Gov't Saadat College Research and Higher Study Society

Gov't Saadat College Research and Higher Study Society

Share

We are for Each others...

28/12/2022

কোটা! কোটা! কোটা!
গানের প্রতিটি লাইনই যেন একেকটা বুলেট!🔥
জাতি ধ্বংসের অন্যতম কারন কোটা ।

মেধাবিদের এখন কি করা উচিত?

24/11/2022

আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত ক্যাম্পাসিয়ান

💢 হাঙ্গেরির সরকারী স্কলারশিপ ২০২৩

এই স্কলারশিপে আইএলটিএস ছাড়া এপ্লিকেশন করা যায় বাট আইএলটিএস থাকলে স্কলারশিপ পাওয়ার পসিবিলিটি অনেক বেড়ে যায়।

স্কলারশিপের সংখ্যাঃ ৫০০০

প্রোগ্রামঃ ব্যাচেলর (৪ বছর মেয়াদী), মাস্টার্স (২ বছর মেয়াদী), এবং পিএইচডি (৩-৪ বছর মেয়াদী)

💢 স্কলারশিপের আওতায় সুবিধাসমূহঃ

সম্পূর্ণ বিনাবেতনে পড়াশুনা করবার সুযোগ।
ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের ১৩,৫০০ টাকা এবং পিএইচডি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের ৪৭ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।

ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের ডরমিটরিতে বিনা ভাতায় থাকার সুবিধা প্রদান। তবে, কোন শিক্ষার্থী থাকতে না চাইলে প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়ার ভাতা প্রদান করা হবে।

প্রতি বছর ২৭৫ ইউরোর হেলথ ইনস্যুরেন্স এর সুবিধা প্রদান করা হবে, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২৬ হাজার টাকা।

💢 আবেদন করবার যোগ্যতাসমূহঃ

১.বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে।
২.আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছর হতে হবে।
৩.সাধারণত ব্যাচেলর প্রোগ্রামে আবেদন করবার জন্য আইএলটিএস একাডেমিক ওভারঅল ব্যান্ডস্কোর ৫.০, মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করবার জন্য ব্যান্ডস্কোর ৫.৫ এর প্রয়োজন হয়, তবে সাবজেক্ট ভেদে আরো বেশি লাগতে পারে। মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করবার জন্য বেশিরভাগ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আইএলটিএস স্কোর ছাড়া আবেদন করা যাবে, যদি মিডিয়াম অব ইন্সট্রাকশনের সনদ থাকে।

💢অনলাইন আবেদন করতে যা যা প্রয়োজন হবেঃ

১.আবেদনকারীর পাসপোর্ট এবং ছবি।
২.একাডেমিক পেপারস।
৩.মোটিভেশন লেটার।
৪.মেডিক্যাল সার্টিফিকেট।
৫.রিসার্চ প্রপোজাল (পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।
৬.রেফারেন্স লেটার দুইটি (মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।
৭.সুপারভাইজারের কাছ থেকে নেয়া আলাদা রেফারেন্স লেটার (পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।

💢বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যেসকল পেপারস জমা দিতে হবেঃ

১.শিক্ষামন্ত্রণালয়ে জমাকৃত অনলাইন আবেদন ফরমের পিডিএফ ফরম।
২.Stipendium Hungaricum Website- জমাকৃত অনলাইন আবেদন ফরমের পিডিএফ ফরম।
৩.মূল সনদ এবং ট্রান্সক্রিপট এর রঙ্গিন ফটোকপি।
৪.পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (যাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হাতে নেই,তারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর অনলাইন আবেদন কপি জমা দিতে পারবেন)।
৫.মেডিক্যাল সার্টিফিকেট (Stipendium Hungaricum Website এ পাওয়া যাবে)।
৬.পাসপোর্ট প্রোফাইল পেজের রঙ্গিন ফটোকপি।
৭.রিসার্চ প্রপোজাল (পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।
৮.রেফারেন্স লেটার দুইটি (মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।
৯.সুপারভাইজারের কাছ থেকে নেয়া আলাদা রেফারেন্স লেটার (পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য)।

💢আবেদন প্রক্রিয়াঃ

এই স্কলারশিপে আবেদন করবার জন্য প্রথমে Stipendium Hungaricum Website এ গিয়ে প্রোগ্রাম সার্চ করে আবেদন করতে হবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া লিঙ্কে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর উপরে উল্লেখিত পেপারস (হার্ড কপি) জমা দিতে হবে নিন্মের এই ঠিকানায়ঃ

প্রাপকের ঠিকানা-
যুগ্নসচিব (বৃত্তি)
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়,
বাংলাদেশ সচিবালয় , ঢাকা।
সচিবালয়ের ২ নং গেট সংলগ্ন অভ্যর্থনা কক্ষের ৯নং কাউন্টারে সকাল ১০.টা থেকে ১১.০০টা এবং বিকাল ৩.৩০টা থেকে ৪.৩০টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখঃ ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৩!

সচিবালয়ে পেপারস জমা দেয়ার শেষ তারিখঃ ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৩!

