ ভীতি এবং সচ্চরিত্র। [তিরমিযী]
১৬) নিরাপত্তা এবং সুউচ্চ মর্যাদা: আল্লাহ্ বলেন: নিশ্চয় মুত্তাক্বীগণ সুউচ্চ নিরাপদ স্থানে থাকবে। [সূরা দুখান- ৫১]
১৭) সৃষ্টিকুলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ: আল্লাহ্ বলেন: এবং যারা তাকওয়া অর্জন করেছে তারা কিয়ামত দিবসে তাদের (কাফেরদের) উপরে অবস্থান করবে। [সূরা বাক্বারা- ২১২]
১৮) কিয়ামত দিবসে আল্লাহ্র নৈকট্য লাভ এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত ও দর্শন লাভের সৌভাগ্য অর্জন করা: আল্লাহ্ বলেন: নিশ্চয় আল্লাহ্ ভীরুগণ জান্নাত এবং নহরের মধ্যে থাকবে। সত্য ও সন্তুষ্টির আবাসস্থলে পরাক্রমশালী বাদশাহর দরবারে। [সূরা ক্বামার ৫৪/৫৫]
১৯) অন্তর বিশুদ্ধ হওয়া: আল্লাহ্ বলেন: সেদিন (কিয়ামতের দিন) আল্লাহ্ ভীরুগণ ব্যতীত (দুনিয়ার) বন্ধুরা একে অপরের শত্রু হয়ে যাবে। [সূরা যুখরুফ- ৬৭]
২০) দ্রুত সতর্ক হওয়া: আল্লাহ্ বলেন: নিশ্চয় যারা তাকওয়া অর্জন করেছে- যখন তাদের উপর শয়তানের আগমন ঘটে ততক্ষণাৎ তারা (সতর্ক হয়ে আল্লাহ্কে) স্মরণ করে, তারপর তারা সুপথ প্রাপ্ত হয়। [সূরা আ’রাফ- ২০১]
২১) সুমহান প্রতিদান: আল্লাহ্ বলেন: তাদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে এবং তাকওয়া অর্জন করে, তাদের জন্য রয়েছে সুমহান প্রতিদান। [সূরা আল ইমরান- ১৭২]
২২) চিন্তা-ভাবনা এবং গবেষণা করা: আল্লাহ্ বলেন: নিশ্চয় রাত-দিনের পরিবর্তন এবং আসমান ও জমিনের মধ্যে আল্লাহ্ যা সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে নিদর্শন রয়েছে এমন জাতির জন্য যারা আল্লাহ্কে ভয় করে। [সূরা ইউনুস- ৬]
২৩) জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ: আল্লাহ্ বলেন: “এবং অচিরেই জাহান্নাম থেকে দূরে থাকবে আল্লাহ্ ভীরুগণ। [সূরা লাইল- ১৭]
২৪) অফুরান্ত কল্যাণ লাভে ধন্য হওয়া: আল্লাহ্ বলেন, তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর; কেননা সর্বোত্তম ও শ্রেষ্ঠ পাথেয় হল তাকওয়া বা আল্লাহ্ ভীতি। [সূরা বাক্বারা- ১৯৭]
২৫) পরিণতি সুন্দর হওয়া: আল্লাহ্ বলেন, অতএব তুমি ধৈর্য অবলম্বন কর, নিশ্চয় শেষ পরিণতি মুত্তাকীদের জন্য। [সূরা হূদ- ৪৯]
২৬) আল্লাহ্র বন্ধুত্ব লাভ: আল্লাহ্ বলেন, আর আল্লাহ্ মুত্তাকীদের বন্ধু। [সূরা জাছিয়া- ১৯]
Tangail Talimul Quran Madrasa
Addeen An-Naseeha
12/11/2025
১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ মাহফিলের প্রস্তুতি মাশাআল্লাহ।
শিক্ষার্থী ও অন্যান্যদের দেয়ালিকা তৈরি। টাঙ্গাইল তালীমুল কুরআন শিক্ষা পরিবার Tangail Talimul Quran Madrasa
07/11/2025
দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহাসিক দ্বীনি শিক্ষা নিকেতন-
ামিয়া_আল_ইসলামিয়া_পটিয়া মাদরাসার আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলনে ২৭, ২৮ নভেম্বর।
01/11/2025
১৯ শে নভেম্বর ২৪ ইং মঙ্গলবার এর উদ্দেশ্যে তৈরিকৃত সীরাতে মুস্তফা সা: বিগত বছরের পোস্ট।
তা'লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের দেয়ালিকা তৈরি মাহফিলের প্রস্তুতি চলছে।
২০২৫ সাল খতমে নবুয়ত নিয়ে দেয়ালিকা তৈরির ইচ্ছা।
আলহামদুলিল্লাহ! টাঙ্গাইল তালীমুল কুরআন শিক্ষা পরিবার এর ৩য়, ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ২৮-১০-২০২৫ ইং থেকে কম্পিউটার ও স্পোকেন ইংলিশ ক্লাস আরম্ভ হয়েছে। মূল সিলেবাস ঠিক রেখে অপশনাল (অতিরিক্ত) বিষয়। Tangail Talimul Quran Madrasa
Click here to claim your Sponsored Listing.