নৃ-সার্চ NRI-Search

  • Home
  • নৃ-সার্চ NRI-Search

নৃ-সার্চ NRI-Search What do you think about a person or thing which is different from you? Do you have same feeling and perception for the different person and things?

What do you think about the racism we practice unconsciously? What is purpose of your work?

05/10/2024

Happy Teachers' Day!

On this special day, I want to extend my heartfelt gratitude to all of my respected teachers. From the simplest words to the profound philosophies of life, each lesson has shaped who I am today.

I want to remember those teachers who have passed away. Their wisdom and dedication live on in my heart. I pray for their souls and may Allah grant them Jannatul Ferdous.
souls,
I feel incredibly fortunate to have had the opportunity to connect with such delightful human beings as my teachers throughout my education journey from pre-primary school to university.

I also want to thank my mentors, with whom I have connected formally and informally.

Thank you for your unwavering support and guidance. You have made a lasting impact on my life.

পুলিশ বাহিনির গাঠনিক কাঠামো ও ইতিহাস: উপনিবেশিক সিলসিলার ধারাবাহিকতাপুলিশ বাহিনি ভারতীয় উপমহাদেশে গঠন করা হয় ব্রিটিশ শাস...
19/09/2024

পুলিশ বাহিনির গাঠনিক কাঠামো ও ইতিহাস: উপনিবেশিক সিলসিলার ধারাবাহিকতা

পুলিশ বাহিনি ভারতীয় উপমহাদেশে গঠন করা হয় ব্রিটিশ শাসনামলে লর্ড কর্ণঅয়ালিস মাধ্যমে। কেন করা হলো? এর আগে মূলত মুগল সাম্রাজ্যের অধিনে রাস্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনি ছিলো। কিন্তু প্রশ্ন আসে কেনো ব্রিটিশরা নতুন একটি বাহিনি গড়ার উদ্যোগ নিলেন?

জানা যায়, ব্রিটিশরা দেওয়ানি লাভ করার পর স্থানীয় জমিদার ও কালেক্টরদের মাধ্যমে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের যাবতীয় আয়োজন করতে থাকেন। এই কাজে যেনো রায়ত বা স্থানীয় কৃষক বা প্রজা সাধারণ বাধা তৈরি করতে না পারে এবং জমিদার বা কালেক্টররা (Tex collector) যেনো নির্বিঘ্নে রাজস্ব (tax) আদায় করতে পারে তা নিশ্চিত করাই ছিলো পুলিশ গঠনের মূল উদ্দেশ্য (prime goal) ।

