আমরা ক্বওমী মাদ্রাসার ছাত্র

আমরা ক্বওমী মাদ্রাসার ছাত্র

Share

ইসলামিক ও রাজনৈতিক নিউজ পেতে আমার এই পেইজে লাইক দিন।

Photos 11/12/2014

শেরে বাংলা মুফতি আমিনী রহ: মৃত্যু তারিখ
আজ।
আলিম সমাজের অহংকার।বাতিলের বলিষ্ট
কন্টস্বর।ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান।বিশি
ষ্ট আলেমে দ্বীন শায়খুল হাদীস
আল্লামা মুফতি ফজলুল হক্ব আমিনী রহ:-এর
মৃত্যু তারিখ আজ।
এদেশের লাখ লাখ মুসলিম জনতার
অন্তরকে কাদিয়ে ২০১২ সালের ১১ডিসেম্বর
চলে যান মহান প্রভুর সান্নিধ্যে।মৃত্যুকালে তার
বয়স হয়েছিল ৬৭বছর।
মহান প্রভুর কাছে দুআ
করি তিনি যেনো ইসলামের এই অগ্রসৈনিক
কে জান্নাতের উচ্ছ মাক্বাম দান করেন।আমীন""

21/11/2014

জিপি দিচ্ছে 250 এমবি একদম ফ্রি নিচের পেইজে লাইক দিলে অফারটি পেয়ে যাবেন যদি না পান তাহলে unlike মারবেন Md Hussain Md Hussain Md Hussain Md Hussain Md Hussain

12/10/2014

নতুন করে ১৩ দফা সামনে আনবে হেফাজত,, সংবিধানে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাসের নীতি পুনঃস্থাপন, ধর্ম অবমাননার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করে আইন পাসসহ ১৩ দফা দাবি নতুন করে সামনে আনার ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন হেফাজত নেতারা। এ নিয়ে হজ পালনরত হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী সৌদি আরব থেকে ফোনে শীর্ষ কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলেছেন। বিশেষ করে হজ ও মহানবী সা: সম্পর্কে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর কটূক্তির খবর জেনে আল্লামা শফী ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে সংগঠনের নেতাদের আন্দোলনে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজত বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেয়। দেশে ফেরার পর আল্লামা শফী সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সাথে বৈঠক করতে পারেন বলেও জানা গেছে। হেফাজত সূত্র জানিয়েছে, হজ ও মহানবী সা: সম্পর্কে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরূপ মন্তব্যের খবর জানার পর আল্লামা শফী ঢাকা ও চট্টগ্রামে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতার সাথে ফোনে কথা বলেছেন। প্রতিক্রিয়ায় তিনি তাদের বলেছেন, শাহবাগের আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত নাস্তিকদের চেয়েও মারাত্মক ধর্ম অবমাননা করেছেন লতিফ সিদ্দিকী। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করার জন্য তিনি নেতাদের নির্দেশ দেন। এরপরই হেফাজত ঢাকা ও চট্টগ্রামে বেশ কিছু কর্মসূচি পালন করে। হাটহাজারীতে বিশাল সমাবেশ করে। শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। তার আগে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে বৃহস্পতিবার বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। হেফাজত নেতারা লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে ফাঁসিতে ঝুলানোর দাবির পাশাপাশি ধর্ম অবমাননার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করে আইন পাসের দাবিও জানায়। এটি হেফাজতের ১৩ দফা দাবির দ্বিতীয় দাবি। হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এ ব্যাপারে বলেন, লফিত সিদ্দিকীর ধর্ম অবমাননার বিষয় নিয়ে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তিনি এর কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। টেলিফোনে আল্লামা শফীর সাথে কথা হয়েছে জানিয়ে মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, লতিফ সিদ্দিকী মূলত মুরতাদ হয়ে গেছেন। ইসলামে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাকে গ্রেফতার করে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা না করলে হেফাজত ১৩ দফা নিয়ে মাঠে নামতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, শাহবাগী নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৩ দফা দাবির আন্দোলন শুরু হয়। তখন হেফাজতের ১৩ দফা দাবি মেনে নিলে আজকে নতুন করে সরকারের কেউ ধর্ম অবমাননার সাহস পেত না। হেফাজতের অন্যতম যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহর সাথে ফোনে আল্লামা শফীর কথা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, লতিফ সিদ্দিকীর ধর্ম অবমাননার ঘটনার বিরুদ্ধে হেফাজতের আমির কঠোর প্রতিবাদ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সর্বোচ্চ শাস্তির আইনের দাবিসহ হেফাজতের ১৩ দফা দাবির বিষয়টি সামনে আনতে বলেছেন। তিনি দেশে ফেরার পর পরিবেশ পরিস্থিতির আলোকে আরো কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নাস্তিক মুরতাদরা যেভাবে ইসলাম, মহানবী এমন কি ইসলামের দাওয়াতি সংগঠন তাবলিগ জামাত সম্পর্কে কটূক্তি করছেন তা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না। সরকার এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তৌহিদি জনতা রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হবে। এ ব্যাপারে হেফাজতের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, শাহবাগী নাস্তিকদের বিরুদ্ধে হেফাজত আন্দোলন করেছে। হেফাজতের আন্দোলনে এ দেশের কোটি কোটি মানুষ অংশ নিয়ে প্রমাণ করেছে এই দেশে ধর্ম অবমাননাকারীদের স্থান নেই। হেফাজতের আন্দোলনের একপর্যায়ে সরকার শাপলা চত্বরে পুলিশ বাহিনী দিয়ে হামলা করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তারা নানাভাবে আমাদের নির্যাতন হয়রানি করেছে এবং করছে। কিন্তু তাই বলে হেফাজতের আন্দোলন শেষ হয়ে যায়নি এবং যাবে না। কিভাবে আন্দোলনকে সামনে নিয়ে যাওয়া যায় সে ব্যাপারে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীও চিন্তা করছেন। তিনি আমাদের সাথে এ নিয়ে কথা বলছেন। হেফাজত নাস্তিক মুরতাদদের বিরুদ্ধে মাঠে ছিল; সামনেও মাঠে থাকবে ইনশাল্লাহ। ?

