মুক্তচিন্তা। Muktochinta

মুক্তচিন্তা। Muktochinta শিক্ষাবিষয়ক অনলাইন চ্যানেল

21/08/2026
With Swapan Kumar Roy – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
30/07/2026

With Swapan Kumar Roy – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

গণিতসহজ গণিতশূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না কেনকাজী আকাশ Contributor imageকাজী আকাশসহসম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তাপ্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২...
30/07/2026

গণিত
সহজ গণিত
শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না কেন
কাজী আকাশ Contributor image
কাজী আকাশ
সহসম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৫, ০৫: ০০
----------------------------------------------------------------------------------
স্কুলে আমরা কিছু সহজ গাণিতিক নিয়ম শিখি। যেমন, দুটি ঋণাত্মক সংখ্যা গুণ করলে সবসময় ধনাত্মক সংখ্যা পাওয়া যায়, মানে -২ × -২ = ৪। যেকোনো সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দিয়েই ভাগ করলে সবসময় মান হয় ১, অর্থাৎ ২ ÷ ২ = ১। আবার কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে হয় শূন্য। যেমন, ২ × ০ = ০। এর সঙ্গে হয়তো আরও একটা নিয়ম শিখে থাকবে। কোনো সংখ্যাকেই শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না। প্রশ্ন হলো, কেন শূন্য দিয়ে ভাগ করা যাবে না। জোর করে যদি শূন্য দিয়ে ভাগ করি, তাহলে কী সমস্যা হবে?

শূন্য দিয়ে ভাগ করা কেন যায় না, তার একটা বাস্তব উদাহরণ দিই প্রথমে। ধরো, তুমি আর তোমার বাবা-মায়ের জন্য একটা পিৎজা অর্ডার করলে। পিৎজাটাতে ১২টা স্লাইস আছে। আর তোমরা মোট তিনজন। তাহলে তোমরা প্রত্যেকে কয়টা করে স্লাইস পাবে? নিশ্চয়ই বলবে ৪টা স্লাইস। একদম ঠিক বলেছ! ভাগ এভাবেই কাজ করে।

এবার ধরো, তোমার মা আজ পিৎজা খাবেন না। মানে তোমাকে আর তোমার বাবাকেই খেতে হবে। তাহলে এখন দুজনে খেলে মোট কয়টা স্লাইস করে ভাগে পাবে? ১২-কে ২ দিয়ে ভাগ করলে হবে ৬, মানে তোমরা প্রত্যেকে ছয়টা স্লাইস করে ভাগে পাবে।

এখন শূন্য দিয়ে জোর করে ভাগের কয়েকটা সমস্যার কথা বলি। ধরো, ৮ ÷ ৪ = ক। তাহলে ‘ক’-এর মান কত? নিশ্চয়ই ২। তাহলে ভাগটা দাঁড়াল, ৮ ÷ ৪ = ২। এখানে, ৮ হলো ভাজ্য, ৪ ভাজক এবং ২ ভাগফল।
এখন ভাবো, পিৎজার বারোটা স্লাইস যদি শূন্য জন মানুষের মধ্যে ভাগ করে দিতে বলা হয়, তাহলে প্রত্যেকে কয়টা করে স্লাইস পাবে? যদি তুমি অবাক হয়ে মাথা চুলকাও, তাহলে এই দলে তুমি একা নও। বাঘা বাঘা গণিতবিদরাও এই সাধারণ প্রশ্নে মাথা চুলকান। কারণ, শূন্য জন লোকের মধ্যে পিৎজা ভাগ করা অসম্ভব। শূন্য দিয়ে ভাগ করার কোনো উপায় নেই। মানে এই কথার কোনো মানে নেই!

ঠিক এই উদাহরণের মতোই, গণিতে কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে ভাগ করার কোনো উপায় নেই। অথবা তেমন কোনো উপায় এখনো গণিতবিদরা আবিষ্কার করতে পারেননি। অনেকেই শূন্য দিয়ে ভাগ করার নিয়ম বের করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কেউ এখনও পর্যন্ত সফল হননি।

আরও পড়ুন
গণিতের শিক্ষিকা ও ধূর্ত সেলসম্যান
০৫ ডিসেম্বর ২০২৪
কিন্তু শূন্য দিয়ে ভাগ করলে কি হবে? নিজেই ক্যালকুলেটরে ০ দিয়ে ভাগ করার একটু চেষ্টা করে দেখ তো! ক্যালকুলেটরে হয়তো Undefined শব্দটা লেখা উঠছে। এর মানে অনির্ণেয়। অর্থাৎ, এর মান নির্ণয় করা যাবে না। এমনকি শূন্যকে শূন্য দিয়ে ভাগ করলেও তার উত্তর হবে অনির্ণেয়!

