অদূর সাগরে

অদূর সাগরে Approach the reality

সত্যিই,তাদের আসলে কোনো শখই থাকে না।অথবা সময়ই থাকে না নিজের শখের কথা মনে করার।আবার কেউ তাদের শখেরও খোঁজ নেয় না বা এরকম মা...
26/02/2026

সত্যিই,তাদের আসলে কোনো শখই থাকে না।অথবা সময়ই থাকে না নিজের শখের কথা মনে করার।আবার কেউ তাদের শখেরও খোঁজ নেয় না বা এরকম মানুষই নেই। উল্টো তাদের দিন যায় পরিবারকে খুশি রাখতে 💔






Karo proyojon hole  greeting cardএর order dite paren☺️,hand made marriage invitation also         #অদূরসাগরে
22/02/2026

Karo proyojon hole greeting cardএর order dite paren☺️,hand made marriage invitation also




#অদূরসাগরে

Approach to the reality #অদূর সাগরে #
08/02/2026

Approach to the reality
#অদূর সাগরে #

06/02/2026

কিছু কথা কখনো কাউকে বলা যায় না
আর
কিছু কথা চাইলেও বলা যায় না 💔

২টা প্রিয় জিনিস, ১টা ডায়েরি আর অন্যটা ঘড়ি।২টা মূল্যবান জিনিস। সময় দেখায় পথ আর সেই পথের সঙ্গী হয় ডায়েরি। কত শত গল্প, কত শ...
05/02/2026

২টা প্রিয় জিনিস, ১টা ডায়েরি আর অন্যটা ঘড়ি।২টা মূল্যবান জিনিস। সময় দেখায় পথ আর সেই পথের সঙ্গী হয় ডায়েরি। কত শত গল্প, কত শত বেদনা- আনন্দ বুকে নিয়ে থাকে ডায়েরিগুলো।লেখক লিখতে গিয়ে হাজারো কথা চেপে দেয় কলম আর ডায়েরির ফাঁকে। কিছু কথা এই ফাঁকেই লুকিয়ে থাকে।আর এই লুকানো কথাগুলো শুধু লেখকই দেখতে পারে,পড়তে পারে।কৌতূহলবশত দেখা গেল কেউ একজন ডায়েরিটা খুলেছে।সে শুধু দেখতে পায় ডায়েরির পাতায় শুধু অপরিপূর্ণ কষ্ট। সে পাগলের মতো কষ্টগুলো খুঁজতে থাকে।তার মুখ দেখে ডায়েরির পাতাগুলো হাসে আর বলে",মানুষগুলো শুধু বোকা না কানাও।"এই অপরিপূর্ণ কষ্ট গুলো মানুষের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। একটা সময় মৃত্যুর মাধ্যমে তার শেষ অবনতি ঘটে, মাটিতে সেই কষ্টগুলো চাপা পড়ে যায়। আর ডায়েরির পাতা গুলো কোথায় হারিয়ে যায় তা বলা কঠিন। পুরনো কাগজ বলে হয়তো কেউ পুড়িয়ে দেয় নয়তো শিশুরা খেলার ছলে ছিড়ে ফেলে দেয়।দিনশেষে এই অপরিপূর্ণ গল্পগুলো অপরিপূর্ণই থেকে যায়,মিশে যায় মাটিতে আর কেউ জানতে পারে না তা। এই গল্প গুলো জানে ডায়েরির পাতাগুলো আর কলম।

02/02/2026

As a failure admission candidate.. 🤧

৩টা ভার্সিটিতে চান্স পেলাম। জাবি-১৮২তম(নিজস্ব সিফট), কৃষি গুচ্ছে ১৪১৯তম,সাস্ট ১৬৩তম।কিন্তু দুঃখের বিষয় যে আমাকে কেউ কোনো সংবর্ধনা দিল না। কোনো কোচিং সেন্টার থেকে কোন সংবর্ধনা পেলাম না। আর পাবই বা কি করে আমি তো মেডিকেলে কোচিং করেছিলাম উন্মেষে। মেডিকেলে চান্স হলো না।ভার্সিটির কোচিং ও কোথাও করিনি। acs এ অবশ্য একটা কোর্স কিনেছিলাম কিন্তু বৃথা গেল আমার ৩৫০০ টাকা😫। ক্লাসই করতে পারলাম না। hsc- র final revision এর জন্য acs এ ক্লাস করেছি। কিন্তু সেটা তো চারজনে,,,, না থাক ওসব বলার দরকার নেই🫣। শুধু লিজেন্ডরাই এটা বুঝতে পারবে। I mean যারা আমার মত এটা করেছে 🤣।হায় দুঃখ, আজ যদি কোনো course এনরোল করতাম তাহলে হয়তো সংবর্ধনা পেতাম। acsএ যে course enrolled করেছিলাম সেটারও ইতিহাস আছে। সেটা বলে আর দুঃখ বাড়াবো না। তাই দিনশেষে নিজেকে গুনে নিলাম বিফল admission candidate হিসেবে। আসলে এডমিশন ক্যান্ডিডেটের মূল সার্থকতা হচ্ছে কোচিং এর সংবর্ধনা আর প্রচারণার শিকার। 🙃
(শেষের কথাটা খারাপ বললেও এটাই বাস্তবতা, এটাকে এভাবেই জাজ করা হয়)
#সতর্কতা :এটাকে কারো বাস্তবের সাথে মিলাবেন না।এটা আমার নিজের মতো করে বলা।ভুল হলে বা বললে ক্ষমার
দৃষ্টিতে দেখবেন। কেননা মানুষ মাত্রই ভুল।

