28/09/2023
সাম্প্রতিক GK
চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য
28/09/2023
সাম্প্রতিক GK
I have reached 100 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
#বানান
ার্ক_নিশ্চিত_কমন_পাবেন।
01) ইতিপূর্বে = ইতঃপূর্বে
02)সহযোগীতা = সহযোগিতা
03) শিরচ্ছেদ = শিরশ্ছেদ
04) মনোকস্ট = মনঃকষ্ট
05)অপারাহ্ন = অপরাহ্ণ
06)দূরবস্তা =দুরবস্থা
07)ষ্টেশন =স্টেশন
08)মুহুর্ত = মুহূর্ত
09) উপযোগীতা = উপযোগিতা
10) কল্যান = কল্যাণ
11) জীবীকা =জীবিকা
12) স্বরস্বতী = সরস্বতী
13) গীতাঞ্জলী =গীতাঞ্জলি
14) পিপিলিকা =পিপীলিকা
15) ব্যপ্ত = ব্যাপ্ত
16) মুখস্ত = মুখস্থ
17) সংস্কৃতিক =সাংস্কৃতিক
18) অন্তভুক্ত =অন্তর্ভুক্ত
19) ঐক্যতান = ঐকতান
20)উপরোক্ত = উপর্যুক্ত
21)বিদূষি =বিদুষি
22)ভূবন = ভুবন
23)বিভিষিকা = বিভীষিকা
24) আলচ্যমান = আলোচ্যমান
25) পুরান = পুরাণ
26)ঝরণা = ঝরনা
27) প্রনয়িণী = প্রণয়িনী
28) দৈন্যতা = দৈন্য, দীনতা
29)পুরষ্কার = পুরস্কার
30) স্নেহাশীস = স্নেহাশিস্
31)বয়জেষ্ঠ্য = বয়োজ্যেষ্ঠ
32)দূরাদৃস্ট = দুরাদৃষ্ট
33) কর্মজীবি = কর্মজীবী
34)আকাংখা = আকাংঙ্ক্ষা
35)প্রতিযোগীতা = প্রতিযোগিতা
36)সন্যাসী = সন্ন্যাসী
37) বহিস্কার = বহিষ্কার
38)জগত = জগৎ
39)মনীষি = মনীষী
40)শান্তনা = সান্ত্বনা
41)মন্ত্রীত্ব = মন্ত্রিত্ব
42)বুদ্ধিজীবি = বুদ্ধিজীবী
43)ইতিমধ্যে = ইতোমধ্যে
44)ভৌগলিক= ভৌগোলিক
45)মুমুর্ষু = মুমূর্ষু
46)শ্রদ্ধান্ঞ্জলী = শ্রদ্ধাঞ্জলি
47)উত্তারায়ন = উত্তরায়ণ
48) ঋন = ঋণ
49) সমিচিন. = সমীচীন
50) সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা
51) দারিদ্রতা = দরিদ্রতা/দারিদ্র্য
52) সুষ্ঠ = সুষ্ঠু
53) পরিস্কার. = পরিষ্কার
54) কৃজ্জটিকা = কৃজ্ঝটিকা
55) নিশিথিনি = নিশীথিনী
56) আদ্যান্তে = আদ্যন্ত
57) ব্রাক্ষ্মন = ব্রাহ্মণ
58) শুশ্রষা = শুশ্রূষা
59)মরিচিকা = মরীচিকা
60)স্বামীগৃহ = স্বামিগৃহ
61)আইনজীবি = আইনজীবী
62)নুন্যতম = ন্যূনতম
63)ব্যতিত = ব্যতীত
64)প্রানীবিদ্যা = প্রানিবিদ্যা
65)উজ্জল. = উজ্জ্বল
66) লজ্জাষ্কর. = লজ্জাকর
67) তোরন. = তোরণ
68)কার্য্যালয় = কার্যালয়
69) নিরব. = নীরব
70)উচ্ছাস. = উচ্ছ্বাস
71)ভ্রাতাগন = ভ্রাতৃগন
72) বাল্মিকী = বাল্মীকি
73)দোষণীয় = দূষণীয়
74)গ্রামীন. = গ্রামীণ
75)পোষ্টমাষ্টার = পোস্টমাস্টার
76) ভাতুস্পুএ = ভ্রাতুষ্পুত্র
77)নিক্কন = নিক্বণ
78)দ্বন্ধ = দ্বন্দ্ব
79)সম্বাদ = সংবাদ
80) সূচিপত্র =সূচীপত্র
সংসদ অধিবেশন ডাকেন-
(ক)স্পিকার (খ)প্রধানমন্ত্রী (গ)চিফ হুইপ (ঘ)রাষ্ট্রপতি
এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন
