স্বপ্নের ক্যাম্পাস বিনির্মানে দুর্বার অভিযাত্রা
Daloyar Hassan Shishir
ভিপি পদপ্রার্থী
ব্যালট নং: ০৩
দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য
#দুর্বারসাস্টিয়ানঐক্য
Rafe's Archive Room
Learning......
31/12/2025
(২০২৫ সালের সর্বশেষ পড়া বই ছিল এটা।তাই ভাবলাম একটু আপনাদের সাথে বইয়ের ফাইন্ডিংস গুলো শেয়ার করি। তবে আমি একেবারেই আনাড়ি এবং এটা আমার প্রথম কোনো বই নিয়ে রিভিউ লেখা।তাই যারা এই বইটা আগে পড়েছেন তারা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো।)
"গবেষণায় হাতেখড়ি" বইটার লেখক হচ্ছেন ড.রাগিব হাসান। তুখোড় মেধাবী এই কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং গবেষক বুয়েটে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বচ্চো রেজাল্ট নিয়ে লাভ করেন চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল। গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশনের ক্যারিয়ার পুরষ্কার, 𝑮𝒐𝒈𝒈𝒍𝒆 𝑹𝑰𝑺𝑬 𝑨𝒘𝒂𝒓𝒅 ,𝑰𝒏𝒇𝒐𝒓𝒎𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏 𝑺𝒐𝒄𝒊𝒆𝒕𝒚 𝑰𝒏𝒏𝒐𝒗𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏 𝑭𝒖𝒏𝒅 𝑨𝒘𝒂𝒓𝒅, 𝑰𝒏𝒕𝒆𝒓𝒏𝒆𝒕 𝑺𝒐𝒄𝒊𝒆𝒕𝒚 𝑮𝒓𝒂𝒏𝒕,𝒎𝑩𝒊𝒍𝒍𝒊𝒐𝒏𝒕𝒉 𝑨𝒘𝒂𝒓𝒅,𝑻𝒉𝒆 𝑩𝒆𝒔𝒕 𝒐𝒇 𝑩𝒍𝒐𝒈𝒔 𝒂𝒏𝒅 𝑶𝒏𝒍𝒊𝒏𝒆 𝑨𝒄𝒕𝒊𝒗𝒊𝒔𝒎 (𝑻𝒉𝒆 𝑩𝒐𝑩𝒔) 𝑨𝒘𝒂𝒓𝒅 সহ বহু সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন।অনলাইনে মুক্ত জ্ঞানের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট শিক্ষক.কম (𝒘𝒘𝒘.𝒔𝒉𝒊𝒌𝒌𝒉𝒐𝒌.𝒄𝒐𝒎)এর প্রতিষ্ঠাতাও ড.রাগিব হাসান।বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের কম্পিউটার বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা,গবেষণা ও পিএইচডি করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন গবেষণা নিয়ে ইংরেজিতে অনেক বই থাকলেও বাংলা ভাষায় গবেষণার উপর মানসম্মত বই একেবারেই সীমিত।তাই তিনি তাঁর অভিজ্ঞতার আলোকে সহজ ভাষায় নবীন গবেষকদের গাইড করার জন্য "গবেষণায় হাতেখড়ি" বইটি রচনা করেন যা ২০১৫ সালে বইমেলায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। একই ধারাবাহিকতায় এটি সেই বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণ।
পাঠকদের বোঝানোর সুবিধার্থে বইটি কয়েকটা অংশে বিভক্ত করে আলোচনা করা হয়েছে।আমি আমার ভাষায় সেটার কিছুটা সারাংশ তুলে ধরছি, এরপরে এই বইটি কেন পড়া উচিৎ এবং কেন নয়,সেই বিষয়ে আলোচনা করবো।
প্রথম অংশে, গবেষণা বলতে আসলে কি বোঝায়,এর গুরুত্ব কতটুকু এবং গবেষণার কিছু মূলনীতি আলোচিত হয়েছে। সেখানে যা বোঝানো হয়েছে তাঁর মর্মার্থ অনেকটা এরকম যে, কোনো নির্দিষ্ট মেথড বা পদ্ধতি অনুসরণ করে নতুন কিছু তথ্য বের করা, যা আগে কখনো করা হয়নি অথবা করলেও সেটা অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল,সেটাই গবেষণা।গবেষণা বিশ্লেষণধর্মী হতে পারে আবার অনুসন্ধানী গবেষণাও হতে পারে।যেকোনো ডিসিপ্লিনের গবেষণার ক্ষেত্রে মূলত এই ধাপগুলোর মধ্য দিয়ে যেতে হয়-