তাই পুলিশ বাহিনিকে কালেক্টর বা জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে দেয়া হয় যাতে করে ঐ জেলার বা তার নিয়ন্ত্রিত এলাকার রাজস্ব যেনো যিনি সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারেন।
তাই ব্রিটিশ প্রশাসন প্রতি জেলায় রেভিনিও কালেক্টর (Revenue collector) নিয়োগ দিলেন এবং তাকে জেলার সবচেয়ে ক্ষমতাদর (Powerful) ব্যাক্তিতে পরিণত করা হোল। তাকে বিচার () ও নির্বাহী উভয় ক্ষমতা দেয়া হোল। যার কারনে নির্বাহী বিভাগ ও দেওয়ানি মামলার (Judiciary and executive) বিচারের দায়িত্ব তাকে দেয়া হোল। ঠিক এই সময়ে লর্ড কর্ণঅয়ালিস পুলিশ বাহিনি গঠন করেন। আর পুলিশ বাহিনীকে তাই কালেক্টরের আয়ত্তে দেয়া হয় যাতে তারা রেভিনিও কালেকশনের যে কাজকে বাস্তবায়িত করতে পারে এবং এসব আদায়ে কেউ যেনো বাধা তৈরি করতে না পারে তার দায়িত্ব ও পুলিশকে দেয়া হয়। ( আরো জানতে দেখন বাংলানামা, ২০২৩; পৃষ্টাঃ ২৬৭, Banglanama, 2023; p:267)
যেহেতু ঐ সময় পর্যন্ত ব্রিটিশদের মূল কাজ ছিলো যেকোনো উপায়ে রাজস্ব আদায়, আর তা বাস্তবায়নে পুলিশ বাহিনির গঠন।
পুলিশের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ব্রিটান্ইয়া ডিক্সনারিতে বলা হয়েছে
“Police, body of officers representing the civil authority of government”
(রেফারেন; https://www.britannica.com/topic/police)
কোনো জনবান্ধন কাজে বা জনগনের সহযোগিতার জন্য পুলিশ বাহিনি গঠন করা হয়নি। তাই তারা তখন ব্রিটিশদেরকে সহযোগিতা করতো আর কৃষকদের থেকে রাজস্ব আদায় করতে সাহায্য করতো। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো এখনো পুলিশ এক্ট ১৮৬১ (The Police Act, 1861) বলবত থাকাই প্রমান করে আমরা যে উপনিবেশিক কাঠামো বা সিলসিলাকে জারি রেখেছি।
পুলিশ বাহিনী নিয়ে মন্তব্য করেন আলবার্ট যে রেইস তার “Police Brutality?” বইতে
“POLICE BRUTALITY? ALBERT J. REISS, JR. "Police Brutality—Answers to Key Questions," Trans-action, 5, No. 8 (July-August 1968), 10-19. At the time this article was published, Dr. Reiss was professor of sociology, chairman of the department, and director of the Center for Research on Social Organization at the University of Michigan, Ann Arbor. "FOR THREE years, there has been through the courts and the streets a dreary procession of citizens with broken heads and bruised bodies against few of whom was violence needed to effect an arrest. Many of them had done nothing to deserve an arrest. In a majority of such cases, no complaint was made. If the victim complains, his charge is generally dismissed. The police are practically above the law."
(রেফারেন্স https://doi.org/10.7312/dres92534-051)
একটা সংবাদ দেখলাম বাংলাদেশের কোনো গণআন্দোলনে পুলিশের সমর্থন ছিলো না। প্রশ্ন আসে পুলিশ কী চাইলে পারতো গণআন্দোলনে সমর্থন করতে। আমার মনে আশা জাগে না। যেহেতু পুলিশ বাহিনিকে তৈরির যে কাঠামো তাতেই গলদ রয়ে গেছে। যেহেতু পুলিশ রাস্ট্রের অপরিহার্য অঙ্গ তাই আমদের উচিত পুলিশকে জনবান্ধব করতে তার কাঠামোগতো দিকে মনোযোগ দেয়া।
আব্দুল্লাহ আল রিফাত
ঢাকা , ২০২৪

সরকারি চাকরি কী সরকারের চাকরি? বাংলাদেশের একটা দীর্ঘ সময়ের উপর চোখ রাখলে একথা সহজেই অনুমেয় যে সরকারি চাকরি মানেই সরকারের...
18/09/2024

সরকারি চাকরি কী সরকারের চাকরি?

বাংলাদেশের একটা দীর্ঘ সময়ের উপর চোখ রাখলে একথা সহজেই অনুমেয় যে সরকারি চাকরি মানেই সরকারের চাকরি। সরকারে আদেশের গোলাম কেউ কেউ রসিকতা করে দালালি বলে থাকেন। তাই উপরের আদেশে যা ইচ্ছে করা যাবে বা করতে হবে। মানে সরকারি চাকুরীজীবিদের কিছুই করার নেই। যেহেতু সরকারের চাকরি করি তো সরকার যা বলে তাই করতে হবে। এমনকি সেটা গনতন্ত্র কিংবা মানুষ হত্যা পর্যন্ত।

যার কারনে খেয়াল করবেন সরকার বিরোধী কোনো কাজে সরকারি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্য। তারা তখন নিরবে আদেশ পালনে ব্যস্ত।

