31/08/2025
অনেকে মুখে মুখে বলে—
👉 “টাকা থাকলেই প্রাইভেটে ভর্তি হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যায়, পাবলিকেই আসল ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হয়।”
এই কথাটা শোনার পর সরাসরি একটা প্রশ্ন জাগে—
আপনারা কি সত্যিই মনে করেন টাকা থাকলেই কেউ চার বছর ল্যাব, প্রজেক্ট, ভায়ভা, থিসিস শেষ করতে পারে?
টাকার জোরে কি পরীক্ষায় বসে উত্তর লেখা যায়? টাকার জোরে কি রাত জেগে কোড করা যায়?
📌 বাস্তবতা হচ্ছে—প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হয়েছে, যারা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করছে।
👉 BRAC University থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আজ গুগল, মাইক্রোসফট, ইন্টেলসহ বড় টেক কোম্পানিতে কাজ করছে।
👉 North South University (NSU)-এর ছাত্ররা কানাডা-আমেরিকার শীর্ষ সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে।
👉 Ahsanullah University of Science & Technology (AUST) থেকে পাশ করা অনেকেই এখন সরকারি-বেসরকারি মেগা প্রজেক্টে গুরুত্বপূর্ণ পদে।
👉 Daffodil International University (DIU) থেকে অসংখ্য ছাত্র উদ্যোক্তা হয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জিতেছে, স্টার্টআপ গড়ে কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এদের মধ্যে অনেকে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছে এবং বিশ্বমানের গবেষণায় অবদান রাখছে।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—
👉 এরা কি টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কিনেছে, নাকি কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছে?
⚡ সত্যিটা একটাই—
ইঞ্জিনিয়ার হওয়া মানে শুধু একটা সার্টিফিকেট না, বরং দক্ষতা, যোগ্যতা আর সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। সেটা প্রমাণ করতে পারে পাবলিকের ছাত্র, আবার প্রাইভেটের ছাত্রও।
তাই যারা বলে—“প্রাইভেটের ছাত্ররা খাতা না লিখেই ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যায়”—তাদের উত্তর একটাই:
👉 অজ্ঞতা ঢাকতে গিয়ে অন্যের পরিশ্রমকে ছোট করা যায় না।