স্মৃতি ছেড়া পাতা Sriti Chera Pata

স্মৃতি ছেড়া পাতা Sriti Chera Pata

Share

কিছু ভালো লাগা কথা, কিছু ভালোবাসার কথা, কিছু কষ্টের কথা, মন কে ভালো রাখার জন্য কিছু সময় কাটানো। সব কিছু ভরপুর

18/01/2026

খাটিয়ায় থাকা লাশটি ঢাকনা সরিয়ে বসে জিজ্ঞেস করলো"ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"

এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা।শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন
এভাবে:আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মা/রা গেছেন।
নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন।
আল্লাহ ওনাকে জান্নাতনসিব করুন।
তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃ/তদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ।
তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের
উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।
রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা।
এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ।
সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না।
ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই
খাটি/য়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল।
ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটিয়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা
কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!
আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা
খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে,
তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে।
মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল।
খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটিয়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল।
সবাই ভাবছে ভেতরে লা/শ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি।
তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।
ফজরের আজান হয়ে গেল।
মসজিদে প্রায় ৫০ জনের
মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম।
আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে!
ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি?
চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম
সাহেবের ঠিক সামনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের
সামনে সত্যিই নড়ছে!
আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।
ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভে/ঙে ঢাকনাটা সরাল।
মাথা বের করে সোজা*
জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'
ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর
কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল।
আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে! *
ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়ে মাথা ঠুকল।
কেউ কেউ আমার মতো খালি পায়েই ভোঁ দৌড়।
একজন তো ভয়ে
অজুখানার হাউজেই পড়ে গেল। সোজা কথায়, কয়েক
সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মসজিদ ফাঁকা!
কিন্তু হাসির ব্যাপার হলো,ওই খাটি/য়ার লোকটাও
আমাদের সাথে সাথে দৌড়াতে শুরু করল! সে
দৌড়াচ্ছে আর সবার পিছু পিছু চিৎকার করছে:
'ও ভাই! কী হয়েছে?
কেয়ামত হয়ে গেল নাকি?
আপনারা দৌড়াচ্ছেন কেন?'
আর পেছনের লোকজন
যতবার দেখছে যে 'লা/শ' তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছে,
তাদের দৌড়ানোর গতি তত বাড়ছে! বেচারা লোকটা
তখনও চিল্লাচ্ছে, 'আমাকে ফজরের জন্য ডাক দিলেন
না কেন?
আল্লাহ আপনাদের বিচার
করবেন!'
আসলে সে বুঝতেই পারছিল না যে এই ল/ঙ্কা/কাণ্ডের মূল
হোতা আসলে সে নিজেই!

10/01/2026

সফলতা কামনা করি ❤️😍🥭

10/01/2026

জীবনের মতন করে গুছিয়ে।

05/01/2026

চলো যাই টাঙ্গুয়ার হাওরে

03/01/2026

আমি মোহর দিয়ে বৈধভাবে বিবাহ করবো, এবং আমার স্ত্রী হবেন একান্তই আমার। তাঁর ভরণ–পোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা আমার উপর অর্পণ করেছেন। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিবারের অভিভাবক হিসেবে আমার উপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে দায়িত্বের হিসাবও একদিন আমাকে আল্লাহর কাছেই দিতে হবে।
একজন ব্যক্তিত্ববান ও দায়িত্বশীল পুরুষ কখনোই তার মা, বোন, স্ত্রী কিংবা কন্যা সন্তানকে অপ্রয়োজনে অন্য পুরুষের সামনে উপস্থাপন করে না। পরিবারের নারীদের সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা একজন পুরুষের ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব।
আমি আমার স্ত্রীকে পর্দার মধ্যে রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবো—কারণ এই দায়িত্বের হিসাব আল্লাহ তায়ালা আমার কাছ থেকেই নিবেন। তাই “আধুনিকতা”র দোহাই দিয়ে যদি কেউ আমাকে ভিন্ন পথে নেওয়ার চেষ্টা করে, সে প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। আধুনিকতার নামে শালীনতা ও নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়াকে আমি সমর্থন করি না।
আমার পথচলা আল্লাহর বিধান, দায়িত্ববোধ এবং পারিবারিক মর্যাদার ভিত্তিতেই নির্ধারিত।