এখন শূন্য দিয়ে জোর করে ভাগের কয়েকটা সমস্যার কথা বলি। ধরো, ৮ ÷ ৪ = ক। তাহলে ‘ক’-এর মান কত? নিশ্চয়ই ২। তাহলে ভাগটা দাঁড়াল, ৮ ÷ ৪ = ২। এখানে, ৮ হলো ভাজ্য, ৪ ভাজক এবং ২ ভাগফল। পঞ্চম শ্রেণিতে ‘ভাজক × ভাগফল = ভাজ্য’ সূত্রটা পড়ার কথা। এই সূত্রের মানে, এখন ভাজক (৪) ও ভাগফল (২) গুণ করলে ভাজ্যের মানের সমান হবে। আসলেই কিন্তু তাই, ৪ × ২ = ৮।

এবার ধরো, ২-কে ০ দিয়ে ভাগ করলাম। অর্থাৎ ২ ÷ ০ = ক। ধরলাম ভাগফল ‘ক’ হবে। তাহলে এই ভাগফল ‘ক’-কে ভাজক ০ দিয়ে গুণ করলে ভাজ্য (২) পাওয়ার কথা। কিন্তু ক × ০ = ২ হতে পারে না। কারণ, আগেই বলেছি, কোনো সংখ্যাকে ০ দিয়ে গুণ করলে গুণফল সবসময় ০ হবে। অর্থাৎ মিলছে না কিন্তু। এটা ০ দিয়ে ভাগের একটা সমস্যা।

এবার নিচের ভাগগুলো দেখ।

১ ÷ ১ = ১

১ ÷ ০.১ = ১০

১ ÷ ০.০১ = ১০০

১ ÷ ০.০০০০০০১ = ১,০০০,০০০

এখানে খেয়াল করো, আমরা যত শূন্যের দিকে যাচ্ছি, মান তত বাড়ছে। প্রথমে ১-কে ১ দিয়ে ভাগ করলে ১ পাওয়া যায়। এরপর ১-কে আরও ছোট সংখ্যা ০.১ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১০। আরও ছোট সংখ্যা ০.০১ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১০০। এরকম যত ছোট সংখ্যার দিকে (শূন্যের কাছাকাছি) যাব, ভাগফল তত অসীমের দিকে যাবে। তার মানে, এক সময় শূন্য দিয়ে ভাগ দিলে পাওয়া যাবে অসীম সংখ্যা। এটাও হতে পারে না। শূন্য দিয়ে ভাগের এটাও একটা সমস্যা।

শূন্য দিয়ে ভাগ করা কেন যায় না, তার একটা বাস্তব উদাহরণ দিই প্রথমে। ধরো, তুমি আর তোমার বাবা-মায়ের জন্য একটা পিৎজা অর্ডার করলে। পিৎজাটাতে ১২টা স্লাইস আছে। আর তোমরা মোট তিনজন।
এবার একটা মজার সমস্যা দেখাই। ধরো ‘a’ ও ‘b’-এর মান ১। তাহলে ‘a’ ও ‘b’ সমান, মানে a = b।

তাহলে,

a = b

বা, a2 = ab (উভয়পাশে a দিয়ে গুণ)

বা, a2 - b2 = ab - b2 (উভয়পাশ থেকে b2 বিয়োগ)

বা, (a + b) (a - b) = b(a - b)

বা, (a + b) = b (উভয়পাশ থেকে a - b বাদ)

বা, (১ + ১) = ১

আরও পড়ুন
বীজগণিতের সাহায্য ছাড়াই সমাধান
০৬ জানুয়ারি ২০২৫
আগেই বলেছি, a ও b-এর মান সমান ১। তাহলে এই সমীকরণ অনুসারে হয়, ২ = ১। কিন্তু, এটা তো হতে পারে না! তুমি কারো থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে এই যুক্তি দিয়ে যদি ১ হাজার টাকা ফেরত দাও, তাহলে সে নিশ্চয়ই মানবে না। কিন্তু এখানে ভুলটা কোথায় হলো? কেন ২ আর ১ সমান হলো? আসলে এই সমাধানেও আমরা ০ দিয়ে ভাগ করেছি। তাই এমন গরমিল হয়ে গেছে। ভুলটা হয়েছে বা, (a + b) (a - b) = b(a - b) এই লাইনে। এখানে আমরা a - b উভয়পাশ থেকে বাদ দিয়েছিলাম। বাদ দিয়েছি কিন্তু ভাগ করে। মানগুলো বসালে দেখবে, (১ + ১) (১ - ১) = ১ (১-১)। মানে আমরা বাঁ পাশের (১ - ১) কে ডান পাশের (১ - ১) দিয়ে ভাগ দিয়েছে। অর্থাৎ ০-কে ০ দিয়ে ভাগ করেছি। আর এ কারণেই এমন সমস্যা হয়েছে।