স্কলারশিপ সার্কুলার লিঙ্কঃ www.shed.gov.bd

17/11/2022

ভারতের স্কলারশীপ আইসিসিয়ার (ICCR)
ভারতীয় কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (ICCR) হলো ভারতের একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান্ ১৯৫০ সালে স্থাপিত হয়। এই সংগঠনটি দেশের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে থাকে। যেসব দেশের সাথে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো, সেসব দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ করে দেয় এই প্রতিষ্ঠানটি, অর্থাৎ শিক্ষাবৃত্তি বা স্কলারশীপ প্রদান করে থাকে।
বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কলারশীপ স্কিমের আন্ডারে বছরে দুটো স্কলারশীপ পায়।এগুলো হলো ICCR স্কলারশীপ ও আষূশ স্কলারশীপ । নিচে শুধু ICCRনিয়ে কথা বলব ।
কী কী প্রোগ্রাম চালু আছে?
১।আন্ডারগ্র্যাজুয়েট,
২।পোস্ট গ্র্যাজুয়েট,
৩। PhD এবং
৪। বিভিন্ন পারফর্মিং আর্ট যেমনঃ নাচ, গান ইত্যাদির জন্য।
বিঃ দ্রঃ - এ স্কলারশীপ মেডিকেলে পড়ার কোন সুযোগ দিয়ে থাকে না।
আন্তর্জাতিক ভাবে মোট ১৪০ টি দেশের শিক্ষার্থীকে এই স্কলারশীপ দিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছরপ্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার আবেদন করলেও বাংলাদেশ থেকে ICCR-এর আওতায় মোট ২৭৫ জন স্কলারকে নির্বাচন করা হয়।তাই প্রতি বছরই প্রতিযোগি বাড়ছে ।
যা যা সুবিধা দেওয়া হয়ঃ
১-টিউশন ফি ফ্রি ,
২। চিকিৎসা
৩। একোমেন্ডেশন
৪। প্রতি মাসে ১৮ হাজার রুপি ।
৫।বছরে ৫ হাজার রুপি দেওয়া হবে বই কিনার জন্য।
৬। আপডাউন এয়ার টিকিট (একবার)
আবেদনের সময়সীমা-২৫ শে জানুয়ারি ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত (সম্ভাব্য) ।
আবেদনের গুরুত্বপুর্ন শর্তসমুহ-
১। আবেদনকারীর ১৮ বছর থেকে ৩০ বছর বয়স হতে হবে।
২। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬০ শতাংশ নাম্বার থাকতে হবে।
৩।মাস্টার্সের জন্য সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ২.৫ থাকতে হবে।
৪। BE/B.Tech এ আবেদন এর জন্য পাঠ্যক্রমে পদার্থ, গনিত এবং রসায়ন থাকতে হবে।
৫। M.Phil/Doctoral/Post-doctoral এর জন্য আবেদনের সাথে Synopsis submit করতে হবে।
৬। Arts performing এ আবেদন এর জন্য তাদের আর্টের গান/নাচ এর ইউটিউব লিংক বা ড্রাইব লিংক আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
৭। ইংরেজী ভাষার উপর একটি পরিক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় এমসিকিও এবং লিখিত দুই ধরনের প্রশ্নই থাকবে। ৩০ মিনিটে ৫০ মার্কে পরিক্ষা । English Proficiency Test এর জন্য গ্রামার এর পুরো সিলেবাস পড়তে হবে। Voice, Idioms and Phrases, Passage, Appropriate Preposition, Narration ইত্যাদি।
৮। আবেদন এর সাথে একটি রচনা জমা দিতে হবে। ৫০০ শব্দের ভিতর লিখিতে হবে ।
৯। যে কোন ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেক্ট করতে হবে ।
আবেদন করতে যাযা লাগবে_
১- মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের স্ক্যান কপি।
২- পাসপোর্ট ( পাসপোর্ট আবেদন এর স্লিপ দিয়ে এপ্লাই করতে পারবেন)
৩- চারিত্রিক সনদ ২ টি (সাধারণত কলেজ ও স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে নিলেই হয়)
৪- মেডিকেল সার্টিফিকেট।
(আইসিসিয়ার পোর্টালে ফর্ম দেয়া আছে । ডাক্তার দিয়ে পুরন করে সিল ,সিগ্নেচার নিতে হবে)
৫- জন্মনিবন্ধন (অবশ্যই ইংরেজী ভার্সন) / জাতীয় পরিচয় পত্র
৬- ছবি(পার্সপোর্ট সাইজ এবং সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড )
৭- যারা এমবিএ তে এপ্লাই করবে তাদের জিম্যাট স্কোর সার্টিফিকেট।
৮- ফাইন আর্টস এর জন্য পোর্টফোলিও অর্থাৎ পার্ফরমেন্স প্রুফ।
আবেদন পদ্ধতি-
১। এপ্লাই পোর্টালঃ http://a2ascholarships.iccr.gov.in
২। যারা সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে আবেদন করবে তাদের ভারতীয় হাইকমিশন কতৃক পরীক্ষার স্থান,সময় ও প্রবেশপত্র ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হবে।
২।লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলে,ভারতীয় হাইকমিশন ই-মেইলের মাধ্যমে ভাইভার জন্য ঢাকবে।
৩।বাংলাদেশের চারটি বিভাগীয় শহর ঢাকা, খুলনা,চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী থেকে এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়।
বিঃদ্রঃ একজন কেবল মাত্র একটি আবেদন ই করতে পারবেন ।
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।আমাকে জানাবেন,শুধরে নিব ।
কপিরাইট সংরক্ষিত । করার আগে বিবেক কে প্রশ্ন করবেন ।
যে কোন প্রয়োজনে ক্যাম্পাসিয়ান পরিবার পেইজে যোগাযোগ করুন ।
Md Nazmul Hosen
BSc of Mechanical Engineering
Yangzhou University, China