12/10/2014

◘বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামের ফোন নাম্বার! (কেউ প্রয়োজন ছাড়া ফোন করে বিরক্ত করবেন না) ☞শায়খুল হাদীস অাল্লামা শাহ আহমদ শফী দা.বা.(হেফাজত আমীর) →০১৮১৯৩২৩৬০১ ☞মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম দা.বা.(পীর সাহেব চরমোনাই ও আমীর ইসলামী অান্দোলন বাংলাদেশ) →০১৮১৪৮৫১৫১৩ ☞মুফতী আব্দুস সালাম দা.বা. (প্রাধান মুফতী হাটহাজারী মাদ্রাসা) →০১৮১৯৬৪০৩৫৬ ☞শায়খুল হাদীস আব্দুল হাই দা.বা.(পাহাড়পুরী) →০২-৯৫৫৪২৩০ ☞ফক্বীহুল মিল্লাত মুফতী আব্দুর রহমান দা.বা. (বসুন্ধরা) →০১৮১৯২৫৮৪৪১ ☞শায়খুল হাদীস আশরাফ আলী দা.বা.(কুমিল্লা) →০১৮১৯৮৯৮৩৬১ ☞মুহিউসসুন্নাহ শায়খুল হাদীস মাহমুদুল হাসান দা.বা.(যাত্রাবাড়ী) →০১৭১১৫২৪১৭৬ ☞মাওঃ আঃ জাব্বার জাহানাবাদী দা.বা. (বেফাক মহাসচিব) →০১৭০৪৭৫৯১৯৫ ☞মুফতী আঃ মালেক সাহেব দা.বা.(মারকাযুদ ্দাওয়াহ) →০১৭১২৮৪১৮৪৭ ☞শায়খুল হাদীস জাকারিয়া সাহেব দা.বা. (মাদানীনগর মাদ্রাসা) →০১৭৩২১৬০২৯০ ☞মাওঃ মহিউদ্দীন খান দা.বা. (সম্পাদক,মাসিক মদীনা) →০২-৭১১০৪৬০ ☞শায়খুল হাদীস আঃ কুদ্দুস দা.বা.(ফরিদাবাদ) →০১৮১৯২৪৯৩৮১ ☞মুফতী ওয়াক্কাস সাহেব দা.বা. (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম) →০১৫৫২৩৩০১৬৬ ☞মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. (মুহাম্মদপুর মাদ্রাসা) →০১৭১২৮৯৭১৮১ ☞অাল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী দা.বা.(হেফাজত মহাসচিব) →০১৮১৫৯১৫৮২০ ☞মুফতী আবু সাঈদ সাহেব দা.বা.(ফরিদাবাদ মাদ্রাসা) →০১৮১৮৬৮১৪৪৬ ☞শায়খুল হাদীস শামসুল হক দা.বা.{বি-বাড়ীয় া(শহিদবাড়ীয়া)} →০১৭৫৩৮৭১০৫৮ ☞অাল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী দা.বা.(সিলেট) →০১৭১৮৯২৫৯৩২ ☞মাওঃ নুর হোসাইন কাসেমী দা.বা.(বারিধারা ) →০১৭১২৯৩২৩৩৫ ☞মাওঃ আঃ আউয়াল সাহেব দা.বা.(পীর সাহেব,আড়াইহাজার) →০১৭১১১২৪৯৮১ ☞আল্লামা আহমাদুল্লাহ অাশরাফ দা.বা. (আমীর,খেলাফত আন্দোলন) →০১৭১১৫৪৪২২৭ ☞মুফতী ইজহারুল ইসলাম দা.বা.(চট্টগ্রাম) →০১৭১১২৬৩৪৫৩ ☞হাঃ মাওঃ ফয়জুল্লাহ সাহেব দা.বা.(পীর,সন্দ ীপী) →০১৭১২৯৪৪০৫০ ☞মাওঃ আঃ মতিন সাহেব দা.বা.(পীর,ঢালক ানগর) →০১৭১১৬৯৫৯৮৬ ☞মুফতী দেলোয়ার হোসাইন দা.বা.(অাকবর কমপ্লেক্স) →০১৭১১১৫৩০২৯ ☞মুফতী আবুল ফাতাহ মুঃ ইয়াহইয়া দা.বা. (মালিবাগ মাদ্রাসা) →০১৮১৮৭৩২৫৩৩ ☞মুফতী রফিউদ্দিন আহমাদ দা.বা.(ঢালকানগর মাদ্রাসা) →০১৯৮১২০৮১৮৯ ☞মুফতী শহীদুল ইসলাম দা.বা.(সাবেক এমপি) →০১৯২৫৯৪৬৪৩৭ ☞মুফতী কামাল উদ্দীন রাশেদী দা.বা. (যাত্রাবাড়ী) →০১৭২০১৫৩০২৭ ☞মুফতী বোরহান উদ্দীন রাব্বানী দা.বা. (জামিয়া আবু বকর রাঃ) →০১৭১২৫৫৬৪১৮ ☞মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ দা.বা.(ঢাকা) →০১৮১৯২৫১০৭০ ☞মুফতী হিফজুর রহমান দা.বা. (জামিয়া রাহমানিয়া) →০১৭১৬৩২৯৮৯৮ ☞মুফতী ইমরান মাজহারী দা.বা.(মিরপুর) →০১৭১১৯৬৯৪৭৪ ☞মুফতী কেফায়াতুল্লাহ দা.বা.(হাটহাজার ী মাদ্রাসা) →০১৯২৪১৪১৪৮৭ ☞মুফতী ফয়জুল করীম দা.বা. (নায়েবে আমীর ইসলামী অান্দোলন) →০১৭১২০১৮০৯৮

16/08/2014

রাজনৈতিক খবর

13/08/2014

কেউ করে আওয়ামিলীগ
বিএনপি জামাত বা অন্য কোন
দল চল মোরা সবাই এক
হয়ে বলি মোরা মুহাম্মদের
উম্মত মোরা মুহাম্মদের উম্মত
সবাই মিলাও হাতে হাত বল
মোরা মুহাম্মদের উম্মত
মুহাম্মদের উম্মত?