১.অকালে পক্ব হয়েছে যা—অকালপক্ব।
২. অক্ষির অগোচরে—পরোক্ষ।
৩. অক্ষির সম্মুখে—প্রত্যক্ষ।
৪. অগ্রে গমন করে যে—অগ্রগামী।
৫. অতি দীর্ঘ নয়—নাতিদীর্ঘ।
৬. অতি শীতলও নয় অতি উষ্ণও নয়—নাতিশীতোষ্ণ।
৭. অগ্রে জন্মগ্রহণ করেছে যে—অগ্রজ।
৮. অনেক কষ্টে ভিক্ষা পাওয়া যায় যখন—দুর্ভিক্ষ।
৯. অনেকের মধ্যে একজন—অন্যতম।
১০. অনুসন্ধান করার ইচ্ছা— অনুসন্ধিৎসা।
১১. পশ্চাতে গমন করে যে—অনুগামী।
১২. অবশ্যই যা ঘটবে—অবশ্যম্ভাবী।
১৩. অভিজ্ঞতার অভাব যার— অনভিজ্ঞ।
১৪. অহংকার করে যে—অহংকারী।
১৫. অহংকার নেই এমন—নিরহংকার।
১৬. অল্প ব্যয় করে যে—মিতব্যয়ী।
১৭. আকাশ পথে যে যান ব্যবহার করা যায়—নভোযান।
১৮. আচারে নিষ্ঠা আছে যার— আচারনিষ্ঠ।
১৯. আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত—আদ্যন্ত।
২০. আপনার বর্ণ লুকায় যে— বর্ণচোরা।
২১. আমিষের অভাব—নিরামিষ।
২২. আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার— আস্তিক।
২৩. আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার— নাস্তিক।
২৪. আকাশে ওড়ে যে—খেচর।
২৫. ইতিহাস জানেন যিনি— ইতিহাসবেত্তা।
২৬. ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে—জিতেন্দ্রিয়।
২৭. ক্ষণকালের জন্য স্থায়ী—ক্ষণস্থায়ী।
২৮. উপায় নেই যার—নিরুপায়।
২৯. উপকার করেন যিনি—উপকারক।
৩০. উপকারীর উপকার স্বীকার করা— কৃতজ্ঞতা
৩১. কল্পনা করা যায় না এমন— অকল্পনীয়।
৩২. খাওয়ার ইচ্ছা—ক্ষুধা।
৩৩. গরুর ডাক—হাম্বা।
৩৪. চোখে যার লজ্জা নেই— চশমখোর।
৩৫. জন্ম থেকে আরম্ভ করে—আজন্ম।
৩৬. জানা আছে যা—জ্ঞাত।
৩৭. জানা নেই যা—অজ্ঞাত।
৩৮. জলে ও স্থলে চরে যে—উভচর।
৩৯. জায়া ও পতি—দম্পতি।
৪০. জীবন পর্যন্ত—আজীবন।
৪১. একই গুরুর শিষ্য—সতীর্থ।
৪২. একই বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট— একাগ্রচিত্ত।
৪৩. একই সময়ে—যুগপৎ।
৪৪. একই সময়ে বর্তমান— সমসাময়িক।
৪৫. একই মাতার উদরে জন্ম যাদের— সহোদর।
৪৫. কোনো ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না—অনিবার্য।
৪৬. কণ্ঠ পর্যন্ত—আকণ্ঠ।
৪৭. কম কথা বলে যে—মিতভাষী।
৪৮. যার কোনো কিছুতে ভয় নেই—অকুতোভয়।
৪৯. যার অন্য উপায় নেই—অনন্যোপায়।
৫০. যার কাজ করার শক্তি আছে—সক্ষম।
৫১. যার আকার নেই—নিরাকার।
৫২. যার পীড়া হয়েছে—পীড়িত।
৫৩. যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে—প্রত্যুৎপন্নমতি।
৫৪. যিনি অধিক ব্যয় করেন না—মিতব্যয়ী।
৫৫. যিনি শিক্ষা দান করেন—শিক্ষক।
৫৬. যিনি বিশেষ জ্ঞান রাখেন—বিশেষজ্ঞ।
৫৭. শুভক্ষণে জন্ম যার—ক্ষণজন্মা।
৫৮. শত্রুকে দমন করে যে—অরিন্দম।
৫৯. শৈশবকাল অবধি—আশৈশব।
৬০. শুকনো পাতার শব্দ—মর্মর।