16/11/2022

পৃথিবির বহুল কাংখিত স্কলারশিপ গুলোর মধ্যে অন্ত্যতম হচ্ছেই ব্রুসলারি স্কলারশিপ । তুরষ্ক সরকার কর্তৃক পরিচালিত এটি একটি সরকারি শিক্ষা বৃত্তি । এই স্কলারশিপ টি অনেক শিক্ষার্থির স্বনের বৃত্তি । কেননা অনার্স লেভেলে ইউরপের কোন সরকারি বৃত্তিখুবই কম,সেখানে এটি একটি বড় সুযোগ শিক্ষার্থিদের জন্য ।
প্রতি বছরের মত এবার ও তুর্কি বুসলারি স্কলারশিপ ২০২৩ এর জন্য আবেদন গ্রহন শুরু হচ্ছে ।
সাধারনত-
আবেদন শুরু – ১০ ই জানুয়ারি ২০২৩ ।
আবেদন শেষ- ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ।
ইন্টারভিউ-মার্চ-জুন ।
সিলেকশন-জুলাই ।
 কি কি প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে?
১। ব্যাচেলর
২। মাস্টার্স
৩। পিএইচডি
 টিউশন ফি আছে?
এক কথায় উত্তর নেই ।এতি একটি সরকারি স্কলারশিপ ।এখানে কোন রকম টিউশ্ন ফি নেই ।
 আবাসন ব্যবস্থা কেমনে কি ?
চিন্তারর কিছু নেই ।এটিও আপনি ফ্রিতেই পাবেন ।হয়ত ফ্রিতে মিলেও যেতে পারে সকালের নাস্তা আর ডিনার।
 স্টাইপেন্ড পাওয়া যায় ?
জ্বি । ব্যচেলর প্রোগ্রামে আপনি ৮০০ লিরা,মাস্টার্স এর জন্য ১১০০ লিরা,আর পিএইসডির জন্য ১৬০০ লিরা পাবেন ।
এখন এটা বাংলাদেশি টাকায় কত হবে তা জানার জন্য আপনাকে গুগুল মামার সাহায্য নিতে হবে ।
 বিমান টিকিট ফ্রি ।
 সাস্থ্য খরচ ফ্রি ।
 তুর্কি ভাষা কোর্স এক বছর ফ্রি তে শেখানো হবে ।
 আবেদন করতে কি কি লাগবে ?
 বয়স-ব্যচেলরের জন্য ২১ এর নিচে,মাস্টার্সের জন্য ৩০ এর নিচে আর পিএইচডির জন্য ৩৫ এর নিচে হতে হবে ।
 ব্যচেলরের জন্য এইচ এস সি তে ৭০% , মাস্টার্সের জন্য ব্যচেলরে ৭৫% ,আর পিএইচডির জন্য মাস্টার্সে ৭৫% মার্ক্স লাগবে । বি;দ্রঃ-মেডিসিন ডিপার্ট্মেন্ট এর জন্য ৯০%
 তুরষ্কের নাগরিক থাকা যাবে না ।
 তুরষ্কের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকা যাবে না ।
 পাসপোর্ট কি লাগবেই ?
না হলে প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন তবে প্রাইমারি সিলেকশনের পর লাগবেই । থাকলে সব থেকে ভাল হয় ।
 ইংরেজি ভাষা দক্ষতা লাগবেই ?
না থাকলেও কিছু ভার্সিটিতে আবেদন করতে পারবেন ।তবে সেক্ষেত্রে আপনার চান্স পাও্যার সম্ভাবনা কম ।ইংরেজি ভার্ষনের ক্ষেত্রে –মিডিয়াম প্রমান পত্র লাগবেই ।
বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভাষাগত স্কোর রিকয়ারমেন্ট ভিন্ন হয়ে থাকে । আবেদনের পুর্বে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট দেখে নিতে হবে ।
দয়া করে এটা নিয়ে প্রশ্ন করবেন না ।একটু নিজে খাটুন । ফ্রি ফ্রি কি সব পাওয়া যায় বলেন?
 কী কী ডকুমেন্টস লাগবে ?
 পাসপোর্ট/এন এই ডি/নিবন্ধন (ইংরেজি ভার্ষন )
 পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
 SSS/সমমান সার্টিফিকেট এবং নম্বর পত্র ।
 HSC/সমমান সার্টিফিকেট এবং নম্বর পত্র ।
 ব্যচেলর এর সার্টিফিকেট এবং নম্বর পত্র (মাস্টার্স,PHD)
 রিসার্স প্রপোজাল (মাস্টার্স,PHD)
 রিকমেন্ডেশন লেটার ২ টি ।
 SOP (Statement of Purpose)
 ভাষা দক্ষতার প্রমান পত্র । (যদি লাগে)
 অন্যান্য কারিকুলাম প্রমান পত্র ।
একটা কথা বলে রাকি ।যার যত এক্সট্রা কারিকুলাম থাকবে সে তত বেশি এগিয়ে থাকবেন ।
*********তুর্কি বুর্সলারি স্কলারশিপ এ প্রাথমিকভাবে দুটি যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়।*****
 আবেদন পদ্ধতি কি?
সম্পুর্ন অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম । অর্থাৎ কোন এজেন্সি লাগবে না ,দালাল লাগবে না,আব্দনের জন্য কোন ফি দিতে হবে না । ঘরে বসেই আপনি আপনার কাংখিত লক্ষে আবেদন করতে পারবেন ।
 আবেদন লিঙ্ক কোথায় পাবো ?
আরে ভাই এত কষ্ট কার জন্য করতেছি বলেন । নিচে দেখেন লিঙ্ক দিয়ে দিছি ।
https://tbbs.turkiyeburslari.gov.tr/
এখানে যাও্যার পর নতুন একটি একাউন্ট খুলবেন ।তারপর লগ ইন করে নির্দেশনা মেনে চলুন ।
এখানে আমি আবেদন করেছিলাম ।
খুটি নাটি মোটামুটি সব কিছুই জানা ।
যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ।
ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন ।আমাকে জানাবেন ইনশাআল্লাহ শুধরে নিব ।
বিঃদ্রঃ-অনেক সময় নিয়ে কষ্ট করে পোষ্টটি লেখা । কেউ কপি করার আগে বিবেক কে প্রশ্ন করুন ।
ধনবাদ ।
মোঃ নাজমুল হোসেন
মেকানিক্যাল ইঞ্জিয়ারিং (বিএসসি)
ইয়াংজু ইউনিভার্সিটি , জিয়াংসু , চায়না ।