এই হলো ০ দিয়ে ভাগ করার সমস্যা। মানে ০ দিয়ে ভাগ করলে গণিতের কিছুই ঠিক থাকে না। যা তা অবস্থা তৈরি হয়। তাই, শূন্য দিয়ে কোনো সংখ্যাকে ভাগ করা যাবে না।

সূত্র: ওয়ান্ডারপলিস ডটঅর্গ ও ম্যাথইজফান ডটকম
আরও পড়ুন
শিশুরা কীভাবে গণিত শেখে
গণিতের জাদু: যে সংখ্যাই ভাবুন, উত্তর হবে ৬!
হকিং, পাই দিবস ও বিজ্ঞানীদের জন্ম-মৃত্যু
গণিত থেকে আরও পড়ুন
গণিত বিজ্ঞানচিন্তাঝটপট গণিত বিজ্ঞানচিন্তা

প্রশ্ন হলো, কেন শূন্য দিয়ে ভাগ করা যাবে না। জোর করে যদি শূন্য দিয়ে ভাগ করি, তাহলে কী সমস্যা হবে?

11/07/2026

✅প্রকৃতি, মনুষ্য ও নৈতিকতার বাস্তব ভিত্তি
----------------------------------------------------------

১. প্রকৃতি ও অস্তিত্বের স্বরূপ
আমরা যা কিছু দেখি বা যা কিছু আছে, সবই প্রকৃতির অংশ। প্রকৃতি মূলত দুটি মৌলিক উপাদানে গঠিত—বস্তু ও গতি। পাথর, গাছ, মানুষ, তারা—সবই বস্তু, এবং সেই বস্তু নিরন্তর নড়াচড়া, পরিবর্তন ও রূপান্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। এই বস্তু-গতির খেলার কোনো শুরু বা শেষ নেই; এটি চিরন্তন ও অব্যহত।

২. মানব-মন ও আচরণের কারণ-শৃঙ্খল
আমাদের চিন্তা, আবেগ, বুদ্ধি—সবকিছুই শরীরের অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া থেকে উদ্ভূত। আমরা যখন মনে করি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি (কী খাব, কাকে ভালোবাসব, কী করব), তখন তা আসলে আমাদের—

· শারীরিক গঠন,
· শৈশবের শিক্ষা-দীক্ষা,
· জীবন-অভিজ্ঞতা,
· ও চারপাশের পরিস্থিতি—
এইগুলোর অনিবার্য পরিণতি। যেমন পাথর হাত থেকে ছেড়ে দিলে মাটিতে পড়তে বাধ্য, তেমনি মানুষও তার ইচ্ছা-প্রয়োজনের শৃঙ্খলে আবদ্ধ। 'স্বাধীন ইচ্ছা' বলে যা মনে হয়, সেটাও ভেতরের কারণ-ফলাফলেরই ধারাবাহিকতা।

৩. ধর্ম-দেবতা ও কুসংস্কারের উৎপত্তি
অতীতে মানুষ যখন বজ্রপাত, রোগ, মৃত্যু—এসবের প্রকৃত কারণ বুঝতে পারেনি, তখন ভয় থেকেই কল্পনা করে তৈরি করেছে দেবতা। মুরং, সাঁওতাল ও ওরাওঁ সম্প্রদায় আজও সে বিশ্বাস ধরে রেখেছে। কিন্তু বাস্তবে সব কিছুই প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে চলছে।

৪. নৈতিকতার ভিত্তি: উপযোগিতা (Utility)
কোনো কাজ 'ভালো' না 'খারাপ'—তা তার ফলাফল দিয়ে বিচার করতে হবে। যেমন—
"চুরি করা খারাপ"—এটা খারাপ কারণ চুরি সমাজে অবিশ্বাস তৈরি করে, মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও সমাজের কল্যাণ নষ্ট করে। সুতরাং, নৈতিকতার আসল মাপকাঠি হলো—কাজটি মানুষের প্রকৃত উপকারে আসে কিনা।

