22/06/2026
🔴 শাহজালাল (রহ.) মাজারে তিন দিনের অনুদান গণনায় উঠে এসেছে ১৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫৬৯ টাকা।
এছাড়াও পাওয়া গেছে প্রায় ৭ তোলা স্বর্ণ।
মাজারে আসা বিপুল পরিমাণ অনুদান ও স্বর্ণের হিসাব নিয়ে চলছে আলোচনা। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অনুদানের অর্থ গণনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
📌 এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?
💬 কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করুন।
22/06/2026
মাত্র ৩ দিনে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জমা হলো শাহজালাল মাজারের ডেগে!
22/06/2026
সিলেটের হজরত শাহজালাল রহ: মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম প্রকাশ্যে দানের টাকা গননা চলছে..
21/06/2026
দরগাহ মাদ্রাসা হুজুরের প্রশ্ন ৩০০ জন খাদেম ফজরের নামাজে কয়জন আসেন⁉️
মাদ্রাসা ছাত্ররা ছাড়া কেউ নাই❗
21/06/2026
অন্ধের শহরে আয়না বিক্রি করা অপরাধ। তাদের দরকার লাঠি...
বিস্তারিত ঘটনা..
গতকাল সিলেটের মাজার থেকে গাজা ও চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি। এরই মধ্যে আলোচিত ডিসি সারোয়ারকে বদলি করা হয়েছে।
সুশাসন... লোডিং!💀
শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান মাজারে যান ডিসি সারওয়ার। নামাজের আগে মাজার মসজিদে বক্তব্য রাখেন তিনি। এ সময় মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনা ও মাজারে ম'দ-গাঁ"জার আসর বন্ধে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, অনুরোধ থাকবে, এই মাজারগুলোতে যাতে কোনোভাবে ম"দ-গাঁ"জার আসর না বসে। এই অভিযোগগুলো কিন্তু আমাদের কাছে প্রায়ই আসে- অমুক মাজারে ম"দ খাইতেছে, গাঁ"জা খাইতেছে। এটা করা যাবে না। এটি আইনত অপরাধ, আরেকটা হচ্ছে পবিত্র স্থানে বসে অপরাধ করছে। আমরা কিন্তু এ বিষয়ে এখন শক্ত অবস্থান নেব। মাজারে কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি দিগুণ হবে। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।
তিনি বলেন, আমরা চাই স্বচ্ছতা ও সুন্দর। তাতে ওলি-আউলিয়া যে উদ্দেশ্যে এসেছিলেন সেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে। এখানে এলেই যেন মনে পবিত্রতা আসে। সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
ডিসি সারওয়ার আলম বলেন, ওলি-আউলিয়ারা এই মাটিতে শুয়ে আছেন, উনাদের উসিলায় যেকোনো বালা মুসিবত থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি। এসব ওলি আউলিয়াদের মাজার-মসজিদ উন্নয়নে কিছু কাজ করা দরকার। পরিকল্পিত উন্নয়ন দরকার। এসব মাজারকেন্দ্রিক একটা মাস্টারপ্ল্যান করা উচিত। এখানে মেডিকেল সেন্টার থাকবে। নারীদের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা থাকবে। নিরাপত্তার যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকবে।
মানুষ দানের ক্ষেত্রে কোন জিনিস চায় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, মানুষ চায় তার দানের টাকায় কোন জিনিস করবেন এবং তার দানর টাকা স্বচ্ছতা থাকবে। কেউ মেরে নিয়ে যাবে না। তখন সে মন খুলে দান করবে। মানুষ চায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
মাজার কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এই মাজারগুলো পবিত্র স্থান। এই মাজারগুলোর আয়ের হিসেব স্বচ্ছ থাকতে হবে। স্বচ্ছ না থাকলে মানুষের আস্থা থাকবে না।
21/06/2026
সিলেটের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে চলে আসা মাজার লুটপাট বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় কী এই প্রতিদান? খাদিম নামক খাদকদের কাছে কী সরকার ও সরকারি দল অসহায়?