আপনার মনে হতে পারে তাদের হয়তো কোনো অবস্থান বা মতামত নেই। কিন্তু ধরেন রাজনৈতিক পরিচয়ের বাহিরেও একটা রাস্ট্রের নাগরিক হিসাবে আপনি যেকোনো কাজ যেটা সরকার জনগণের অলক্যান সাধনে করছে তার বিরোধিতা করতে পারেন৷ কিন্তু তা সরকারি চাকরিজীবীদের বেলায় পাবেন না। হয়তো কেউ কেউ এর বাহিরে থাকতে পারেন কিন্তু মোটাদাগে এটাই দৃশ্যমান।

এটা একটা উপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিচ্ছবি। কারণ প্রশাসন ও সরকার ২টা সম্পূর্ণ আলাদা প্রতিষ্ঠান৷ কিন্তু ব্রিটিশ শাসনামলে এই কাঠামোতে পরিবর্তন এনে দুটোকে এক করা হয়। প্রশাসনকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয় ও রাখা হয় উপনিবেশিক শোষন জারি রাখার জন্য। এরজন্য বিট্রিশরা জন্মসূত্রে ভারতীয় ও মন মননে ইংরেজ এমন সব লোকদের প্রশাসনে জমা করতে থাকেন৷ কালেক্টর ও সিভিল সার্জন এমন দুটো পদ।
এর কারন ছিলো এই মানুষগুলো তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করবে চোখ বন্ধ করে। সমালোচনাতো দূরের কথা তারা সবসময় গুনগান গাইবে (পাচাটা) বলতে পারেন।
সুতরাং তখন প্রশাসনিক কাঠামো এমনভাবে ঢেলে সাজানো হয় যাতে তাদের উপনিবেশিক শোষন কার্যে কোনো বাধা না আসে। এরজন্যই প্রশাসনকে সরকারে আয়ত্তে রাখা হয়৷
বর্তমানে আমরা একটা জরিপ করে দেখতে পারি বিসিএস ক্যাডার থেকে সচিব সহ, সর্বস্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো সরকার বিরোধী কাজে অংশগ্রহণ আছে কীনা? এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা প্রচার বা পোস্ট আছে কীনা যা সরকার বিরোধী?

আমারা অবাক হবোনা যদি ফলাফল এমন হয় যে বেশিরভাগেরই ক্ষেত্রেই দেখবেন নাই। ওনারা নিরবে শুধু আদেশ পালন করেন সরকারের৷ তারা দাবি করেন যে তারা হুকুমের দাস৷ মূলত তারা দাসত্ব বরন করেছে উপনিবেশতার কাছে। এই মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি।

অথচ একটা গনতান্ত্রিক পরিবেশে সরকার ও প্রশাসন আলাদা কাজ করবে। কেও কারো উপর নির্ভরশীল থাকবে না। কেউ কারো হুকুমের দাস হওয়ার সুযোগ নেই৷ গনতান্ত্রিক দেশের সরকার তো ব্রিটিশ সরকার নয় যার উদ্দেশ্য কেবল শোষন আর লুন্ঠন। তাকে সাহায্য করে সরকারি চাকরিতে টিকে থাকার যে উপনিবেশিক মানসিকতা তা এখনো বর্তমান আছে।

আসুন আমরা সচেতন হই। সরকারি চাকরি মানে কোনো সরকারে চাকরি বা গোলামি নয়। এই উপনিবেশিক দাসত্ব থেকে বের হওয়ার সময় এখনই

আব্দুল্লাহ আল রিফাত
ঢাকা, ২০২৪

23/08/2024

ত্রান কার্যক্রমে লাইট, পাওয়ার ব্যাংক, বাটন ফোনের জন্য ব্যাটারি এগুলো সম্ভব হলে যুক্ত করা উচিত।