13/08/2014

বিভিন্ন সমাজিক মাধ্যমের
সহযোগিতায় ইসরাইলি আগ্রাসন

অত্যাচারের চিত্র বিশ্বময়
ছড়িয়ে দিতে হবে
বিশ্ব মুসলিমের অনৈক্য
ইসরাইলকে সন্ত্রাস
চালাতে সাহস
যোগাচ্ছে
- হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ
আহমদ
শফী
===============
===============
======================
হাটহাজারী, ১৩ আগস্টঃ
গাজায় ইসরাইলের অন্যায়
আগ্রাসন
এবং বর্বর হামলায় প্রায় দুই
হাজার
মুসলমান শহীদ এবং হাজার
হাজার
আহত হওয়ার ঘটনার তীব্র
নিন্দা ও
প্রতিবাদ
জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন
হেফাজতে ইসলামের আমীর দারুল
উলূম
হাটহাজারী মাদ্রাসার
মহাপরিচালক পীরে কামেল
আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
তিনি বলেন, গাজায়
ইসরাইলী হামলা ইতিহাসের সকল
বর্বরতাকে হার মানিয়েছে।
পশ্চিমা বিশ্বের প্রকাশ্য
মদদে জায়নবাদী ইসরাইল
গাজা উপত্যকায় বছরের পর বছর
ধরে ফিলিস্তিনী জনগণকে অবরুদ্ধ
করে রেখেছে। অবরুদ্ধ এলাকায়
উন্নয়নমূলক সামগ্রী তো দূরের
কথা,
কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছাতেও
বাধা দিচ্ছে তারা। গাজায়
অব্যাহত
বোমাবর্ষণ করে দুই হাজার
মুসলমানকে শহীদ
করেছে এবং হাজার
হাজার মুসলমানকে আহত করেছে।
হতাহতদের মধ্যে বেশীর ভাগই
শিশু ও
নারী। এর মাধ্যমে ইসরাইল
প্রকারান্তরে ফিলিস্তিনী জাতি নির্মূল
ও বংশবৃদ্ধি বন্ধের ষড়যন্ত্রই
চালিয়ে যাচ্ছে। পবিত্র কুরআন-
হাদীসের
বর্ণনা মতে ইহুদীরা যে অভিশপ্ত
সন্ত্রাসী জাতি, তার প্রমাণ
বিশ্ববাসী চাক্ষুস অবলোকন
করছে।
বর্বর ইহুদীরা আন্তর্জাতিক
সকল আইন-
কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালেও এ
ব্যাপারে জাতিসংঘসহ বিশ্বের
শক্তিশালী দেশসমূহ সম্পূর্ণ
নীরব
থেকে কার্যতঃ ইসরাইলকেই
সমর্থন
যোগিয়ে চলছে।
ইসরাইলী আগ্রাসনের
বিরুদ্ধে ওআইসি ও আরব বিশ্বের
নীরব
ভূমিকাও চরম হতাশাজনক।
হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ
আহমদ
শফী বলেন, গাজায় প্রথম দফার
তিন
দিনের যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইল
যখন ফের
গাজায় হামলা শুরু করেছে, ঠিক
তখনই
মানবাধিকার রার দোহাই
দিয়ে বিশ্ববাসীর
নজরকে ফিলিস্তিন
থেকে অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার
জন্য যুক্তরাষ্ট্র
সরাসরি ইরাকে আইএস’র
অবস্থানে বিমান হামলা শুরু
করেছে।
মানবাধিকার রার দোহাই
দিয়ে মানবাধিকার হরণ যেন
যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রকার
অনিবার্য
অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
আইএস’র
অবস্থানে বিমান হামলার মধ্য
দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপে নিরীহ
ইরাকী মুসলিমদের হত্যার
মাধ্যমে নতুন
করে মানবাধিকার লঙ্ঘন শুরু
করেছে।
ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র
মিথ্যা অজুহাতে তার মিত্রদের
নিয়ে ইরাকে আক্রমণ