৬১. সকলের জন্য প্রযোজ্য—সর্বজনীন।
৬২. সমুদ্র পর্যন্ত—আসমুদ্র।
৬৩. সমস্ত পৃথিবীর লোকের বন্দনাযোগ্য —বিশ্ববন্দিত, বিশ্ববন্দ্য।
৬৪. সারা দুনিয়ায় খ্যাত—জগদ্বিখ্যাত।
৬৫. সাধনা করেন যিনি—সাধক।
৬৬. সিংহের ডাক—হুংকার।
৬৭. সোনার মতো দেখতে—সোনালি।
৬৮. হনন করার ইচ্ছা—জিঘাংসা।
৬৯. হরিণের চামড়া—অজিন।
৭০. হিত কামনা করে যে—হিতৈষী।
৭১. হঠাৎ রাগ করে যে—রগচটা।
৭২. হাতির ডাক—বৃংহণ/বৃংহিত।
৭৩. কষ্টে গমন করা যায় যেখানে—দুর্গম।
৭৪. কোথাও উঁচু কোথাও নিচু—বন্ধুর।
৭৫. কী করতে হবে তা বুঝতে না পারা—কিংকর্তব্যবিমূঢ়
৭৬. কূলের সমীপে—উপকূল।
৭৭. কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী—কর্মঠ।
৭৮. কল্পনা করা যায় না এমন—অকল্পনীয়।
৭৯. কোকিলের স্বর—কুহু।
৮০. খাবার যোগ্য—খাদ্য।
৮১. খ্যাতি আছে যার—খ্যাতিমান।
৮২. ঘোড়ার ডাক—হ্রেষা।
৮৩. চিরদিন মনে রাখার যোগ্য—চিরস্মরণীয়।
৮৪. জানার ইচ্ছা—জিজ্ঞাসা।
৮৫. জয়ের জন্য যে উৎসব—জয়োৎসব।
৮৬. ডালের আগা—মগডাল।
৮৭. তুলনা হয় না এমন—অতুলনীয়।
৮৮. তিন রাস্তার মোড়—তেমাথা।
৮৯. তাল ঠিক নেই যার—বেতাল।
৯০. ত্রি (তিন) ফলের সমাহার—ত্রিফলা।
৯১. দমন করা যায় না এমন—অদম্য।
৯২. দিনের মধ্যভাগ—মধ্যাহ্ন।
৯৩. দিনে যে একবার আহার করে—একাহারী।
৯৪. দিবসের প্রথম ভাগ—পূর্বাহ্ন।
৯৫. দিবসের শেষ ভাগ—অপরাহ্ন।
৯৬. দূরে দেখে না যে—অদূরদর্শী।
৯৭. নষ্ট হয় যা—নশ্বর।
৯৮. নিশাকালে চরে বেড়ায় যে—নিশাচর।
৯৯. নদীমাতা যার—নদীমাতৃক।
১০০. নূপুরের শব্দ—নিক্বণ।
১০১. নতুন কিছু তৈরি করা—উদ্ভাবন।
১০২. নিজের অধিকার—স্বাধিকার।
১০৩. নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিসের গাদা—আবর্জনা।
১০৪. নিজের ইচ্ছায়—স্বেচ্ছায়।
১০৫. পরের অধীন—পরাধীন।
১০৬. পা থেকে মাথা পর্যন্ত—আপাদমস্তক।
১০৭. পান করার ইচ্ছা—পিপাসা।
১০৮. প্রতিভা আছে যার—প্রতিভাবান।
১০৯. পরিহার করা যায় না এমন—অপরিহার্য।
১১০. পান করার যোগ্য—পেয়।
১১১. প্রহরা দেয় যে—প্রহরী।
১১২. পাখির কলরব—কূজন।
১১৩. পান করার ইচ্ছা—পিপাসা।
১১৪. পা হতে মাথা পর্যন্ত—আপাদমস্তক।
১১৫. পেছনে সরে যাওয়া—পশ্চাদপসরণ।
১১৬. প্রাণ আছে যার—প্রাণী।
১১৭. ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়—ওষধি।
১১৮. বাঘের ডাক—গর্জন।
১১৯. বয়সে সবচেয়ে ছোট—কনিষ্ঠ।
১২০. বয়সে সবচেয়ে বড়—জ্যেষ্ঠ।
১২১. বেশি কথা বলে যে—বাচাল।
১২২. বরণ করার যোগ্য—বরণীয়।
১২৩. বিচার নেই এমন—অবিচার্য।
১২৪. ব্যাকরণ জানেন যিনি—বৈয়াকরণ।
১২৫. বীরদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ—বীরশ্রেষ্ঠ।
১২৬. বেঁচে আছে এমন—জীবিত।
১২৭. বিনা পয়সায়—মুফত/মাগনা।
১২৮. বিভিন্ন জাতি সম্পর্কীয়—বহুজাতিক।