23/08/2024

এটি অস্ত্র
"এই নদী বিশেষজ্ঞ বলেন, 'আজকে গোমতী ও ফেনী নদীতে যেটা ঘটলো, একই ঘটনা বারবার তিস্তায় হয়। তিস্তায় এখন বছরে তিনবার বন্যা হয়! সিলেটেও হয়। এর বড় কারণ হলো, উজানে প্রতিটি নদীর ওপর ড্যাম প্রোজেক্ট আছে। ছোট ছোট অনেক হাইড্রো ড্যাম আছে। এই ড্যামগুলোর যদি আমরা ভারতের ইকোনোমিক ভ্যালু দেখি, গোমতী নদীর ওপর যে ড্যামটি আছে মাত্র তিন মেগাওয়াট। এই বিদ্যুতে একটি ছোট গ্রামও আলোকিত করা যায় না কিন্তু তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র যে পরিমাণ পানি ধরতে পারে, সেটি পাশের যে কোনো ধরনের এলাকাকে ক্ষতিগ্রস্ত (নুইসেন্স) করতে পারে। এটি অস্ত্র—বিদ্যুৎ প্রকল্প না।"

নদী বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ এজাজ। সূত্র: daily star bangla

23/08/2024

পরিচিত অনেকেই প্রথমবারের বিভিন্ন দূর্গত জায়গায় স্বশরীরে যাচ্ছেন বা ত্রান কাজ পরিচালনা করবেন তাদের জন্য অল্প কিছু অভিজ্ঞতা থেকে দুই চারটা কথা;

১) টিম সাইজ টা ইম্পর্ট্যান্ট, যে যেই স্কেলে করবেন সেই অনুযায়ী মানুষ ২০% কম বা ২০% বেশি হলে সমস্যা নাই। কিন্তু প্রয়োজনের অর্ধেক লোক নিয়ে গেলে খুব সাফার করবেন। আবার বেশি নিয়ে গেলেও রিসোর্স অযথা অপচয় হবে।

২) যারা যাবেন তাদের বোথ ফিজিকাল এন্ড মেন্টাল ফিট হওয়াটা খুব জরুরী। দুই তিনদিনে হয়তো ২/৪ঘন্টা ঘুমাবেন, তাও সেটা হয়তো ট্রাকে / নৌকায় এবং পরিশ্রমটাও হয় অমানবিক।

শুধুমাত্র জোশে আনফিট কোন টিম মেম্বার পুরো প্রক্রিয়াটায় বাজে ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারে।

৩) নিজেদের জন্য খুব অল্প লাইট ওয়েট জামা, গামছা, লুংগি, ভালো গ্রিপ আছে অথবা ট্রেকিং স্যান্ডেল/জুতা, টর্চ, ছুরি, লাঠি, লাইফ ভেস্ট, রেইনকোট, ক্যাশ টাকা, আইডি কার্ড, ড্রাই ফুড, পাওয়ার ব্যাংক, স্যানিটারি প্যাড, জরুরী ঔষুধ, সম্ভব হলে সব অপারেটরদের সিম, হুইসেল, শক্ত লাঠি, এনার্জি আছে এমন খাবার (খেজুর, চকলেট বার) ইত্যাদি অবশ্যই নিবেন। আর এগুলো প্রটেক্ট করার জন্য ড্রাই ব্যাগ/পলিথিন মাস্ট।

অপশনাল হিসেবে স্লিপিং ব্যাগ, পোর্টেবল চুলা, গ্যাস ক্যান, লাইটা, চাল, ডাল, ডিম ইত্যাদি।

৪) খাবার বা যা বিতরণ করবেন সেগুলো প্যাকিং এর আগে জেনে নিন কতদূর এরিয়া আর পরিবার আপনারা কাভার করবেন। সেই এস্টিমেট করে প্রিপারেশন নিলে সবার জন্য ভালো।

৫) লোকাল মানুষজন, নেটওয়ার্ক, এনজিও বা যারা ইতিমধ্যে ফিল্ডে আছেন তাদের সাথে কথা বলে কোন জায়গায় যাবেন সেই এলাকা নির্ধারণ করুন এবং অন্যদের আপডেট জানান। বেশিরভাগ জায়গায় ভলান্টিয়ার গ্রুপের কোর্ডিনেশন থ্রেড/গ্রুপ আছে। এতে কোন এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত সাহায্য যেমন হবে না তেমন সাহায্য পায় নাই এমন সুযোগও হবে না।