চালিয়ে প্রাচীন মানব সভ্যতার
এই
সমৃদ্ধ
দেশটিকে ধ্বংস্তুপে পরিণত
করে ইরাকে স্মরণকালের চরম
মানবিক
বিপর্যয় ঘটিয়েছে। কথিত মার্কিন
মানবাধিকার চিন্তা-
চেতনাকে বরাবরের মত তখনও
কোনভাবেই এতটুকুও স্পর্শ
করতে পারেনি। ফিলিস্তিনসহ
প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইসরাইলের
বর্বর আক্রমণ অব্যাহত
রাখতে নানাভাবে সহায়তা দেয়ার
মধ্য দিয়ে মানবাধিকারের চরম
লঙ্ঘন
ঘটানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, মার্কিন-ইসরাইলি
এবং পাশ্চাত্য শক্তিবর্গের কেউই
সত্যিকার অর্থে মানবাধিকারের
পক্ষ শক্তি নয়। এটা তাদের
লক্ষ্য-
উদ্দেশ্যও ছিল না। মানবাধিকার
নামক অস্ত্রটি তারা বরাবর
প্রয়োগ
করে আসছে নিজেদের স্বার্থ
হাসিলের লক্ষে। মুসলমানদের
মানবাধিকারের কোন ইস্যুতেই
তারা কখনোই এগিয়ে আসে না।
মুসলমানদের মানবাধিকার যখন
হরণ
করা হয়, তখন তাদের
ভূমিকা কখনও
প্রতক্ষে, কখনও
পরোক্ষে অতি অবশ্যই
হরণকারীদের পে থাকে।
সর্বোপরি মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদবাদী রাষ্ট্র
ইসরাইল অব্যাহতভাবে এ
অঞ্চলের
মুসলমানদের ওপর
হামলা চালিয়ে মানবাধিকার হরণ
করে চলেছে এবং প্রতিবারই
যুক্তরাষ্ট্রের
নেতৃত্বে পশ্চিমা শক্তিবর্গ
নির্লজ্জভাবে ইসরাইলের
পাবলম্বন
করেছে। ইসরাইলকে আর্থিক ও
সামরিক
সহায়তা দিয়ে মুসলমানদের
ওপর হামলা ও মানবাধিকার হরণ
নিশ্চিত করেছে।
ফিলিস্তিনি মুসলমানসহ
আশপাশের
মুসলিম দেশগুলোর ওপর
ইসরাইলের
সামরিক হামলা একটি অনিবার্য
বিষয়ে পরিণত হয়েছে পাশ্চাত্যের
সমর্থনে ও সহায়তায়। এবার
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইল
যে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে,
তাতেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার
পাশ্চাত্য
মিত্রদের এই একই অবস্থান ল্য
করা যাচ্ছে। ইসরাইলি বর্বর
হামলা গাজাকে ভূতুড়ে জনপদে পরিণত
করেছে। চারদিকে শুধু ধ্বংসস্তুপ।
মাসব্যাপী বিমান আক্রমণে দুই
হাজারের অধিক
ফিলিস্তিনি নিহত
ও দশ হাজারের বেশি আহত
হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে শুধু শিশুই
রয়েছে পাঁচ
শতাধিক। আহত হয়েছে ২ হাজার
৮শ’
শিশু। গৃহহীন উদ্বাস্তু হয়েছেন
গাজার
১৭ লাখ অধিবাসীর দুই-তৃতীয়াংশ
মানুষ। তাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ
ধ্বংস
হয়েছে। দেড় শতাধিক মসজিদ,
শতাধিক বিদ্যালয়, জাতিসংঘের
আশ্রয় শিবির,
এমনকি হাসপাতাল
পর্যন্তও ধ্বংস
হয়েছে ইসরাইলি হামলায়। গাজায়
এই
ধ্বংসকান্ড যে মানবিক বিপর্যয়
ঘটিয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্র ও তার
ইউরোপীয় মিত্রদের কথিত
মানবিকতাকে ন্যূনতমও স্পর্শ
করতে পারেনি।
এমতাবস্থায় মানবতা ও
সভ্যতা দরদী মানুষের বসে থাকার
সুযোগ নেই। গাজায় অসহায়
মুসলমানদের পে প্রতিটি মুসলিম
দেশ
এবং বিশ্বের সকল
মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসরাইল

তার সহযোগী দেশসমূহের
বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ ও
ব্যবসায়িক
সম্পর্ক বিচ্ছিন্নসহ সম্ভাব্য
সকল
পন্থা কাজে লাগাতে হবে।
হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ
আহমদ
শফী বলেন, ইসরাইলী আগ্রাসন
স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য
কোন
যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। মুসলিম
দেশসমূহ
ইসরাইল ও তাদের
সহযোগী দেশসমূহের
সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধসহ
নিজ
নিজ আকাশ ও পানি সীমায়
বিমান ও
জাহাজ চলাচলের
বিরুদ্ধে অবরোধের
হুমকি দিয়ে ইসরাইলের রাশ
অনেকটা টেনে ধরা যায়। কারণ,
বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় এক
ঘরে হয়ে কোন দেশেরই
টিকে থাকা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ইসরাইলের
চতুর্দিকেই
রয়েছে অসংখ্য মুসলিম দেশ।
বিশেষ
করে গাজার মুসলিম
ভাইদেরকে রায়
সকল ভেদাভেদ ভুলে ফিলিস্তিনের
পার্শ্ববর্তী দেশ লেবানন,
সিরিয়া,
মিশর, জর্ডান, সৌদিআরব,
লিবিয়া,
আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া ও
তুরস্কসহ
আরব দেশগুলোকে ইসরাইলের
বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক
পদপে নিতে হবে।
সন্ত্রাসী ইসরাইলকে না রুখলে সকলকেই
এর মাসুল
দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।
তিনি বলেন, বিশ্ব মুসলিমের
অনৈক্যও
ইসরাইলকে সন্ত্রাস
চালাতে সাহস
জুগিয়ে চলেছে।
বিবৃতিতে আল্লামা শাহ আহমদ
শফী আরো বলেন, ঈদের দিন
এমনকি যুদ্ধবিরতির মাঝেও
ফিলিস্তিনের গাজায়
ইসরাইলী হামলা জঘন্যতম
বর্বরতা।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের
প্রশ্রয় পেয়েই ইসরাইলের বর্বর
সেনাবাহিনী নিরস্ত্র
ফিলিস্তিনি মহিলা ও শিশুদের
হত্যা করছে। তিনি বলেন,
ইসরাইলকে প্রশ্রয় দেয়ার
কারণে অদূর
ভবিষ্যতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও
বৃটেনকেও জনতার
আদালতে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘ
যেন মুসলিম নিধনসংঘে পরিণত
হয়েছে। স্বার্থ হাসিলের জন্য
ইরাক,
আফগানিস্তান ও সুদানের কথিত
মানবাধিকার
পরিস্থিতি নিয়ে সরব