প্রথম ধাপ: গবেষণার এলাকা নির্বাচন।
দ্বিতীয় ধাপ: লিটারেচার রিভিউ।
তৃতীয় ধাপ: গবেষণার সমস্যা নির্বাচন এবং সমাধানের পরিকল্পনা করা।
চতুর্থ ধাপ: সমস্যা সমাধান
পঞ্চম ধাপ: পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন
ষষ্ঠ ধাপ: ফলাফল উপস্থাপন (পেপার পাবলিশ করা, প্রেজেন্টেশন)
আর এই ধাপগুলো অনুসরণের পূর্বে কিছু এপ্লিকেশন যেমন: নোটবুকের ব্যবহার, লেখালিখির বিভিন্ন সফটওয়্যার (𝑺𝑨𝑺/𝑺𝑷𝑺𝑺/𝑱𝑴𝑷/𝑴𝑨𝑻𝑳𝑨𝑩), আর্টিকেল একজায়গায় রাখা ও রেফারেন্সিংয়ের জন্য 𝒁𝒐𝒕𝒆𝒓𝒐 এর মতো সফটওয়্যার, রিসার্চ পেপার খোঁজার জন্য 𝑮𝒐𝒈𝒈𝒍𝒆 𝑺𝒄𝒉𝒐𝒍𝒂𝒓, 𝑷𝒖𝒃𝒎𝒆𝒅, 𝑺𝒄𝒐𝒑𝒖𝒔 ইত্যাদির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় অংশে, গবেষণার বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কতিপয় যেসব বিষয় জানা থাকতে হবে সে ব্যাপারে ধারণা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে জর্জ হাইলমাইয়ারের বিখ্যাত একটি প্রশ্নের তালিকা নমুনাস্বরূপ দেওয়া হয়েছে।কারোর সিলেক্ট করা বিষয় যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারে তবেই তার ঐ বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে আগানো উচিৎ।
তৃতীয় অংশে, লিটারেচার রিভিউ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।কি করে কম সময়ের মধ্যে একটা পেপারের সারমর্মটা বুঝে ফেলা যায় সেজন্য একটা স্ট্রাকচার দেওয়া হয়েছে।
১ম ধাপ: শিরোনাম,লেখক ও তাদের পরিচয় জেনে নেয়া।
২য় ধাপ: সারাংশ বা abstract অংশ।
৩য় ধাপ: পেপারের ভূমিকা ও উপসংহার অংশ।
৪র্থ এবং সর্বশেষ ধাপ: ব্যাকগ্রাউন্ড সেকশন থেকে শুরু করে পুরো পেপারটা একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ে ফেলা এবং ভূমিকা ও সারাংশে যেই সমস্যাগুলোর সমাধান এই পেপারে বের করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে সেটা কতটুকু পূরণ হয়েছে, বোঝার চেষ্টা করা।
পরবর্তীতে এটার রিভিউ লেখার জন্য প্রথমে সারমর্ম,পরে পেপারের ভালো এবং দুর্বল দিক এবং সবশেষে লেখকের জন্য পরামর্শ -এই ৪টা পয়েন্ট রাখার কথা উল্লেখ আছে।
চতুর্থ অংশে গবেষণার ক্ষেত্রে আইডিয়া কিভাবে পাওয়া যায় সে ব্যাপারে একটা বিস্তর ধারণা দেওয়া হয়েছে। মোটাদাগে বলতে গেলে 𝑺𝒕𝒂𝒏𝒇𝒐𝒓𝒅 𝑹𝒆𝒔𝒆𝒂𝒓𝒄𝒉 𝑰𝒏𝒔𝒕𝒊𝒕𝒖𝒕𝒆 (𝑺𝑹𝑰 𝑰𝒏𝒕𝒆𝒓𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒂𝒍) এর দেওয়া ফরমুলাটাকেই ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে। কোনো একটা আইডিয়া উপস্থাপনের জন্য 𝑺𝑹𝑰 মূলত 𝑵𝑨𝑩𝑪 ফর্মুলা প্রয়োগ করতে বলে-
𝙉𝙚𝙚𝙙: সমস্যাটা কি এবং কোথায়
𝘼𝙥𝙥𝙧𝙤𝙖𝙘𝙝: সমস্যাটা কিভাবে সমাধান করতে চাচ্ছি।
𝘽𝙚𝙣𝙚𝙛𝙞𝙩𝙨:এটা সমাধান করলে কি সুবিধা
𝘾𝙤𝙢𝙥𝙤𝙨𝙞𝙩𝙞𝙤𝙣:আগের প্রস্তাবিত সমাধানের চেয়ে কেন এটা বেশি যুক্তিযুক্ত।