08/11/2022

স্বপ্ন খুজে নিন।

Photos from Gov't Saadat College Research and Higher Study Society's post 29/10/2022

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট -

যারা দেশের বাইরে স্টাডি করতে যেতে চায় তাদের সবার ই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর প্রয়োজন হয়।
আজকে আমরা এটার বিস্তারিত জানব।

নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সর্বমোট ৭-১০ কার্যদিবসে মাত্র ৫০০ টাকার চালান পেমেন্ট করেই পেতে পারেন এই সার্টিফিকেট।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১।পাসপোর্ট (অবশ্যই লাগবে যদি বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেন।)
২। এনআইডি/ জন্ম নিবন্ধন।
৩। নাগরিক সনদ/ ওয়াড কাউন্সিল সাটিফিকেট
৪।নিজের পাসপোর্ট সাইজের স্ক্যান ছবি।
(১ম শ্রেণির অফিসারের সত্যায়িত স্ক্যান কপি লাগবে এপ্লিকেশন করার সময় সাবমিট করার জন্য।) যদিও ম্যান্ডেটরি না।
আমি জমা দিয়েছি সত্যায়িত স্ক্যান করা পাসপোর্ট,এনআইডি এবং নাগরিক সনদ এবং সফট কপি ছবি।
সকল পেপার সাবমিট করতে হবে না। অপশন দেখে যা আছে তাই দিবেন।
প্রথেম- এই লিংকে যাবেন 👉https://pcc.police.gov.bd
এরপর

➤New create,➤
verify,➤
application ফিনিশ➤
payment by bkash/রকেট/নগদ। আপনি চাইলে সরাসরি সোনালি ব্যাংক এ চালান করে জমা দিতে পারেন। ( ব্যাংক এর সকল শাখা চালান গ্রহন করে না, আগে জেনে নিবেন) ব্যাংকে জমা দিলে চালান জমা দেওয়ার পর ম্যানেজার বা নির্ভরশীল ব্যাক্তির সাইন করিয়ে নিবেন।
একাউন্ট রেজিস্টেশন করে ভেরিফাই করে চালান পেমেন্ট করা পর্যন্ত রেডি করে এবং বিকাশের মাধ্যমে ই-চালানে পেমেন্ট করবেন ।(সোনালী ব্যাংক থেকে চালান করলে সেটা স্ক্যান করে আপলোড দিতে হবে।)
বিকাশের মাধ্যমে দিলে একাউন্টে মিনিমাম 504 টাকা রাখবেন।

Upload calan pdf copy and application final submitted.
চালান যেদিন কাটবেন তার পরের দিন দুপুর ১২ টার পর থেকে আপলোড করতে পারবেন। আমার টা দুপুর ২ টার দিকে অনলাইন হইছিলো এবং আপলোড দিয়েছিলাম
স্টাটাস সমুহ-
pending for payment ( চালান গ্রহন না করা পর্যন্ত। payment received. ( চালান গৃহীত হলে।
Under verification. ( ভেরিফিকেশন প্রসেস শুরু হলে
certificate printed. ( সারেটিফিকেট প্রিন্ট হলে।
signby m*f/ sp ( অনুমোদন পেলে)

ভেরিফিকেশন এর সময় যা যা আপনি আপলোড করেছেন তার হার্ড কপি এস আই কে দেখাবেন।
আবেদন সাবমিট করার পরে এসআই এর ঠিকানা আসবে।
এসবি অফিস সার্টিফিকেট দেয় অর্থাৎ পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে।
আপনি আবেদন করার সময় রিসিভ করার ঠিকানা থানা বা ডিএসবি/পুলিশ সুপারের কার্যালয় সিলেক্ট করতে পারেন।

সার্টিফিকেট সাইন হয়ে গেলে পরের দিন ডি এসবি অথবা থানায় দিলে ২/৩ দিন পরে রিসিভ করতে পারবেন।

কোন সমস্যা হলে ইনবক্স করতে পারেন।
সংযুক্তি-
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর নমুনা ছবি
চালান এর নমুনা ছবি।

MD Nazmul Hosen
Mechanical Engineering
Yangzhou University,china

29/10/2022

একটি ঘোষণা ----
#সৌদি আরব স্কলারশিপ
এখন থেকে আর সরাসরি ভার্সিটির ওয়েব সাইটে আবেদন করা যাবে না।
সম্মিলিত ভাবে সৌদি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে আবেদন করতে হবে।
আবেদন করা যাবে জানুয়ারি পর্যন্ত।
যারা ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন তাদের গুলো যাচাই বাছাই করা হবে।

আবেদন লিংক 👉👉👉
https://studyinsaudi.moe.gov.sa/

24/09/2022

থাইল্যান্ডের সিরিন্দহর্ন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি স্কলারশিপ বিজ্ঞপ্তি ২০২২:

প্রোগ্রামঃ মাস্টার্স (২ বছর মেয়াদী) পিএইচডি (৩ বছর মেয়াদী)

সিরিন্দহর্ন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি হল ১৯৯২ সালে থামমাসাট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট। এটি থাইল্যান্ডের পাথুম থানিতে অবস্থিত। সিরিন্দহর্ন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এসআইআইটি) তাদের স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি করতে ইচ্ছুক আন্তর্জাতিক ছাত্রদের সম্পূর্ণ অর্থায়িত চমৎকার বিদেশী শিক্ষার্থীদের (ইএফএস) বৃত্তি প্রদান করছে।