১২৯. বড় গ্রহকে ঘিরে যে ছোট গ্রহ ঘোরে—উপগ্রহ।
১৩০. ভয় নেই যার—নির্ভীক।
১৩১. ভিক্ষার অভাব—দুর্ভিক্ষ।
১৩২. ভাষা সম্পর্কে যিনি বিশেষ জ্ঞান রাখেন — ভাষাবিদ।
১৩৩. ভোজন করতে ইচ্ছুক—বুভুক্ষু।
১৩৪. ভাবা যায় না এমন—অভাবনীয়।
১৩৫. ভ্রমরের গান—গুঞ্জন।
১৩৬. মধুর ধ্বনি—মধুরা।
১৩৭. মরণ পর্যন্ত—আমরণ।
১৩৮. মৃতের মতো অবস্থা—মুমূর্ষু।
১৩৯. মেধা আছে যার—মেধাবী।
১৪০. ময়ূরের ডাক—কেকা।
১৪১. মায়ের মতো যে ভূমি—মাতৃভূমি।
১৪২. মিষ্টি কথা বলে যে—মিষ্টভাষী।
১৪৩. যে গাছ অন্য গাছের ওপর জন্মে— পরগাছা।
১৪৪. যে নারীর পুত্রসন্তান হয়নি—অপুত্রক।
১৪৫. যে পরিণাম বোঝে না— অপরিণামদর্শী।
১৪৬. যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না—বনস্পতি।
১৪৭. যে জামাই শ্বশুরবাড়ি থাকে— ঘরজামাই।
১৪৮. যে মেয়ের বিয়ে হয়নি—অনূঢ়া।
১৪৯. যে পরে জন্মগ্রহণ করেছে—অনুজ।
১৫০. যে জমিতে দুবার ফসল হয়—দো-ফসলা।
১৫১. যে সংবাদ বহন করে—সাংবাদিক।
১৫২. যে অত্যাচার করে—অত্যাচারী।
১৫৩. যে শব্দ বাধা পেয়ে ফিরে আসে— প্রতিধ্বনি।
১৫৪. যে অন্যের অধীন নয়—স্বাধীন।
১৫৫. যে নৌকা চালায়—মাঝি।
১৫৬. যেখানে লোকজন বাস করে— লোকালয়।
১৫৭. যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে —কৃতজ্ঞ।
১৫৮. যে হিংসা করে—হিংসক।
১৫৯. যে উপকারীর অপকার করে—কৃতঘ্ন।
১৬০. যে বিদেশে থাকে—প্রবাসী।
১৬১. যে আকাশে চরে—খেচর।
১৬২. যা মর্ম স্পর্শ করে—মর্মস্পর্শী।
১৬৩. যা সহজে লাভ করা যায়—সুলভ।
১৬৪. যা সহজে লাভ করা যায়—সুলভ।
১৬৫. যা সহজে ভেঙে যায়—ভঙ্গুর।
১৬৬. যা বালকের মধ্যেই সুলভ—বালসুলভ।
১৬৭. যা লাফিয়ে চলে—প্লবগ।
১৬৮. যা বুকে হাঁটে—সরীসৃপ।
১৬৯. যা বলার যোগ্য নয়—অকথ্য।
১৭০. যা চুষে খাওয়া যায়—চুষ্য।
১৭১. যা জলে জন্মে—জলজ।
১৭২. যা দেখা যাচ্ছে—দৃশ্যমান।
১৭৩. যা পূর্বে ছিল এখন নেই—ভূতপূর্ব।
১৭৪. যা একইভাবে চলে —গতানুগতিক।
১৭৫. যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না— অবর্ণনীয়।
১৭৬. যা কষ্ট করে জয় করা যায়— দুর্জয়।
১৭৭. যা হবেই/হইবে—ভাবী। সাদিক স্যার
১৭৮. যা সহজে দমন করা যায় না— দুর্দমনীয়।
১৭৯. যা মাটি ভেদ করে ওঠে—উদ্ভিদ।
১৮০. যা ফুরায় না—অফুরান।
১৮১. যা জলে চরে—জলচর।
১৮২. যা কষ্টে লাভ করা যায়—দুর্লভ।
১৮৩. যা পূর্বে ঘটেনি—অভূতপূর্ব।
১৮৪. যার তল স্পর্শ করা যায় না— অতলস্পর্শী।
১৮৫. যার বিশেষ খ্যাতি আছে—বিখ্যাত।
১৮৬. যার নাম কেউ জানে না— অজ্ঞাতনামা।
১৮৭. যার পত্নী গত হয়েছে—বিপত্মীক।
১৮৮. যার ভাতের অভাব—হাভাতে।
১৮৯. যার মমতা নেই—নির্মম।
১৯০. যার তুলনা হয় না—অতুলনীয়।
১৯১. যার সীমা নেই—অসীম।
১৯২. যার তুলনা নেই—অতুলনীয়।