পঞ্চম অংশটাই সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং। এখানে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।যেমন: লেখা জার্নালে নাকি কনফারেন্সে প্রকাশ করা উচিৎ।দুটোর সুবিধা-অসুবিধা কিরকম,কনফারেন্সের লেখা যদি পরবর্তীতে জার্নালে প্রকাশ করতে হয় তবে কি কি পরিবর্তন, পরিমার্জন করতে হতে পারে এইসব। সেইসাথে এখানে আইডিয়া দেওয়া হয়েছে যে, জার্নালে রিভিউ সাধারণত ৪ ভাবে আসে-
𝑴𝒂𝒋𝒐𝒓 𝑹𝒆𝒗𝒊𝒔𝒊𝒐𝒏(বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন)
𝑴𝒊𝒏𝒐𝒓 𝒓𝒆𝒗𝒊𝒔𝒊𝒐𝒏 (সামান্য কিছু পরিবর্তন লাগবে)
𝑹𝒆𝒋𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅(প্রত্যাখ্যান)
𝑨𝒄𝒄𝒆𝒑𝒕𝒆𝒅(প্রকাশের সুপারিশ)
এছাড়াও আর্টিকেল পাবলিশের জন্য এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে -
১)প্রভাব ফ্যাক্টর (𝑰𝒎𝒑𝒂𝒄𝒕 𝑭𝒂𝒄𝒕𝒐𝒓): কোনো জার্নালে প্রকাশিত আর্টিকেলগুলো অন্য গবেষণায় কতবার ব্যবহার করা হয়েছে সেটার একটা হিসেব।যেমন: কোনো জার্নালে যদি ৫০ টা আর্টিকেল থাকে এবং আর সেগুলো অন্য গবেষণাগুলোতে ১০০ বার উল্লেখ করা হয়, তাহলে তার ইম্পেক্ট ফ্যাক্টর ১০০/৫০= ২। ইম্পেক্ট ফ্যাক্টর দ্বারা কোনো একটা জার্নালের কোয়ালিটি যাচাই করা যায়।
২)𝑨𝒄𝒄𝒆𝒑𝒕𝒂𝒏𝒄𝒆 𝒓𝒂𝒕𝒆: কোনো আর্টিকেল কনফারেন্সে উপস্থাপন করতে হলে সেই কনফারেন্সের কোয়ালিটি কতটুকু সেটা যাচাই করা যায় ঐ কনফারেন্সে শতকরা কতগুলো আর্টিকেল উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয় এবং কতগুলো রিজেক্ট হয়,তার রেশিও দেখে।
৩)𝑯-𝒊𝒏𝒅𝒆𝒙: একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক (h) প্রকাশনা, যার প্রত্যেকটি কমপক্ষে h সংখ্যক বার সাইটেশন পেয়েছে, সেই h-এর সর্বোচ্চ সংখ্যাটিই হলো 𝑯-𝒊𝒏𝒅𝒆𝒙। যেমন:যদি কোনো গবেষকের 𝑯-𝒊𝒏𝒅𝒆𝒙 ৫ হয়, তার মানে তিনি ৫টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন এবং সেই ৫টি পেপারের প্রত্যেকটি অন্তত ৫ বার করে সাইটেড হয়েছে।
৪)𝒊10-𝑰𝒏𝒅𝒆𝒙:একজন গবেষকের ১০ বা তার বেশি সাইটেশন (citation) প্রাপ্ত প্রকাশনার মোট সংখ্যা।
যেমন :যদি একজন গবেষকের 5টি পেপার 10+ সাইটেশন পায়, তার 𝒊10-𝑰𝒏𝒅𝒆𝒙 হবে 5।
এই অংশে শুধু আর্টিকেল প্রকাশ করার গৎবাঁধা নিয়ম ব্যাখ্যা করেই লেখক ক্ষান্ত হননি, বরং একটা আর্টিকেল প্রেজেন্ট করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, কিভাবে এপ্রোচ করতে হবে, প্রেজেন্টেশনের স্লাইড কিরকম হবে সেইসব বিষয়েও একটা হালকা-পাতলা ধারণা দেওয়া হয়েছে।
সবশেষে গবেষণার কিছু ইথিকস, একজন ভালো মানের গবেষকের দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস, বৈশিষ্ট্য, প্রতিবন্ধকতাকে জয় করার ট্রিকস উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসাথে পিএইচডি ডিগ্রির রোডম্যাপ থেকে শুরু করে একেবারে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ক্ষুদে গবেষণকরা কিভাবে তাদের গবেষণার জার্নি শুরু করবে সেই সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাতে-কলমে একটি টপিক সিলেক্ট করে সেটা নিয়ে গবেষণা করতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কি কি করা লাগবে খুবই সহজ ভাষায় উদাহরণ দিয়ে তা বোঝানো হয়েছে।
বইটি কেন পড়া উচিৎ?