যেখানে ডিসিকে পুরস্কৃত করার কথা, সেখানে জনগণের সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে একজন সৎ সাহসী ও গুণী ব্যক্তিত্বকে প্রত্যাহার করা সরকারের ব্যর্থতার বড় দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে৷ আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
21/06/2026
জুবায়ের পন্থীরা আজ এটাই চেয়েছিলো যে জুবায়ের পন্থীরা তাবলিগে নেতামি করবে। আর নেতামি না মানলে তাবলিগ বন্ধ করে দিবে।
21/06/2026
চোর, বাটপার আর ডাকাতদের দেশে ভালো মানুষের কদর কে করবে। তবে বড় কারন হচ্ছে, মাজারের পুরাতন দান বাক্স সিলগালা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন দান বাক্স স্থাপন।
21/06/2026
টক অব দি সিলেট। ডিসি সারওয়ার আলমের বদলী। আলোচনায় লিল্লাহর ডেগের টাকা ও গাঁজার আস্তানার পাহারাদারগণের ক্ষমতা! স্থানীয় নেতাদের কথা বাদ দিলাম সিলেটের সম্মানিত মন্ত্রীগণও কি তাদের ক্ষমতা ও দাপটের কাছে অসহায়? এই প্রশ্নের উত্তর কেউ কি দিবেন? তবে জেনে রাখা ভালো; সরকার যদি গাঁজার আস্তানার চাপে DC Sylhet জনাব সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার থাকেন তবে একটি বিরাট ভুল করলেন। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক একদিন ধরা পারবেই। গাঁজার আস্তানার কাছে সরকারের নতি স্বীকার দেশের সৎ ও যোগ্য অফিসারদের জন্য অশনিসংকেত।
এই বদলির প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে এই প্রত্যাহার আদেশ প্রত্যাহার করে ডিসি সারওয়ার আলমকে স্বপদে বহাল রেখে সচেতন সিলেটবাসীর দাবী মেনে নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
21/06/2026
আমাদের মসজিদ থেকে বের করে দিলেও, আমরা বুকে টেনে নিই! জুবায়েরপন্থী জামাত ও এক মাওলানা সাদ সাহেব অনুসারীর অভূতপূর্ব আখলাকের বাস্তব কাহিনী ।
মুমিনরা তো পরস্পর ভাই ভাই; অতএব তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে শান্তি ও ঐক্য স্থাপন করো।" (আল-কুরআন)
প্রিয় দ্বীনি সাথি ভাই ,
আজ এক ভারাক্রান্ত অথচ আশাজাগানিয়া মন নিয়ে আপনাদের সামনে 'তাবলীগ নিউজ'-এর পক্ষ থেকে এমন একটি বাস্তব সত্য ঘটনা তুলে ধরছি, যা পড়ার পর প্রতিটি বিবেকবান মুসলমান, আলেম-উলামা এবং দাওয়াতের সাথীদের চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়বে। এই লেখাটি কোনো কাদা ছোঁড়াছুড়ির জন্য নয়, বরং উম্মাহর বুকে চেপে বসা এক ভয়াবহ ক্ষত এবং তা নিরাময়ের এক জীবন্ত চাক্ষুষ প্রমাণ!
প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের তাবলীগের বর্তমান বেদনাদায়ক চিত্র ,
আমরা সবাই জানি, বর্তমান বিশ্বে দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত আজ দুটি ভাগে বিভক্ত।
১. একদিকে আছেন: বিশ্ব তাবলীগ জামাতের আমীর, হযরত মাওলানা সাদ কান্ধলভী সাহেব (হাফিঃ)-এর অনুসারী, যাঁদের দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার ক্লান্তিহীন কোরবানি, সফর ও মুজাহাদার উছিলায় আজ পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে নবিজির দ্বীন পৌঁছে যাচ্ছে।
২. অন্যদিকে আছেন: একদল জুবায়ের সাহেবের অনুসারী এবং বাংলাদেশের কিছু সংখ্যক ওলামায়ে কেরাম।
দুর্भाग्यবশত, বাংলাদেশে এই জুবায়েরপন্থী দলটির একটি বড় অংশের মাঝে এক ধরণের উগ্রতা ও অহংকারী মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা হযরতজির (হাফিঃ) অনুসারী সাধারণ মুসলমানদের অবলীলায় 'কাফের', 'মুনাফেক' বা গোমরাহ বলে জঘন্যতম ফতোয়া দিচ্ছে। বহু জায়গায় এমন বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছে যে, সাদপন্থী ভাইরা আল্লাহর ঘর মসজিদে মালসামানা নিয়ে উঠলে, এই জুবায়েরপন্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়েছে, মারধর করেছে এবং তাঁদের বিছানাপত্র ও জিনিসপত্র মসজিদের বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছে!
বাগেরহাটের সেই মসজিদ: যেখানে উগ্রতা হেরে গেল মহব্বতের কাছে!