উৎসাহি ভূমিকা পালনকারী যুক্তরাষ্ট্র,
ইউরোপীয় দেশসমূহ ও জাতিসংঘ
যেন
ফিলিস্তিনীদের মানবাধিকারের
বিষয়ে নির্লজ্জভাবে আগ্রাসী ইসরাইলকে সমর্থন
যোগিয়ে চলেছে।
সুতরাং মুসলমানদের তাদের
ব্যাপারে আশাবাদি হয়ে বসে থাকার
কোন সুযোগ নেই।
ইসরাইলী আগ্রাসনের
বিরুদ্ধে শক্তিশালী মুসলিম
দেশসমূহের শাসকদের নীরব
ভূমিকায়
হতাশা প্রকাশ করে হেফাজত
আমীর
আল্লামা শাহ আহমদ
শফী বলেন,
নিজেদের ক্ষমতা রক্ষার জন্য
শাসকশ্রেণী এখন জন প্রত্যাশা,
নীতি-
নৈতিকতা ও ইনসাফের
কথা ভুলে গিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের
মনোরঞ্জনেই বেশী ব্যস্ত
হয়ে পড়েছেন। যে কারণে দিন দিন
তারা আরো বেশী জনবিচ্ছিন্ন
হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন,
উম্মাহর
অধিকার রক্ষা ও জুলুম-অত্যাচার
বন্ধে চাপ সৃষ্টির ভূমিকা এখন
সাধারণ
মুসলমানদেরকেই নিতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের সকল
মুসলমান
যদি একযোগে ইসরাইল ও তাদের
সহযোগী দেশ ও
কোম্পানী সমূহের পণ্য
বর্জন শুরু করে এবং প্রিন্ট,
ইলেক্ট্রনিক ও
ইন্টারনেটসহ সকল সমাজিক
গণমাধ্যমে যদি ইসরাইলি আগ্রাসন

অত্যাচারের চিত্র বিশ্বময়
ছড়িয়ে দেওয়া যায়,
তবে আশা করা যায় ইসরাইল ও
তাদের
সহযোগীরা এই চাপ
সহজে সইতে পারবে না।
পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ
সর্মসূচীর মাধ্যমে নিজ নিজ
সরকারের
প্রতিও ইসরাইলের
বিরুদ্ধে সম্ভবপর সকল
পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও চাপ
সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের ন্যায্য
অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের
আলেম সমাজ ও জনগণের পূর্ণ
সমর্থন
রয়েছে। #