স্কলারশিপের আওতায় সুবিধাসমূহ-
১. সম্পূর্ণ বিনাবেতনে পড়াশুনা করবার সুযোগ।
২. জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর জন্য প্রতি মাসে ১০ হাজার থাই বাত প্রদান করা হবে, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২৬ হাজার টাকা।
৩. রাউন্ড ট্রিপ এয়ারফেয়ার টিকিট (ইকোনমি ক্লাস) থাইল্যান্ডের সরাসরি রুট।
৪. ভিসা ফি, এয়ারপোর্ট ট্যাক্স, এ ১০ হাজার থাই বাত পর্যন্ত ছাড় দেয়া হবে, যা প্রায় ২৬ হাজার বাংলাদেশী টাকা।
৫. স্কলারশিপের সময় স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা বীমা প্রদান করা হবে।

আবেদন করবার যোগ্যতাসমূহ-
১. মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করবার জন্য ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং মিনিমাম সিজিপিএ ২.৭৫/৪.০ স্কেলে থাকতে হবে। পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের ক্ষেত্রে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এবং মাস্টার্স এ সিজিপিএ অন্তত ৩.৫০/৪.০ স্কেলে থাকতে হবে।
২. ইংরেজি ভাষা দক্ষতা প্রমাণে মিনিমাম আইএলটিএস একাডেমিক ওভারঅল ব্যান্ডস্কোর ৪.৫ থাকতে হবে।
৩. সুস্থ দেহের অধিকারী হতে হবে।

যে সকল বিষয়ে আবেদন করা যাবে-
1. Biochemical Engineering/Biochemistry (MS & PhD)
2. Biomedical Engineering (MS & PhD)
3. Building Facilities Engineering (MS & PhD)
4. Chemical Engineering (MS & PhD)
5. Chemistry (MS & PhD)
6. Communications (MS & PhD)
7. Computer Engineering (MS & PhD)
8. Civil Engineering (MS & PhD)
9. Data Mining (MS & PhD)
10. Economic (MS & PhD)
11. Electrical Engineering (MS & PhD)
12. Electrical Power Engineering (MS & PhD)
13. Energy Technology/Management (MS & PhD)
14. Environmental Engineering/Science/Technology/Magement (MS & PhD)
15. Image Processing (MS & PhD)
16. Information Technology (MS & PhD)
17. Materials Engineering/Science/Technology (MS & PhD)
18. Mechanical Engineering (MS & PhD)
19. Mechatronics (MS & PhD)
20. Sustainable Energy and Environment (MS & PhD)
21. Industrial Engineering and Logistics Systems (MS & PhD)
22. Computer Science (MS & PhD)
23. Engineering Management (MS & PhD)
24. Instrumentation and Control System (MS & PhD)
25. Management Technology (MS & PhD)
26. Artificial Intelligence and Internet of Things (MS)
27. Information Technology (MS)
28. Computer Science (MS)
29. Industrial Engineering and Logistics Systems (MS)
30. Logistics and Supply Chain Systems Engineering (MS)

আবেদন করতে যা যা প্রয়োজন হবে-
১. আবেদনকারীর পাসপোর্ট।
২. একাডেমিক পেপারস।
৩. রেফারেন্স লেটার দুইটি।
৪. স্টেটমেন্ট অব পারপাস।
৫. আবেদনকারীর সিভি।
৬. আইএলটিএস স্কোর।
৭. রিসার্চ প্রপোজাল (পিএইচডি)।
৮. অন্যান্য পেপারস (যদি থাকে)।

এপ্লিকেশন ডেডলাইন: ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২।
রেজাল্ট প্রকাশিত হবে- ১৬ই নভেম্বর, ২০২২।
ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট লিঙ্ক: https://tinyurl.com/4ct4hzcv

©Scholarship Circular

08/09/2022

70 years. 15 Prime Ministers. 1 Queen.
An extraordinary woman and a remarkable life.
As we watch Operation London Bridge/Operation Unicorn take effect and prepare for the sad news. Unbelievable Royal legacy 🇬🇧
RIP🦋