27/01/2026

MAT আমার understanding,
JU আমার শক্তি,
Agri আমার অনুপ্রেরণা, SUST আমার সজীবতা (এখানেই লুকিয়ে আছে আমার এডমিশন লাইফের গল্প)

27/01/2026

প্রতিদিনের মতো আজও রিমির ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠল।ফজরের নামাজ পড়ে ঘরে দরজা খুললো। সাথে সাথে সকালের শীতল হাওয়া তার মন ও শরীর দুটিকে প্রফুল্ল করে তুলল। আজ সে ডাক্তারের কাছে যাবে। নিজের আয় করা টাকা দিয়েই সে নিজের চিকিৎসা করাবে, বয়স তার প্রায় 30 এর কাছাকাছি হয়েছে। পরিবারে দায়িত্ব নিতে গিয়ে কখন তার বয়স ত্রিশ বছর হয়ে গেল যে, সে টের ও পেল না।সে গ্রামের মেয়ে। গ্রামে তার বেড়ে ওঠা। এসএসসি পরীক্ষা দিয়েই শহরে আসা পড়ালেখার জন্য। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করে শহরকে বেছে নেয় জীবিকার জন্য। সে পরিবারের বড় মেয়ে। তার থেকে বছর পাঁচেক ছোট তার একটা বোন,তার থেকে আরো দুই বছরের ছোট আরেকটা বোন।আর আছে বারো বছর বয়সী একটা ভাই।ছোট থেকেই অভাবে বড় হয় রিনা।বাবার ছোট্ট ব্যবসা দিয়ে কোনো রকম তাদের পরিবার চলত।বাবার বয়স হওয়াতে তার উপর পড়ে পরিবার চালানোর দায়িত্ব। কলেজ শেষ করে সে টিউশন পড়িয়ে, সেলাই করে তার পরিবার চালায়।মেয়ে হয়ে তাকে অল্প বয়সে এভাবেই চলতে হতো।সে যখন কলেজে তখনই তার একটা রোগ ধরা পড়ে। (পর্ব-১)

একটা ব্যর্থ জীবনের ভাবনা....... জীবনটা ডায়েরীর পাতার মতো।এই জীবন একটা সময় মৃত্যুর মাধ্যমে তার ইহকালের পরিসমাপ্তি ঘটাবে...
21/01/2026

একটা ব্যর্থ জীবনের ভাবনা.......

জীবনটা ডায়েরীর পাতার মতো।এই জীবন একটা সময় মৃত্যুর মাধ্যমে তার ইহকালের পরিসমাপ্তি ঘটাবে। কিন্তু এই ক্ষণস্থায়ী জীবনের মধ্যে আমাদের চাওয়ার ও কোন শেষ নেই। জীবনের ১৮ বছর পার করে ফেলেছি। যখন এই কথা মনে হয় তখন ভাবি যে, ১৮ বছরে আমি কি করেছি। 18 বছর! একটা সময় কিন্তু এই আমি তো আজও কিছু করতে পারিনি। মনে হয় যে আমি কিছুই করিনি। না করেছি ইবাদত না করেছি দুনিয়ার কোনো ভালো কাজ। এই ব্যর্থ জীবন যখন ঘুমাতে যায় তখনই মনে পড়ে, "আমার তো অনেক কাজ বাকি।আমার জীবন থেকে তো আরেকটা দিন কমে গেল আমার উপর এই অল্প বয়সে অনেক দায়িত্বের ভার পড়েছে। "মনে পড়ে আমার পরিবার, আমার ভাই বোন মনে পড়ে আমার স্বপ্ন। কখনো বা নীরবে কাঁথা দিয়ে মুখ ঢেকে কাঁদতে থাকি। "কি হচ্ছে আমার সাথে কেন আমার জীবন এই রকম কেন আমি কিছুই বুঝতে পারি না"- এইসব প্রশ্নের সাথেই পার করছি। মাঝেমধ্যে চিৎকার করে বলতে মন চায় "আমার খুব কষ্ট হচ্ছে, আল্লাহ। আমি আর পারছি না।"মাঝেমধ্যে মনে হয় এমন কোথাও চলে যেতে যেখানে আমি ছাড়া আর একটা প্রাণীও নেই। যেখান থেকে আমার কান্না চিৎকার সারা আকাশকে কাঁপিয়ে তুললেও কেউ তা শুনতে পারবে না। প্রকৃতপক্ষে, আল্লাহ ব্যতীত আপন আর কেউ নয়। কেউ কখনো জিজ্ঞাসা করবে না যে," কষ্ট হচ্ছে"? এখানে আমার দুঃখ আমার একাকার। আমার কষ্ট শুধু আমি বুঝি। আবার আমার সুখ কিন্তু একা নয়। তখন সবার সাথে ভাগাভাগি করে একটু নিজের জন্য রাখি। নিজের রাগ দুঃখ কষ্ট দিয়ে শুধু নিজেকে কষ্ট দেই। মনে হয় যেন এই পৃথিবীতে আমার বলতে চাওয়ার কিছুই নেই। ব্যর্থ এ ১৮ বছর আমাকে শুধু ভাবায়।মানুষের জীবনই এরকম পৃথিবীতে সত্যিকার সুখী বলতে কেউ নেই। আসলে সুখ বলতে কোন শব্দই নেই।

-সুখ বলতে কোন শব্দ নেই?
-না নেই।

★★★(মানুষের বাস্তব জীবনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লেখার চেষ্টা করেছি। কোন ব্যক্তি জীবনের সাথে সম্পৃক্ত নয়) ★★★

Address

Sylhet
3116

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অদূর সাগরে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share