ঠিক এই চরম বৈরি পরিস্থিতির মাঝেই গত দুদিন আগে এক অভূতপূর্ব নজির সৃষ্টি হলো আমাদের বাগেরহাটের নিজ গ্রামের মসজিদে।
হঠাৎ করেই আমাদের গ্রামের মসজিদে জুবায়েরপন্থীদের ১৭ থেকে ১৮ জনের একটি বড় জামাত এসে উপস্থিত হয়। কাকতালীয়ভাবে, এই মসজিদের জিম্মাদার হলেন আমার পরম শ্রদ্ধেয় আব্বু, যিনি হযরতজি মাওলানা সাদ কান্ধলভী (হাফিঃ)-কে আমীর মেনে ও ভালোবেসে আজীবন মুখলিসভাবে তাবলীগের মেহনত করে আসছেন।
জুবায়েরপন্থীরা দেশের অন্যান্য মসজিদে সাদপন্থীদের সাথে যে নির্মম আচরণ করে, আমার আব্বু ও আমি চাইলে কিন্তু সেই একই আচরণের প্রতিশোধ নিতে পারতাম! আমরাও পারতাম তাদের তাড়িয়ে দিতে, তাদের মালসামানা মসজিদের বাইরে ফেলে দিতে।
কিন্তু না! নবিজির সুন্নতের পাঠশালা "তাবলীগ" আমাদের এই জঘন্য প্রতিশোধ নিতে শেখায়নি।
প্রতিশোধের বদলে পরম আন্তরিকতা ও নুসরত:
আমার আব্বু তাদের দেখে মুখ ফিরিয়ে নেননি, বরং বুকে টেনে নিয়েছেন। তিনি তাদের একটি মালসামানাতেও হাত দেননি, কোনো ঝগড়া বা তর্কে জড়াননি। উল্টো তিনি যা করেছেন, তা আজ কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামের ইতিহাসে এক সোনালী উদাহরণ হয়ে থাকবে:
আব্বু নিজে তাদের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পুরোটা সময় দিয়েছেন।
তালীম ও আমলে অংশগ্রহণ: জুবায়েরপন্থী জামাতের ভাইদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তালীমের হালকায় বসেছেন এবং প্রতিদিনের আমলে শরিক হয়েছেন।
খিদমত ও মেহমানদারি: আজ সকালে আব্বু অত্যন্ত আবেগ আপ্লুত হয়ে বললেন, "অনেকদিন হয়ে গেল আল্লাহর রাস্তার মুসাফিরদের মেহমানদারি করানো হয় না। চলো, আজকে এই জামাতটির পাশে দাঁড়িয়ে মন খুলে নুসরত করি।" এরপর তিনি আল্লাহর রাস্তার মুসাফির হিসেবে তাঁদের মেহমানদারি ও নুসরত করেছেন এবং সম্পূর্ণ সময় তাঁদের সাথে কাটিয়েছেন।
যে হাতগুলো অন্য জায়গায় সাদপন্থীদের মারার জন্য লাঠি তোলে, সেই ভাইরা আজ বাগেরহাটের নিজামুদ্দিন অনুসারী বাবার পরম ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। এর চেয়ে বড় হেদায়েত এবং সুন্নতি আখলাক আর কী হতে পারে?
বিশ্ব উম্মাহ, আলেম-ওলামা ও মাশায়েখদের প্রতি আকুল আবেদন: উম্মাহর ঐক্য।
এত কিছু বিস্তারিত বলার উদ্দেশ্য একটাই— আমরা যদি কাদা ছোঁড়াছুড়ি, মারামারি, মসজিদ দখল আর একে অপরকে কাফের-মুনাফেক বলা বন্ধ করে দিয়ে বাগেরহাটের এই বাবার মতো বুকটা বাড়িয়ে দিতে পারি, তবে আল্লাহ তাআলা নবীওয়ালা এই মেহনতকে কত উপরে নিয়ে যাবেন, তা আমাদের কল্পনারও বাইরে!
'তাবলীগ নিউজ'-এর পক্ষ থেকে সারা বিশ্বের সকল মুমিন মুসলমান, শায়খুল হাদিস, পীর-মাশায়েখ এবং সাধারণ সাথীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ:
আসুন, আমরা দুই ভাগে বিভক্ত না হয়ে, নিজেদের আলেম বা বড় দল দাবি করে অহংকার না করে, ভাইয়ে ভাইয়ে কাটাকাটি-মারামারি বন্ধ করি। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, উম্মাহর হেদায়েতের জন্য আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে মিলেমিশে কাজ করি। কাদা ছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করে মহব্বতের সাথে কাজ মেলালে তবেই না আল্লাহর খাস রহমত নাযিল হবে!
"আসুন, আমরা উগ্রতা নয়, আখলাক দিয়ে মানুষের মন জয় করি। হে আল্লাহ! দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতকে সকল ফিতনা থেকে হেফাজত করে বিশ্বজুড়ে ঐক্য নসিব করুন। আমিন।"
বিশেষ প্রতিবেদন: মুহাম্মদ সালমান কাজী, এডমিন, তাবলীগ নিউজ ।