৬) নিজেরা কম ঘুমালেও ড্রাইভার/মাঝিদের রেস্ট এনশিওর করতে হবে।

৭) মাল্টিপল টিম হলে ওয়াকি টকি, Zello, Walkie Talkie app ব্যবহার করতে পারেন।

৬) বড় নৌকা দিয়ে বাড়ি বাড়ি ত্রাণ দেয়া ডিফিকাল্ট। সেক্ষেত্রে ছোট একাধিক নৌকা দিয়ে অনেক সহজে আর তাড়াতাড়ি বিতরণ সম্ভব।

৭) টিম লিডার এর লিড মানার মানসিকতা থাকতে হবে। যত ভুল বোঝাবুঝিই হোক সেগুলো সব পরে ফিক্স করা যাবে।

৮) স্বচ্ছতাঃ ফান্ড রেইজ এবং পুরো প্রসেস টার একটা স্বচ্ছতা থাকাটা জরুরী। এক্সেলে বা অন্য অনেক উপায়ে খুব সহজেই এটা করা যায়। পাবলিকলি অথবা যারা সাহায্য করেছেন তাদের কাছে এরকমটা পাঠালে মানুষও সাহায্য করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়। নিজেদের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ে।

ভলান্টিয়ারিং লাইফের শুরুর দিকে AFOOFA জানছিলাম, All for One, One for All. চমৎকার একটা লাইফ লার্নিং, "অই সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে" আর কি। এটা বিশ্বাস করলে সবকিছুই জলবৎ তরলং!

আপনাদের সবার জন্য শুভকামনা। সবাই নিরাপদ থাকুন, সুন্দর থাকুন
©️Fuad Ahsan Chowdhury

↘️↘️⬇️⬇️↙️↙️
22/08/2024

↘️↘️⬇️⬇️↙️↙️

22/08/2024

অনুগ্রহ করে যত বেশি পারেন রিপোস্ট করেন।

আশ্রয়কেন্দ্র আপটেড
বন্যা, নোয়াখালী

আশ্রয়কেন্দ্র ১
একলাশপুর মাদরাসা, একলাশপুর উচ্চ বিদ্যালয়
01812355103

আশ্রয়কেন্দ্র ২
এম এ রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়,মাইজদি
01616-537086
01609884684

আশ্রয়কেন্দ্র ৩
নোয়াখালী সরকারি কলেজের নতুন ভবন
01875418577

আশ্রয়কেন্দ্র ৪
লক্ষীনারায়ণপুর ,মাইজদি
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,
আল ফারুক জামে মসজিদ।
01680943899

আশ্রয়কেন্দ্র ৫
নোয়ান্নই ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়
প্রধান শিক্ষক(মোজাম্মেল স্যার):- 01831873324
সহকারী প্রধান শিক্ষক(জসীম স্যার):- 01813053711

আশ্রয়কেন্দ্র ৬
সেনবাগ
মোহাম্মদপুর রামেন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
01956852538
চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সেনবাগ।
01713941594

আশ্রয়কেন্দ্র ৭
নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
ব্রাদার আঁন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয়
জাফর স্যার : 01788404424

আশ্রয়কেন্দ্র ৮
চৌমুহনী সরকারী এস এ কলেজ -চৌমুহনী।

আশ্রয়কেন্দ্র ৯
সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, বিজ্ঞান ভবন ১
নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়,শরীফপুর।
01820926840,
01881065039

আশ্রয়কেন্দ্র ১০
জমিদারহাট বিএন উচ্চ বিদ্যালয়-রসুলপুর।
আবদুর রশিদ চেয়ারম্যান
01812988990

আশ্রয়কেন্দ্র ১১
বেগমগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
01816780490

আশ্রয়কেন্দ্র ১২
পশ্চিম চরউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (খলিল মিয়ার দরজা) ভবন।
৬ নং নোয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড
01712327653 (মজিব স্যার)