৫. সদগুণ (Virtue): 'অন্যকে সুখী করার শিল্প'
সদগুণ মানে এমন আচরণ করার দক্ষতা, যা অন্যদের সুখী করে। এটি আত্মত্যাগ নয়, বরং বাস্তব সত্য—
আপনি যখন অন্যদের ভালো করেন (সৎ থাকেন, সাহায্য করেন, বিশ্বাসযোগ্য হন), তখন তারাও আপনার সাথে ভালো ব্যবহার করে, আপনাকে বিশ্বাস করে, আপনার পাশে দাঁড়ায়—এভাবে ঘুরেফিরে আপনার নিজের জীবনও সুখী হয়।
অর্থাৎ, নিজের সুখ আর অন্যের সুখ পরস্পর জড়িত। এটাই জ্ঞানসম্মত স্বার্থপরতা (Enlightened Self-Interest)—নিজের ভালো চাইতেই মানুষ অন্যের ভালো করতে শেখে।

৬. দুঃখ-কষ্টের মূল কারণ ও সমাধান
আমাদের সব দুঃখ-কষ্টের মূলে আছে প্রকৃতি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এর একমাত্র প্রতিকার হলো—যুক্তি ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জগতকে জানা, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস ত্যাগ করা। যখন মানুষ বুঝবে প্রকৃতির নিয়ম অনড় ও অপরিবর্তনীয়, তখনই সে ভয়মুক্ত হয়ে এই জীবনেই প্রকৃত সুখ খুঁজে নিতে পারবে।

৭. আমাদের কর্তব্য
আমাদের মূল কাজ হওয়া উচিত—মানুষের স্বাধীনতা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কারণ যুক্তি-অভিজ্ঞতাভিত্তিক সমাজেই মানুষ প্রকৃত কল্যাণ ও সুখ লাভ করতে পারে।

09/07/2026

Profession এবং Occupation-এর মধ্যে পার্থক্য কি?
**************************************************
Profession এবং Occupation—উভয়ই কাজ বা জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে এদের অর্থ ও পরিসরে পার্থক্য রয়েছে।
Occupation বলতে বোঝায় একজন ব্যক্তি বর্তমানে যে কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন, যেখানে বিশেষ কোনো ডিগ্রি বা আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ আবশ্যক নয়। অন্যদিকে, Profession হলো এমন একটি পেশা, যার জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা, নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ, নৈতিক আচরণবিধি (Code of Ethics) এবং প্রায়ই কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার তত্ত্বাবধান প্রয়োজন হয়। এ ধরনের পেশায় সমাজের প্রতি বিশেষ দায়িত্বও থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, একজন ডাক্তার বা আইনজীবীকে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করে, নির্দিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এবং পেশাগত নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনে কাজ করতে হয়। একইভাবে, একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককেও নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ অর্জন করতে হয় এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে হয়—তাই এগুলো সবই Profession। অন্যদিকে, একজন দোকানদার বা দিনমজুর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই জীবিকা নির্বাহ করেন—এগুলো সাধারণ অর্থে Occupation।
তবে পার্থক্যটা সব সময় নিরঙ্কুশ নয়। যেমন কৃষিকাজ সাধারণত Occupation হিসেবে বিবেচিত হলেও কৃষিবিজ্ঞানভিত্তিক পেশাদার কৃষি ব্যবস্থাপনায় এটি Profession-এর মর্যাদাও পেতে পারে।
সংক্ষেপে, প্রতিটি Profession-ই একটি Occupation, কিন্তু প্রতিটি Occupation Profession নয়।

13/07/2024

একটু ভাবুনতো!!!!!!!
প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায়ে বার্ষিক / ফাইনাল পরীক্ষায় পাশের সহপাঠীর খাতা দেখে টুকটাক লেখেন নি কিংবা মৌখিক টুকটাক সহযোগিতা নেন নি। যদি এরকম হয়- এটাও নৈতিকতার স্খলন।
হ্যাঁ,হলফ করে বলতে এক-দুই জন কিংবা এর বেশী এর ব্যাতিক্রম আছে।
বি.দ্র: যেহেতু আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি নি তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়টি এড়িয়ে গেলাম।

Address

Tahirpur , Sunamganj
Tahirpur
3030

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুক্তচিন্তা। Muktochinta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category