07/09/2022

কেন জীবনে একবার হলেও অবশ্যই আপনার উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা উচিত!
আমরা যারা পাবলিকে পড়েছি বা পড়ছি তারা একটা কথা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড়ভাইদের কাছে শুনতাম।
"দেখ, জীবনে প্রত্যেকটা মানুষকে একবার হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া দরকার! জীবনকে পরিপূর্ণতা দান করতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কিছুদিন হাঁটাহাঁটি করা দরকার! একেকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একেকটা দেশ না, একেকটা পৃথিবীর মতো!"
আশা করি এতোক্ষণে বুঝতেই পারছেন সেই বক্তব্যটি জীবনের কোন উপলব্ধি থেকে তারা করেছেন বা এখন আমরা জুনিয়রদেরকে করি।
এবার আলোচনা করব যে দুটি কারণে আমাদের সবাইকে একবার হলেও উন্নত দেশে এসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা উচিত।
প্রথমটি, পুরো পৃথিবীটা যে আপনার ঠিকানা সেটা বুঝার জন্যে!
দ্বিতীয়টি, সমস্ত হিসেবনিকেশ করে সফলতার চাবিকাঠি হাতে পাবার জন্যে!
হুমায়ুন আজাদ স্যারের একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম "যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই ওপরে যাই নীল!"
এর মানে এই লেখার মূল মধু খুজতে গেলে আপনাকে লেখার গভীর অংশে যেতে হবে! উপরে থাকবে নীল আকাশের কথা যে আকাশে আমাদের স্বপ্ন থাকে!
যুক্তি-১ঃ
John A. Shedd এর একটি জনপ্রিয় কথা আছে “A ship in harbor is safe — but that is not what ships are built for.”
মানুষের ক্ষেত্রেও এই কথাটি শতবাক্য সত্য।
আমি নানা জায়গায় একটি প্রশ্ন শুনি, বলা যায় এক ধরনের কটুক্তি! যে, পড়াশোনা শেষে সব বিদেশে চলে গেলে দেশের কী হবে? অথচ ওরা এভাবে কখনো চিন্তা করেনা যে আসলেই আমাদের একটা বড় অংশকে পৃথিবীর সেরা দেশগুলোতে যাওয়া উচিত। ওদের বাজার গুলোতে একটা শক্ত জায়গা তৈরি করা উচিত। এদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হতে পারে এই অধিকসংখ্যক যুবকশ্রেণি। প্রত্যেক ঘর থেকে একজন করে উচ্চশিক্ষার জন্যে বিদেশে চলে আসা উচিত। এবং এটা নিশ্চিত করা উচিত যেন কাউকে দাসত্বের জীবনের জন্য বাহিরে না আসতে হয়। আচ্ছা, জাপান যে বাংলাদেশী আইনবিদ ডঃ রাধাবিনোদ পালের কারণে আজও আমাদের চিরবন্ধুরাষ্ট্র হয়ে আছে, যদি সেই শিক্ষিত আইনবিদ সে দেশে না যেতেন, তবে কি তা সম্ভব ছিল?! ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রহমান খান যুক্তরাষ্ট্রে না গেলে কি তখনকার আমেরিকার সর্বোচ্চ উচ্চতার ভবন সিয়ার্স টাওয়ার তৈরীর গৌরব বাংলাদেশ পেত? কিংবা সম্প্রতি আমেরিকার সরকার থেকে করোনা ভ্যাক্সিন পেতে যে চারজন বাঙালি বিশেষ কৌশলে নিজের মাতৃভূমির মানুষের জন্যে কাজ করেছেন, তা কি সেদেশে গিয়ে সপ্রতিভায় প্রতিষ্ঠিত না হলে সম্ভব ছিলো? আপনারা শুধু চান আমাদের অশিক্ষিত অবহেলিত শ্রেণিটি মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে রোদে পুড়ে দাসত্বের জীবন নিয়ে অর্থনীতি টিকিয়ে রাখুক। অথচ এই কাজটি করা দরকার এই বিশাল শিক্ষিত শ্রেণিটিকে। আমরা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নাই জেনেও বছরের পর বছর বেকার হয়ে নিজের অমিত শক্তিকে ধ্বংস করছি। এদিকে ভারত, শ্রীলঙ্কার লোকজন এসে দেশের বেসরকারি খাতের বড় বড় পদ দখল করছে সেই বিষয়ে কারও কোন আওয়াজ নেই। আমাদেরও যে সেই সকল দেশের বড় পজিশন গুলোতে যাওয়া দরকার সেই ভাবনা নেই!
মেধাবীরা বিদেশ যাবেনা তো কী অশিক্ষিতরা যেয়ে দেশের পরিচয় তুলে ধরবে? বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের মতো মানুষও শেষ জীবনে আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন!
ভাই দক্ষ হয়ে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ুন। যাতে কোন অদক্ষ ভাইকে এসে দাসত্ব করতে না হয়।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ ডিগ্রি নিয়েও যদি বোকার মতো ভাবি আমাদের সীমানা শুধু বাংলাদেশ। তাহলে ভুল করছেন ভাই! একটু ব্রড করে ভাবুননা। পুরো পৃথিবীতেই তো সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য রিঝিকের ব্যবস্থা করে রেখেছে। যে উক্তি দিয়ে শুরু
করেছিলাম আপনাকে দক্ষতা বাড়াতে হবে। সেই দক্ষতা দিয়ে দেশের গণ্ডি মাড়িয়ে বিদেশেও সফলতার শীর্ষে পৌঁছাতে হবে।
কতো সুন্দর এই পৃথিবী! একবার পুরোটা না দেখেই মরে যাবেন?
যুক্তি ১ অংশটি আমি না রাখলেও পারতাম তবে এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সহায়ক হবে বলেই লিখেছি। বিশ্বাস করেন ভাইয়ারা/আপুরা, কী পরিমাণ ছেলে-মেয়ে যে ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, চীন, আফ্রিকার সমস্ত দেশ, টার্কিশ এমনকি পাকিস্তান থেকে ইউরোপ আমেরিকার বাজারে প্রতিনিয়ত আসছে তা নিজে না দেখলে উপলব্ধি করতে পারবেননা। বৃটিশ শাসনামলে আমাদের দেশে যেমন ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করা পাপ ছিলো! এখন উচ্চশিক্ষার ব্যাপারটা যেন তাই হয়ে গেছে! আফসোস!
তাই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজের দক্ষতাগুলোকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলুন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছু শেখায় না- এই টাইপের যুক্তি দেখাবেন না। একটু গুগল করলেই সব তথ্য পাওয়া যায়। সমস্ত কোর্স এখন ফ্রি পাওয়া যায়। সময় মতো প্রস্তুত হয়ে যান এক অনিন্দ্য সুন্দর জীবনকে উপভোগ করার জন্যে। আর আপনার অন্য ভাই/বোন যারা অপেক্ষাকৃত কম দক্ষ তাদের জন্য সুযোগ করে দিন। বড় জীবনের স্বপ্ন দেখা শিখুন! কতো সুযোগ এখানে পড়ে আছে। আমাদের দেশে একটু সুযোগ কম বলে আমরা ক্লান্ত হয়ে একসময় হতাশ হয়ে ভাবি দেশেই ভাত নাই আবার বিদেশ! আসলে যদি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকে পরিকল্পনা করে আগান। একটা পয়সাও লাগবেনা ইউরোপ আমেরিকা আসতে। বরং ওরাই আপনাকে