১) অত্যন্ত সহজ ভাষায় লিখা যা আমার মতো এই ফিল্ডের কিছুই না জানা ব্যক্তি থেকে শুরু করে সব ফিল্ডের মানুষ বুঝতে পারবে।
২) কিছু নতুন সফটওয়্যারের সাথে পরিচয় হবে।
৩) রিসার্চে ফান্ডিং থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোর জন্য কিভাবে সব শুরু করতে হবে-সেই ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটবে।
৪) একজন ভালো বক্তা ও প্রেজেন্টার হওয়ার আইডিয়া দেয়া হয়েছে যা রিসার্চের বাইরেও কাজে লাগবে।
৫)যেহেতু সহজ বাংলায় লেখা,তাই সবাই এটা থেকে সংক্ষেপে গবেষণার একটা বেসিক আইডিয়া পেতে পারে।
বইটি কেন পড়া উচিৎ নয়?
বইটি না পড়ার আসলেই কোনো যৌক্তিকতা নেই। গবেষণায় আগ্রহ থাকুক বা না থাকুক, এখানে বিষয়গুলোকে যেভাবে সহজে উপস্থাপন করা হয়েছে সেটা যে কাউকে এই বই পড়ার ক্ষেত্রে আগ্রহী করবে।
তবে পরিশেষে বলতে চাই, এই বইয়ের সংস্করণটি যখন প্রকাশিত হয় তখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের ব্যবহার খুব বেশি ছিল না। বর্তমানে যেকোনো রিসার্চ,থিসিস, সেমিনারের ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) খুব জোড়ালোভাবে ব্যবহার হয়। তাই এআই কে কিভাবে গবেষণার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং এর ক্ষতিকারক দিকগুলো এড়িয়ে চলার দিকনির্দেশনার জন্য ড.রাগিব হাসান স্যারের "গবেষণায় হাতেখড়ি" বইয়ের তৃতীয় সংস্করণের অপেক্ষায় থাকবো।
আব্দুল্লাহ আল রাফি
লোকপ্রশাসন বিভাগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
সেই ছোট থেকে এই গানটা ভালো লাগে। পার্থক্য শুধু এটাই এখন লিরিক্সগুলো অনুভব করতে পারি....
25/12/2025
Honored to represent 𝑺𝑼𝑺𝑻𝑴𝑼𝑵𝑨
21/12/2025
𝑳𝒆𝒂𝒅𝒊𝒏𝒈 𝑼𝒏𝒊𝒗𝒆𝒓𝒔𝒊𝒕𝒚 𝑰𝒏𝒕𝒆𝒓𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒂𝒍 𝑴𝒐𝒅𝒆𝒍 𝑼𝒏𝒊𝒕𝒆𝒅 𝑵𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒔 (𝑳𝑼𝑰𝑴𝑼𝑵). As I always used to say, every new event and conference adds something new to my life. At every stage of these platforms, I learn something new in different aspects. 𝑴𝒐𝒅𝒆𝒍 𝑼𝒏𝒊𝒕𝒆𝒅 𝑵𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒔 (𝑴𝑼𝑵) is not just a formal session, it is a stage where everyone can step out of their comfort zone. Here every word of each delegate matters and equally valuable because during committee sessions, situations do not always go the way we predict.
Besides that, we get an amazing opportunity to make new friends. It is a perfect combination of newcomers and experienced delegates and I believe every delegate faces something unique here. That is why my suggestion would be to participate in at least one or two MUN if possible. It will make you realize how many things are happening in the world that you were unaware of.
Finally, I would like to thank 𝑳𝑼𝑰𝑴𝑼𝑵𝑨 for their amazing hospitality. With this, the delegate of China 🇨🇳 from the 𝑼𝒏𝒊𝒕𝒆𝒅 𝑵𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒔 𝑯𝒖𝒎𝒂𝒏 𝑹𝒊𝒈𝒉𝒕𝒔 𝑪𝒐𝒖𝒏𝒄𝒊𝒍 (𝑼𝑵𝑯𝑹𝑪) at 𝑳𝒆𝒂𝒅𝒊𝒏𝒈 𝑼𝒏𝒊𝒗𝒆𝒓𝒔𝒊𝒕𝒚 𝑰𝒏𝒕𝒆𝒓𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒂𝒍 𝑴𝒐𝒅𝒆𝒍 𝑼𝒏𝒊𝒕𝒆𝒅 𝑵𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒔 (𝑳𝑼𝑰𝑴𝑼𝑵2025) is officially signing off.
Click here to claim your Sponsored Listing.