Khasdobir Govt. Primary School, Sylhet

Khasdobir Govt. Primary School, Sylhet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khasdobir Govt. Primary School, Sylhet, School, Khasdobir, Sylhet.

21/02/2023

দেয়ালের গায়ে শহীদ মিনার..
খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সিলেট

নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন নিয়ে নতুনদের যাত্রা...
01/01/2023

নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন নিয়ে নতুনদের যাত্রা...

10/09/2022

স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটা ওপেন গ্রুপ খোলা হলে কেমন হবে?
মতামত জানতে চাই

নতুন রূপে খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
08/09/2022

নতুন রূপে খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

স্মৃতি দিদি এখন কেবলই স্মৃতি(স্মৃতিকণা নাগ, মৃত্যু : ৬ মার্চ ২০১৯)
22/06/2019

স্মৃতি দিদি এখন কেবলই স্মৃতি
(স্মৃতিকণা নাগ, মৃত্যু : ৬ মার্চ ২০১৯)

খাসদবীর স্কুলের এই রূপটি এখন আর নেই। একটি অংশ ভেঙে তৈরি হয়েছে নতুন একটি ভবন
22/08/2016

খাসদবীর স্কুলের এই রূপটি এখন আর নেই। একটি অংশ ভেঙে তৈরি হয়েছে নতুন একটি ভবন

হেই পিটার, ভালো থেকোসাঈদ চৌধুরী টিপুশাদা চামড়ার মানুষের প্রতি ছেলেবেলায় বিশেষ এক আগ্রহ ছিলো। সিলেট তখনও নগরী হয়ে উঠেনি, ...
28/03/2016