১৯৩. যার অন্ত নেই—অন্তহীন।
১৯৪. যার শত্রু জন্মায়নি—অজাতশত্রু।
১৯৫. গরু রাখার স্থান — গোহাল।
১৯৬. ঢেউয়ের ধ্বনি — কল্লোল।
১৯৭. পুবের বাতাস — পুবালি।
১৯৮. গরু চরায় যে — রাখাল।
১৯৯. গাভির ডাক — হাম্বা।
২০০. বিশ্বের যে নবী — বিশ্বনবী।
২০১. বিদেশে থাকে যে — প্রবাসী।
২০২. পুতুল পূজা করে যে — পৌত্তলিক।
২০৩. রুপার মতো — রুপালি।
২০৪. মাটির তৈরি শিল্পকর্ম — মৃৎশিল্প।
২০৫. আঠা যুক্ত আছে যাতে — আঠালো।
২০৬. চালচলনের উৎকর্ষ — সভ্যতা।
২০৭. পুরুষানুক্রমিক — ঐতিহ্য।
২০৮. চিত্রকর্মের কাঠামো — নকশা।
২০৯. জীবন পর্যন্ত — আজীবন।
২১০. জনশূন্য স্থান — নির্জন।
২১১. যে বৃক্ষের ফুল না হলেও ফল হয় — বনস্পতি।
২১২. মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গবিশেষ — মৌমাছি।
২১৩. জ্ঞানের সঙ্গে বিদ্যমান — সজ্ঞান।
২১৪. আপনাকে ভুলে থাকে যে — আপনভোলা।
২১৫. বিলম্বে নয় এমন — অবিলম্বে।
২১৬. স্থির নয় এমন — অস্থির।
২১৭. ফুল হতে জাত — ফুলেল।
২১৮. আলাপ করতে তৎপর — আলাপী।
২১৯. আলোচনার বিষয়বস্তু — আলোচ্য।
২২০. মুক্তি কামনা করে যে — মুক্তিকামী।
𒊹︎︎︎বানান: (১০-৪০তম বিসিএস)
০১। শুদ্ধ বানান কোনটি - মুমূর্ষু। [১০ম, ২১তম]
০২। কোনটি শুদ্ধ - সৌজন্য। [১১তম]
০৩। কোন বানানটি শুদ্ধ - পাষাণ। [১২তম]
০৪। বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের কোন বানান দুটি শুদ্ধ -হাতি/ হাতী। [১৩তম]
০৫। কোন বানানটি শুদ্ধ - বিভীষিকা। [১৪তম]
০৬। শুদ্ধ বানান নির্দেশ কর - মুহুর্মুহু। [১৫তম]
০৭। কোন বানানটি শুদ্ধ - সমীচীন। [১৮তম]
০৮। কোন বানানটি শুদ্ধ - শুশ্রুষা। [২০তম]
০৯। নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন বানানে বর্তমান - আষাঢ়। [২০তম, ২৪তম]
১০। কোন বানানটি শুদ্ধ - শুচিস্মিতা (৪টি অপশন ভুল ছিল)। [২১তম]
১১। শুদ্ধ বানানের শুদ্ধগুচ্ছ সনাক্ত করুন - স্বায়ত্তশাসন, অভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক।[২৩তম]
১২। কোনটি শুদ্ধ বানান - দ্বন্দ্ব। [২৫তম]
১৩। কোন বানানটি শুদ্ধ - নিশীথিনী। [৩১তম, ৩৩তম]
১৪। কোন বানানটি শুদ্ধ - আকাঙ্ক্ষা। [৩১তম]
১৫। কোন বানানটি শুদ্ধ নয় - উর্ধ্ব (শুদ্ধ - ঊর্ধ্ব)। [৩৩তম]
১৬। কোন বানানটি শুদ্ধ - পিপীলিকা। [৩৩তম]
১৭। কোনটি শুদ্ধ বানান - শ্বশুর। [৩৫তম]
১৮। কোন বানানটি শুদ্ধ - প্রতিযোগিতা। [৩৫তম]
১৮। নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ - মনীষী। [৩৫তম]
১৯। নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ণ' -এর ব্যবহার হয়েছে - প্রবণ।[৩৬তম]
২০। নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলোই বানান অশুদ্ধ - নিক্কন, সূচগ্ৰ, অনুর্ধ্ব(শুদ্ধ- নিক্বন, সূচ্যগ্ৰ, অনুর্ধ)। [৩৭তম]