খরচ দিয়ে আনবে। আমি যে দেশে আছি তার একটা ছোট্ট পরিসংখ্যান দেই। শুধু জার্মানিতেই এর অর্থনীতি সহ অন্যান্য কার্যক্রম ঠিক রাখতে প্রতি বছর কমপক্ষে সাড়ে চার লাখ অভিবাসীকে আনতে হবে। এবার বুঝেছেন আপনি দক্ষ হলে ওরাই আপনার পিছনে ছুটবে!
যুক্তি-২ঃ
ইউরোপ-আমেরিকার একটা ভিসা যখন আপনার পাসপোর্টে লাগবে সত্যি হাজারটা দুয়ার আপনার সামনে খুলে যাবে।
১) পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম বা যেকোন মিনি জব করে একটা ভালো উপার্জনের সুযোগ পাবেন। যেটি দেশে একটি বড় পদে যেয়ে করতে ৮-১০ বছর সময় লাগবে।
২) এখানে একবার ভর্তি হলে দক্ষতা না নিয়ে আপনি বের হতে পারবেন না! আপনার পড়াশোনা অন্য কেউ করে দিবেনা। গুগলে গিয়ে যেভাবে আমরা দেশে CCP করে সব এসান্টমেন্ট শেষ করে দিতাম এখানে তা সম্ভব নয় বলেই আপনি সত্যিকার অর্থেই দক্ষ হয়ে বের হবেন। আমাদের ছেলেমেয়েরা সত্যিই অনেক মেধাবী! অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই কোন না কোন কাজে আপনি 🇧🇩 শিক্ষার্থীদের দেখবেন। একটা লাইফটাইমের মুলধন আপনি ফ্রিতে আয় করে নিলেন ভার্সিটি থেকে!
৩) পড়াশোনা শেষে আপনি ফুলটাইম জবে ঢুকবেন, এর পর পর্যায়ক্রমে সেই দেশের নাগরিকত্বের সুযোগটিও পাবেন। মাত্র ৫-৭ বছরে এর থেকে ভালো ক্যারিয়ার আর আপনি কোথায় কল্পনা করবেন?
৪) দেখবেন কেউ যখন ইউরোপ আমেরিকায় পৌঁছে যায়। তখন তাকে সফল মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়! এবং আসলেই তাই। দুনিয়াতে যার টাকা নাই সেই বুঝে হাজারটা ডিগ্রির কোন মূল্য নাই! গোটা জীবনের এই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা এখানে পাওয়া যায় বলেই সবাই সফল বলে। আপনার অর্থনৈতিক মূল্য যদি দেশের থেকে বিদেশে বেশি দেয় আপনাকে সেখানেই যাওয়া উচিত।
৫) একবার নাগরিকত্ব পেলে পর্যায়ক্রমে পরিবারসহ অনেককেই আনার তৌফিক আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দিবেন। একবার চিন্তা করেনতো আমাদের মতো মধ্যবিত্তের পরিবারের ছেলেমেয়েদের পক্ষে কী সম্ভব দেশে চাকরি-বাকরি করে বাবা মাকে দেশের বাহির থেকে একটু ঘুরিয়ে আনা? যখন পারবেন তখন হয়তো এই প্রিয় মানুষ দুজন আর পৃথিবীতে থাকবেন না! কিন্তু এটি আপনি খুব সহজে করতে পারবেন উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে। আর এখানে যখন আপনার ভবিষ্যত প্রজন্ম আসবে তখন আরও শক্তিশালী একটা বাংলাদেশ এখানে তৈরী হবে। সন্তানদের শিক্ষাসহ নানা বিনিয়োগ সরকার নিজেই করে দিবে। বরং বেশী সন্তান নিলে আপনাকে তারা ভাতাও দিবে! আশ্চর্যের বিষয় হলো সন্তান হলে এখানে পিতা-মাতার সম্মান অনেক বেড়ে যায়!
৬) খুব সহজেই পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ আপনার পাসপোর্টের বদৌলতে দেখার সুযোগ পাবেন। যারা ভ্রমণপিপাসু, তাদের জন্য এর থেকে লোভনীয় সুযোগ আর কি হতে পারে?
৭) আমাদের তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে একরকম স্বাধীনতা নেই বললেই চলে! বিশেষ করে মেয়েদের। কিন্ত এখানে চলাফেরা বা বৈষম্যহীন কাজের সুযোগ নারী পুরুষ সবার জন্য সমান। অনেকেই ওদের স্বাধীনতা বলতে উচ্ছৃঙ্খল জীবন কল্পনা করে থাকেন। যা সম্পূর্ণ আমাদের মনগড়া। এখানে সবাই একটি উঁচু মানের রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা মেনেই স্বাধীনভাবে চলে। তাই আমাদের বোনেরাও উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে আরও আগ্রহী হতে পারেন। যারা বলেন মেয়ে মানুষ কেন বিদেশে যাবে? আমি তাদের বলব ভাই যে মেয়ে অনার্স পর্যন্ত নিজেকে ঠিক রেখেছে সে দুনিয়ার যেখানেই যাক আর মন্দ দিকে যাবার সুযোগ নেই!
৮) এখানে আসলে দেশ এবং দেশের বাহিরের একটা বিশাল জগতের মানুষের সাথে আপনার যোগাযোগ তৈরি হবে। যার মাধ্যমে আপনি আপনার মেধার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাবেন। এই নেটওয়ার্কটি আপনার বড় স্বপ্ন পূরণে বিশাল ভূমিকা রাখবে। যা আজ আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
Last but not least,
৯) Albert Einstein এর একটা কথা আছে,
“Live life to the fullest... Laugh some every day. Keep growing, keep dreaming, keep following your heart.”
মোদ্দা কথা, এই ফুলেস্ট লাইফটা আপনি উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে এখানে আসতে পারলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।
অনেকেই বলে সব কিছু গুছিয়ে নিই, তারপর স্বপ্নপূরণের জন্য কাজ করব! এটি একটি স্বান্ত্বনা বাক্য! স্রেফ ফাঁকি মারা কথা। মানুষকে আসলে সৃষ্টিকর্তা এতো সময় দেননি। স্বপ্নকে অর্জন করতে হলে প্রতিদিনই একটু একটু করে এগোতে হয়। ব্যাপারটা এমন নয় যে সচিব হবো, বড় কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব হবো, অনেক টাকাপয়সার মালিক হবো তারপর জীবনকে কিছু দিতে বের হবো। এটা আসলে হয়না, সব হাতে আসলেও সময় আর আসেনা। যৌবনের ইবাদত যেমন সর্বোত্তম। তেমনি সেই যৌবনই স্বপ্নপূরণের শ্রেষ্ঠ সময়। তা না হলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পরিব্রাজক ইবনে বতুতা কিংবা দি আলকেমিস্ট উপন্যাসের সেই জগতবিখ্যাত চরিত্র সান্তিয়াগো বৃদ্ধ বয়সেই পৃথিবী দেখার উদ্দেশ্যে বের হতেন!
#আমাদের_স্বপ্ন_আকাশ_ভেদ_করুক!
Billal Mahmud
Master in International Management and Information System (IMIS)
South Westphalia University of Applied Sciences, Germany.