Photos 13/08/2014

আমার মনে চায়
ফিলিস্তিনে গিয়ে জিহাদ
করে শহীদ হয়ে যাই"
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী
ফিলিস্তিনের মজলুম
মুসলমানদের
ফিকিরে আল্লামা জুনায়েদ
বাবুনগরী।দৈনন্দিন সেখানকার
মুসলমানের হতাহতের খবর
শুনে আঁতকে উঠছেন তিনি।
অভিশপ্ত
বর্বর ইসরাইলী বাহিনীর হামলায়
গাজায় এপর্যন্ত নারী-শিশু সহ
দুই
হাজারেরও বেশী মুসলমান প্রাণ
হারিয়েছেন।আহত
হয়ে কাতরাচ্ছেন
আরও হাজারও মুসলমান।দিন
শেষে পশু
পাখিদেরও মাথা গুজাবার ঠাই
থাকলেও ফিলিস্তিনের অনেক
মুসলমানের তা নেই!
কুখ্যাত জালিম ইহুদীদের
তান্ডবলীলায় লক্ষাধিক মুসলমান
বাড়ী ঘর হারিয়ে আজ
উদ্বাস্তুতে পরিণত।খবর
গুলো শুনে ভীষণ মর্মাহত
বাবুনগরী।
সেই সঙ্গে হামাস মুজাহিদদের
অনতজানু মনোভাব আর
বীরোচিত
প্রতিরোধে অনেকটা আশাবাদীও
তিনি।শারীরিক অসুস্থ্যতার
যন্ত্রণা আর
নানা ঝামেলা স্বত্বেও
দিনে রাতে কয়েকবার করে সর্বশেষ
খবর জানতে চান তিনি।বিভিন্ন
হালতে আকুতি জানিয়ে প্রাণ
ভরে দোআ করছেন
ফিলিস্তিনি মজলুম
মুসলমানদের জন্য,মুজাহিদদের
কামিয়াবীর জন্য।
একবার ফরজ নামাজের পর বিষন্ন
চেহারা নিয়ে হঠাৎ করেই ব্যক্ত
করলেন নিজের দিলের
তামান্না,"আমার মনে চায়
ফিলিস্তিনে গিয়ে জিহাদ
করে শহীদ হয়ে যাই।"

12/08/2014

২০১৩-১৪ পর্যন্ত ফেইসবুকে ,
কোন দলের
প্রচারনা বেশী হয়েছে।
১ জমিয়ত।
২ বি এন পি।
৩ আওয়ামীলীগ।
৪ ছাত্রলীগ।
৫ ছাত্র দল।
৬ ছাত্র মজলিস।
৭ জাতীয় পটি।
৮ জামাত -শিবির।
৯ ইসলামী আন্দোলন।
১০ হেফাজত।
১১ অন্যান্য, ,,,,,,???

13/07/2014

ফিলিস্তিনের সকল খবর পেতে নিচের পেইজে লাইক দিনহে আল্লাহ্ ফিলিস্তিনে তোমার রহমত বর্ষণ করো - আমিন.

02/07/2014

ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধরত
মুজাহিদ বাহিনী আইএসআইএস যোদ্ধাদের
মধ্যে অনেক বাংলাদেশী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন
আইএসআইএস-এর সদস্যরা ।আল-
জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তারা জানান,
তাদের সাথে ইরাক ও সিরিয়ার নাগরিক ছাড়াও
বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, অস্ট্রেলিয়ার ও
ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক
রয়েছে।

02/07/2014

ফজর নামাজ না পরলে আমাদের
চেহারার উজ্জলতা নষ্ট হয়ে যাবে।
যোহরের নামাজ না পরলে রুজির
বরকত হবে না।
আসরের নামাজ
না পরলে শক্তি কমে যাবে।
মাগরিব এর নামাজ না পরলে,
সন্তানাদি কোনো উপকারে আসবেনা।
এশার নামাজ না পরলে নিদ্রায়
পরিতৃপ্তি হবে না।
ණ হে আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ আদায় করার তৌফিক
দান কর.....................

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Sylhet