২১। কোনটি শুদ্ধ বানান – শুদ্ধ উত্তর নেই (স্বায়ত্তশাসন)। [৩৮তম]
২২। কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে - ত্রিভুজ[৩৮তম]
২৩। কোনটি শুদ্ধ বানান - প্রোজ্জ্বল। [৪০তম]
বাংলাদেশের উপজাতি
✿ বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা – 50 টি।
✿ সরকারি হিসেবে দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৪৮ টি।
✿ বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি – চাকমা
✿ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি – সাওতাল।
✿ পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে – ১৩ টি।
✿ বাংলাদেশে উপজাতির ভাষার সংখ্যা – ৩২ টি।
✿ প্রকৃতি পুজারি উপজাতি – মুন্ডা ও মনিপুরী।
✿ উপজাতীয় বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে বলা হয় – বৈসাবি।
✿ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান অাইনে যতটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও শ্রেণির জণগণের উল্লেখ অাছে – ২৭ টি।
✿ উপজাতি, ক্ষুদ্রজাতি সত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে সংবিধানের – ২৩(ক) অনুচ্ছেদে।
✿ লিখিত বর্ণমালা নেই যে উপজাতির – সাওতাল।
✿ মগ উপজাতি পাহাড়ি এলাকায় পরিচিত – মারমা নামে।
✿ মগ উপজাতি সমতল এলাকায় পরিচিত – রাখাইন নামে।
✿ মগদের অাদি নিবাস ছিল – অারাকান।
✿ জলকেলি যাদের উৎসব – রাখাইনদের।
✿ ত্রিপুরাদের ভোজানুষ্ঠানকে বলে -সামৌং
✿ গারোদের ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতি – জুমচাষ।
✿ গারোদের ভাষার স্থানীয় নাম – মান্দি ভাষা।
✿ পাঙনরা যে ভাষায় কথা বলে – মৈ তৈ মণিপুরী ভাষায়।
✿ খিয়াংরা ঈশ্বরকে বলে – হ্নাদাগা।
✿ যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহুবিবাহ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন রয়েছে – হাজং।
✿ বাংলাদেশে মোট উপজাতি সংখ্যা – ১৫৮৬১৪১ জন।
✿ বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার – ১.১০%
✿ চাকমা ভাষায় লিখিত উপন্যাসের নাম – ফেবো
✿ যে উপজাতি মুসলমান – পাঙন।
✿ উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী গেরিলা সংগঠনের নাম – শান্তি বাহিনী।
✿ শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যান – জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।
✿ বাংলাদেশে উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান অাছে – ৮টি।
✿ যে দুটি উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক – গারো ও খাসিয়া।
♨ কয়েকটি উপজাতির পরিচয়:
✿ চাকমা :