06/09/2022

Harvard University Free* Online Courses for Worldwide Students (Courses Available in All Fields). No IELTS/TOEFL needed to enroll. Digital Certificate will be Provided upon completion. Link in First Comment

02/09/2022

#বিসিএস বনাম #বিদেশে_উচ্চশিক্ষা(PhD/Masters)
- বিসিএস-এ #ব্যর্থতার সম্ভাবনা প্রায় ৯৯.৫%, অন্যদিকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করলে তা পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।
- বর্তমানে বিসিএস প্রিপারেশন এবং সুযোগ পেতে প্রায় ১০ বছর মুখস্ত বিদ্যায় (প্রথম বর্ষ থেকে স্ট্রাগল শুরু হয়) সময় ব্যয় করতে হয়। অন্যদিকে স্কলারশীপের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মেন্টরের অধীনে ট্রাই করলে পাশ করতে করতে সেই যোগ্যতা অর্জিত হয়। আমার জানা সার্কেলে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হতে দেখিনি ।
আমাদের সময়ে বিসিএস তেমন টানত না। সময় পালটে গেছে। এখন বিসিএস-এ চান্স পেলে রীতিমত সেলিব্রেটি হয়ে যাওয়া যায়। কেউ চান্স পাইলে মনে করতে থাকেন বড় কিছু করে ফেলবেন। দিন, বছর যেতে থাকলে তা ফিকে হয়ে যায়। ভাল কিছু হয় তখনই যখন ভাল সিস্টেম থাকে। বিসিএস ক্যাডাররা তা গড়ে তুলতে পারছেন না। আসলে সেটি তাদের আয়ত্বে নেই। পলিটিশিয়ানরা যা বলবেন তারা শুধু সেগুলো (ব্যর্থ বা খারাপ হবে জেনেও) আমল করবেন। এটাই মূলত কাজ। কিন্তু এই বিসিএস এর জন্য কি পরিমানে ইফোর্ট দেয়া হয়। তবে হ্যা, যারা দূর্নীতি করে অনেক টাকা অর্জন করতে চান বিসিএস হচ্ছে আলাদীনের চেরাগের মত ব্যাপার হতে পারে।
সেলিব্রেটি কমপিটিশনের (বিসিএস) চেয়ে কম কিন্তু সিস্টেম্যাটিক ইফোর্ট দিয়েও পিএইচডি পজিশন পাওয়া যেতে পারে। পিএইচডি এর মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞান তৈরি করা যায়, জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করা যায়। জব তৈরি করা যায়। উদ্যোক্তা হওয়া যায়। প্রবাসে সেটেলন্ড হওয়া যায়।
অনেকে জানে না কোথায় কিভাবে এপ্লাই করতে হবে।
অনেক দেশেই পিএইচডি করা যায়। এমনকি আন্ডারগ্রাজুয়েট করেও সরাসরি পিএইচডি করা যায়। আমার স্টুডেন্ট এক স্টুডেন্ট আমেরিকায় পিএইচডি করছে যার স্কলারশীপ পেতে আমার রিসার্চ কেরিয়ার ভূমিকা রেখেছে।
কোন কিছু পদ্ধতিগতভাবে করতে হয় সেই স্কিল শেখার ট্রেইনিং গ্রাউন্ড হচ্ছে পিএইচডি। একটা কথা মনে রাখতে হবে - পিএইচডি করলেই মানুষ জ্ঞানী হয়ে যায় না। তাই অহংকার করার সুযোগ নেই।
হতাশায় নিমজ্জিত হওয়ার চেয়ে দেশের বাইরে পিএইচডি করার বুদ্ধিমানের কাজ। পিএইচডি শেষ হলে একটা ব্যবস্থা হয়েই যায়।
© মোহাম্মদ সারোয়ার হোসাইন
এসোসিয়েট প্রফেসর, আইইউবি।
গবেষক।

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Korotia
Tangail