30/12/2025

খালেদা জিয়াকে নিয়ে, শেখ হাসিনার বাজে ভাইরাল বক্তৃতা।

#বেগম #খালেদা #জিয়া #শেখহাসিনার #বক্তৃতা #বক্তব্য #বাংলাদেশ #বাংলাদেশরাজনীতি

21/12/2025

মেনশন করুন।

18/12/2025

কি আর লাহে বলো।

15/10/2025

আমরা বিয়ে করেছি। কিন্তু বাসায় জানে না। বাসায় জানলে ৩ টা সমস্যা হবে। আব্বু আম্মু মা%&ইর লাগাবে। দ্বিতীয় সমস্যা, বাসা থেকে বের করে দেবে। তখন সবে ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট সেমিস্টার। বাসা থেকে বের করে দিলে কোথায় থাকবো, কি খাবো?
তৃতীয় সমস্যা সবচেয়ে ভয়ংকর। পুলিশ। আমি যখন বিয়ে করি, তখন সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমার বয়স ১৯। বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলেরা দারুন বৈষম্যের শিকার। ২১ বছর না হলে তাদের বিয়ে বেআইনি হয়ে যায়। কাজেই বাসায় যদি জানে যে আমরা বিয়ে করেছি এবং ছেলে নাবা&%লক, তাহলে পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যাবে।

এজন্য আমি আর মিতু বিয়ে করলাম। কিন্তু বাসায় জানালাম না।যে যার বাসায় থাকি। ইউনিভার্সিটিতে আসি। মিতুকে আমি বলি, বউ। মিতু বলে, ওগো আমার স্বামী। আমরা ক্লাসে পাশাপাশি বসি। ক্যান্টিনে গিয়ে চা খাওয়ার সময় মিতু ওড়না দিয়ে চায়ের কাপ মুছে দিয়ে স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে। পরীক্ষার হলে মিতুকে আমি খাতা দেখিয়ে স্বামীর দায়িত্ব পালন করি। অতি সুখের সংসার।

ক্লাস শেষ হলে আমরা দুজন গাছতলায় বসি। মিতুকে আমি কথা দিয়েছিলাম, বিয়ের পর দুচোখ যেদিকে যায়, চলে যাবো। গাছের তলায় ঘর বাঁধবো।

কাজেই গাছের তলায় বসতে পেরে মিতু খুবই খুশি। তার স্বামী প্রতিশ্রুতি রেখেছে। বিয়ের পর গাছতলায় সংসার ফেঁদেছে।

এর মধ্যে মিতুর বাসায় কি যেন এক ঝামেলা হলো। মিতুর বাবা ঝা&%ড়ি মে&%রে ওকে বলল, আমার খাও, আমার পড়ো, আর আমার সাথে বেয়াদবি ?

বিয়ের পর মেয়েরা আসলেই পর হয়ে যায়। এই সামান্য কথায় মিতু দারুনভাবে আহত হলো। খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিলো। সে আর পিতার অন্ন মুখে তুলবে না। ক্লাসে এসে বলল, বাজার করে দাও।

আমি আকাশ থেকে পড়লাম। বাজার মানে? টাকা পাবো কোথায়? প্রথম আলোতে লিখে তখন কয়েকশত টাকা পেতাম। সেই টাকা তোলা হলো। কারওয়ান বাজার থেকে দুই কেজি চাল, আধা কেজি আলু এবং ডাল কেনা হলো। মিতু ব্যাগ ভর্তি করে বাজার নিয়ে বাসায় চলে গেলো। নিজে রান্না শুরু করলো। ভাত, আলু ভর্তা, ডাল। নিজেই রান্না করে, নিজেই খায়। সে এক কঠিন ব্রত।

আমি ভেবেছিলাম, এইভাবে মিতু একদিন মারা যাবে। না মিতু মারা যায়নি। বরং অতি সাধাসিধে খাওয়াদাওয়ার চর্চা করায় মিতু অল্প দিনেই শুকিয়ে গেলো। রাতারাতি তাকে অপ্সরীর মতো লাগতে লাগলো।

মিতুকে কখনো বলিনি, মিতু যতদিন ডালভাত কর্মসূচী চালিয়েছে, আমিও বাসায় মাছ মাংস ঠেলে সরিয়ে শুধু ডাল ভাতই খেতাম। আমার মা বলতেন, তোর কি হইছে?

আমি চোরের মতো মাথা নিচু করে বলতাম, কিছুই না, কিছুই না।

মাকে আমার বলতে ইচ্ছে করতো মিতুর কথা। কে বলে মেয়েরা লাজুক হয়? আমি যখন প্রথম আম্মুকে মিতুর কথা বলি, তখন আমি লাইট নিভিয়ে বলেছিলাম, আম্মু , আমার সাথে একটা মেয়ে পড়ে, ওর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তুমি আর আব্বু একটু যাবা, ওদের বাসায়?

আমার কথা শুনে আম্মু লাফ দিয়ে উঠলো। চট রুমের লাইট জ্বালিয়ে বলল, কোন মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, তাতে তোর কি? এসব তুই কি কইতাছোস? তোর কি মাথা খারাপ হইয়া গেছে?