● অবস্থান : পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।
● ধর্ম : বৌদ্ধ
● প্রধান উৎসব : বিজু
✿ সাওতাল :
● অবস্থান : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর
● ধর্ম : নাই
● প্রধান উৎসব : সোহরাই
● দেবতাদের নাম : সিং বোঙ্গা, মারাং বকু, ওরাক, মোরেইকো।
✿ ত্রিপুরা/টিপরা
● অবস্থান: পাবর্ত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা।
● ধর্ম: সনাতন
● প্রধান উৎসব : বৈসুক
● দেবতাদের নাম : হিন্দুদের কিছু কিছু দেবতা
✿ রাখাইন :
● অবস্থান : পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, বরগুনা, পটুয়াখ
★★★সাম্প্রতিক ★★★
১) দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম- MRT line-1
২) দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় - ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
৩) দেশের প্রথম পাতাল রেলের দৈর্ঘ্য - ১৯.৮৭২ কিমি
৪) বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল - ৪০ টি
৫) সর্বশেষ রাজনৈতিক দল - তৃণমূল বিএনপি
৬) জাতীয় পেনশন কতৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয় - ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
৭) বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি - মোঃ সাহাবুদ্দিন
৮) বঙ্গবন্ধু- পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র - গাজীপুর
৯) ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ দেশের প্রথম "স্মার্ট উপজেলা" হিসেবে উদ্বোধন করা হয় - শিবচর, মাদারীপুর।
১০) বাংলাদেশ দ্বিতীয় ব্রিটিশ নারী হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হন- সারাহ কুক
১১) বাংলাদেশ নিযুক্ত প্রথম ব্রিটিশ হাইকমিশনার - অ্যালিসন ব্লেইক
১২) মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে - মেহেরপুর
১৩) ২০২১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা চলচ্চিত্র - লাল মুরগের ঝুঁটি ও নোনাজলের কাব্য।
যে কোন চাকরির পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আজকের বিষয়: বাংলা
টপিক: ধ্বনি ও বর্ণ
১। ভাষার মূল উপকরণ – বাক্য
২। ভাষার মূল উপাদান – ধ্বনি
৩। ভাষার বৃহত্তম একক – বাক্য
৪। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক – ধ্বনি
৫। বাক্যের মৌলিক উপাদান – শব্দ
৬। বাক্যের মূল উপাদান – শব্দ
৭। বাক্যের মূল উপকরণ – শব্দ
৮। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক – শব্দ
৯। শব্দের মূল উপাদান – ধ্বনি
১০। শব্দের মূল উপকরণ – ধ্বনি
১১। শব্দের ক্ষুদ্রতম একক – ধ্বনি
১২। ধ্বনি নির্দেশক চিহৃ – বর্ণ
১৩। ভাষার ইট বলা হয় – বর্ণকে