আশ্রয়কেন্দ্র ১২
সোনাইমুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
যোগাযোগ:
01778711108
01835011434
01902680292
01754497533

আশ্রয়কেন্দ্র ১৩
মফিজ উল্যাহ মেমোরিয়াল একাডেমী। মিরওয়ারিশপুর, নরোত্তমপুর

আশ্রয়কেন্দ্র ১৪
নোয়াখালী স্কুল।
হরিনায়ণপুর স্কুলের পাশে

আশ্রয়কেন্দ্র ১৫
ব্রাইট ফিউচার মডেল হাই স্কুল
রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,দূর্গাপুর।

আশ্রয়কেন্দ্র ১৬
পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়

আশ্রয়কেন্দ্র ১৭
উত্তরলক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রয়োজনে:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বন্যা নিয়ন্ত্রণ টিম:
01769331519
01769331520
AC(Land):
01307249392
PIO:
01614259627
ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন :
102
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
02223355555

সকলে সাবধান থাকুন, আবহাওয়া খুবই খারাপ। জলাবদ্ধতা বেশি হলে আশ্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত হোন। বাড়িতে অবস্থান করতে পারলে, প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার, পানি, স্যালাইন,মোম মজুত রাখুন। পারলে পাশের আশ্রয় কেন্দ্রে ও প্রতিবেশীদের শুকনা খাবার দিয়ে পাশে থাকুন।

21/08/2024

ভাই ব্যাপারটা একটু বুঝেন। এই মুহুর্তে আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে অন্য জেলা থেকে এসে কাজ করার মতো স্বেচ্ছাসেবীর দরকার নাই। এনাফ কাজ করার লোক জেলা গুলায় অলরেডি আছে। যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ট্রাকভর্তি শুকনা খাবার, পানি আর ট্রান্সপোর্টেশনের জন্য বোট।

এলাকাগুলায় টাকা পাঠালেও বন্যার কারনে দোকানেও শুকনা খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব সংগঠন টাকা তুলছেন ওদের লজিস্টিকস দিয়েও হেল্প করেন। ঢাকা থেকে এসে সেভিওর কমপ্লেক্স শো করার সময় এটা না।

সংখ্যায় কম আসেন। শুকনা খাবার, পানি আর যাতায়াত-রেস্কিউর জন্য বোটের ব্যবস্থা করেন প্লিজ। ঢাকা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় ট্রাকে ট্রাকে এসব পাঠান। আক্রান্ত এলাকাগুলাতে লোকালদের হেল্প এভাবে করেন। লোকাল সংগঠনদের সাথে কোলাবোরেট করেন। একটু স্ট্র‍্যাটেজিক হোন।

ওই যে, "রক্ত গরম, মাথা ঠান্ডা।"

~ Fahad Rahman Ajhor

21/08/2024

স্পিডবোট মেনেজ হয়েছে। প্রতি ট্রিপে অন্তত ৩০ জন উদ্ধারে সক্ষম আমাদের স্পিডবোট চাঁদপুর থেকে ফেনীর পথে রওনা হয়েছে। কুমিল্লা ও ফেনী পৌঁছাতে ৩-৪ ঘণ্টা লাগতে পারে।
এখন কোন এলাকায় যাওয়া বেশি প্রয়োজন জানান!
সহযোগিতা পেতে যোগাযোগ
01814720758 (সোহাগ)
01875810789 (সাজ্জাদ)

ফেনী সদর থেকে সেনাবাহিনীর উদ্ধারদল ১২টি স্পীড বোট ও হেলিকপ্টার নিয়ে পরশুরাম-ফুলগাজী যাচ্ছে।
যোগাযোগ:
মেজর সানজিদ 01769331213

©

সবাই কপি পেস্ট করুন। কেউ না কেউ দেখবেই।

Address

Akhalia

3100

Telephone

+8801726203570

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নৃ-সার্চ NRI-Search posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to নৃ-সার্চ NRI-Search:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share