হেই পিটার, ভালো থেকো
সাঈদ চৌধুরী টিপু
শাদা চামড়ার মানুষের প্রতি ছেলেবেলায় বিশেষ এক আগ্রহ ছিলো। সিলেট তখনও নগরী হয়ে উঠেনি, হয়নি বিভাগও। চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত সিলেট জেলা তখন শুধুই এক মফস্বল শহর। চাকচিক্য-নাগরিক কর্মব্যস্ততার তেমন ছোঁয়া ছিলো না তখনকার এ মফস্বল শহরে। তাই শাদা চামড়ার মানুষের আনাগোনাও কম ছিলো ছোট্ট এই শহরে। হঠাৎ এক-আধজন ভিনদেশী শাদা চামড়ার মানুষ দেখলে আমরা হাঁ করে দেখতাম। পিটার-স্মৃতির পাতায় ছবি স্পষ্ট হওয়ার সময়ে আমার প্রথম দেখা শাদা চামড়ার মানুষ। তখন আমি প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র, পিটারকে স্কুলেই প্রথম দেখি। শাদা চামড়ার এ মানুষটি তখন ষাট পেরিয়ে।
তার পুরো নাম পিটার ইস্ট। বাবা বার্টি ইস্ট, মায়ের নাম লিজি নিল বওয়েনেস। ৪ ভাই বোনের মধ্যে পিটারের অবস্থান ২য়। তার বড় এক ভাই আর ছোট দুই বোন। পিটারের জন্ম ১৯২৩ সালের ২২ এপ্রিল ইংল্যান্ডের লিঙ্কনশায়ারের সমুদ্রতীরবর্তী শহর স্কেগনেসে। জীবনের পুরোটাই কেটেছে তার মানুষের সেবায়। সাধারণের কল্যাণে কাজ করতে করতে নিজের জন্য আর ঘর বাঁধাও হয়নি। চিরকুমারই থেকে গেছেন পিটার। তরুণ বয়সেই তিনি খ্রিস্টীয় দাতব্য সংগঠন টক এইচের (Toc H) হয়ে সেবার কাজে জড়িয়ে পড়েন। টক এইচের কর্মী হিসেবেই পরবর্তীতে ব্রিটিশ সেনাদের সেবার লক্ষ্যে পিটার পাড়ি জমান জার্মানিতে। সেখান থেকে ইংল্যান্ডে ফিরে আসার পর টক এইচের সদর দপ্তর লন্ডনের ট্যালবট হাউসে ওয়ার্ডেন হিসেবে যোগ দেন। লন্ডনে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে। পিটারের জীবনে নতুন মোড় ঘুরে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের ইংরেজি শেখানোর দায়িত্ব পেয়ে। সপ্তাহান্তের ছুটিতে তিনি তরুণ বাংলাদেশীদের ইংরেজি শিক্ষা দিতে থাকেন। বাংলাদেশী কমিউনিটির জন্য একটি হোস্টেলও প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৩ সালে তিনি ব্রিটিশ রাজকীয় খেতাব এমবিই লাভ করেন। ইতোমধ্যেই তার পরিচয় হয়েছে বাংলাদেশের সিলেটের বাসিন্দা আরো এক নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সিলেটের হারুন আহমদের সাথে। ১৯৮৩ সালেই সিলেটে যাবার লক্ষ্যে আগেভাগে অবসর নেন পিটার ইস্ট। তখন তার বয়সের খাতায় জমা হয়েছে ৬০ বছর।
১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর সময় সিলেটেই কাটান পিটার ইস্ট। হারুন আহমদের সাথে ঠিকানা গাঁড়েন খাসদবীরে। এ সময়কালের মধ্যেই আমার স্কুল জীবনের শুরু। ১৯৮৬ সালে আমি খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হই। ঘরের বাইরে পা রেখে নতুন ভুবনের সন্ধান পাওয়ার শুরু তখন থেকেই। সে পর্বেই আমার প্রথম কোনো শাদা চামড়ার মানুষ দেখা। সে মানুষটি পিটার ইস্ট। ছোট-বড় সবাই আমরা তাকে পিটার ডাকতাম। পিটারের স্কুলে আসা মানে আনন্দের একটা উপলক্ষ। কখনোই খালি হাতে আসতেন না দীর্ঘদেহী এ মানুষটি। সবার জন্য বিস্কুট বা কিছু একটা নিয়ে আসতেন পিটার।
পিটার ইস্ট শাদা চামড়ার মানুষদের প্রতি আমার ভালোলাগা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন শৈশবেই। পরবর্তীতে যখন ইংরেজদের ভারত শাসনের কাহিনী জানা হয়, ব্রিটিশদের প্রতি অন্য রকম একটা ভাবনা মনে তৈরি হলেও ‘পিটার ইস্ট কিন্তু হৃদয়ে একই থেকে গেছেন। সেখান থেকেই তিনি জোর গলায় জানিয়ে দিয়েছিলেন সবাই এক রকম হয় না। ব্রিটেনে জন্মায় পিটার ইস্টের মতো মানুষেরাও।
তখনও এনজিওচর্চা পুরোদমে শুরু হয়নি। হারুন আহমদের সাথে মিলে ১৯৮৪ সালে পিটার ইস্ট গড়ে তুলেন সিলেটের প্রথম এনজিও সংস্থা ‘খাসদবীর ইয়ুথ অ্যাকশন গ্রুপ’। এ দুই কাজপাগল মানুষ তখনকার মফস্বল শহর সিলেটের প্রান্তিক এলাকা খাসদবীরের দুখী মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে, শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করে গেছেন।
সিলেটে ছেড়ে গেলেও খাসদবীরকে ছেড়ে যাননি পিটার ইস্ট। খাসদবীর ইয়ুথ অ্যাকশন গ্রুপের সাথে তার সম্পর্ক রয়ে যায়। বরং একে আরো এগিয়ে নিতে দাতব্য সংস্থা টক এইচ’র অধীনে হাজার মাইল দূরে প্রতিষ্ঠা তুলেন ‘ফ্রেন্ড অব খাসদবীর’। বয়সের ভারে ছেড়ে গেলেও পিটার ইস্টের মনে পড়ে রয়েছিলো খাসদবীরেই। জীবনের শেষ বেলা পর্যন্ত কাজ করে গেছেন প্রিয় খাসদবীরের জন্য।
শেষবেলায় ইংল্যান্ডের বাকিংহামশায়ারে ওয়েনডোভারে ঠিকানা গেঁড়েছিলেন পিটার ইস্ট। ২০০৪ সালের ১৫ মে ৮১ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের স্থানীয় স্টোক ম্যান্ডারভিল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ওয়েনডোভারে পেরিশ চার্চে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ জুলাই দুপুরে লন্ডনের টাওয়ার হিলের অল হ্যালোস চার্চে অনুষ্ঠিত হয় তার স্মরণসভা। উপস্থিত ছিলেন প্রিয় দুই বোন বেটি ও মেরি।
মৃত্যুর পরও কি পিটার ভুলতে পেরেছিলেন প্রিয় খাসদবীরকে। তার শেষকৃত্য আর স্মরণসভায় সংগৃহীত চাঁদাও জমা হয় ‘ ফ্রেন্ডস অব খাসদবীর’র তহবিলে। এতো ভালোবাসার বিপরীতে আমরা কি দিয়েছি পিটার ইস্টকে। আমরা কি একটুখানি ভালোবাসাও ফিরিয়ে দিতে পারি না আমাদের এ বন্ধুটিকে।
হেই পিটার, ভালো আছে তোমার প্রিয় খাসদবীর, ভালো আছে খাসদবীর স্কুল। তুমিও ভালো থেকো।

ঝুঁকির মুখে সিলেট খাসদবির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
17/11/2015

ঝুঁকির মুখে সিলেট খাসদবির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সিলেট খাসদবির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষের অভাবে পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।বিদ্...

স্বপ্নে রাঙানো সাদা-সবুজ
29/08/2014

স্বপ্নে রাঙানো সাদা-সবুজ

এই আমাদের স্কুল।
26/08/2014

এই আমাদের স্কুল।

Address

Khasdobir
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khasdobir Govt. Primary School, Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category