১৪। ভাষার স্বর বলা হয় – ধ্বনিকে
১৫। ভাষার ছাদ বলা হয় – বাক্যকে
১৬। ভাষার রীতি – ২ টি (সাধু ও চলিত)
১৭। সারা পৃথিবীতে ভাষা প্রচলিত আছে –
৩৫০০ (প্রায়)
১৮। ভাষার মৌলিক অংশ – ৪ টি
১৯। ভাষার আলোচ্য বিষয় – ৪টি
২০। বাংলা ভাষায় ধ্বনি – ২ প্রকার (স্বর
ধ্বনি ও ব্যঞ্জণ ধ্বনি)
২১। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে –
৫০টি
২২। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ – ১১ টি
২৩। বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ – ৩৯টি
২৪। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ –
৭টি ( অ,আ,ই,উ,এ,অ্যা,ও )
২৫। বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা বিহীন বর্ণ
– ১০ টি ( এ,ঐ,ও,ঔ,ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ,ঁ )
২৬। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রাযুক্ত বর্ণ
– ৮টি ( ঋ,খ,গ,ণ,থ,প,ধ,শ )
২৭। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণ –
৩২ টি ( অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ, ক,ঘ,চ,ছ,জ,ঝ,ট,ঠ,ড,ঢ,
ত,দ,ন,ফ,ব,ভ,ম,য,র,ল,ষ,স,হ,ড়,ঢ়,য় )
২৮। পূর্ণমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ – ৬ টি
( অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ )
২৯। পূর্ণমাত্রাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ - ২৬টি
( ক,ঘ,চ,ছ,জ,ঝ,ট,ঠ,ড,ঢ,ত,দ,ন,ফ,ব,ভ,ম,য,র,ল,
ষ,স,হ,ড়,ঢ়,য় )
৩০। বাংলা ধ্বনির মতো বর্ণ – দুই প্রকার।
১. স্বরবর্ণ, ২. ব্যঞ্জনবর্ণ।
৩১। স্বরবর্ণের ‘কার’ চিহ্ন – ১০টি
আ=া, ই= ি,
ঈ=ী, উ=ু,
ঊ=ূ,ঋ ৃ,
এ= ে, ঐ= ৈ,
ও= ো, ঔ= ৌ।
৩২। কার চিহ্ন নেই এমন স্বরবর্ণ – ১ টি (অ)
৩৩। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বজ্ঞাপক
বর্ণ – ২ টি (ঐ এবং ঔ)
৩৪। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির
সংখ্যা – ২৫ টি
৩৫। মাত্রাহীন স্বরবর্ণ – ৪ টি (এ, ঐ, ও, ঔ)
৩৬। মাত্রাহীন ব্যঞ্জণবর্ণ – ৬ টি
( ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ,ঁ )
৩৭। অর্ধমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ – ১ টি (ঋ)
৩৮। অর্ধমাত্রাযুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ – ৭টি
( খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ )
৩৯। বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্বস্বর – ৪টি
( অ,ই,উ,ঋ )
৪০। বাংলা বর্ণমালায় দীর্ঘস্বর - ৭টি
( আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ )
৪১। বাংলা বর্ণমালায় যে দুটি ধ্বনি
উচ্চরণে কোন পার্থক্য নেই - ঙ,ং
৪২। বাংলা বর্ণমালায় বর্গ আছে – ৫টি