আমি যখন বাসা থেকে পালালাম। একটা ফার্মেসি থেকে মিতুদের বাসার ল্যান্ড ফোনে কল দিলাম। মিতুকে বললাম, মিতু তুমি চলে এসো। আমি বাসা থেকে বের হয়ে এসেছি।

মিতু ছোট্ট করে বলল, আচ্ছা।

সব মিলিয়ে ১৫ সেকেন্ড।

টিএসসিতে আমি দাঁড়িয়ে আছি। তখন মোবাইল ফোনের যুগ না। অস্থির হয়ে বার বার ঘড়ি দেখছি। মিতু আসবে তো? দেরি করছে কেন? কখন আসবে? আমার চোখ জ্বালা করছে। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যত। পকেটে একটা টাকাও নেই। মাঝে মাঝে মায়ের কথা মনে পড়ছে। মাথার রগ টন টন করছে। চোখ অকারণে আর্দ্র হচ্ছে।

এমন সময় হুড তোলা রিকশায় করে মিতু আসলো। রিকশা থেকে নেমেই আমাকে দেখে হাসলো।

আমার ১৫ সেকেন্ডের একটা অনুরোধে একটি মেয়ে সব ফেলে চলে এসেছে। তার ১৮ বছরের বাবা, মা, ভাই, বোন। সবকিছু। কোথায় যাবে জানে না, কি খাবে, সেটাও জানে না।

কিন্তু রিকশা থেকে নেমেই এমন উজ্জলভাবে হাসলো ... যেন সে সব পেয়েছে। যেন সে পুরো বিশ্ব জয় করেছে।

আমি ভ্যালেন্টাইন ব্যাপারটা ঠিক বুঝিনা। ভালবাসা, প্রেম এগুলোও ঠিক মাথায় ঢোকে না।

আমার কাছে প্রেম মানে, ওই উজ্জল, নির্মল, সুখী একটা হাসি। কি পরম নির্ভরতাই না ছিল সেই হাসিতে। কি গাঢ় বিশ্বাসে মাখা ছিলো সেই হাসি।

এটাই আমার ভালবাসা। আমি বুকে হাত রেখে বলতে পারবো, আমি নিজের চোখে ভূত দেখিনি, কিন্তু ভালবাসা দেখেছি। কে বলে ভালবাসা বলে কিছু নেই? ওই এক মুহুর্তের হাসিই আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।

পুনশ্চ: আমি আর মিতু একসাথে ১৫ অথবা ১৬ বছর ধরে সংসার করছি। আগে বছর গুনে মনে রাখতাম। এখন গোণাগুনির ঝামেলায় যাই না। ওই হবে একটা। প্রতিদিন ঝগড়া করি, সপ্তাহে একদিন কথা বন্ধ থাকে, মাসে একবার ডিভোর্সের চিন্তা করি।

কিন্তু কিছু করতে গেলে, ওই হাসিটাই বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।

30/09/2025

একসময় কলা বিক্রি করে সংসার চালাতেন।ঘরে ছিল স্ত্রী আর একমাত্র ছেলে।সংসার ভালো মতনই চলছিল চিরঞ্জিত সেনগুপ্তর।হঠাৎই ছন্দপতন।স্ত্রী হৃদরোগে মা*রা যাওয়ার পরই একমাত্র ছেলে হৃদরোগে মা*রা যান।আর তাঁর ক্যা*ন্সার ধরা পড়ে।কোনদিকে যাবে ভেবে উঠতে না পেরে একসময় আ*ত্মহ*ত্যা করবেন বলে ঠিক করেন।এরপর তিনি ভাবেন ছেলে বউ তো চলে গেছে তাহলে তাঁর নাতনিকে কে দেখবে?তিনি আজ অসুস্থ শরীর নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় সাহায্য চেয়ে বেড়াচ্ছেন।দুর্গাপুজোতে ভিড়ে পা রাখার জায়গা নেই হাতিবাগানে, আর সেই জায়গায় বিনোদিনী সিনেমা হলের সামনে দেখা গেল হাতে বাটি নিয়ে পা ঘষতে ঘষতে লাঠি নিয়ে হাঁটছেন এক বৃদ্ধ। মহাচতুর্থীর রাতে এমনই দৃশ্য দেখা গেল।যেখানে দেবী দুর্গাকে দেখতে লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীরা নতুন জামা পরে ঘুরছেন সেখানে এই প্রৌঢ় মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে বেড়াচ্ছেন।পরিস্থিতি কার কখন কোন দিকে যাবে সত্যিই কেউ বলতে পারে না।

26/09/2025

ভালোবাসি জয়তুন ❤️

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Sylhet
Sylhet
3100